Voice of DCU

Voice of DCU Raising the concerns of DCU students. Your platform to speak up for a better campus life. Voice of DCU

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনার সুবাদে ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রুটে আমার যাতায়াত নিয়মিত। আমাদের মতো সাধারণ যাত্র...
21/09/2026

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনার সুবাদে ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রুটে আমার যাতায়াত নিয়মিত। আমাদের মতো সাধারণ যাত্রীদের কাছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ট্রেনের টিকিট পাওয়া মানে সত্যি এক 'সোনার হরিণ'। কারণ সব টিকেট থাকে কালোবাজারিদের হাতে। অধিকাংশ সময়ই ভাগ্যে জোটে স্ট্যান্ডিং টিকিট, আর শুরু হয় কামরার এক কোনায় দাঁড়িয়ে কিংবা গাদাগাদি করে গন্তব্যে পৌঁছানোর লড়াই। কিন্তু যাত্রীদের এই তীব্র সংকট আর অসহায়ত্বকে পুঁজি করে ট্রেনগুলোতে যে কতটা বিষাক্ত সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, তা এই রুটে নিয়মিত যাতায়াত না করলে বাইরে থেকে অনুধাবন করা কঠিন।

রেলওয়ে ম্যানুয়াল বা চাকরির শর্ত অনুযায়ী ট্রেনের একজন স্টুয়ার্ড বা এটেনডেন্টের মূল কাজ কী? খুব সাধারণ নিয়ম, যাত্রীদের ব্যাগ ও মালামাল ওঠানামায় সাহায্য করা, বয়োবৃদ্ধ বা সুবিধাবঞ্চিতদের নির্ধারিত সিট খুঁজে দেওয়া, বগির পরিচ্ছন্নতা তদারকি করা এবং সার্বিক যাত্রীসেবা সুনিশ্চিত করা। কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। এই এটেনডেন্টদের বড় একটি অংশ আজ সেবা দেওয়ার ভূমিকা ছেড়ে নেমে পড়েছে অবৈধ টিকিট ও সিট বাণিজ্যে। জনবল সংকট বা অসাধু টিটিদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে এদের অনেকেই গায়ে কালো ব্লেজার চাপিয়ে, হাতে একটি নোটখাতা নিয়ে টিটি বা ট্রাভেলিং টিকিট এক্সামিনারের রূপ ধরে বগিতে বগিতে ঘোরেন। টিকিট না পাওয়া নিরুপায় যাত্রীদের জিম্মি করে, পুলিশ ও জরিমানের ভয় দেখিয়ে বাসের কন্ডাক্টরের মতো টাকা তোলাই যেন এদের মূল পেশা।

​সংবাদমাধ্যমে এদের কারসাজি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়াটাও নতুন কোনো ঘটনা নয়। যেমনটা চট্টলা এক্সপ্রেসের মোহন নামের এক এটেনডেন্টের ক্ষেত্রে দেখা গেছে। ১৪তম গ্রেডের একজন কর্মচারী হয়েও তিনি হাতে খাতা নিয়ে ঘুরে ঘুরে টিটি সেজে যাত্রীদের থেকে টাকা তুলছেন, আসনবিহীন যাত্রীকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অন্যের সিটে বসিয়ে দিচ্ছেন। সাংবাদিক ক্যামেরা ধরলে ক্ষমা চেয়ে মাফ চান, অথচ বছরের পর বছর একই কাজ নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছেন (এখনো প্রায় দেখা হয়)। শুধু তা-ই নয়, এটেনডেন্টদের পুরোনো আরেকটা কুখ্যাত ব্যবসা হলো বগির দুই পাশের খালি জায়গায় বালতি উল্টো করে রেখে সেখানে যাত্রী বসানো এবং টিকিটের দুই থেকে তিন গুণ টাকা পকেটে ভরা। কোনো যাত্রী প্রতিবাদ করলে তাকে কটু কথা বলা বা আসল টিটি ও পুলিশ এনে ভয় দেখানোর মতো ঘটনা নিত্যদিনের। বিশেষ করে নারী যাত্রীদের জন্য এই অভিজ্ঞতা চরম অপমানজনক ও হয়রানিমূলক।

এখন বড় প্রশ্ন জাগতেই পারে, সংবাদমাধ্যমে নাম-ছবিসহ প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পরও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কেন এদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয় না? উত্তরটা সহজ, এটি কেবল একজন এটেনডেন্টের ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, এটি একটি সুসংগঠিত এবং গভীর সিন্ডিকেট। এটেনডেন্টদের তোলা এই অবৈধ টাকার ভাগ পৌঁছে যায় অসাধু টিটি থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরে। ফলে এরা একে অপরকে ঢাল হয়ে রক্ষা করে। একদিকে অসাধু কর্মচারীরা আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আর সাধারণ মানুষ প্রতিদিন প্ল্যাটফর্ম ও বগিতে নিঃশব্দে নিপীড়িত হচ্ছে।

আর এই পুরো অরাজকতার মধ্যে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী বা আরএনবির ভূমিকা কী? সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় যাদের বেতন দেওয়া হয় ট্রেন ও স্টেশনের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে, তাদের আচরণ আজ চরম ভয়াবহ ও নির্লজ্জের পর্যায়ে পৌঁছেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে নিজের চোখের সামনে দেখা এক ঘটনার কথা মনে পড়ে। প্ল্যাটফর্মে ২ থেকে ৩ জন লোক মিলে এক সাধারণ মানুষকে টেনে হিঁচড়ে মারধর করছিল। একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা আরএনবি সদস্যদের বিষয়টি দেখতে বললে উনাদের নির্লিপ্ত উত্তর ছিল, "আজাইরা খাইয়া কাম নাই, যা ইচ্ছা হোক, একটু পর এমনিতেই জানতে পারমুনে।" শুধু দায়িত্বহীনতাই নয়, এরা এখন কতটা বেপরোয়া আর হিংস্র হয়ে উঠেছে তার প্রমাণ মিলল গতকালই। গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলে আরএনবি সদস্যরা তাকে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যার চেষ্টা করেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় সে এখন আইসিইউতে ভর্তি, সে আদৌ বাঁচবে কিনা তা নিয়ে তীব্র সংশয় তৈরি হয়েছে। আল্লাহ যেন ভাইটিকে দ্রুত সুস্থ করে তুলুন এবং আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন। যে বাহিনীর কাজ ছিল সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করা, তারা এখন নিজেরাও রক্তপিপাসু সন্ত্রাসী বাহিনীর মতো আচরণ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে এবং এই দেশের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমাদের এবার চরম শক্ত অবস্থানে যেতে হবে। ট্রেনের এটেনডেন্টরা সেবা দেওয়ার কর্মী, টিকিট পরীক্ষা করা বা জরিমানা আদায়ের কোনো আইনি অধিকার তাদের নেই। রেলওয়ে প্রশাসনকে অবিলম্বে এসব তথাকথিত নকল টিটি, সিট বাণিজ্যের সিন্ডিকেট এবং রক্তচক্ষু দেখানো আরএনবি সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ওপর হামলাকারী অপরাধী আরএনবি সদস্যদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আমরা যদি আজ সশব্দে প্রতিবাদ না করি, তবে এই রাষ্ট্রীয় সেবা খাতটি এবং আমাদের যাতায়াতের পথগুলো পুরোপুরি ঘাতকদের দখলে চলে যাবে।

– শিক্ষার্থী, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে স্বজনদের বিদায় জানাতে গিয়ে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) ও কর্মচারীদের হাতে রাজশাহী বিশ্বব...
20/09/2026

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে স্বজনদের বিদায় জানাতে গিয়ে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) ও কর্মচারীদের হাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আইয়ুব আলী নির্মমভাবে মারধরের শিকার হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতের এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন রাবির সাধারণ শিক্ষার্থী ভাই ও বোনেরা।। একজন সহপাঠীর ওপর এমন অন্যায় আক্রমণের প্রতিবাদে তারা রেললাইন অবরোধ করলে মুহূর্তের মধ্যেই সারাদেশের সাথে রাজশাহীর রেল যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, স্টেশনে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়েই হামলার শিকার হন আইয়ুব আলী। শিক্ষার্থীদের রক্ত গরম করা এই ঘটনার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তড়িঘড়ি করে বাংলাদেশ রেলওয়ে (পশ্চিম) দপ্তর থেকে এক আদেশে চারজন আরএনবি সদস্যকে (মো: আরিফ হোসেন, মো: রোকন উদ্দীন, মো: শফিকুল ইসলাম ও মো: শাহাদত হোসেন) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

কিন্তু রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের এই লোকদেখানো ও 'সাময়িক বরখাস্তের' সিদ্ধান্তকে সোজা প্রত্যাখ্যান করে রাজশাহী স্টেশনে অবস্থান নিয়ে এখনো বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলার সাহস রেলওয়ে কর্মচারীরা বারবার পায় কোথায় থেকে? কোনো প্রশাসনিক বাহানা কিংবা সাময়িক বরখাস্তের খবর দিয়ে এবার আর পার পাওয়ার সুযোগ নেই।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী ওই কর্মচারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও স্থায়ী বহিষ্কার না করা পর্যন্ত আন্দোলন থামার কোনো কারণ নেই। রাজপথ কিংবা রেললাইন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নিজেদের অধিকার আদায় করে নেওয়ার এই লড়াইয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরাসহ দেশের সকল সাধারণ ছাত্রসমাজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশে রয়েছে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন পাহার থেকে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা নাহিদের ১৩ বছর বয়সী সন্তান অপ্রতিমের মরদ...
19/09/2026

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন পাহার থেকে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা নাহিদের ১৩ বছর বয়সী সন্তান অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমে তুহিন নামের এক যুবককে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মহিবুল আলম ভুঁইয়া।

আটকের বিষয়ে কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মহিবুল আলম ভুঁইয়া জানান, তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজন হিসেবে তুহিনকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এদিকে মাতৃতুল্য শিক্ষকের সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ক্ষোভে ফুসছে পুরো ক্যাম্পাস। খুনিদের গ্রেপ্তারে কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপরাধীরা গ্রেপ্তার না হলে পুরো কুমিল্লা অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

​উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বিকেলে মায়ের ফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরদিন শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ৬ নম্বর গেট এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার আঘাতপ্রাপ্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা নাহিদ  এর একমাত্র সন্তান, সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী অপ্রত...
19/09/2026

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা নাহিদ এর একমাত্র সন্তান, সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী অপ্রতিম আর আমাদের মাঝে নেই। গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটা নাগাদ মায়ের ফোনটি হাতে নিয়ে বন্ধুদের সাথে ছবি তুলতে বাসা থেকে বের হয়েছিল অপ্রতিম। এরপর সে আর ফেরেনি। মা সোশ্যাল মিডিয়ায় হাত জোড় করে আকুতি জানিয়েছিলেন ছেলেকে খুঁজে পাওয়ার জন্য। কিন্তু আজ বেলা বাড়তেই এলো সেই মর্মান্তিক ও নৃশংস খবর। বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পাশের এক জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তার নিথর দেহ। শরীরে ও মাথায় ছিল গুরুতর আঘাতের চিহ্ন।

১৩ বছরের একটি নিষ্পাপ শিশু, যার গায়ে জড়ানো ছিল পছন্দের একটি পাঞ্জাবি, সে কীভাবে এমন নৃশংসতার শিকার হতে পারে? বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ঠিক পাশেই যদি একজন শিক্ষকের সন্তান এভাবে খুন হয়ে পড়ে থাকে, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ভরসা কোথায়? প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে নতুন কোনো শিশু নিখোঁজ কিংবা হত্যাকাণ্ডের খবর দেখা আজ এক অসহনীয় বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। এই যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি, এর শেষ কোথায়?

​ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আমরা অপ্রতিমের বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এবং ড. নাহিদা ম্যামসহ তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি। আমরা কোনো ফাঁকা আশ্বাস বা বিচারের দীর্ঘসূত্রতা দেখতে চাই না। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

ছোট্ট অপ্রতিম, ওপারে শান্তিতে থেকো। হয়তো এমন এক দেশে জন্ম নেওয়াই তোমার সবচেয়ে বড় অপরাধ ছিল, যেখানে একটা নিষ্পাপ শিশুর স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। আমরা তোমার এই অন্যায়ের বিচার চাই।

মাননীয় উপাচার্য মহোদয়, আপনার এই আশ্বাসের রাজত্বে আর কত দিন সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে?একবুক আশা আ...
17/09/2026

মাননীয় উপাচার্য মহোদয়, আপনার এই আশ্বাসের রাজত্বে আর কত দিন সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে?

একবুক আশা আর স্বপ্ন নিয়ে আমরা একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রেখেছিলাম। ভেবেছিলাম এখানে এসে আলোর দিশা পাব, নিজেদের স্বপ্নগুলোকে নতুন করে সাজাব। কিন্তু প্রতিদিন প্রশাসনিক অবহেলা আর চরম মানসিক যন্ত্রণার মুখোমুখি হতে হতে আমরা আজ ক্লান্ত। একের পর এক আশ্বাসের ফাঁকা বুলি শুনতে শুনতে আমাদের কান পচে গেছে, অথচ বাস্তবে আমাদের ঝুলিতে জমা হয়েছে শুধুই হতাশা। ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থীদের দিকে তাকালে আজ সত্যি বুকটা হাহাকার করে ওঠে। দেশের অন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন দ্বিতীয় বর্ষ শেষের দিকে, তখন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে আমরা জানিই না আমাদের ১ম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা কবে হবে! না আছে কোনো সুনির্দিষ্ট একাডেমিক ক্যালেন্ডার, না আছে পড়াশোনার ন্যূনতম কোনো রোডম্যাপ।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, যেসব বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকদের কাজ ছিল ক্লাসরুমে আমাদের স্বপ্ন দেখানো, পথ দেখাানো আর মোটিভেট করা কিন্তু তারা উল্টো প্রতিনিয়ত আমাদের অপমান আর ডিমোটিভেট করে যাচ্ছেন! যাদের কাছে আমাদের অনুপ্রাণিত হওয়ার কথা ছিল, তাদের কাছ থেকে কটু কথা আর তুচ্ছতাচ্ছিল্য শুনে তরুণ শিক্ষার্থীদের মনের সব আশা শুরুতেই চুরমার হয়ে যাচ্ছে।

আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ পাওয়া তো অনেক দূরের কথা, প্রশাসন আমাদের একটি মানসম্মত আইডি কার্ড পর্যন্ত দিতে ব্যর্থ হয়েছে। যে কার্ড হাতে দেওয়া হলো, তাতে ব্লাড গ্রুপের মতো অতি জরুরি তথ্যটাই উধাও! সাথে কোনো ফিতা বা কার্ড হোল্ডারের সৌজন্যটুকু দেখানোর প্রয়োজনও কেউ মনে করেনি। আরও হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, বদরুন্নেসা ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আইডি কার্ডের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করার পরও মাসের পর মাস তারা কার্ডের মুখ পর্যন্ত দেখেনি। আবার ২০২৫-২৬ সেশনের ভর্তির সময় দূর-দূরান্ত থেকে আসা নবীন শিক্ষার্থীরা বিভাগে বিভাগে ঘুরে চরম সমন্বয়হীনতার শিকার হলো, কারণ নোটিশ নাকি পৌঁছায়ইনি!

বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা পাওয়া তো যেন আমাদের জন্য এখন অপরাধ। আমরা রাজপথে নামতে চাই না, আমরা ক্লাসরুমে ফিরতে চাই, শিক্ষকদের কাছে সম্মান পেতে চাই। মাননীয় উপাচার্য মহোদয়, প্রশাসনিক ঠান্ডা ঘরে বসে খালি আশ্বাস আর কথার রাজনীতি বন্ধ করুন। শিক্ষকদের এই মানসিক হেনস্তা এবং প্রশাসনের সার্বিক অগোছালো পরিবেশ দূর করতে অবিলম্বে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিন। মনে রাখবেন, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে এই শান্ত শিক্ষার্থীরাই নিজেদের অধিকার ছিনিয়ে নিতে আবার রাজপথে নামতে বাধ্য হবে!

– Voice of DCU টিম

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্...
17/09/2026

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও কোর্স এনরোলমেন্টের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত তাদের রেজিস্ট্রেশন ও কোর্স এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আদেশে রেজিস্ট্রার মো. শহীদুল রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থীকে নির্ধারিত এই বর্ধিত সময়ের মধ্যেই অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও কোর্স এনরোলমেন্টের প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ার পর আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। তাই পরবর্তীতে যেন কোনো ধরণের ঝামেলা বা অসুবিধা না হয়, সে জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সকল কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

​শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য কোর্স এনরোলমেন্টের নিয়মকানুন নিয়ে ভিডিও টিউটোরিয়াল বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া এনরোলমেন্ট করতে গিয়ে কোনো শিক্ষার্থী সমস্যা বা জটিলতায় পড়লে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে লিংকের (https://dcu.ac.bd/support-ticket/new) মাধ্যমে 'সাপোর্ট টিকিট' ওপেন করে নিজেদের সমস্যার কথা বিস্তারিত জানাতে পারবেন। পাশাপাশি [email protected] ঠিকানায় ই-মেইল করার সুবিধাও রাখা হয়েছে।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির তিতুমীর ক্যাম্পাসের রসায়ন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া আয়াত বর্তমানে জী...
17/09/2026

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির তিতুমীর ক্যাম্পাসের রসায়ন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া আয়াত বর্তমানে জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শ্যামলী কিডনি ইনস্টিটিউটে লড়াই করা সাদিয়ার দুটি কিডনিই প্রায় বিকল হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অতি দ্রুত কিডনি প্রতিস্থাপন করা না গেলে তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হবে না। তবে এই বিশাল অঙ্কের ব্যয়বহুল চিকিৎসা খরচ বহন করা সাদিয়ার পরিবারের পক্ষে পুরোপুরি অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এমন সংকটাপন্ন সময়ে সাদিয়ার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তিতুমীর ক্যাম্পাসের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ। সাদিয়া তাঁর নিজের বিভাগের শিক্ষার্থী না হওয়া সত্ত্বেও এবং শিক্ষকের নিজের আর্থিক অবস্থা কঠিন হওয়া সত্ত্বেও, তিনি মানবিকতার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। সাদিয়ার চিকিৎসার ফান্ড সংগ্রহে সহায়তা করতে শিক্ষক তাঁর নিজের অত্যন্ত শখের এবং বিরল জাতের দুটি পোষা কবুতর বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এই উদ্যোগের কথা জানিয়ে শিক্ষক মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ লিখেছেন, “যা কিছু দুর্লভ সেটাই দামী। বহু শখের জিনিস আমার। এ দুইটি বিক্রি করে সাহায্যপ্রার্থী তিতুমীরের রসায়ন বিভাগের ছাত্রী সাদিয়ার কিডনি প্রতিস্থাপনে যদি কিছুটা কাজে আসে। মেয়েটার জন্য কিছুই করতে পারলাম না। বারবার মনে পড়ে সেই সাথে মনও পোড়ে। পোস্ট করার উদ্দেশ্য আসেন না ওকে বাঁচাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই।”

​পোষা প্রাণীর প্রতি মানুষের ভালোবাসা কতটা গভীর তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না, সেখানে নিজের সবচেয়ে প্রিয় এবং দুর্লভ বস্তু দুটিকে তিনি সাদিয়ার জীবন বাঁচানোর চিকিৎসায় উৎসর্গ করেছেন। একজন শিক্ষকের এই মহানুভবতা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে শিক্ষকতা শুধুই ক্লাসরুমের পাঠদানে সীমাবদ্ধ নয়, তা পরম মমতায় শিক্ষার্থীদের আগলে রাখার এক নিরাপদ আশ্রয়স্থল। শিক্ষকের এই মানবিক উদ্যোগ আমাদের সবার বিবেককে গভীরভাবে নাড়া দেয়। আসুন, সাদিয়ার পরিবারকে একা না রেখে আমরা সবাই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই এবং সাদিয়ার জীবন বাঁচাতে পাশে দাঁড়াই।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) বদরুন্নেসা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২য় বদরুন্নেসা আন্তঃকলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০...
16/09/2026

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) বদরুন্নেসা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২য় বদরুন্নেসা আন্তঃকলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬। বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ বিতর্ক ক্লাবের (বিবিডিসি) উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত প্রতিযোগিতার সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর তামান্না বেগম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিতর্ক ক্লাবের সাবেক মডারেটর ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর আয়েশা আক্তার এবং কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর তছমিনা বেগম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফরিদা ইয়াছমিন। বিতর্ক ক্লাবের মডারেটর ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোছা. খুজিস্তা আক্তারা বানু অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর শামসুন্নার, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগত বিতর্ক ক্লাবের সদস্যবৃন্দ।

প্রতিযোগিতার প্রথম পর্ব গত ১১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ১২টি দল নিবন্ধন করলেও প্রতিযোগিতায় ৯টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রথম পর্ব শেষে বাছাই করা দুটি দল মঙ্গলবারের চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। চূড়ান্ত পর্বে একটি দল ছিল উচ্চমাধ্যমিকের ইন্টারমিডিয়েট কমার্স এবং অপরটি ছিল অনার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের দল।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিতর্ক ক্লাবের মডারেটর মোছা. খুজিস্তা আক্তারা বানু। বক্তব্যের শুরুতে তিনি উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, বিতর্ক ক্লাবটি একটি নবীন সংগঠন হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও অল্প সময়ের মধ্যেই দ্বিতীয় আন্তঃকলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে। কলেজের বিভিন্ন বিভাগ ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রথম পর্ব সফলভাবে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে ক্লাবের প্যানেল সদস্য, মডারেটর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি বিতর্কচর্চার গুরুত্ব ও শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, যুক্তিবোধ, উপস্থাপনা দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে বিতর্কের ভূমিকা তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিতর্কচর্চায় উৎসাহিত করেন।

এরপর বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর তামান্না বেগম। তিনি বিতর্কচর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা, নেতৃত্বগুণ ও আত্মবিশ্বাস বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফরিদা ইয়াছমিন এবং বিশেষ অতিথি উপাধ্যক্ষ প্রফেসর তছমিনা বেগম চৌধুরী। তারা শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং বিতর্কচর্চার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বিকাশের আহ্বান জানান।

বিতর্ক ক্লাবের সভাপতি আফরিন মারিয়া তার বক্তব্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, বিচারক, প্রতিযোগী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের বিতর্কচর্চায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা দেন।

এদিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘প্রার্থনা’ কবিতার পঙ্‌ক্তি— “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত...”—উদ্ধৃত করে বক্তব্য দেন বিতর্ক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তানজিলা আক্তার রুমি। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি বিতর্ক ক্লাবের অগ্রযাত্রায় সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর তামান্না বেগমের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণার কথা তুলে ধরেন।

বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ঢাকা কলেজ বিতর্ক ক্লাবের সভাপতি আজিজুল রহমান পাভেল বলেন, দেশের মহিলা কলেজগুলোর মধ্যে বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ব্যতিক্রমীভাবে জাতীয় পর্যায়ের বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে এবং সেখানে অংশগ্রহণের সুযোগ তার হয়েছে। তিনি আয়োজনেরও প্রশংসা করেন।

প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে অনার্স দলকে পরাজিত করে ইন্টারমিডিয়েট কমার্স দল বিজয়ী হয়। পরে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে ২য় বদরুন্নেসা আন্তঃকলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর সমাপনী ঘোষণা করা হয়।

লেখা ও ছবি: বকসাস

রাজধানীর ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির আইনি ভিত্তি, চলমান শিক্ষাবর্ষগুলোর একাডেমিক মাইগ্রেশন এবং সার্বিক প্রশাসনিক রূপরেখ...
15/09/2026

রাজধানীর ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির আইনি ভিত্তি, চলমান শিক্ষাবর্ষগুলোর একাডেমিক মাইগ্রেশন এবং সার্বিক প্রশাসনিক রূপরেখা নিয়ে সমকাল পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধের জবাবে বিস্তারিত আইনি ও প্রশাসনিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন। সম্প্রতি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কলামটিতে উল্লেখিত তথ্যগত বিভ্রান্তি দূর করে আইন ও ঐতিহাসিক পর্যালোচনার আলোকে বিষয়টির স্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেন।

ট্রেজারার তার পোস্টে জানান, 'ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন, ২০২৬' (২০২৬ সনের ৭৮ নম্বর আইন) গত ১০ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে এবং আইনের ১(২) ধারা অনুযায়ী তা অবিলম্বে কার্যকর হয়। আইনের ৪(৩) ধারা অনুযায়ী সাতটি ঐতিহ্যবাহী সরকারি কলেজ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে থাকবে এবং প্রতিটি কলেজের নিজস্ব পরিচয়, ঐতিহ্য, সম্পত্তি ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা পুরোপুরি অক্ষুণ্ণ থাকবে। এছাড়া আইনের ৫৭(১) ও ৫৮(৪) ধারা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের পূর্বানুমোদন এবং সংবিধি মেনেই কলেজগুলোর একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ফলে আইনি ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থেই চলমান শিক্ষার্থীদের এই একাডেমিক কাঠামোর আওতায় আনা অপরিহার্য।

নিবন্ধে উল্লেখিত আইনের ধারা সংক্রান্ত অসঙ্গতি সংশোধন করে তিনি উল্লেখ করেন, কলামে ৫৬(২) ধারার কথা বলা হলেও বিষয়টি প্রকৃতপক্ষে ৫৯(৪) ধারা। এতে বলা হয়েছে, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত শিক্ষা কাঠামো ও কারিকুলামে ভর্তি হলেও আইন অনুযায়ী ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি থেকে সনদ প্রাপ্ত হবে। তাছাড়া আইনের ৫৯(৩) ধারার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগের অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্তগুলোকে ভূতাপেক্ষভাবে (Retrospectively) আইনি বৈধতা প্রদান করা হয়েছে, যা দেশের যেকোনো নতুন বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান গঠনের ক্ষেত্রে একটি স্বীকৃত আইনি প্রক্রিয়া।

২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক মাইগ্রেশন শতভাগ বিধিসম্মত উল্লেখ করে অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন জানান, এটি কোনো একতরফা সিদ্ধান্ত নয়। গত ২৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উক্ত সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন, সাত কলেজের অধ্যক্ষবৃন্দ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ) উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তার স্পষ্ট ইতিবাচক মতামতের ভিত্তিতেই সকল পক্ষের সর্বসম্মতিক্রমে এই স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবদ্ধ পর্ষদগুলোর মাধ্যমে সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া চলছে।

অতীত ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি পোস্টে মনে করিয়ে দেন, ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ শত শত কলেজকে এক আইনি প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করা হয়েছিল। একইভাবে ২০১৭ সালে সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেওয়া এবং পরবর্তীতে বিআইটিগুলোকে আধুনিক প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (যেমন রুয়েট, কুয়েট) রূপান্তরের সময়েও চলমান শিক্ষার্থীদের নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে এনে স্বায়ত্তশাসিত ডিগ্রির ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

​শিক্ষার্থীদের আসন সংখ্যা কমে যাওয়ার গুঞ্জনের জবাবে ট্রেজারার জানান, শ্রেণিকক্ষের ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ শিক্ষার্থী ভর্তি করিয়ে পড়াশোনার মান ব্যাঘাত ঘটানোর পুরোনো চর্চা থেকে বেরিয়ে আসা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) প্রতিনিধি দলের সরজমিন পরিদর্শন ও সুনির্দিষ্ট স্থান নিরূপণের পরেই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে সর্বমোট ১১ হাজারের মতো শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। শিক্ষার আধুনিক পরিবেশ ও উন্নত কারিকুলাম নিশ্চিত করাই নতুন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। একই সাথে ইডেন মহিলা কলেজ ও বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের ঐতিহ্য বজায় রেখে নারী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ অক্ষুণ্ণ রাখতে প্রশাসন সম্পূর্ণ সচেষ্ট রয়েছে বলে তিনি জানান।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়ের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কাম...
14/09/2026

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়ের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সম্প্রতি স্ট্রোকজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন এবং বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

​ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম সম্প্রতি হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ অধ্যক্ষকে দেখতে যান এবং তাঁর চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। চিকিৎসকদের বরাতে জানা গেছে, বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা ক্রমান্বয়ে উন্নতির দিকে।

​বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ড. কাকলী মুখোপাধ্যায় একজন নিবেদিতপ্রাণ ও দায়িত্বশীল শিক্ষাবিদ। শিক্ষা প্রশাসনে তাঁর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি প্রতিনিয়ত দূরদর্শী পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করে আসছেন।

​অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়ের এই গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে ভাইস-চ্যান্সেলরসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তাঁর দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছে এবং তাঁর পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice of DCU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share