Ayra News Network

Ayra News Network সত্যের সন্ধানে নির্ভীক। দেশ ও বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। Ayra News Network — তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস।

ট্রাম্পের ইরান সংকট: যুদ্ধের ৬ষ্ঠ মাসে কোনো সহজ পথ নেই ওয়াশিংটনের সামনেআন্তর্জাতিক ডেস্ক | ০৭ আগস্ট, ২০২৬ওয়াশিংটন: গত ২...
07/08/2026

ট্রাম্পের ইরান সংকট: যুদ্ধের ৬ষ্ঠ মাসে কোনো সহজ পথ নেই ওয়াশিংটনের সামনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ০৭ আগস্ট, ২০২৬

ওয়াশিংটন: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে কঠোর সামরিক হামলার হুমকি দিয়ে আসলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র বদলে যায়নি। বর্তমানে ট্রাম্প মূলত ৩টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি, যার প্রতিটি বিকল্পই তাঁর জন্য রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।

১. ওমান-ইরান চুক্তি: তেহরানকে বড় ছাড় দেওয়ার ট্রাপ

ইরান এবং ওমানের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন একটি সমঝোতা বা চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। এই প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, হরমোজ প্রণালী দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর ইরান নজিরবিহীন নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির (Supervision & Control) ক্ষমতা পেতে যাচ্ছে।

* কৌশলগত ক্ষতি: যুদ্ধের আগে ইরান কখনোই এই প্রণালীতে সরাসরি একক নিয়ন্ত্রণ ভোগ করেনি। যদি আমেরিকা এই চুক্তি মেনে নেয়, তবে এটি হবে তেহরানের জন্য যুদ্ধকালীন সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিজয়।

* প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ বিরোধিতা: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হরমোজ প্রণালীকে কোনোভাবেই ইরানের নিয়ন্ত্রণে যেতে দেওয়া হবে না এবং আন্তর্জাতিক এই জলপথ সম্পূর্ণ বাধা ও ফি-মুক্ত রাখতে হবে। তবে ট্রাম্প যদি তেলের বাজার স্থিতিশীল করতে চুক্তিটি মেনে নেন, তবে নিজের প্রশাসনের নীতির সাথেই বড় বড় সংঘাত তৈরি হবে।

২. সামরিক হামলা জোরদার: মধ্যবর্তী নির্বাচনের বড় রাজনৈতিক ঝুঁকি

ট্রাম্পের সামনে দ্বিতীয় বিকল্পটি হলো ইরানের ওপর হামলা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা। তবে এই সিদ্ধান্ত মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় মহাবিপদ ডেকে আনতে পারে:

* মিডটার্ম বা মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে (যেখানে সেপ্টেম্বর থেকেই অনেক রাজ্যে আর্লি ভোটিং শুরু হবে)।

* জনপ্রিয়তার ধস ও জ্বালানি সংকট: মার্কিন বাজারে পেট্রোল ও জ্বালানি তেলের আকাশচুম্বী দাম এবং যুদ্ধে প্রচুর মার্কিন অর্থ ব্যয়ের কারণে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আমেরিকান ভোটার এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের বিরোধী।

* ক্ষেপণাস্ত্র ঘাটতি (Missile Stockpile Depletion): রয়টার্স ও ওয়াশিংটন পোস্টের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দীর্ঘ ৫ মাসের এই যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের টমাহক ক্রুজ মিসাইল ও প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টারের মতো উচ্চ-প্রযুক্তিগত ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল মজুদ প্রায় শেষ করে এনেছে। ফলে চাইলেও নতুন করে দীর্ঘ বোমাবর্ষণ চালানো আমেরিকার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

৩. বর্তমান অস্থিতিশীল অবস্থা (Status Quo) বজায় রাখা

যদি ট্রাম্প চুক্তিতেও না যান এবং বড় কোনো বিমান হামলাও না চালান, তবে তাকে বর্তমানে চলমান নৌ-অবরোধ ও মাঝে মাঝে পাল্টাপাল্টি হামলার কৌশল ধরে রাখতে হবে। তবে এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট বহাল থাকবে, লোহিত সাগর ও হরমোজ প্রণালীতে তেলের ট্যাঙ্কারগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে এবং আমেরিকানদের কাছে ট্রাম্পের "দ্রুত যুদ্ধ জয়ের" প্রতিশ্রুতি সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণিত হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত ও বিশ্ব নেতাদের দৃষ্টি:

সাবেক মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য পরিকল্পনাবিদ অ্যারন ডেভিড মিলারের মতে, "ট্রাম্পের সামনে থাকা সমস্ত বিকল্পই খারাপ (Menu of bad options)। তিনি বুঝতে পেরেছেন এই যুদ্ধ অনির্দিষ্টকাল চালানো অসম্ভব, তাই তেহরানের নতুন শর্ত মেনে নেওয়া ছাড়া ট্রাম্পের কাছে পথ কম।

"এদিকে সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা জোনাথন প্যানিকফ সতর্ক করেছেন যে, চীন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়া অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে মার্কিন এই সীমাবদ্ধতা ও সামরিক দুর্বলতাগুলো পর্যবেক্ষণ করছে, যা আগামী দিনে বিশ্ব ভূ-রাজনীতিতে আমেরিকার ক্ষমতাকে আরও দুর্বল করে দেবে।

খামেনির মরদেহ তেহরানে, শেষ বিদায় জানাতে প্রস্তুত ২০ কোটিরও বেশি মানুষআন্তর্জাতিক ডেস্ক | ০৩ জুলাই, ২০২৬তেহরান/ওয়াশিংটন: ...
03/07/2026

খামেনির মরদেহ তেহরানে, শেষ বিদায় জানাতে প্রস্তুত ২০ কোটিরও বেশি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ০৩ জুলাই, ২০২৬

তেহরান/ওয়াশিংটন: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের শুরুর দিকে এক বিমান হামলায় নিহত সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁর কফিন দক্ষিণ তেহরানের ইমাম খোমেনী হুসাইনিয়া মসজিদের কাছে নিয়ে আসা হয়। আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল থেকেই দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ শীর্ষ সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তারা খামেনির কফিনের সামনে দাঁড়িয়ে বিশেষ মোনাজাত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।

১. ইমাম রেজার মাজারের ‘লাল পতাকা’ ও খামেনির কালো পাগড়ি:
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গেছে, সাবেক সর্বোচ্চ নেতার কফিনের ওপর তাঁর প্রতীকী কালো পাগড়িটি রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মাশহাদ শহরের পবিত্র ইমাম রেজা মাজার থেকে আনা একটি ঐতিহাসিক প্রতীকী লাল পতাকা খামেনির কফিনের ওপর স্থাপন করা হয়েছে, যা ইরানি সংস্কৃতিতে গভীর শোক ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক। আগামী ৯ জুলাই মাশহাদে চূড়ান্ত দাফনের আগে তেহরানের এই অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটিরও বেশি শোকাকুল মানুষ অংশ নেবেন বলে ধারণা করছে ইরান কর্তৃপক্ষ।

২. আইআরজিসি (IRGC) প্রধানের প্রথম প্রকাশ্য উপস্থিতি:
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম জনসমক্ষে এলেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর নতুন ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ ওয়াহিদি। তেহরানে খামেনির এই স্মরণসভায় তাঁর উপস্থিতি আইআরজিসি-র সামরিক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার একটি বড় বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

৩. আলোচনার টেবিলে ট্রাম্প ও ইরানের হুঁশিয়ারি:
এদিকে খামেনির মরদেহ নিয়ে দেশজুড়ে যখন শোকের ছায়া, ঠিক তখনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরান আমেরিকার শর্তগুলোর সাথে "প্রায় একমত" হয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যকার শান্তি আলোচনা ইতিবাচকভাবেই এগিয়ে যাবে।

তবে তেহরানও তাদের সুর নরম করেনি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো স্থায়ী শান্তি অবশ্যই বহিরাগত হস্তক্ষেপমুক্ত হতে হবে। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের প্রতিনিধি হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন, শান্তি সমঝোতা স্মারক (MOU) যদি আমেরিকা সামান্যতমও লঙ্ঘন করে, তবে ইরান তার কড়া জবাব দেবে।

৪. হরমোজ প্রণালীতে কঠোর সামরিক নির্দেশনা:
আজ শুক্রবার ইরান সামরিক কমান্ডের পক্ষ থেকে এক বিশেষ নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, হরমোজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজকে অবশ্যই ইরানের নির্ধারিত রুট বা লেন মেনে চলতে হবে। এই নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ও বলপ্রয়োগকারী ব্যবস্থা (Forceful response) নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

৫. লেবানন ফ্রন্ট ও ইসরায়েলি সেনার গতিবিধি:
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন খসড়া শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন। এর মাঝেই ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ঘোষণা করেছে যে, তাদের কুখ্যাত 'গিভাতি ব্রিগেড' (Givati Brigade) দক্ষিণ লেবাননে তাদের অভিযানিক মিশন সম্পন্ন করেছে। তবে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো এখনো আকাশসীমা লঙ্ঘন করে নজরদারি চালাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

ট্রাম্প-ইরান চুক্তিকে ইসরায়েলের বড় চ্যালেঞ্জ: লেবাননে আরও গভীরে সেনা অভিযানের নতুন ম্যাপ প্রকাশআন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৮ জু...
18/06/2026

ট্রাম্প-ইরান চুক্তিকে ইসরায়েলের বড় চ্যালেঞ্জ: লেবাননে আরও গভীরে সেনা অভিযানের নতুন ম্যাপ প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৮ জুন, ২০২৬

জেরুজালেম/বৈরুত: গত বুধবার (১৭ জুন) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তিকে সরাসরি অমান্য করার ইঙ্গিত দিয়েছে তেল আবিব। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) দক্ষিণ লেবাননে তাদের বর্ধিত সামরিক নিয়ন্ত্রণ অঞ্চলের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে। সেই সাথে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই নির্ধারিত সীমানার বাইরেও যেকোনো সময় হিজবুল্লাহর ওপর হামলা চালাতে তারা দ্বিধা করবে না, যা মধ্যপ্রাচ্যের নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে এক চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

১. ম্যাপে ‘গাঢ় লাল’ জোনে নতুন নতুন এলাকা:
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এর আগে এপ্রিল মাসে লেবাননে একটি বাফার জোন বা নিরাপত্তা বলয়ের ম্যাপ প্রকাশ করেছিল। তবে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নতুন ম্যাপটিতে দেখা গেছে, ইসরায়েলি সেনারা লেবাননের লিতানি নদীর উত্তরে অবস্থিত হিজবুল্লাহর শক্তিশালী ঘাঁটি ‘নাবাতিহ’ (Nabatieh)-সহ আরও বেশ কয়েক কিলোমিটার গভীরে প্রবেশ করেছে। ম্যাপে এই নতুন দখলকৃত অঞ্চলকে 'গাঢ় লাল' (Dark red) রঙে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইসরায়েলের এক সামরিক কর্মকর্তা বলেন, "সেনা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই জোনের বাইরেও যেখানেই হুমকি দেখা যাবে, আমরা সেখানে হামলা অব্যাহত রাখব।"

২. ‘কোনো রেড বা গ্রিন জোন থাকবে না, ইসরায়েলকে হটতেই হবে’:
ইসরায়েলের এই নতুন ম্যাপের তীব্র বিরোধিতা করে হিজবুল্লাহ প্রধান নাইম কাসেম বুধবার রাতে এক টেলিভিশন ভাষণে হুঙ্কার দিয়ে বলেন:

"লেবাননের মাটিতে ইসরায়েলের তৈরি করা কোনো হলুদ জোন, লাল জোন কিংবা সবুজ জোন আমরা মানি না। ইসরায়েলকে আমাদের মাটি ছাড়তেই হবে এবং তারা ছাড়তে বাধ্য।"

ইতিমধ্যেই হিজবুল্লাহ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে বিস্ফোরক ড্রোন হামলা জোরদার করেছে, যার ফলে বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা হতাহত হয়েছে।

৩. ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যকার তীব্র ফাটল:
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যকার সম্পর্ক এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ট্রাম্প যেখানে যৌথভাবে শুরু করা এই যুদ্ধ থেকে আমেরিকাকে দ্রুত বের করে নিতে মরিয়া, সেখানে নেতানিয়াহু এই মার্কিন-ইরান চুক্তি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর নিজের প্রথম প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু বলেন, "আমরা আমেরিকার সাথে সম্পর্ককে মূল্য দিই, কিন্তু উত্তর ইসরায়েলের নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে দক্ষিণ লেবাননে আমাদের এই নিরাপত্তা বলয় (Security strip) বজায় রাখতেই হবে। যতদিন প্রয়োজন, আমাদের সেনারা সেখানে থাকবে।"

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য লেবাননে ইসরায়েলের নির্বিচার বহুতল ভবন বোমায় উড়িয়ে দেওয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন, তবে ইসরায়েলের ওপর মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের মতো কোনো কঠোর পদক্ষেপ ট্রাম্প এখনও নেননি।

৪. ওয়াশিংটন সংলাপের আগে মনস্তাত্ত্বিক চাল:
তেল আবিবের 'ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ'-এর গবেষক ড্যানি সিট্রিনোভিচ বলেন, আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরায়েল-লেবানন সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ঠিক তার আগে এই ম্যাপ প্রকাশ করে ইসরায়েল মূলত বার্তা দিল—"আমরা এখানে স্থায়ীভাবে থাকতে এসেছি, সহজে পিছু হটব না।"

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি: যে ৭টি বড় বাধা ভেস্তে দিতে পারে সব কূটনৈতিক প্রচেষ্টাআন্তর্জাতিক বিশ্লেষণ ডেস্ক...
18/06/2026

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি: যে ৭টি বড় বাধা ভেস্তে দিতে পারে সব কূটনৈতিক প্রচেষ্টা

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণ ডেস্ক | ১৮ জুন, ২০২৬

ওয়াশিংটন/জেনেভা: চার মাসের বিধ্বংসী যুদ্ধের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানি শীর্ষ নেতৃত্ব চলতি সপ্তাহে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা স্মারকে (MOU) স্বাক্ষর করলেও, আসল পরীক্ষা শুরু হচ্ছে এখন। বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির খসড়ায় সবচেয়ে কঠিন ও জটিল বিষয়গুলোকে ভবিষ্যতের আলোচনার জন্য তুলে রাখা হয়েছে। নিচে এমন ৭টি বড় চ্যালেঞ্জ বা 'স্পয়লার' তুলে ধরা হলো যা এই শান্তি চুক্তিকে যেকোনো মুহূর্তে ভেস্তে দিতে পারে:

১. পারমাণবিক কর্মসূচির গভীর ফাটল:
ট্রাম্পের যুদ্ধ ঘোষণার প্রধান কারণ ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। দুই পক্ষ পরমাণু অস্ত্র না বানানোর নীতিগত বিষয়ে একমত হলেও মূল বিরোধ বেঁধেছে অন্য জায়গায়:

* ইউরেনিয়াম মজুত: ইরান ইতিমধ্যে বোমা বানানোর কাছাকাছি মানের (near-bomb-grade) যে বিপুল ইউরেনিয়াম মজুত করেছে, ট্রাম্প চান তা ধ্বংস বা দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হোক। ইরান এতে সম্পূর্ণ নারাজ, তারা সর্বোচ্চ এটি পাতলা বা মিশ্রিত (Dilute) করতে রাজি।

* সমৃদ্ধকরণ ও পরিদর্শন: ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের (Enrichment) অধিকার ছাড়বে না। অন্যদিকে ২০১৫ সালের ওবামা আমলের চুক্তির মতো আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের অবাধ প্রবেশাধিকার ইরান এবার মেনে নেবে কি না—তা নিয়ে তীব্র সংশয় রয়েছে।

২. হরমোজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ও টোল বিতর্ক:
বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের এই রুটটি শুক্রবার খুলে দেওয়ার কথা থাকলেও জটিলতা কাটেনি। আমেরিকা বলছে এই আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ টোল-মুক্ত (Toll-free) হতে হবে। অন্যদিকে, যুদ্ধের মাধ্যমে এই রুটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া ইরান সেখানে নিজেদের ব্যবস্থাপনা ও কর্তৃত্ব বজায় রাখতে অনড়।

৩. নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও হিমায়িত তহবিল:
ইরান চায় তাদের ওপর থেকে সমস্ত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে তুলে নেওয়া হোক এবং বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের আটকে থাকা তহবিল অবমুক্ত করা হোক। কিন্তু ওয়াশিংটনের নীতি হলো—ইরান শর্ত কতটা মানছে, তার ওপর ভিত্তি করে ধাপে ধাপে (Gradual) নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে। ট্রাম্প এখনই ইরানকে অর্থ দিলে দেশের ভেতরে 'ইরান-বিরোধীদের' তীব্র রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়বেন।

৪. ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর অনড় অবস্থান:
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়েছেন, লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে ইসরায়েল কোনো মার্কিন-ইরান চুক্তি মানতে বাধ্য নয়। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ধমকের পর লেবানন ফ্রন্টে সাময়িক উত্তেজনা কমলেও, ইসরায়েল যদি আবার বড় কোনো হামলা চালায় তবে ইরান আলোচনা বর্জন করবে। কারণ ইরানের স্পষ্ট শর্ত—এই চুক্তির আওতায় লেবাননেও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হতে হবে।

৫. আলোচনার ধরণ ও অভিজ্ঞতার অভাব:
আমেরিকার আলোচক দলে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। এই দলটির দ্রুত ফলাফল খোঁজার প্রবণতা রয়েছে, অন্যদিকে ইরানি দলটিতে আছেন অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও প্রবীণ কূটনীতিবিদরা, যারা আলোচনা দীর্ঘায়িত করতে পছন্দ করেন। মাত্র ৬০ দিনের এই সংক্ষিপ্ত সময়ে এত বড় কারিগরি চুক্তি চূড়ান্ত করা প্রায় অসম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

৬. তীব্র পারস্পরিক অবিশ্বাস:
ইরান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চরম অবিশ্বাস করে, কারণ এর আগে আলোচনার মাঝপথেই ট্রাম্প দুবার সামরিক হামলা চালিয়েছিলেন। তাছাড়া ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির বাবা, মা, স্ত্রী ও সন্তান মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ায় তাঁর অবস্থান অত্যন্ত কট্টর। অন্যদিকে, মার্কিন প্রশাসনও মনে করে ইরান কেবল সময়ক্ষেপণ করার জন্য আলোচনার নাটক করছে।

৭. অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ ও উসকানিমূলক হুমকি:
ওয়াশিংটনের কট্টরপন্থী নেতারা ট্রাম্পকে ইরানের সামনে মাথা নত না করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। একইভাবে তেহরানের কট্টরপন্থীরাও তাদের আলোচকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এর মাঝে ট্রাম্প যদি আবার সামাজিক মাধ্যমে কোনো উসকানিমূলক বা কঠোর হুমকি দিয়ে বসেন, তবে ইরান আলোচনার টেবিল থেকে এক মুহূর্তে উঠে যেতে পারে।

15/06/2026

লন্ডনে এবার হাসনাত আব্দুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ: রাজনৈতিক মহলে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ

লন্ডনে এবার হাসনাত আব্দুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ: রাজনৈতিক মহলে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভজাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৬...
15/06/2026

লন্ডনে এবার হাসনাত আব্দুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ: রাজনৈতিক মহলে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৬ জুন, ২০২৬

লন্ডন/ঢাকা: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও সদ্য গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির অন্যতম শীর্ষ নেতা এবং সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় ১৫ জুন (সোমবার) বিকেলে লন্ডনে প্রবাসীদের সাথে একটি ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সময় এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে স্থানীয় পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বড় ধরণের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটেনি।

১. যেভাবে ঘটল ঘটনাটি:
যুক্তরাজ্য সফরের অংশ হিসেবে সোমবার লন্ডনের একটি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে বাইরে ওত পেতে থাকা একদল বিক্ষোভকারী হঠাৎ হাসনাত আব্দুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আকস্মিক এই হামলায় অনুষ্ঠানস্থলে সাময়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও হাসনাত আব্দুল্লাহর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা এবং তাৎক্ষণিকভাবে ব্রিটিশ পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। হামলার পরও তিনি পূর্বনির্ধারিত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন এবং প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন।

২. ধারাবাহিক ‘মব’ সংস্কৃতির অংশ:
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সম্প্রতি যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও ছাত্রনেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিত বিক্ষোভ ও ‘মব’ (Mob) তৈরির চেষ্টা দেখা যাচ্ছে।

* এর কিছুদিন আগেই লন্ডনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল।

* এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় নাগরিক পার্টির আরেক শীর্ষ নেতা আখতার হোসেনের ওপরও শারীরিকভাবে হামলার ঘটনা ঘটে। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই এবার হাসনাত আব্দুল্লাহকে নিশানা করা হলো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৩. সহযোদ্ধা ও রাজনৈতিক নেতাদের তীব্র নিন্দা:
হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর এই হামলার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই দেশে ও প্রবাসে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। ছাত্রনেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, দেশে গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে গিয়ে এখন প্রবাসে বসে এই ধরণের কাপুরুষোচিত অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে। তারা অবিলম্বে এই ঘটনায় জড়িতদের ব্রিটিশ আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এবং প্রবাসে থাকা দেশপ্রেমিক বাংলাদেশিদের এই ধরণের উসকানির বিরুদ্ধে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি: বিশ্বনেতাদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সতর্কতাআন্তর্জাতিক ডেস...
15/06/2026

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি: বিশ্বনেতাদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৫ জুন, ২০২৬

বৈরুত/ওয়াশিংটন: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটাতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তিতে (Interim Agreement) সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন ও তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে ঘোষণা করেছেন যে, আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডে এই চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হবে। চুক্তি অনুযায়ী অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে, প্রত্যাহার করা হবে ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ এবং সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি রুট ‘হরমোজ প্রণালী’। (The Straits Times)

এই যুগান্তকারী কূটনৈতিক সাফল্যকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি বিশ্বনেতারা ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পরিহার করার বিষয়েও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

১. জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বস্তি:

* জাতিসংঘ (UN): জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র জানিয়েছেন, মহাসচিব এই সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, এটি একটি স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ। (The Times of Israel)

* ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU): ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন চুক্তিটির দ্রুত ও পূর্ণ বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়ে বলেন, "হরমোজ প্রণালীতে কোনোপ্রকার টোল বা শুল্ক ছাড়া জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। এটি বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।" (The Guardian)

২. পশ্চিমা জোটের অবস্থান (E4, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি):

পশ্চিমা শক্তির প্রধান চার দেশ—যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইতালি (E4) এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানকে কড়া বার্তা দিয়েছে। তাদের স্পষ্ট কথা, "ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া যাবে না।" (Internazionale)

* যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, হরমোজ প্রণালীতে অবাধ বাণিজ্য ও নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।

* ফ্রান্স: ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক মিশন হরমোজ প্রণালী খুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া সফল করতে সব ধরণের সহযোগিতা করবে।

* জার্মানি: চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মার্জ এই ঐতিহাসিক যুদ্ধবিরতি অর্জনের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানি পক্ষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

৩. মধ্যস্থতাকারী দেশ ও এশীয় অঞ্চলের প্রতিক্রিয়া:

* ইতালি: ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এই চুক্তি সম্ভব করার জন্য প্রধান দুই মধ্যস্থতাকারী দেশ—কাতার ও পাকিস্তান-কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সেই সাথে লেবাননের সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে ইতালি পাশে থাকবে বলে জানান। (GOV.UK)

* তুরস্ক: তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান একে আঞ্চলিক শান্তির জন্য এক বিরাট অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের আগের এই স্পর্শকাতর সময়ে যেকোনো ধরণের উসকানি বা নাশকতা (Sabotage) এড়াতে সব পক্ষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

* জাপান ও অস্ট্রেলিয়া: জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির পর আগামী ৬০ দিনের আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক সমস্যার একটি চূড়ান্ত ও স্থায়ী সমাধান আসবে। The Straits Times

জি-সেভেন সম্মেলনে ট্রাম্প-মোদী বৈঠক: বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হলেও এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক ডেস...
14/06/2026

জি-সেভেন সম্মেলনে ট্রাম্প-মোদী বৈঠক: বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হলেও এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়

অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৪ জুন, ২০২৬

ওয়াশিংটন: ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বেইনস-এ অনুষ্ঠিতব্য জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করবেন। তবে সম্মেলন চলাকালীন এই চুক্তির চূড়ান্ত ঘোষণা আসার সম্ভাবনা নেই বলে শনিবার একজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

১. আলোচনার অগ্রগতি ও জামিসন গ্রিয়ারের ভারত সফর:
বাণিজ্যিক আলোচনাকে আরও এগিয়ে নিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (USTR) জামিসন গ্রিয়ার জি-সেভেন সম্মেলনের ঠিক পরের সপ্তাহে ভারত সফর করবেন। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করেন, একটি "খুব ভালো চুক্তি" হওয়া সম্ভব, তবে ট্রাম্প প্রশাসন একটি মানসম্মত চুক্তির ওপর জোর দিচ্ছে। মোদী ভারতের জন্য যে উচ্চাভিলাষী ভূমিকা দেখছেন, তাতে আমেরিকার সাথে এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াশিংটন।

২. শুল্ক ও অন্যান্য অমীমাংসিত ইস্যু:
ভারত ও আমেরিকার মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক গত কয়েক মাসে কিছু শুল্ক জটিলতা এবং রাজনৈতিক ইস্যুতে উত্তপ্ত ছিল। ভারত বর্তমানে মধ্য-জুলাইয়ের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তির প্রথম অংশ সম্পন্ন করতে আগ্রহী, যেখানে তারা বিশেষ শুল্ক সুবিধা (Preferential tariff treatment) পাওয়ার দাবি জানাচ্ছে।

৩. জাহাজ হামলা নিয়ে উত্তেজনা:
বাণিজ্যিক আলোচনার পাশাপাশি ভূ-রাজনৈতিক উত্তজনাও এই বৈঠকে ছায়া ফেলতে পারে। চলতি সপ্তাহে তিনটি ভারতীয় নাবিকবাহী ট্যাঙ্কারে মার্কিন হামলার ঘটনায় ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে, যেখানে তিনজন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের সাথে যুক্ত জাহাজের ওপর মার্কিন অবরোধ শুরু হওয়ার পর এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই বিষয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাথে কথা বলেছেন এবং জোর দিয়ে বলেছেন যে, মার্কিন অবরোধ লঙ্ঘন করে ইরানি তেল পরিবহন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।

৪. অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা:
ট্রাম্প ও মোদীর বৈঠকে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং ভারতের ভেনেজুয়েলার তেল কেনার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। অন্যদিকে, কানাডার সাথেও আমেরিকার বাণিজ্যিক আলোচনা চলছে, তবে জি-সেভেন সম্মেলনে সেখানেও কোনো বড় অগ্রগতির আশা করা হচ্ছে না।

ওয়াশিংটন চুক্তিতে লেবাননকে ‘দাবার ঘুঁটি’ বানাতে চায় ইরান: বৈরুতের তীব্র প্রতিরোধ, ওয়াশিংটন সংলাপে অচলাবস্থাআন্তর্জাতিক ড...
12/06/2026

ওয়াশিংটন চুক্তিতে লেবাননকে ‘দাবার ঘুঁটি’ বানাতে চায় ইরান: বৈরুতের তীব্র প্রতিরোধ, ওয়াশিংটন সংলাপে অচলাবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১২ জুন, ২০২৬

বৈরুত: ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের প্রভাবের শেষ ঘাঁটি ‘লেবানন’-কে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে একটি সুনিপুণ কূটনৈতিক ও সামরিক ক্যাম্পেইন শুরু করেছে তেহরান। ওয়াশিংটনের সাথে নিজেদের মূল শান্তি চুক্তির শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতির বিষয়টিকে জুড়ে দিয়েছে ইরান। তবে তেহরানের এই আধিপত্যকামী কৌশলের মুখে দাঁড়িয়ে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, লেবাননের ভবিষ্যৎ অন্য কোনো দেশের যুদ্ধক্ষেত্রের ওপর নির্ভর করবে না।

১. ‘ইরান আমাদের নাম নিয়ে কথা বলতে পারে না’: লেবানন প্রেসিডেন্ট
বুধবার রয়টার্সকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অত্যন্ত কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন:

"লেবাননের ভবিষ্যৎ লেবাননের জনগণের হাতে, ইরান বা ইসরায়েলের হাতে নয়। ইরানের সাথে সহযোগিতা এক জিনিস, কিন্তু ইরানিরা আমাদের ওপর তাদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবে—তা আমরা মেনে নেব না। আমরা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। ইরান আমাদের নাম নিয়ে কথা বলতে পারে না। লেবানন অন্য কারও যুদ্ধের ময়দান হোক, তা আমরা বরদাশস্ত করব না।"

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, এই সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই এবং কূটনৈতিক আলোচনা ছাড়া বৈরুতের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।

২. ইরানের কাছে লেবানন কেন ‘গ্রাউন্ড জিরো’?
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের শেষের দিকে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ‘অক্ষশক্তি’ (Axis of Resistance)-র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ এখন লেবানন। কিংস কলেজ লন্ডনের নিরাপত্তা বিশ্লেষক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ বলেন, "লেবানন হলো ইরানের প্রতিরোধ লড়াইয়ের মূল কেন্দ্র বা গ্রাউন্ড জিরো।" সম্প্রতি বৈরুতের শহরতলীতে ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান যে সরাসরি ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, তা মূলত হিজবুল্লাহর ওপর কোনো আঘাত সহ্য না করার একটি চূড়ান্ত রেড লাইন বা সতর্কবার্তা। ইতিহাস জুড়ে এই প্রথম ইরান হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল যুদ্ধে সরাসরি নিজে জড়িয়ে পড়ল।

৩. ওয়াশিংটন সংলাপে চরম নাটকীয়তা ও অচলাবস্থা:
এদিকে ওয়াশিংটনে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবানন সরকারের মধ্যে চলা সীমান্ত আলোচনা এক চরম জটিল মোড় নিয়েছে। দুই পক্ষের মূল অমিলগুলো হলো:

* লেবাননের দাবি: অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, দখলকৃত অঞ্চল থেকে ইসরায়েলি সেনার সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং লেবানন সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাস্তুচ্যুত সাধারণ নাগরিকদের নিজ ঘরে প্রত্যাবর্তন।

* ইসরায়েলের দাবি: দক্ষিণ লেবানন থেকে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে সামরিক শক্তি হিসেবে সম্পূর্ণ নির্মূল করতে হবে এবং তার প্রমাণ পাওয়ার পরই কেবল ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

বৈঠক বর্জন ও মার্কিন হস্তক্ষেপ: গত সপ্তাহের একটি বৈঠক এতটাই ‘কঠিন’ ছিল যে, ইসরায়েলের অনড় অবস্থান দেখে লেবাননের প্রধান মধ্যস্থতাকারী সাইমন কারাম ক্ষোভে বৈঠক বর্জন করে ঘর থেকে বেরিয়ে যান। পরবর্তীতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সরাসরি হস্তক্ষেপে বৈঠকটি পুনরারম্ভ হয় এবং একটি ‘টেক-ইট-অর-লিভ-ইট’ (মানলে মানো, না মানলে নাই) টাইপের খসড়া প্রস্তাব দেওয়া হয়।

৪. হিজবুল্লাহর প্রত্যাখ্যান ও শিয়া জনগোষ্ঠীর স্থায়ী বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি:
লেবানন সরকার হিজবুল্লাহর ধাপে ধাপে প্রত্যাহার এবং সমান্তরালভাবে ইসরায়েলি সেনা সরানোর একটি ‘পাইলট জোন’ (যেমন: বোফোর্ট ক্যাসেল এলাকা) পরিকল্পনা তৈরি করলেও হিজবুল্লাহ তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। হিজবুল্লাহ এই পরিকল্পনাকে "ইসরায়েলের কাছে আত্মসমর্পণ" বলে অভিহিত করেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই রাজনৈতিক ও সামরিক অচলাবস্থা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে দক্ষিণ লেবানন থেকে পালিয়ে আসা লাখ লাখ শিয়া মুসলিমদের নিজ ভূমিতে ফেরার পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়: ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন ড. খলিলুর রহমানআন্তর্জাতিক ডেস্ক | ০৩ জুন, ২০...
02/06/2026

জাতিসংঘে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়: ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন ড. খলিলুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ০৩ জুন, ২০২৬

নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ সদর দপ্তর): জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (UNGA) নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও ভোটের মাধ্যমে আজ সকালে সংস্থাটির ৮১তম অধিবেশনের নতুন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের ড. খলিলুর রহমান। জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক আবর্তন নীতি (Regional rotation) অনুযায়ী, এবারের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব পাওয়ার কথা ছিল ‘এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ’-এর। এই গ্রুপ থেকে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের পর সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে ঐতিহাসিক এই গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ।

১. তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন:
এবারের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদের জন্য মূল লড়াইটি হয়েছিল এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে:

* বাংলাদেশ: ড. খলিলুর রহমান (সদ্য নির্বাচিত সভাপতি)।

* সাইপ্রাস: রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস (H.E. Mr. Andreas S. Kakouris)।

নির্বাচনের আগে গত ১৩ মে দুই প্রার্থীই জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সামনে বিশ্ব শান্তি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও রূপরেখা (Vision) তুলে ধরেন এবং সদস্য দেশগুলোর সাথে সরাসরি মতবিনিময় সংলাপে অংশ নেন। আজ সকালে সাধারণ পরিষদের নিয়ম মেনে চূড়ান্ত ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ নিরঙ্কুশ জয় লাভ করে।

২. সাধারণ পরিষদের পোডিয়ামে ড. খলিলুর রহমান:
বিজয়ী হওয়ার পরপরই ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ঐতিহাসিক পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর উদ্দেশ্যে তাঁর প্রথম ভাষণ দেন। তিনি তাঁকে নির্বাচিত করার জন্য বিশ্বের ১৯২টি সদস্য দেশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বর্তমানে চলমান বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি (বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ ও হরমোজ প্রণালীর সংকট)-র এই কঠিন সময়ে বিশ্ব সংহতি এবং বহুপাক্ষিক কূটনীতিকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

৩. বাংলাদেশের জন্য এই জয়ের গুরুত্ব:
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে বলা হয় ‘বিশ্বের সংসদ’। এই সংসদের সভাপতি পদটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক নীতি নির্ধারণে এর ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশের কোনো যোগ্য সন্তানের এই শীর্ষ পদে আসীন হওয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের কূটনৈতিক দূরদর্শিতা এবং বিশ্ব শান্তিতে বাংলাদেশের অবদানেরই এক বিশাল স্বীকৃতি।

Address

Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ayra News Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share