Daily First Bangladesh

Daily First Bangladesh I will vote for what grain of rice Youth First Vote ** May it be for the grain of rice ��

 #দৈনিকঅভয়নগর  #ইপেপার  #সবারআগেবাংলাদেশ
17/09/2026

#দৈনিকঅভয়নগর
#ইপেপার
#সবারআগেবাংলাদেশ

পিরোজপুর সদর হাসপাতালে দুই প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনরোগীদের চিকিৎসাসেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও খাবারের মান যাচাইপিরোজপুর স...
13/09/2026

পিরোজপুর সদর হাসপাতালে দুই প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন
রোগীদের চিকিৎসাসেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও খাবারের মান যাচাই

পিরোজপুর সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক পরিস্থিতি, রোগীদের চিকিৎসাসেবা এবং হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান, এমপি এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মনজুর, এমপি।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন দুই প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে রোগীদের জন্য পরিবেশিত খাবারের মান ও পরিমাণও সরেজমিনে পরীক্ষা করা হয়।

পিরোজপুর সদর হাসপাতাল। জেলার অন্যতম প্রধান সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে এখানে আসেন অসংখ্য মানুষ।

হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা কতটা কার্যকর—এসব বিষয় সরেজমিনে দেখতে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান, এমপি এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মনজুর, এমপি।

পরিদর্শনের শুরুতেই দুই প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এ সময় চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। রোগীরা যথাযথ চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন কি না, চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যা বা অসুবিধা রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের কাছ থেকে সরাসরি খোঁজখবর নেন।
রোগীদের সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, ওষুধপত্র, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং হাসপাতালের সেবার পরিবেশ সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় জানতে চান দুই প্রতিমন্ত্রী।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির শিকার না হন, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও চিকিৎসাসেবার পরিবেশও পর্যবেক্ষণ করেন তাঁরা। রোগীদের জন্য ওয়ার্ডের পরিবেশ, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা এবং হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন দুই প্রতিমন্ত্রী।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের জন্য শুধু চিকিৎসক ও ওষুধের ব্যবস্থা করাই যথেষ্ট নয়—প্রয়োজন পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও রোগীবান্ধব পরিবেশ। আর এই বিষয়টিই গুরুত্ব পায় দুই প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনে।

পরিদর্শনের এক পর্যায়ে হাসপাতালের রোগীদের জন্য পরিবেশিত খাবারের মান ও পরিমাণ সরেজমিনে পরীক্ষা করেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মনজুর।

রোগীদের জন্য নির্ধারিত খাবার যথাযথ পরিমাণে সরবরাহ করা হচ্ছে কি না, খাবারের গুণগত মান কেমন এবং খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় তাঁরা পর্যবেক্ষণ করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন রোগীর জন্য নির্ধারিত খাবারও চিকিৎসাসেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই খাবারের মান ও পরিমাণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন দুই প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সেবা যথাসময়ে নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন এবং রোগীদের জন্য নির্ধারিত খাবারের গুণগত মান নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

রোগীবান্ধব পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি হাসপাতালের প্রতিটি সেবা যেন নিয়মতান্ত্রিক ও কার্যকরভাবে পরিচালিত হয়, সেদিকেও নজর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি হাসপাতালের সেবার মান বাড়াতে নিয়মিত তদারকি গুরুত্বপূর্ণ। সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে হাসপাতালের বাস্তব চিত্র যেমন উঠে আসে, তেমনি রোগী ও স্বজনদের সমস্যাগুলোও সরাসরি সংশ্লিষ্টদের কাছে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়।

পিরোজপুর সদর হাসপাতালে দুই প্রতিমন্ত্রীর এই পরিদর্শনেও রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা, হাসপাতালের পরিবেশ উন্নত রাখা এবং খাবারের মান বজায় রাখার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। আর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা প্রতিটি রোগী যেন সম্মানজনক পরিবেশে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সেবা পান—এটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।

পিরোজপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা এবং খাবারের মান সরেজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান, এমপি এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মনজুর, এমপি।

রোগীদের প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে হাসপাতালের সার্বিক সেবার মান আরও উন্নত হবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

পিরোজপুর সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে দুই প্রতিমন্ত্রী। রোগীদের চিকিৎসাসেবা, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সুযোগ-সুবিধা এবং খাবারের মান সরেজমিনে যাচাই করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তাঁরা।

প্রতিবেদন: মোঃ সাইফুল ইসলাম
সংবাদ প্রতিনিধি
দৈনিক সবার আগে বাংলাদেশ
সময় ও নিরপেক্ষতায় অগ্রণী যাত্রা


*যুব শক্তি ও প্রযুক্তি উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ও চিন্তাধারা** মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপিত বিভিন্ন স্টলে...
06/09/2026

*যুব শক্তি ও প্রযুক্তি উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ও চিন্তাধারা**
মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপিত বিভিন্ন স্টলে দর্শনার্থীরা ঘুরে দেখেন নানা ধরনের বই। ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রকাশিত বইয়ের পাশাপাশি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে প্রকাশনাও ছিল দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার তরুণ প্রজন্মের ওপর। আর সেই তরুণদের জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তুলতে বই পড়ার বিকল্প নেই।
তাদের মতে, বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে তরুণ সমাজকে জ্ঞান ও সৃজনশীলতার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এ লক্ষ্যেই বই মেলার প্রতিটি আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস তৈরি এবং ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে তাদের পরিচিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

চতুর্থ দিনের আলোচনায় উঠে আসে দেশের উন্নয়ন, যুব সমাজের কর্মসংস্থান, শিক্ষা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের ভূমিকার বিভিন্ন দিক।

আলোচনায় বক্তারা জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগ ও চিন্তাধারার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, দেশের উন্নয়নে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করা এবং উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে তরুণদের যুক্ত করার বিষয়টি ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
শুধু আলোচনা কিংবা বই প্রদর্শন নয়, মেলা প্রাঙ্গণে ছিল দর্শনার্থীদের জন্য নানা আয়োজন। বিকেলের পর থেকেই বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি।

শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে তরুণ, প্রবীণ—বিভিন্ন বয়সী মানুষ ঘুরে দেখেন বইয়ের স্টল। কেউ পছন্দের বই সংগ্রহ করছেন, কেউ আবার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মেলায় এসেছেন।
বইয়ের পাশাপাশি মেলার চতুর্থ দিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল **মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান, কবিতা, আবৃত্তি ও বিভিন্ন পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয় দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও দেশপ্রেমের নানা বিষয়। শিল্পীদের পরিবেশনায় মেলা প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
দর্শনার্থীরাও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রাণবন্তভাবে।
আয়োজকরা বলছেন, বই মেলার মূল উদ্দেশ্য শুধু বই কেনাবেচা নয়; বরং একটি পাঠকসমাজ গড়ে তোলা এবং নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস ও জ্ঞানচর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা।
“আমরা চাই তরুণ প্রজন্ম বই পড়ার মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করুক। জ্ঞান, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে তারা যেন দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দিতে পারে—এই লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।”
মেলায় আসা দর্শনার্থীরাও এমন আয়োজনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বর্তমানে প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে বই পড়ার অভ্যাস অনেকটাই কমে যাচ্ছে। এ ধরনের বই মেলা তরুণদের আবারও বইমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
“এখানে এসে অনেক ভালো লাগছে। বিভিন্ন ধরনের বই দেখার সুযোগ হচ্ছে। বিশেষ করে তরুণদের জন্য এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হওয়া প্রয়োজন।
নয় দিনব্যাপী এই বই মেলার প্রতিটি দিনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে আলাদা থিম। ফলে প্রতিদিনই থাকছে নতুন বিষয়কে কেন্দ্র করে আলোচনা, প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক আয়োজন।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, জ্ঞানচর্চা, ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক আরও গভীর করতে এই মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তারা বলছেন, একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বই এবং পাঠাভ্যাসের গুরুত্ব অপরিসীম। আর সেই জায়গা থেকেই তরুণ প্রজন্মকে সামনে রেখে বই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত **জিয়া স্মৃতি বই মেলা-২০২৬**-এর চতুর্থ দিন শেষ হলেও মেলার আয়োজন চলবে আরও কয়েক দিন।

প্রতিদিনের আলাদা থিম, বই প্রদর্শনী, আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে মেলাটি পরিণত হয়েছে জ্ঞান ও সংস্কৃতিচর্চার এক মিলনমেলায়।

আয়োজকদের আশা, বইয়ের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক আরও গভীর হবে, তরুণ প্রজন্ম উদ্বুদ্ধ হবে জ্ঞানচর্চায় এবং ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে তাদের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।

**০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বাংলা একাডেমি, রমনা, ঢাকা থেকে—
মোঃ সাইফুল ইসলাম।

#যুবশক্তিওপ্রযুক্তিউন্নয়ন
#সবারআগেবাংলাদেশ
#বাংলাএকাডেমিরমনাঢাকা

🇧🇩বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় যোগ দিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপিব...
05/09/2026

🇧🇩বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় যোগ দিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর—দীর্ঘ ৪৮ বছরের রাজনৈতিক পথচলায় বিএনপির ইতিহাস, সংগ্রাম ও ভূমিকা তুলেও সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা। ১৯৭৮ সালের ধরতেই এ আয়োজন করা হয়।

আজ শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ—কেআইবি মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি। এ সময় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে কেআইবি মিলনায়তন হয়ে ওঠে উৎসবমুখর।
আলোচনা সভার শুরুতে বিএনপির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শুরু করে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, দলের নেতাকর্মীদের ত্যাগ এবং দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, ৪৮ বছরের পথচলায় বিএনপি দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বক্তারা আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতিকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। দলের এই দীর্ঘ পথচলায় অসংখ্য নেতাকর্মী নানা প্রতিকূলতা, মামলা-মোকদ্দমা ও নির্যাতনের মধ্যেও দলের আদর্শ ও রাজনৈতিক কর্মসূচির প্রতি অবিচল থেকেছেন।
আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি দলের অতীত সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাস স্মরণ করে ভবিষ্যতে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতা, সুশাসন এবং জনগণের অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নয়; এটি দলের দীর্ঘ সংগ্রাম, নেতাকর্মীদের ত্যাগ এবং দেশের মানুষের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।
বক্তারা দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করেন। একই সঙ্গে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও দলের বিভিন্ন সংকটকালীন আন্দোলন-সংগ্রামে নেতাকর্মীদের ভূমিকার কথাও আলোচনায় উঠে আসে।
সভায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে অংশ নেন। মিলনায়তনজুড়ে ছিল নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি এবং উৎসবমুখর পরিবেশ।
#বিএনপির৪৮তমপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
#প্রধানমন্ত্রীজনাবতারেকরহমান
#সেপ্টেম্বরথেকে২০২৬

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ আর সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার...
31/08/2026

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ আর সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আজকের দিনটি বাংলাদেশি মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার।

১৯৭৮ সালের এই দিনে এক শুভ বিকেলে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে (রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণে) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা। মানুষের বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি অভিশপ্ত একদলীয় 'বাকশাল' প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে প্রথমেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলে বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন করে পথচলা শুরু হয়। বিএনপির গৌরবময় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে আমি স্বাধীনতার মহান ঘোষক, সফল রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে আমি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, যিনি তাঁর সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

গণতন্ত্র কিংবা সুশাসন প্রতিষ্ঠাই নয়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে, করছে। দেশে যতবারই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, ততবারই গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী, শুভার্থী ও সমর্থকগণ অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। দেশে গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত যাঁরা প্রাণোৎসর্গ করেছেন, আহত হয়েছেন, আমি সকল পর্যায়ের সেই নেতাকর্মীর অবদানকেও গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।

দেশে যতবারই জনগণ নির্ভয়ে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবারই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারীশিক্ষার প্রসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বিএনপি সরকারের আমলে নেওয়া হয়েছে। দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিএনপির উদ্যম ও উদ্যোগের ফলে দলটি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। দেশের জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায়। সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলছে। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ণ রেখে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভার্থী দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিবেদন করে আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ।

বিএনপি বিশ্বাস করে, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। বিএনপির অপর নাম- একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম। বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে আমি আবারও গণতন্ত্রকামী, স্বাধীনতাপ্রিয় দেশবাসীকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানাই।

#৪৮তমপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
#বাংলাদেশজাতীয়তাবাদীদলবিএনপি
#১৯৭৮সাল

 # বরিশাল ল’ কলেজে অতিরিক্ত ফি নির্ধারণের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন"' দৈনিক সবার আগে বাংলাদেশ।**প্রতিবেদকঃ মোঃ স...
27/08/2026

# বরিশাল ল’ কলেজে অতিরিক্ত ফি নির্ধারণের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
"' দৈনিক
সবার আগে বাংলাদেশ।
**প্রতিবেদকঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম।

🇧🇩আসন্ন এলএল.বি ফাইনাল ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফরম পূরণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত ফি’র বাইরে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে নেমেছেন বরিশাল ল’ কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
এ দাবিতে বরিশাল ল’ কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত হয় মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি। কর্মসূচিতে কলেজের চলমান এলএল.বি ফাইনাল এবং এলএল.বি প্রথম পর্বের বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী অংশ নেন। মানববন্ধনের একটি দৃশ্যের ছবিতেও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা যায়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আসন্ন এলএল.বি ফাইনাল ও প্রিলিমিনারি পর্বের পরীক্ষার ফরম পূরণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত সাবজেক্ট ফি, কেন্দ্র ফি, মুটকোর্ট ও ভাইভা ফিসহ বিভিন্ন খাতে নির্ধারিত অর্থের পাশাপাশি অতিরিক্ত ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে আর্থিকভাবে চাপে পড়ছেন আইন বিষয়ে অধ্যয়নরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, একজন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে গিয়ে একাধিক খাতে অর্থ পরিশোধ করতে হয়। এর সঙ্গে যদি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ যোগ হয়, তাহলে অনেক শিক্ষার্থীর জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাই কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের ওপর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে বলে দাবি তাদের।
এই অভিযোগের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা প্রথমে বরিশাল ল’ কলেজ প্রাঙ্গণে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে মানববন্ধন নিয়ে নগরীর হাসপাতাল রোডের কিছু অংশ প্রদক্ষিণ করেন তারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সম্বলিত ব্যানার দেখা যায় এবং অতিরিক্ত ফি নির্ধারণের প্রতিবাদে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পরে শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনের সড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এতে কিছু সময়ের জন্য ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কর্মসূচিটি। শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল—জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের সামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে যৌক্তিক ফি নির্ধারণ করতে হবে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, তারা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চান না। বরং নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের দাবির কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরতেই এই আয়োজন।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, আইন শিক্ষা এমনিতেই সময় ও অর্থসাপেক্ষ একটি বিষয়। এর মধ্যে পরীক্ষার ফরম পূরণসহ বিভিন্ন পর্যায়ে অতিরিক্ত অর্থের চাপ তৈরি হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত সমাধানের দাবি জানান তারা।
মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচির পর বরিশাল ল’ কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের সমস্যার বিষয়টি তুলে ধরেন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি কমানো বা অতিরিক্ত ফি’র বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান।
আলোচনায় কলেজের অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শোনেন এবং বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন বলে জানান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এই আশ্বাসের পর শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি সাময়িকভাবে শেষ করেন।
তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, শুধু আশ্বাস নয়, তারা দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ দেখতে চান। পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সীমার মধ্যে ফি সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের আরও সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
শিক্ষার্থীদের আরও দাবি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিভিন্ন আইন কলেজের শিক্ষার্থীরা একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হলে বিষয়টি শুধু বরিশাল ল’ কলেজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। সারাদেশের আইন শিক্ষার্থীদের স্বার্থে বিষয়টি জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তাদের মতে, শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সবার জন্য সহজ ও সহনীয় হওয়া উচিত। নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ শিক্ষার্থীদের জন্য কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ে বিষয়টির দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।
এদিকে বরিশাল ল’ কলেজের শিক্ষার্থীদের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফি কাঠামো নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একটি অংশ মনে করছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত অন্যান্য আইন কলেজের শিক্ষার্থীদেরও নিজেদের দাবি ও সমস্যার বিষয়ে সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন।
তাদের আহ্বান—শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সারাদেশের শিক্ষার্থীরা যদি অতিরিক্ত ফি নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ ও দাবি উত্থাপন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে পারে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য কারও বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া নয়; বরং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক অধিকার ও আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরা। তারা চান, পরীক্ষার ফরম পূরণে এমন একটি ফি কাঠামো নির্ধারণ করা হোক, যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য সহনীয়।
বরিশাল ল’ কলেজের এই মানববন্ধন তাই শুধু একটি কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ কর্মসূচি হিসেবে নয়, আইন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যয় ও পরীক্ষার ফি সংক্রান্ত বৃহত্তর আলোচনার অংশ হিসেবেও গুরুত্ব পাচ্ছে।
এখন শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, বরিশাল ল’ কলেজের পক্ষ থেকে দেওয়া আশ্বাস অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, অতিরিক্ত ফি নির্ধারণের বিষয়টি দ্রুত পুনর্বিবেচনা করে যৌক্তিক পর্যায়ে আনা হলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের আর্থিক চাপ কমবে, অন্যদিকে তেমনি তারা নির্বিঘ্নে আসন্ন এলএল.বি ফাইনাল ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
বরিশাল ল’ কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই মানববন্ধনের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে—শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণভাবে কথা বলতে প্রস্তুত। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ও কার্যকর পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে আছেন তারা।


🍁মধ্য জগন্নাথকাঠিতে ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে নূরানী মাদ্রাসার উদ্যোগে র‌্যালি ও আলোচনা সভা।🍀🍀🍁পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)...
25/08/2026

🍁মধ্য জগন্নাথকাঠিতে ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে নূরানী মাদ্রাসার উদ্যোগে র‌্যালি ও আলোচনা সভা।🍀🍀

🍁পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মধ্য জগন্নাথ কাঠি তালিমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার উদ্যোগে আগামীকাল ১২ রবিউল আউয়াল, বুধবার আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ র‌্যালি ও আলোচনা সভার। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও জীবনের আদর্শ স্মরণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।
"" দৈনিক
সবার আগে বাংলাদেশ।
মোঃ সাইফুল ইসলাম।

🍁আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে র‌্যালিটি অনুষ্ঠিত হবে। এতে নূরানী মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা সারিবদ্ধভাবে অংশ নেবে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবকদেরও র‌্যালিতে উপস্থিত থেকে কর্মসূচিকে সফল করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইতোমধ্যে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে রাস্তায় অবস্থান করছে। অনেক শিক্ষার্থী পরিপাটি পোশাকে র‌্যালিতে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় পরিবেশও ছিল শান্ত ও মনোরম। সবুজে ঘেরা গ্রামীণ সড়কে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ধর্মীয় এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

🍁মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন মানবতার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। তাঁর জন্ম, জীবন, কর্ম, নৈতিক শিক্ষা, মানবিকতা, শান্তি, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
আলোচনা সভায় মহানবী (সা.)-এর শৈশব, তাঁর চরিত্র ও আদর্শ, মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা, ক্ষমাশীলতা, সত্যবাদিতা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জীবনে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হবে।

🍁মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে নতুন প্রজন্মকে সৎ, আদর্শবান ও মানবিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ শিশুদের সামনে তুলে ধরলে তাদের মধ্যে সত্যবাদিতা, শৃঙ্খলা, পরোপকার, সহমর্মিতা ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে উঠবে।
এ উপলক্ষে র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের তত্ত্বাবধানে র‌্যালিটি পরিচালিত হবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

মধ্য জগন্নাথ কাঠি তালিমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার সভাপতি জনাব শফিকুল ইসলাম ফরিদ এবং মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষক এ কর্মসূচির আয়োজন ও বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁরা এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষ এবং বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের র‌্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
আয়োজকরা বলেন, এটি শুধু একটি র‌্যালি নয়; মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি শিক্ষামূলক উদ্যোগ। শিক্ষার্থীরা যেন ছোটবেলা থেকেই নবীজির আদর্শ সম্পর্কে জানতে পারে এবং সেই আদর্শ নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারে—এটাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের অংশগ্রহণ এ কর্মসূচিকে আরও প্রাণবন্ত ও অর্থবহ করে তুলবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা। তারা মনে করছেন, অভিভাবকদের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে সন্তানদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে।

🍁এদিকে স্থানীয়দের মধ্যেও কর্মসূচিকে ঘিরে আগ্রহ দেখা গেছে। গ্রামীণ পরিবেশে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে এমন একটি ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক আয়োজন এলাকার মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
আগামীকাল ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে—এমনটাই প্রত্যাশা আয়োজকদের। মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করে শিশু-কিশোরদের নৈতিক চরিত্র গঠনের মাধ্যমে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়েই এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।🍀

🍁সবশেষে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে মধ্য জগন্নাথ কাঠি তালিমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার সকল শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষকে যথাসময়ে উপস্থিত থেকে র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ হোক আমাদের ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনের পথচলার অনুপ্রেরণা—এই প্রত্যাশায় শেষ হবে মধ্য জগন্নাথ কাঠি তালিমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার ১২ রবিউল আউয়ালের এ আয়োজন।

#১২রবিউলআউয়াল
#মধ্যজগন্নাথকাঠিতালিমুলকুরআননূরানীমাদ্রাসা
#নেছারাবাদউপজেলা

Address

BNP
Dhaka
8520

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Daily First Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share