Students Against Oppression, DIU

Students Against Oppression, DIU মিনহাজিন নবুওয়্যাহ'র আলোকে দ্বীনের প্রচার, প্রসার এবং বিজয়ই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

04/07/2026
Tera mera rishta kya??La ilaha illallah🤍
22/06/2026

Tera mera rishta kya??
La ilaha illallah🤍

সেকুলাররা রাগ করলেন??
06/06/2026

সেকুলাররা রাগ করলেন??

Only Khilafah Can Protect the Honour of the Quran and Woman.She disrespected Veil and Quran.
20/05/2026

Only Khilafah Can Protect the Honour of the Quran and Woman.
She disrespected Veil and Quran.

আজ আমাদের ঢাল না থাকায় পশ্চিমবঙ্গসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলিম ভাই-বোনেরা নানাভাবে অবহেলিত বা নিপীড়িত হচ্ছেন। যখন ক...
18/05/2026

আজ আমাদের ঢাল না থাকায় পশ্চিমবঙ্গসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলিম ভাই-বোনেরা নানাভাবে অবহেলিত বা নিপীড়িত হচ্ছেন। যখন কোনো জাতির অভিভাবক থাকে না, তখনই তারা অন্যের অন্যায়ের শিকার হয়।
"নিশ্চয়ই খলিফা হচ্ছেন একটি ঢাল, যার পেছনে থেকে যুদ্ধ করা হয় এবং যার মাধ্যমে নিরাপত্তা লাভ করা হয়।" — (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৪৭৭২)

07/04/2026

গতকাল ০৬/০৪/২৬ ইং, রাত ৮ টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। শিশুটি বাসায় একা ছিল তখনই বাড়ির মালিক এটার সুযোগ নেয় । রাত ৮ টার পরে শিশুটির মা বাসায় ঢুকেই এই পরিস্থিতি দেখতে পান এবং তিনি ট্রোমার মধ্যে চলে যান। শিশুটির বাবা(ড্যাফোডিলের কর্মী) রাত ১০ টায় বাসায় গেলে তার কিছুক্ষণ পর এটি জানতে পেরে বাসায় চিল্লাচিল্লি শুরু হয়। ধর্ষক তা জানতে পেরে তাৎক্ষণিক পালিয়ে যায়। তারপর শিশুটির বাবা-মা চরম ট্রমার মধ্যে চলে যান এবং ঘটনা ড্যাফোডিল প্রশাসনকে জানাতে একটু লেইট করেন(আনুমানিক রাত ১০:৩০)। আমাদের টিম জানতে পারে রাত ১১ টার দিকে। এরপর পুলিশ আসতে আসতে, রাত ১১:৩০ টায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে, পুরো ঘটনা তদন্ত করে, মামলা দায়ের করে, এবং একটি অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে শিশুটিকে রাত ১২:১৫ টার দিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরিশেষে আমরা পরিবারের মুখ থেকে জানতে পারি এটা যেন কোনো ভাবেই না ছড়ায়।(মূলত শিশুটির ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তারা এই সিদ্ধান্ত নেয়।

Copied from: Life on DIU

মূলত সেকুলারিজমই ধর্ষক তৈরির কারখানা। যে মানব রচিত ব্যবস্থা নারীদেরকে পণ্য হিসেবে দেখায় সেই ব্যবস্থায় ধর্ষণের কোনো বিচার-সমাধান দেয় না।

আল্লাহ তাআলার দেয়া জীবন ব্যবস্থা খিলাফতই পারে ধর্ষণের প্রকৃত সমাধান দিতে।
ইতিহাসে খিলাফত আমলে এ ধরনের অপরাধের বিচার অত্যন্ত দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলকভাবে করা হতো:
রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আমল: মদীনায় এক মহিলা মসজিদে যাওয়ার পথে ধর্ষিত হন। সাহাবায়ে কেরাম একজনকে সন্দেহ করে ধরে আনেন। পরে প্রকৃত অপরাধী নিজে এসে স্বীকারোক্তি দিলে আল্লাহর রাসূল (সা.) তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং নির্যাতিতা নারীকে নির্দোষ ঘোষণা করে সান্ত্বনা দেন।

খলিফা ওমর (রা.)-এর আমল: একবার এক সিরীয় নারী মদীনায় এসে অভিযোগ করেন যে এক ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক লাঞ্ছিত করেছে। ওমর (রা.) তৎক্ষণাৎ তদন্তের নির্দেশ দেন এবং অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে প্রকাশ্য দিবালোকে কঠোর শাস্তি প্রদান করেন।

উমাইয়া ও আব্বাসীয় আমল: ইতিহাসবিদদের মতে, তখন রাস্তাঘাটে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে 'শুরাতা' (পুলিশ বাহিনী) টহল দিত। মুহাম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু অভিযানের অন্যতম কারণ ছিল জলদস্যুদের হাতে নির্যাতিত মুসলিম নারীদের আর্তনাদ এবং তাদের সম্মান রক্ষা করা।

AI hai bhai
17/03/2026

AI hai bhai

মুসলিমদের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করা, তাদের শত্রুদের সহায়তা করা কিংবা মুসলিমদের বিপক্ষে গিয়ে কাফিরদের প্রতি আনুগত্য স্থা...
17/03/2026

মুসলিমদের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করা, তাদের শত্রুদের সহায়তা করা কিংবা মুসলিমদের বিপক্ষে গিয়ে কাফিরদের প্রতি আনুগত্য স্থাপন করা কোনো সাধারণ বিষয় নয়; বরং এটি এমন একটি গুরুতর বিষয়, যা কোনো মুসলিমকে মুরতাদ বানিয়ে দেয়।

সূরা আল-মায়িদার ৫১ নং আয়াতের তাফসীরে ইমাম কুরতুবী রাহিমাহুল্লাহ্‌ বলেনঃ
❝আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার বাণীঃ “যে ব্যক্তি তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে” অর্থাৎ মুসলিমদের বিরুদ্ধে তাদেরকে (কাফিরদেরকে) সাহায্য সহযোগিতা করবে, নিশ্চয়ই সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। আল্লাহ তায়ালা সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিয়েছেন যে, তার হুকুম উক্ত কাফিরদের হুকুমের মতই হবে। আর তা একজন মুসলিমের জন্য মুরতাদ থেকে মিরাস প্রতিষ্ঠিত হওয়া থেকে বিরত রাখবে। আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই কাফিরদের সাথে মুওয়ালাত বা সুসম্পর্ক করেছিলো। অতঃপর কাফিরদের সাথে মুওয়ালাত বা সুসম্পর্ক ছিন্ন করার ক্ষেত্রে এই বিধান কিয়ামত পর্যন্ত বহাল থাকবে।❞
-তাফসীরে কুরতুবী.

ঈমান ভঙ্গকারী বিষয়সমূহের আলোচনায় শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব রাহিমাহুল্লাহ্‌ বলেনঃ
❝মুসলিমদের বিরুদ্ধে মুশরিকদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করা ঈমান ভঙ্গের বিষয়সমূহের অন্তর্ভুক্ত। দলীল হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, “যে ব্যক্তি তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা যালিমদেরকে হিদায়াত দান করেন না।”❞
-নাওয়াক্বিদ্বুল ইসলাম, শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব রাহিমাহুল্লাহ্‌.

ফিকহ ও ফাতওয়ার আলোচনায় শাইখ হুসাইন আহমাদ মাদানী রাহিমাহুল্লাহ্‌ বলেনঃ
❝মুসলিম হত্যার তৃতীয় রূপ হচ্ছে এই; কোন মুসলিম কাফিরদের পক্ষ নিয়ে তাদের সাহায্য ও বিজয়ের জন্য মুসলিমদের বিরুদ্ধে লড়াই করে অথবা যুদ্ধে তাদের সহায়তা করে কিংবা যখন মুসলিম ও কাফিরদের যুদ্ধ চলতে থাকে তখন কাফিরদের সমর্থন জানায়, এমতাবস্থায় উপরোক্ত অপরাধটি কুফরি ও সীমালঙ্ঘনের চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হয় এবং ঈমান ধ্বংস ও ইসলাম শূন্যতার এমন জঘন্য ও নিকৃষ্ট অবস্থায় পৌঁছায়, যার চেয়ে মারাত্মক কুফর ও কুফরি কর্মকান্ড কল্পনা করা যায় না।
দুনিয়ায় যে কোন মুসলিমের পক্ষে সম্পাদন করা সম্ভব অথবা কোন মুসলিমের কল্পনায় আসতে পারে এমন যাবতীয় পাপ, সকল সীমালঙ্ঘন, সকল অপবিত্রতা এবং সর্বপ্রকার অবাধ্যতা এই অপরাধের সামনে তুচ্ছ। যে মুসলিম এতে লিপ্ত হবে, সে নিশ্চিত কাফির এবং নিকৃষ্টতম কাফির। সে শুধু মুসলিম হত্যায় জড়িত হয়েছে এতটুকুই নয় বরং ইসলামের বিরুদ্ধে হক্ক এর শত্রুদের আনুগত্য ও সহায়তা করেছে এবং এটি সকলের ঐক্যমতে সর্বসম্মতিক্রমে সুস্পষ্ট কুফর। শরীয়াহ্‌ যেখানে অমুসলিমদের সাথে কোন প্রকার মহব্বতের সম্পর্কের বৈধতা দেয় না, সেক্ষেত্রে যুদ্ধে সুস্পষ্ট সহযোগিতার পরেও কি করে ঈমান ও ইসলাম বাকি থাকতে পারে!❞
-অধ্যায়ঃ ক্বতলে মুসলিম, মা’আরেফে মাদানী, মাওলানা হুসাইন আহমদ মাদানী রাহিমাহুল্লাহ্‌

শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায রাহিমাহুল্লাহ্‌ বলেনঃ
❝ইসলামের উলামাগণ এই ব্যাপারে ইজমা পোষণ করেছেন যে, যে কেউ মুমিনদের উপর কাফিরদের সমর্থন করবে এবং যে কোনো উপায়ে তাদেরকে সহযোগিতা করবে, সে তাদের মতোই একজন কাফির হয়ে যাবে।❞
-মাজমূ’ ফাতাওয়া, ১/২৭৪

বিংশ শতাব্দীর জগৎ শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ও ফকীহ আল্লামা আহমাদ শাকের রাহিমাহুল্লাহ্‌ তাঁর “কালিমাতুল হাক্ব” কিতাবে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফিরদের সহযোগিতাকারীর ব্যাপারে সুস্পষ্ট ভাষায় যে ফাতওয়া দেন, তার একাংশ হচ্ছেঃ
❝ব্রিটিশদের সহযোগিতার ব্যাপারে কথা হলো, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অথবা বড় যে কোনো ধরনের সহযোগিতা হলো চূড়ান্ত ইরতিদাদ (দ্বীন ত্যাগ) ও নিশ্চিত কুফরি। এতে কোনো অজুহাত বা ভুল ব্যাখ্যা কোনোটাই গ্রহণযোগ্য নয়। মূঢ় জাতীয়তাবাদ, ভঙ্গুর রাজনীতি এবং ভণ্ডামিপূর্ণ তোষামোদ কিছুই এ দ্বীনি বিধান থেকে কাউকে রক্ষা করবে না। বিশেষ ব্যক্তি, সরকার বা নেতাদের মাঝে যদি তা সংঘটিত হয় তবে ইরতিদাদ (দ্বীন ত্যাগ) ও কুফরির ক্ষেত্রে এদের সবাই একই।
সুতরাং ওরা (ফ্রান্স) ও ব্রিটিশরা হুকুমের ব্যাপারে একই। প্রত্যেক স্থানে তাদের রক্ত ও সম্পদ হালাল। বিশ্বের যে কোনো স্থানের মুসলিমদের জন্য ওদেরকে কোনো প্রকারের সহযোগিতা করা নাজায়েয। যদি কেউ সহযোগিতা করে তবে তার হুকুম তাদের মতোই যারা ব্রিটিশদের সহযোগিতা করে, তা হলো ইরতিদাদ (দ্বীন ত্যাগ) যা সম্পূর্ণরূপে ইসলাম থেকে বের করে দেয়। আর এটা যে কোনো প্রকার বা প্রকৃতির সহযোগিতা হোক না কেনো। সুতরাং বিশ্বের যে কোনো স্থানে অবস্থিত প্রত্যেক মুসলিমের অবশ্যই জেনে রাখা উচিৎ যে, কেউ যদি মুসলিমদের শত্রু, তাদের দাসে পরিণতকারী ব্রিটিশ, ফ্রান্স ও আরো যারা আছে এবং তাদের দোসরদের সহযোগিতা করে, একইভাবে যে কোনো রকমের সহযোগিতা অথবা তাদের সাথে এমন শান্তি স্থাপন করা এবং তাদের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা না করা, বিবৃতি বা কর্মের মাধ্যমে বিশ্বাসী ভাইদের বিরুদ্ধাচরণ করা, যদি উল্লেখকৃত যে কোনো একটি কাজ কেউ করে আর পরে সলাত আদায় করে, তবে তার সলাতের কোনো মূল্য নেই।❞
-কালিমাতুল হাক্ব, পৃষ্ঠাঃ ১২৬-১৩৭

এই সকল দলীল ও বক্তব্য একত্রে একটি সুস্পষ্ট বাস্তবতা সামনে তুলে ধরে, মুসলিমদের বিরুদ্ধে গিয়ে তাদের শত্রুদের সহায়তা করা, সমর্থন করা কিংবা তাদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এমন একটি বিষয়, যা কেবল রাজনৈতিক অবস্থান নয়; বরং তা ঈমান, আনুগত্য ও পরিচয়ের প্রশ্নের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
সুতরাং প্রত্যেক সচেতন মানুষের জন্য অপরিহার্য হলো নিজের অবস্থান সম্পর্কে সতর্ক থাকা,ত্বাগুত পরিহার করা, সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য নির্ণয় করা এবং এমন কোনো পথে অগ্রসর না হওয়া, যা তাকে দ্বীনের সীমারেখা থেকে বিচ্যুত করে দেয়। আল্লাহর আনুগত্য, সত্যের প্রতি দৃঢ়তা এবং সঠিক অবস্থান গ্রহণই একজন মানুষের জন্য নিরাপদ পথ।

—Students Against Oppression, DIU

Address

Daffodil International University, DSC, Birulia, Savar
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Students Against Oppression, DIU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share