Abul TV

Abul TV সত্য উন্মোচন হউক সবার জন্য 🇧🇩
ইনকিলাব জিন্দাবাদ ✊
শহীদ উসমান হাদির বিচার চাই ☝️

22/08/2026

বেশি বাড়াবাড়ি করলে আবার সেই গুপ্ত হবার ব্যাবস্থা করা হবে।- রাশেদ Abul TV

07/08/2026

জুলাইয়ের শহীদ ছেলে উসমান পাটোয়ারীর ছবি ধরে অঝোরে কাদছেন বাবা। Abul TV

06/08/2026

দর্ষক সারি'র "ভুয়া ভুয়া" স্লোগানে ক্ষেপলেন ইশরাক! Abul TV

ড. ইউনূস বিদায় নিয়েছেন ৫ মাস আগে। বিদায় নেয়ার সময় তিনি দেশের রিজার্ভ রেখে গিয়েছিলেন ৩৩ বিলিয়ন ডলার। সাথে দেশবাসীর জন্যে ...
05/08/2026

ড. ইউনূস বিদায় নিয়েছেন ৫ মাস আগে। বিদায় নেয়ার সময় তিনি দেশের রিজার্ভ রেখে গিয়েছিলেন ৩৩ বিলিয়ন ডলার। সাথে দেশবাসীর জন্যে ছয় মাসের মজুদকৃত খাদ্যও রেখে গিয়েছিলেন।

অথচ ক্ষমতা গ্রহণের সময় দেশের রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৯ বিলিয়ন ডলার। দেশটা নেতিয়ে পড়া দুর্বা ঘাসের মতো বিধ্বস্ত ছিল।

ইউনূস সরকার সেই বিধ্বস্ত দেশের রিজার্ভটাকে টেনে তুলতে চেয়েছিলেন। টানতে টানতে সেই রিজার্ভ নিয়ে এসেছিলেন ৩৩ বিলিয়নে।

তিনি রিজার্ভ বাড়িয়েছিলেন ১৪ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ১,৬৮০,০০০,০০০,০০০ টাকা। সংখ্যাটা কত বিশাল তাই না?

এই বিশাল অঙ্কের রিজার্ভ তার সরকার মিলে বাড়িয়েছিল মাত্র দেড় বছরে। আই রিপিট মাত্র দেড় বছরে!

এই রিজার্ভ আরও বাড়াতে পারতেন। কিন্তু পারেননি কারণ হাসিনার রেখে যাওয়া ২১,০০,০০০,০০,০০,০০০
টাকার ঋণও দিতে হয়েছে ইউনূস সরকারকে।

এই সংখ্যাটাও পড়তে কষ্ট হচ্ছে তাই না? এত বিশাল অঙ্কের ঋণও ইউনূস সরকার পরিশোধ করেছেন মাত্র দেড় বছরেই।

হাসিনা আগে বাইরের দেশ থেকে ঋণ আনতো তারপর তার এমপি-মন্ত্রীরা সেই রিজার্ভ নিজেদের পকেটে ঢুকিয়ে বিদেশে আলিশান বাড়ি করতো, গাড়ি কিনতো।

সেই ঋণের বোঝা অসহায়ের মতো টানতে হয়েছে ইউনূস সরকারকে।

পাশাপাশি জনগণের ভালো করতে গিয়ে, দ্রব্যমূল্যের দাম কমাতে গিয়ে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকিও দিতে হয়েছে।

ইউনূস সরকার চেয়েছিলেন দেশের সাধারণ মানুষগুলো, খেটে খাওয়া লোকগুলো একটু ভালোমন্দ খেতে পারুক। তাই রোজার মধ্যে জিনিসপত্রের দাম যাতে না বাড়ে সেই ব্যবস্থা করেছিলেন।

শুধু রোজাতেই না, গত দেড়টা বছর তীক্ষ্ণ নজর রেখেছিলেন কোন চাঁদাবাজ যাতে দাম বাড়াতে না পারে।তাছাড়া সবসময় কারেন্ট দেয়ার চেষ্টা করতো, গ্যাস দিতো, স্বস্তি দিতো।

ইউনূস সরকার জনগণকে ২ টা সুন্দর ঈদও উপহার দিয়েছিলেন। সেই দুই ঈদে মানুষ কম দামে ব্যাগভর্গি বাজার করেছিল, হাসিমুখে বাঁচতে শিখেছিল।

সবাই খুশিতে বলেছিল- স্যার, আরও ৫ টা বছর থাকেন।

বিএনপির লোকেরা এই কথাটাকেই ধরে নিয়েছিল ইউনূস সরকার নির্বাচন দিবে না। তারপর কথায় কথায় ইউনূসকে গালি দিতো, আন্দোলন করতো।

ইউনূস সরকারের মাত্র দেড় বছরেই ১২৩৭ টার মতো আন্দোলন হয়েছে ,ভয়াবহ বন্যা হয়েছে, বিমান দূর্ঘটনা হয়েছে, আরও কতশত অযাচিত ঘটনা ঘটেছে।

তারমধ্যে সেনাপ্রধান কমান্ড চেইন মানেনি ,পুলিশরা নিরাপত্তা দিতে পারেনি, বিএনপি কথা শুনেনি, হাসিনার রয়ে যাওয়া আমলারাও কাজ করেনি।

এতসব বাঁধা বিপত্তি পেরিয়েও ড. ইউনূস দেশটাকে গুছিয়ে দিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। বিডিআর হ*ত্যাকান্ডের মামলাটাও নতুন করে তদন্ত করা শুরু করেছিলেন।

তারপর শিরদাঁড়া উঁচু করে ভারতের কাছ থেকে তুলা আনা বাদ দিয়েছিলেন, আমেরিকার শূল্ক কমিয়েছিলেন, জাপানে ১১০০ পণ্যের শূল্ক ছাড়াই রপ্তানি করার পথটা তৈরি করে দিয়ে গেছেন।

আর সবশেষে নির্বাচনটা দিয়েছিলেন।

অথচ আজকে নির্বাচনের পর ইউনূসের গুছানো জিনিসগুলোও বিএনপি সরকার নষ্ট করে ফেলেছে। ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন করে দেশের রিজার্ভ ধ্বংস করে ফেলতেছে।

মানুষের বাসায় গ্যাস নাই, বিদ্যুৎ নাই, পানি নাই। জিনিসপত্রের দামও আকাশচুম্বী।

এসবের প্রতিবাদ করার সুযোগও নাই। প্রতিবাদ করলেই বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় থেকে পোস্ট করে হুমকি পর্যন্ত দেয়া হচ্ছে।

সন্ত্রাসীরা আগে অপরাধ করতো গোপনে। অথচ এখন ওপেনেই খু*নখারাপি চলে, চাঁদাবাজি চলে, টেন্ডারবাজি চলে। বিদ্যুৎ বিলের নাম করে গরিব জনগণের পকেট কাটা চলে।

আগে বলা হতো নির্বাচিত সরকার আসলেই সব ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু কিচ্ছু ঠিক হয় নাই। জনগণ উল্টো অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে।

অথচ জনগণরা নির্বাচিত সরকারের কাছে কোন টাকাপয়সা চায় নাই, বাড়ি গাড়ি চায় নাই। খেয়ে পড়ে একটু বাঁচতে চেয়েছিল শুধু।

ইউনূস সরকার চেয়েছিল দেশের সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল, সচিব, জনগণরা মিলে দেশটাকে সংস্কার করবে আর ড. ইউনূস জনপ্রিয়তা দিয়ে বাইরের দেশ থেকে বিনিয়োগ আনবেন, বাইরের দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবেন।

কিন্তু বাইরের দেশের সফরে গেলেই দেখা যেত দেশে কোন্দল লেগে গেছে, আন্দোলন হচ্ছে, চাঁদাবাজি করছে, লোকজন খু*ন হচ্ছে। বাহিনীরাও নেতাদের প্রভাবে হার্ড লাইনে যেতে পারেনি।

এতসব অস্থিতিশীলর ভীড়ে ইউনূস সরকার তার মনমতো কাজ করার সুযোগ পান নাই, নিজের দক্ষতাগুলোও দেখাতে পারেন নাই।

তিনি চেয়েছিলেন যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশের মতো হয়ে যাওয়া বাংলাদেশটাকে একটু ঠিকঠাক করতে। কিন্তু দিনশেষে একরাশ কষ্ট আর আফসোস নিয়েই ফিরে গেছেন পুরনো ঠিকানায়।

তার বিরুদ্ধে হয়তো হাজারটা অভিযোগ আছে, সমালোচনা আছে কিন্তু তার চলে যাওয়াতে আমাদের আক্ষেপ করারও আছে।

নিজেদের মা*রামারি আর অসভ্যতামির কারণে একটা লোককে ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারিনি আমরা।

এখন তাকে তেমন কিছু মনে হচ্ছে না, হয়তো হবেও না।
কিন্তু কোন একদিন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর গ্যাস-বিদ্যুতের বাড়তি দামের কারণে আমরা যখন তিলে তিলে কষ্ট পেয়ে মরব তখন মনে পড়বে আমাদের একজন ড. ইউনূস ছিলেন।
© কপি পোস্ট
Abul TV

বিকাশ মার্চেন্ট এর দিন মনে হয় শেষ।বাংলা কিউ আর এর সুবিধা দিন দিন প্রতিফলিত হচ্ছে। এখন আর বিকাশ মার্চেন্ট চালানো মনে হয় ১...
01/08/2026

বিকাশ মার্চেন্ট এর দিন মনে হয় শেষ।
বাংলা কিউ আর এর সুবিধা দিন দিন প্রতিফলিত হচ্ছে।
এখন আর বিকাশ মার্চেন্ট চালানো মনে হয় ১০০% বোকামি। এখন বিভিন্ন ব্যাংক হাজারে ৪ থেকে ১০ টাকায় বাংলা কিউ আর দিচ্ছে।

বিকাশ মার্চেন্ট এর ২টা বড় সুবিধা ছিলো। এক ইনিস্ট্যান্ট টাকা তোলা ও ৫০টা ফ্রি বিল দেয়া। এখন সব ব্যাংকের এপেই বিদুৎ বিল দেয়া ফ্রি।

হাজারে ১৩ টাকা চার্জ দিয়ে বিকাশ থেকে টাকা না তুলে যে কোন ব্যাংকের কিউ আর নিয়ে নিন।

একটা ব্যাংক একাউন্ট চালাতে ১ বছরে খরচ হয় ১৪৯০ টাকা। যা বিকাশে ১ লাখ টাকা ক্যাশ আউটের খরচ। ১ লাখ টাকা যদি আপনার মাসেও ট্রানজেকশন হয়। ১১ মাসে আপনার সেভ হবে ১৬৪৫০ টাকা।

আবার বিকাশে চার্জ ১৩টাকা ৯০ পয়সা, বাংলা কিউ আরে ৭ টাকা ধরলেও ৭ টাকা সেভ। মাসে ৭০০ ও বছরে ৮৪০০ টাকা সেভ।

বছরে প্রায় অন এভারেজ ২৪/২৫ হহাজার সেভ। যদি আপনার মাসে ১ লাখের মতো লেনদেন হয়। আর যদি আমার মত একটু লেনদেন বেশি হয় তাহলে তো কথাই নাই।

সচেতন হলেই লাভ।

ঢাকায় একটু কায়দা করে চলতে হয়।
আমার বিকাশ এজেন্ট ও লাভ করে দিবো।
বিকাশের দিন শেষ।

লিখেছেন : মোহাম্মদ তারেকউজ্জামান।©

01/08/2026

চাঁদা নিতে এসে মহাবিপদে পড়েছে বিএনপির সদস্য সৈনিক! Abul TV

31/07/2026

হবিগঞ্জ এ NCP নেতাদের সাথে পুলিশের ধস্তাধস্তি! Abul TV

🎙️ গনজালো হিগুয়াইন:"২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে আমরা হেরে যাওয়ার পর ড্রেসিং রুমে কেউ আমার সঙ্গে কথা বলেনি। আমি যে সুযোগটি ...
27/07/2026

🎙️ গনজালো হিগুয়াইন:
"২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে আমরা হেরে যাওয়ার পর ড্রেসিং রুমে কেউ আমার সঙ্গে কথা বলেনি। আমি যে সুযোগটি মিস করেছিলাম, তার জন্য অনেকেই আমার দিকে রাগের চোখে তাকিয়েছিল। আমি নিজেকে খুব অপরাধী মনে করছিলাম। কিন্তু মেসি এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল, 'কোনো সমস্যা নেই। এটাই ফুটবল। আমরা ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছি। আমরা চ্যাম্পিয়নের মতো লড়েছি।'
এরপর শুনতে পেলাম, কোচ নাকি আমাকে আর জাতীয় দলে নিতে চান না। তখন মেসি কোচের সঙ্গে কথা বলে বলেছিল, 'এতে হিগুয়াইনের কোনো একার দোষ নেই। ফুটবলে আমরা সবাই হারি। আমরা কেউই নিখুঁত নই।'
এরপর কোচ আবার আমাকে দলে ডাকেন এবং ম্যাচ খেলার সুযোগ দেন। মেসি না থাকলে হয়তো আজও আমি সেই অপরাধবোধ বয়ে বেড়াতাম।
আমি খুব খুশি যে সে বিশ্বকাপ জিতেছে। সে সত্যিই এর যোগ্য। তার হৃদয় অনেক বড়।"

দ্রষ্টব্য: এই বক্তব্যটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হলেও, গনজালো হিগুয়াইনের এমন হুবহু উদ্ধৃতির কোনো নির্ভরযোগ্য সাক্ষাৎকার বা সরকারি উৎস পাওয়া যায় না। তাই এটিকে নিশ্চিতভাবে সত্য উদ্ধৃতি হিসেবে নয়, বরং প্রচলিত একটি দাবি হিসেবে দেখা উচিত। Abul TV

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছে আর্জেন্টিনা। তবে মাঠের লড়াইয়ের বাইরেও লিওনেল মেসিকে ঘিরে আলোচনায়...
26/07/2026

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছে আর্জেন্টিনা। তবে মাঠের লড়াইয়ের বাইরেও লিওনেল মেসিকে ঘিরে আলোচনায় এসেছে একটি মানবিক ঘটনা।

আর্জেন্টাইন সাংবাদিক ইয়ানিনা লাতোর দাবি, কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহার পরিবারের সদস্যদের জন্য বিশ্বকাপের টিকিটের ব্যবস্থা করেছিলেন মেসি।

লাতোর তথ্য অনুযায়ী, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে ভোজিনহার পরিবারের চার সদস্যের পক্ষে স্টেডিয়ামে বসে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখা সম্ভব হচ্ছিল না।

বিষয়টি জানতে পেরে মেসি নিজের উদ্যোগে তাদের জন্য টিকিটের ব্যবস্থা করেন, যাতে তারা গ্যালারি থেকে ম্যাচ উপভোগ করতে পারেন।

সাংবাদিক ইয়ানিনা লাতো জানান, বিশ্বকাপ চলাকালীন আর্থিক কারণে যাদের পক্ষে মাঠে গিয়ে খেলা দেখা সম্ভব ছিল না, তাদের অনেকের জন্য নিজ খরচে টিকিট কিনেছিলেন মেসি। সেই তালিকায় ছিলেন কেপ ভের্দের গোলকিপার ভোজিনহার পরিবারের চার সদস্যও।

মেসির উদ্যোগেই তারা স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনাল গ্যালারি থেকে দেখার সুযোগ পান। এই ঘটনা বিশ্বকাপ চলাকালে প্রকাশ্যে আসেনি। ফাইনালের পর বিষয়টি সামনে আসে।

২০২৬ বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের হয়ে দারুণ পারফরম্যান্স করেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। রাউন্ড অব ৩২-এ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একের পর এক সেভ করে দলকে ম্যাচে লড়াইয়ে রাখেন তিনি।

সেই ম্যাচের পর মেসি প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে আলিঙ্গন করে তার পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন। মেসির ভাষায়, ‘তুমি অসাধারণ। তোমার দেশের তোমার জন্য গর্বিত হওয়া উচিত।’

©সমকাল Abul TV

20/07/2026

মেসিকে যেভাবে বিদায় জানালো সতীর্থরা। Abul TV

Address

Mohakhali
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abul TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category