18/09/2026
কলির বাবা পাগলের মতো কান্না করতে করতে বলছিলো, "প্রশাসনের কাছে আমি পাঁচ দিন ঘুরেছি, কেউ সময় দেয় নাই, গুরুত্ব দেয় নাই.....!"😭
নিহত কলি ছিল পাবনার স্থানীয় আল-ফালাহ স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।বাবার সাথে বাজার থেকে ফিরে মায়ের হাতে ব্যাগটা দিয়ে বাড়ির পাশে একটু খেলতে গিয়েছিল। সেখান থেকেই ভ্যানিশ! ১০ বছরের একটা বাচ্চা ৭ টা দিন ধরে নিখোঁজ...!
সাত-সাতটা দিন কলির জন্য কান্নাকাটি করে দার বাবা-মা দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। আমাদের দেশের থানা-পুলিশ হয়তো গরিব মানুষের কান্না সহজে শুনতে পায় না! পুলিশ নাকি মাঠে নেমে খোঁজ না করে শুধু বাসায় এসে ঘুরে চলে যেত......!
নিখোঁজ হওয়ার ৭ দিন পর কামরুন্নাহার কলিরকে পাওয়া গেল নিজের বাড়ির পাশের ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায়!🙂পরিবার সম্ভাব্য সব ক্লু দেওয়ার পরেও পুলিশ নাকি ঠিকঠাক তদন্তই করেনি!
পুলিশ সুপার অবশ্য বলছেন, তারা নাকি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই কাজ করছিলেন। কিন্তু কলির বাবার কথার সাথে এই কথা মেলে না। এই ফারাকটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তোলে, সত্যিই কি সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল, নাকি চাপে পড়ে তবেই নড়েছে প্রশাসন?
এই কলি যদি কোনো প্রভাবশালী, ধনী বা পাওয়ারফুল পরিবারের সন্তান হতো, তবে কি প্রশাসন এতো ঢিলেমি করার সাহস পেত? প্রথম দিনই কি পুরো থানা মাঠে নেমে পড়তো না? গরিব কৃষকের মেয়ে বলেই কি তার জীবনের কোনো দাম নেই? শেষমেশ যখন স্বজন ও এলাকাবাসী রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করল, মানববন্ধনে প্রেস ক্লাব উত্তাল করলো তখন গিয়ে নড়েচড়ে বসলো প্রশাসন! কিন্তু ততক্ষণে বড্ড দেরি হয়ে গেছে।
যাইহোক, এই পৈশাচিকতার সাথে জড়িত প্রতিটি নর- পশুকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। দ্রুততম সময়ে বিচার শেষ করে এদের এমন দৃষ্টান্তমূলক ফাঁ-* দেওয়া হোক, যেন কোনো অপরাধী আর কোনো শিশুর দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস না পায়!
জাস্টিস ফর কামরুন্নাহার কলি!