Sayyid Md Muazz Ahmed Juvo

Sayyid Md Muazz Ahmed Juvo প্রদীপ গুলো আলাদা, কিন্তু আলো একই।

26/06/2026
19/06/2026

ঐতিহাসিক ও ইসলামী সূত্রে উল্লেখ আছে যে, ইসলামের আবির্ভাবের আগে আরব উপদ্বীপে বিভিন্ন গোত্র নানা দেবদেবী ও মূর্তির উপাসনা করত। Kaaba-এর ভেতর ও আশেপাশেও বহু মূর্তি ছিল বলে বর্ণিত হয়েছে।

আরবের কয়েকটি প্রসিদ্ধ দেবতা ও মূর্তির নাম:

Hubal — কুরাইশদের অন্যতম প্রধান দেবতা।
Al-Lat — আরবের একটি প্রসিদ্ধ দেবী।
Al-Uzza — শক্তি ও মর্যাদার দেবী হিসেবে পূজিত হতেন।
Manat — ভাগ্য ও নিয়তির দেবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
Wadd
Suwa
Yaghuth
Ya'uq
Nasr

ইসলাম প্রতিষ্ঠার সংক্ষিপ্ত ঘটনাক্রম

১. ৬১০ খ্রিস্টাব্দে Prophet Muhammad মক্কার নিকটবর্তী Hira Cave-এ প্রথম ওহি লাভ করেন।

২. তিনি মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত, মূর্তিপূজা পরিত্যাগ এবং ন্যায়নীতির আহ্বান জানান।

৩. বিরোধিতা ও নির্যাতনের কারণে ৬২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি ও তাঁর অনুসারীরা Medina-য় হিজরত করেন।

৪. মদিনায় একটি সংগঠিত মুসলিম সমাজ গড়ে ওঠে।

৫. ৬৩০ খ্রিস্টাব্দে মক্কা বিজয়ের পর কাবায় স্থাপিত মূর্তিগুলো অপসারণ করা হয়। ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী, নবী মুহাম্মদ (সা.) কাবা শরীফে প্রবেশ করে কুরআনের এই অর্থবহ আয়াত পাঠ করেন: "সত্য এসেছে, মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে।"

৬. এরপর কাবাকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এর মাধ্যমে আরবে তাওহীদ (এক আল্লাহর উপাসনা) পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং মূর্তিপূজার পরিবর্তে একেশ্বরবাদ প্রচলিত হয়। তবে ইতিহাসবিদরা উল্লেখ করেন যে, সে সময় আরবে মূর্তিপূজকদের পাশাপাশি Christianity, Judaism এবং অন্যান্য একেশ্বরবাদী গোষ্ঠীর অনুসারীরাও বসবাস করতেন।

19/06/2026

ইসলামে মূর্তি পূজা (প্রতিমা উপাসনা) সম্পর্কে অবস্থান খুবই স্পষ্ট। ইসলাম অনুযায়ী আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়, এবং ইবাদত (উপাসনা) কেবল তাঁরই জন্য নির্ধারিত। তাই কোনো মূর্তি, প্রতিমা, মানুষ, ফেরেশতা, নবী বা অন্য কোনো সৃষ্টির উপাসনা করা ইসলামে শিরক হিসেবে গণ্য হয়, যা সবচেয়ে বড় গুনাহ।

পবিত্র Qur'an-এ বলা হয়েছে:
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শরিক করা ক্ষমা করেন না; এর বাইরে যা কিছু, তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।”

— সূরা আন-নিসা ৪:৪৮

18/06/2026

বাংলা বিহারী দোয়াঃ

18/06/2026

ইসমে আযম (اسم الأعظم) বলতে আল্লাহর সেই “মহানতম নাম” বোঝায়, যে নামের মাধ্যমে দোয়া করলে আল্লাহ তা বিশেষভাবে কবুল করেন—এমন কথা হাদিসে এসেছে।

18/06/2026

মহান আল্লাহ্ তায়ালার নিকট দ্রুত দোয়া কবুলের জন্য পবিত্র মহা ৭ টি ইসমে আজম!

10/06/2026

মানুষের কিসের এতো অহংকার যার জন্ম এক ফোঁটা রক্তে, আর শেষ মৃত্তিকায়।


25/03/2026

বাংলাদেশের মানুষের জীবন, সংস্কৃতি ও জীবিকার সাথে খুব গভীরভাবে ও অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের পদ্মা নদী। কিন্তু এই সর্বনাশা পদ্মা নদীর ভাঙনে প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, জমি-জমা ও জীবনের আশ্রয় হারিয়ে অসীম দুঃখ-কষ্ট ও দুর্ভোগের মুখোমুখি হয়।

নদীর তীরবর্তী মানুষের এই কষ্ট ও দুর্দশার কথা গভীরভাবে অনুধাবন করে কাদেরিয়া-বা আলাউইয়া-মোয়াজিয়া আধ্যাত্মিক সু-বিখ্যাত সুফি তরিকার পীর ও মুর্শিদ এবং ইমাম, সৈয়দ মোঃ মোয়াজ আহমেদ জুব শাহ্ নূরী (হাফিঃ) মানবতার কল্যাণ ও মানুষের নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে এক নূরানী উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

তিনি মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ্ তা'য়ালার দরবারে গভীর বিনম্রতা ও আন্তরিকতার সাথে দোয়া ও মুনাজাত করেন। এরপর মানবতার কল্যাণ এবং মানুষের নিরাপত্তা কামনায় একটি নূরানী চিঠি মোবারক লিখে গভীর শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও সব সৃষ্টির নিয়ন্ত্রণকারী আল্লাহ্‌’র উপর ভরসা রেখে সেই চিঠিটি সর্বনাশা পদ্মা নদীর পানিতে ভাসিয়ে দেন।

এই নূরানী চিঠির মাধ্যমে তিনি মানুষের নিরাপত্তা দানকারী মহান আল্লাহ্’র নিকট আরজু পেশ করেন- যেন তিনি তাঁর অসীম রহমত ও দয়ায় বাংলাদেশের মানুষকে সর্বনাশা পদ্মা নদীর ভাঙন, ক্ষয়ক্ষতি এবং সকল প্রকার বিপদ-আপদ, আজাব ও গজব থেকে হেফাজত করেন।

এই আধ্যাত্মিক দোয়া ও নূরানী আহ্বানের মাধ্যমে তিনি সমস্ত সৃষ্টির অধিপতি মহান আল্লাহ্‌র রহমত কামনা করেন, যাতে সর্বনাশা পদ্মা নদীর তীরে বসবাসকারী মানুষ শান্তি, নিরাপত্তা ও বরকতের মধ্যে জীবনযাপন করতে পারে এবং তাদের ঘরবাড়ি, জমি ও জীবিকা সর্বশ্রোতা আল্লাহ্‌র কৃপায় সুরক্ষিত থাকে।

এই নূরানী চিঠি মূলত মানুষের কল্যাণ, মানবতার প্রতি ভালোবাসা এবং সর্বোত্তম আল্লাহ্‌র অসীম রহমতের আশায় নিবেদিত এক আন্তরিক আধ্যাত্মিক আবেদন।

চিঠিতে যা লিখা আছেঃ

بِسْمِ ٱللهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيْمِ

আল্লাহ্’র বান্দা,
কাদেরিয়া - বা আলাউইয়া - মোয়াজিয়া আধ্যাত্মিক সু-বিখ্যাত সুফি তরিকার পীর ও মুর্শিদ এবং ইমাম সৈয়দ মোঃ মোয়াজ আহমেদ জুব শাহ্ নূরীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের পদ্মা নদীর প্রতি-

হে পদ্মা নদী! তুমি যদি নিজ ক্ষমতায় প্রবাহিত হয়ে থাকো, তবে আর প্রবাহিত হইয়ো না।

কিন্তু তোমার প্রতিটি ঢেউ, প্রতিটি স্রোতধারা ও প্রবাহের উৎস মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ্ তা'য়ালার হুকুমে নির্ধারিত হয়ে থাকে, তবে আমরা সেই পরাক্রমশালী আল্লাহ্’র দরবারে কাতর প্রার্থনা করি-

হে আল্লাহ্! হে নূর! আপনি পদ্মা নদীকে প্রবাহিত করে দেন এবং পদ্মা নদীর প্রবাহকে রহমতের ধারায় পরিণত করুন। ক্ষয় নয়, বরকত দিন, বিপদ নয়, কল্যাণ দিন, ধ্বংস নয়, নিরাপত্তা দিন, অশান্তি নয়, শান্তি দিন, ভাঙন নয়, স্থিতিশীলতা দিন, আজাব নয়, নেয়ামত দিন, গজব নয়, রহমত দিন।

মানুষের ঘর - বাড়ি, দালান - প্রাসাদ, রাস্তা - ঘাট, অলি - গলি, হাট - বাজার, দোকান - পাট, সেতু - ব্রিজ, মসজিদ - মাদ্রাসা, মাজার শরীফ, স্কুল - কলেজ, ইউনিভার্সিটি, হাসপাতাল, থানা, আফিস - আদালত, জমি - জায়গা, ফসল ও জীবন সবকিছু আপনি আপনার তত্ত্বাবধানে সুরক্ষিত রাখুন।

হে আল্লাহ্! হে নূর! যদি এ ভাঙন আপনার ইচ্ছায় হয়ে থাকে, তবে আমাদের জন্য তা সহজ করুন। সবর দান করুন, উত্তম প্রতিদান দিন এবং বিপদ ও গজবকে রহমতে রূপান্তরিত করুন।

হে সর্বোত্তম আল্লাহ্! নিশ্চয়ই আপনি সর্বশক্তিমান, আপনার ইশারাতেই নদী প্রবাহিত হয়, আপনার আদেশেই তা শান্ত হয়।




.

Address

Naia, Boishakhi Para, Shariatpur
Dhaka
8020

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sayyid Md Muazz Ahmed Juvo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share