News Times bd24

News Times bd24 নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে, ২৪ ঘণ্টা আপনার সাথে
📰 News Times BD24

04/08/2026

হলের সিট দখল নিয়ে ঢাকা আলিয়ায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, ক্যাম্পাস উত্তপ্ত | News Times bd24

04/08/2026

ভারত সীমান্তে ২৫০টি চীনা কামান বসাল পাকিস্তান বাড়ছে যুদ্ধের উত্তেজনা | News Times bd24

সংবিধান থেকে বাতিল হতে পারে শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জাতির পিতা’ স্বীকৃতিবিস্তারিতসংবিধানে প্রথমবার যুক্ত হতে যাচ্ছে সাবেক র...
04/08/2026

সংবিধান থেকে বাতিল হতে পারে শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জাতির পিতা’ স্বীকৃতি
বিস্তারিত

সংবিধানে প্রথমবার যুক্ত হতে যাচ্ছে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের বিষয়টি। চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়ার দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণা ঠাঁই পাবে সংবিধানে। বিপরীতে বাদ যাচ্ছে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত হওয়া শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ হিসাবে স্বীকৃতি, তার ৭ মার্চের ভাষণ ও ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা। থাকছে না তার প্রতিকৃতি টানানোর বাধ্যবাধকতাও।

একই সঙ্গে সংবিধানে ফিরছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান। আর সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও জুলাই যোদ্ধাদের অবদান। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। আজ সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক ঘিরেই সামনে এসেছে এই প্রস্তাবনাগুলো।

জানা যায়, নৈতিক অপরাধে অভিযুক্ত সংসদ-সদস্যদের (এমপি) সদস্যপদ বাতিলে নতুন বিধানসহ যুক্ত হবে আরও কিছু বিধান। বিশেষ করে জুলাই সনদকে সামনে রেখে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী নয়, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো, একাধিক ডেপুটি স্পিকারের পদ সৃষ্টি, নারী সদস্যদের আসন বাড়ানোসহ আরও অনেক প্রস্তাবনা সংবিধানে যুক্ত করার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে।

আজ বেলা ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেছেন কমিটির সভাপতি, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠকে পরিচিতিপর্ব ছাড়াও সংবিধানের কোন কোন জায়গায় সংশোধনী আনা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হবে। বিশেষ করে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধানী সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের রায় এবং জুলাই সনদকে সামনে রেখে বেশকিছু প্রস্তাবনা কমিটির সদস্যদের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। আদালতের রায় মেনে সংবিধান থেকে বাদ যাবে প্রথম ভাগের ৪-এর (ক), ৭-এর ১ (ক), (খ), ৭-এর ২, ৭-এর ৩, ৭-এর (খ) ও ৪৪ (২) অনুচ্ছেদ।

এছাড়াও বাদ দেওয়া হবে সংবিধানের শেষে যুক্ত করা দুটি তফসিল। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তিনটি নতুন তফসিল সন্নিবেশিত করা হয়। এগুলো হলো-পঞ্চম তফসিলে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সপ্তম তফসিলে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা। পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিল বাদ দেওয়া হতে পারে। সংবিধানের দ্বিতীয়ভাগের ৮-এর ১ অনুচ্ছেদে থাকা রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি-জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা; এখানেও পরিবর্তন আসবে। এই একই ভাগের ৯ অনুচ্ছেদে থাকা ‘বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি’-এখানে পরিবর্তন আনার বিষয়টি ভাবনায় রয়েছে। ‘বাঙালি’র জায়গায় যুক্ত করা হতে পারে ‘বাংলাদেশি’ শব্দ।

সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪-এর (ক)-এ বলা আছে, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সব সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্র্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করিতে হইবে।’ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধানীর মাধ্যমে এই বিধান যুক্ত করা হয়। এবারের সংশোধনীতে এটি বাদ দেওয়া হবে। আগের মতোই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিধান থাকবে।

এছাড়া সংবিধানের ৭ (ক)-এর ১ অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় (ক) এই সংবিধান বা ইহার কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে; কিংবা (খ) এই সংবিধান বা ইহার কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে-তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে।’

একই অনুচ্ছেদের ২ উপধারায় বলা আছে, ‘কোন ব্যক্তি (১) দফায় বর্ণিত-(ক) কোন কার্য করিতে সহযোগিতা বা উসকানি প্রদান করিলে; কিংবা (খ) কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন করিলে-তাহার এইরূপ কার্যও একই অপরাধ হইবে।’ ৩ উপধারায় বলা আছে, ‘এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।’

সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি সংশোধন অযোগ্য সম্পর্কে ৭-এর খ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলি সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলি সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।’

পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে সংবিধানে এই বিধান তিনটি যুক্ত করা হয়েছিল। ওই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০১১ সালে সংবিধানের ৫৫টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়। এর মধ্যে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তি সংক্রান্ত সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করেন উচ্চ আদালত। আদালত তার রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে নির্বাচনব্যবস্থাকে দলীয়করণের মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো গণতন্ত্র ও জনগণের সার্বভৌমত্বকে ধ্বংস করা হয়েছে। এর ফলে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে নাগরিকদের ভোটাধিকার হরণ করা হয়, যা শেষ পর্যন্ত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের জন্ম দেয়। আদালত একই সঙ্গে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত করা ৭-এর (ক), ৭-এর (খ) এবং ৪৪ (২) অনুচ্ছেদ বাতিল ঘোষণা করে।

সংবিধানের ৪৪ (২) অনুচ্ছেদে বলা ছিল, ‘এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।’ আদালত একে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ বলে বাতিল করে দেয়। রায়ে বলা হয়, ‘সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের কথা ছিল, যা পঞ্চদশ সংশোধনীতে বাতিল করা হয়। এ বিধান বিলুপ্তি সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৪২ ধারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিবেচনায় তা বাতিল ঘোষণা করা হলো এবং দ্বাদশ সংশোধনীর ১৪২ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হলো।’

সংবিধানের ৭ (ক) অনুচ্ছেদ সম্পর্কে আদালত এটিকে অস্পষ্ট ও ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসাবে আখ্যায়িত করে। তারা আরও বলে, এটি পরবর্তী সংসদের সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে এবং সুপ্রিমকোর্টের বিচারিক পর্যালোচনার ক্ষমতা খর্ব করেছে। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পুরোটা বাতিল করা হচ্ছে না। বাকি বিধানগুলোর বিষয়ে আগামী জাতীয় সংসদ আইন অনুসারে জনগণের মতামত নিয়ে সংশোধন, পরিমার্জন ও পরিবর্তন করতে পারবে।

জানা গেছে, আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংবিধান সংশোধন কমিটি ৭-এর ১ (ক), (খ), ৭-এর ২, ৭-এর ৩, ৭-এর (খ) এবং ৪৪-এর ২ অনুচ্ছেদটি বাদ দেবে। ১৯৭২ সালের সংবিধানে থাকা জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার চারটি মূল মৌলিক রাষ্ট্রীয় নীতি পঞ্চম সংশোধানীর মাধ্যমে পুর্নবহাল করা হয়। এছাড়া শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান; সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটব্যবস্থা বাতিল এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ অবৈধ ঘোষণা করা হয়। কমিটির সদস্যরা এগুলো সংবিধানে না রাখার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ হওয়ার দুই দিন আগে ১৩ জুলাই সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে সংবিধান সংশোধনের জন্য ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির নাম সংসদে উপস্থাপন করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাশ হয়। ১৭ সদস্যের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিরোধী দল নাম না দেওয়ায় ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। বিরোধী দলের জন্য পাঁচটি পদ শূন্য রাখা হলেও এখন পর্যন্ত কমিটিতে সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কোনো নাম দেয়নি।

হাত দিয়েই উঠে যাচ্ছে কোটি টাকার সড়কের পিচ-পাথর.বিস্তারিতজামালপুরে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক সংস্কার কাজ শুরুর পরই নিম...
04/08/2026

হাত দিয়েই উঠে যাচ্ছে কোটি টাকার সড়কের পিচ-পাথর.
বিস্তারিত
জামালপুরে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক সংস্কার কাজ শুরুর পরই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিটুমিনের অপ্রতুলতা ও গর্ত পরিষ্কার না করেই পিচ ঢালায় হাতের স্পর্শেই উঠে যাচ্ছে পিচ-পাথর। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, তবে সড়ক বিভাগের দাবি, প্রাথমিক অবস্থায় কিছু পাথর উঠলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তা মজবুত হবে। আর ক্ষুদ্র পরিসরের সংস্কারে গর্ত ভরাটের আলাদা কোনো বিধান নেই।
জানা গেছে, জামালপুর সদর উপজেলার কানিল শ্মশান ঘাট থেকে নরুন্দী পর্যন্ত সাড়ে চার কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ক পুনর্নির্মাণের কাজ চলছে। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অধীনে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা বাজেটে কাজটি করছে ‘রানা বিল্ডার্স’ ও ‘হাসান টেকনো বিল্ডার্স’। কিন্তু কাজ শুরুর পর থেকেই ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে। বিটুমিন ছিটিয়ে ওপর দিয়ে পাথর বিছিয়ে দেওয়া হলেও রাস্তার অবস্থা দেখে সংস্কারের বিষয়টি বোঝার উপায় নেই।

নিম্নমানের সামগ্রী দেওয়ায় হালকা পায়ের চাপেই উঠে যাচ্ছে পাথর, এমনকি হাত দিয়েই তুলে ফেলা যাচ্ছে পুরো কার্পেটিং। পরিমাণের চেয়ে বিটুমিন কম দেওয়া ও আস্তরণ পাতলা হওয়ায় ইতোমধ্যে অধিকাংশ স্থানের পাথর খসে গেছে। এছাড়া খানাখন্দ না ভরাট করেই কাজ শেষ করায় সড়ক অসমান থেকে গেছে, যা যানবাহনের ক্ষতি করার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। অনিয়মের তীব্রতায় অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয়রা দুইদিন কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য করলেও পরে আবার একই পদ্ধতিতে কাজ শুরু হয়।

কোচনধরা গ্রামের তহির মন্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নরুন্দী-কানিল সড়কের কাজে সীমাহীন দুর্নীতি করা হচ্ছে। বিটুমিন ও পাথরের মান এতই খারাপ যে সামান্য ঘষা পেলেই পাথর ঝরে পড়ছে। খানাখন্দগুলো পূরণ না করে কিংবা রোলার দিয়ে সমান না করেই তাড়াহুড়া করে পিচ ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে পথচারী ও গাড়িচালকদের ভোগান্তি কমেনি, বরং প্রতিনিয়ত যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

একই লাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ জানান, কাজের মান নিয়ে আমি দায়িত্বরত প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তিনি দাবি করলেন, টানা ১০ দিন কড়া রোদ পেলে নাকি রাস্তাটি নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যাবে। আমি যখন প্রশ্ন করলাম পিচ তো খুবই নিম্নমানের দেওয়া হয়েছে, ওপর দিয়ে নতুন করে আর এক স্তর পিচ দেওয়া হবে কি না? তখন তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন যে আর কোনো পিচ দেওয়া সম্ভব নয়।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা আইয়ুব আলী বলেন, সঠিকভাবে রোলার না চালানোয় এবং পিচের পরিমাণ কম দেওয়ায় এই রাস্তা বেশিদিন টিকবে না। একটু বৃষ্টি হলেই সব পাথর আর পিচ ভেসে গিয়ে সড়কটি আবার আগের মতো তছনছ হয়ে যাবে। এই ধরনের লোকদেখানো কাজের মাধ্যমে মূলত জনগণের ট্যাক্সের টাকা এবং সরকারি বরাদ্দের অপচয় করা হচ্ছে।
চলমান কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন করলে রানা বিল্ডার্স এর ম্যানেজার আসাদুজ্জামান জানান, ১০ শতাংশ পাথর উঠে যাওয়ার পর যা থাকবে এটাই রাস্তার কাজ। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে সঠিকভাবে কাজ করতে পারছেন না তারা।

জামালপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী মো. নওয়াজিস রহমান বিশ্বাস বলেন, ছোট কাজে খানাখন্দ সমতল করার সুযোগ নেই। রাস্তার একদম নিচের স্তর থেকে যখন কাজ হয় তখন এগুলো করা হয়। এরপর যখন সড়কের বড় ধরনের কাজ হবে তখন অসমতল অংশগুলো সমতল করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সংস্কারের সময় কিছু পাথর উঠে গেলেও যেটা থেকে যায় সেটা স্থায়ী থাকে এবং তাতে সড়কের স্থায়ীত্ব বৃদ্ধি পায়। কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে হাত দিয়ে টেনে তোলা বা পা দিয়ে ঘষাঘষি করার আচরণ থেকে বিরত থাকতে হবে। যথাযথ মান বজায় রেখেই কাজ করা হচ্ছে। কাজের সময় যদি কোনো সমস্যা হয় এমনকি কাজ শেষ হওয়ার পরও কোনো সমস্যা হলে আমরা তা সমাধান করি।
শুধু সড়ক সংস্কারের নামে অপচয় নয়, অপ্রয়োজনীয় সরকারি অর্থ ব্যয় বন্ধ করে সকল উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর টেকসই বাস্তবায়নে গুণগত মান বজায় রাখার দাবি স্থানীয়দের।

আহনাফের মৃত্যু আমাদের অপরাধী করে দেয়..বিস্তারিত'মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়অতীতের থেকে উঠে আজকের মানুষের কাছে...
04/08/2026

আহনাফের মৃত্যু আমাদের অপরাধী করে দেয়..
বিস্তারিত
'মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়
অতীতের থেকে উঠে আজকের মানুষের কাছে
প্রথমত চেতনার পরিমাপ নিতে আসে।'
কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা পংক্তিগুলো যেন সেই ধ্রুব সত্যের জয়গান গায়– 'ব্যক্তি মানুষের মৃত্যু হতে পারে কিন্তু আদর্শ বা চেতনার মৃত্যু নেই'। কবিতাটা জগতের সকল বিপ্লবীদের সম্পর্কে বয়ান না দিলেও আমরা ধরে নিতে পারি– অতীত হয়ে যাওয়া যোদ্ধারাই প্রথমত চেতনার পরিমাপ গুনতে আসে। তারা আসে স্বাধীন সত্তার কাছে। তারা আসে এই আলো বাতাসে বেঁচে থাকা অনিন্দ্য ফুলের সন্ধানে। তাদের কি মনে রাখা হয়েছে?

ইতিহাস বিপ্লবের নতুন পথ রচনা করে, হয় প্রতিবিপ্লব। ইতিহাস অভ্যুত্থানের গল্প বলে, বলে স্বাধীনতার জন্য রক্ত ঝরানোর কথাও। নদীর স্রোতের মতো গণমানুষের আন্দোলনও তাতে উঠে আসে। কখনও কখনও সেটা অনন্য হয়ে ওঠে নেতৃত্বগুণে। বিপ্লবের মহান ব্রত ঢেকে দেয় মৃত্যুর শঙ্কা। তেমনই এক বিপ্লবী চে গুয়েভারা। যাকে হারানোর বেদনা জর্জরিত করে পৃথিবীব্যাপী অজস্র মানুষকে। কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় যাকে নিয়ে লিখেছিলেন– ‘চে, তোমার মৃত্যু আমাকে অপরাধী করে দেয়।’
বাক্যটার অম্লান অনুরণন তোলা যায়। সেই অনুরণনে ভেসে আসে অজস্র যোদ্ধার স্মৃতি। সেখান থেকে আমরা স্মরণ করতে পারি আহনাফের কথা। শহীদ শাফিক উদ্দিন আহমেদ আহনাফ। রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজের ছাত্র। যার বয়স থেমে গিয়েছিল ১৭ বছরে। তারুণ্যে পদার্পণ করার স্বর্ণালি সময়টাও যার আস্বাদন করা হয়নি। রাষ্ট্রযন্ত্রের বুলেট ঝাঁঝরা করে দেয় কিশোরের স্বপ্নভরা বুক। বুক তার যেন বাংলাদেশের হৃদয়। যে হৃদয় খুব করে চেয়েছিল বৈষম্যবিহীন এক সমাজের।
শাফিক উদ্দিন আহমেদ আহনাফ
গিটার হাতে শহীদ আহনাফ
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিতে নিহত হয় আহনাফ। আহনাফের যেদিন মৃত্যু হয়, তার পরদিন বাংলাদেশে এক অভিনব গণঅভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটে। দেশজুড়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ ও দেশত্যাগ করেন। কিন্তু অভ্যুত্থানের সফল সমাপ্তি দেখা হয়ে ওঠেনি বুলেটবিদ্ধ আহনাফের। বিজয়ে উদিত সূর্যের কয়েক ঘণ্টা আগে জীবন বাতি নিভে যায় তার।
জুলাইয়ে জোয়ার ওঠা শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন একপর্যায়ে পরিণত হয় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে। শত শত প্রাণের বিনিময়ে আন্দোলন বিজয়ের বরমাল্য নিয়ে আসে। এরপর আসে দেশ গড়ার পালা। ক্লাসে ফেরার পালা। বন্ধ থাকা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়। ক্লাসরুমে ফেরে সবাই, বসে পরীক্ষার টেবিলে। শাহীন কলেজের শিক্ষার্থীরাও ফেরে কিন্তু ফেরে না আহনাফ। যে টেবিলটাতে সে বসতো, প্রথম পরীক্ষার দিন সেখানে কেউ বসেনি। সিট ছিল ফাঁকা। শিক্ষার্থীদের মাঝে কোথায় যেন এক বিরান শূন্যতা! আহনাফের স্মরণে তার সিটটাতে ফুল রেখে দেয় বন্ধুরা। 'তারে স্মরণ করে সবাই সাজায় ফুলের ডালা'।
‘একগুচ্ছ ফুল’ হয়ে ক্লাসে ফিরল শহীদ আহনাফ
‘একগুচ্ছ ফুল’ হয়ে আহনাফের ক্লাসে ফেরা
আহনাফের ছিল আকাশ ছোঁয়ার সপ্ন। তার পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানা যায়– আহনাফ বলতো; বড় হয়ে সে এমন কিছু করবে, যার জন্য সবার গর্ব হবে। তবে অকালে মৃত্যুর আলিঙ্গন কি সবসময় গৌরবের? তাই আহনাফের মৃত্যু আমাদের অপরাধী করে দেয়। যেভাবে অপরাধী করে দেয় আবু সাঈদ, মুগ্ধ বা আত্মত্যাগী আরও অনেকের মৃত্যু। দুনিয়ার তাবৎ শোষকদের বলতে ইচ্ছে হয়– 'পানি লাগবে পানি?' আপনারা কি তুমুল তৃষ্ণার্ত? তাহলে রক্ত না, পানি পান করুন।
শুরু থেকেই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সোচ্চার ছিল আহনাফ। আন্দোলনে যেতে নিষেধ করলে সে তার মাকে বলতো– '১৯৭১ সালে তোমাদের মতো মা-খালারা থাকলে দেশ আর স্বাধীন হতো না।’
সত্যিই তো তাই। আহনাফরা না থাকলে ফুলগুলো সব লাল হতো না। আহনাফরা থাকে বলেই কৃষ্ণচূড়ার মোড়কে শহর সাজে। দেয়ালে দেয়ালে শোভা পায় নিশান। আহনাফরা থাকে বলেই রঙমশাল থেকে ঠিকরে বেরোয় তুলির আঁচ। আর স্লোগানে গুঞ্জরিত হয় অধিকার আদায়ের কথা।

ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে: সারজিসবিস্তারিত ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে বলে মন্তব্য করে...
04/08/2026

ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে: সারজিস
বিস্তারিত
ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্ট্যাটাসে সারজিস লেখেন, ছাত্রদল যত তাড়াতাড়ি ছাত্রলীগ হবে, তাদের পরিণতি তত তাড়াতাড়ি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে।
এর আগে, আজ (মঙ্গলবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), ঢাকা কলেজ, ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদরাসার ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে একটি অনুষ্ঠান চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

রোমান্টিক ছবির সঙ্গে দেব-শুভশ্রীর বিশেষ বার্তাবিস্তারিতটালিউডের রুপালি পর্দায় দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলীর জুটি মানেই ভক্তদের...
04/08/2026

রোমান্টিক ছবির সঙ্গে দেব-শুভশ্রীর বিশেষ বার্তা
বিস্তারিত
টালিউডের রুপালি পর্দায় দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলীর জুটি মানেই ভক্তদের আলাদা উন্মাদনা। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঠিক এক বছর আগে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছিল ভক্ত-অনুরাগীরা। ভক্তদের বহুদিনের কাঙ্ক্ষিত ‘ধুমকেতু’ ছবির ট্রেলার বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলেছিল। ছবির সেই জমকালো ট্রেলার উন্মোচনের এক বছর পূর্তিতে আবারও ভক্তদের আবেগ ও ভালোবাসায় ভাসালেন দেব।
২০১৫ সালে নির্মাণের পর নানা জটিলতায় থমকে গিয়েছিল ‘ধুমকেতু’র মুক্তি। তবে গত বছর নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে নাচ, গান আর খোশগল্পের মধ্য দিয়ে যখন ছবিটির ট্রেলার প্রকাশ্যে আসে, তখন মঞ্চজুড়ে তৈরি হয়েছিল এক উৎসবমুখর পরিবেশ।
সেই বিশেষ দিনটিকে স্মরণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভশ্রীর সঙ্গে একাধিক রোমান্টিক ছবি শেয়ার করেছেন দেব ও শুভশ্রী। ক্যাপশনে আবেগঘন কণ্ঠে দেব লিখেছেন, ‘এক বছর আগে, বাংলা সিনেমা সাক্ষী হয়েছিল এক ইতিহাসের। ‘ধুমকেতু’র ট্রেলার লঞ্চ শুধু একটি ইভেন্ট ছিল না, এটি ছিল বাংলা সিনেমার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইভেন্ট। এই অসাধারণ দিনটাকে সম্ভব করে তোলার জন্য আপনাদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’

ভাবনাকে ‘বিরল প্রতিভা’ বললেন পূর্ণিমা
পাঁচ দিনেই দেড় কোটি ভিউ
নাটকে এবার ‘ছোট ছেলে’
দেব-শুভশ্রী জুটির প্রতি অনুরাগীদের অবিচল সমর্থনে আপ্লুত হয়ে এই তারকা আরও যুক্ত করেন, ‘DeSu-র প্রতি আপনাদের যে ভালোবাসা আজও অব্যাহত, তার জন্যও অসংখ্য ধন্যবাদ। এভাবেই ভালোবাসা আর বিশ্বাস নিয়ে পাশে থাকুন, আপনাদের এই আস্থা আমরা কখনও ভাঙতে দেবো না। প্রতিশ্রুতি রইল, আপনাদের নিরাশ করব না।’
এদিকে একই পোস্ট শুভশ্রী। শুধু স্মৃতিচারণেই থেমে থাকেননি দেব; ভক্তদের দিয়েছেন নতুন সুখবরও। ‘ধুমকেতু’র পর ‘দেশু ৭’ প্রজেক্টে আবারও জুটি বাঁধছেন এই চর্চিত জুটি। এই ছবির বিশেষত্ব হলো, অভিনয়ের পাশাপাশি নিজে পরিচালকের আসনেও বসছেন দেব। গল্পে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যকেও। ইতোমধ্যে জোরকদমে শুরু হয়ে গেছে ছবির দৃশ্যধারনের কাজ।

প্রাণ দেবে তারুণ্য, ভুগবে পরিবার, সুবিধা নেবে এলিট শ্রেণি: আসিফ আকবরবিস্তারিতদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক অবক্ষয়ের ...
04/08/2026

প্রাণ দেবে তারুণ্য, ভুগবে পরিবার, সুবিধা নেবে এলিট শ্রেণি: আসিফ আকবর
বিস্তারিত
দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। ছোটখাটো চুরি ও অনিয়মের খবর গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশ পেলেও লুটেরা গোষ্ঠীর দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে তেমন আলোচনা হয় না বলে দাবি করেছেন তিনি। Politics

এ ছাড়া সাফ ফুটবলের নেতৃত্ব, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। তার দাবি, এসব বিষয় ‘একই সূত্রে গাঁথা পুরোনো নকশার অংশ’।
সোমবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন আসিফ আকবর।
পোস্টে তিনি লেখেন, স্কুলের টিফিন সরানোর অপরাধে এক শিক্ষককে পাকড়াও ও হেনস্তা করা হয়। পত্রিকা আর সোশ্যাল মিডিয়ায় অহরহ ছোটখাটো চুরি ও অন্যায়ের খবর খুব ফলাও করে প্রচার করা হয়। নড়ে ওঠে তথাকথিত নেটিজেনরা, পাবলিক রিঅ্যাকশনও থাকে খুব তীব্র। সামান্য খাবার চুরির অপরাধে এ দেশে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয় মানুষ কিংবা বোবা প্রাণী। ব্রেকিংনিউজ

তিনি আরো লেখেন, ওদিকে লুটেরা গোষ্ঠী লুটেই যাচ্ছে দেশটাকে। রাজনীতিকে হাতিয়ার বানিয়ে দেশটাকে খোকলা করে এরাই আবার হয়ে যায় জনপ্রতিনিধি। সাধারণ জনতাই তাদের নেতা বানায়, অভিভাবক বানায়, প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পড়ে পেছনে পেছনে ঘোরে আর ‘আমার ভাই, তোমার ভাই’ বলে চিৎকার করে। তারাই আন্দোলন-সংগ্রাম করে ত্যাগী ও মজলুম হয়, পরে তারাই আবার নিজেদের তৈরি ফ্রাঙ্কেনস্টাইনকে নেতার পদ ফিরিয়ে দিয়ে প্যাদানি খায়।
আসিফ বলেন, এই চক্রেই চলছে বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থা। উচ্চশিক্ষিত চর্বিওয়ালারা জানে চুরির সব অভিনব কৌশল, কাঙালের দল সেই কৌশলের ফাঁদে পড়ে লোভী হয়ে ওঠে; তারাই আবার সেই চোরকে দেয় প্রাতিষ্ঠানিক অবয়ব।
পোস্টে ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সবাক বাংলা চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ৩ আগস্টের একটি রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে তুলনা টেনে নিজের মতামত তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে দেখলাম, সাফ ফুটবলের বসও হলেন সেই ফ্যাসিস্টেরই রেপ্লিকা। নির্বাচিত বাফুফে আর অথর্ব ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ‘স্পিকটি নট’। খুব হিসাব কষে চলছে তাদের নতুন নির্বাক ছবির শুটিং। এগুলো সাধারণ কোনো ঘটনা নয়, একই সূত্রে গাঁথা পুরোনো ডিজাইন।

নিজের পোস্টের শেষাংশে আসিফ লেখেন, এই দেশের মানুষের শত্রুর প্রয়োজন নেই, নিজেদের বিনাশে নিজেরাই যথেষ্ট। বিষাক্ত কালচারাল ফ্যাসিস্ট আর তেলের মতো ভেসে থাকা কিছু দালাল মিডিয়া দেশের অভ্যন্তরের ফ্রন্টলাইন শত্রু। এই সত্যটা বুঝলে ভালো, না বুঝলে পরিস্থিতি একই রকম আছে, সমস্যার কিছু নেই। প্রাণ দেবে তারুণ্য, ভুগবে তার পরিবার, এনজয় করবে এলিট শ্রেণি, আর হাততালি দেবে কাঙালের দল—এটাই নিয়ম।

04/08/2026

বালু আর তরল রুপার অদ্ভুত মেলবন্ধন, জেনে নিন আয়না তৈরির অবাক করা বিজ্ঞান! | News Times bd24

04/08/2026

ইরানের দ্বীপে আমেরিকার ৯০০ কেজির বোমার আঘাত | News Times bd24

Address

News Times BD 24, House No-30(1st Floor), Road No-8, South Bishial, Mirpur, PO:
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when News Times bd24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share