27/08/2025
বুয়েটিয়ানদের ৩ দফা দাবী,আসুন দেখি কি নিয়ে তারা রাস্তা কাপাচ্ছে।😝👇
১) তাদের দাবি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা নামের আগে ‘ইঞ্জিনিয়ার’ লিখতে পারবে না।
👉 মন্তব্য: একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার সারাজীবন টেকনিক্যাল শিক্ষা নিয়ে কাজ করছে, অথচ তাকে নামের আগে ‘ইঞ্জিনিয়ার’ লিখতে নিষেধ করা—এটা পুরোপুরি হাস্যকর। বুয়েটিরা চাইলে তাদের নামের আগে তিনবার ‘ইঞ্জিনিয়ার’ লিখুক, কিন্তু ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা কী পদবী ব্যবহার করবে সেটা নির্ধারণ করার মালিক তারা নয়।
২) ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের কাউকে পদোন্নতি দিয়ে নবম গ্রেডে উন্নীত করা যাবে না।
👉 মন্তব্য: এটাও আরো অযৌক্তিক। দক্ষতা যদি থাকে, তাহলে সেই মানুষ অবশ্যই পদোন্নতি পাবে। কেউ যদি একবার ভর্তি পরীক্ষায় বুয়েটে পড়তে না পারে, তাহলে কি তার জীবন শেষ হয়ে যাবে? দক্ষতা থাকলে প্রমাণ করুক, কিন্তু অন্যদের পদোন্নতি আটকে রেখে নিজের ক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা আসলে দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ।
৩) দশম গ্রেডের চাকরিতে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য কোটা।
👉 মন্তব্য: কেউ যদি সত্যিই বেশি দক্ষ হয়, তবে স্বাভাবিকভাবেই চাকরি পাবে। সার্টিফিকেট বা প্রতিষ্ঠানের সিলমোহরের ওপর ভিত্তি করে কোটা চাওয়াটা দক্ষতার নয়, বরং অটো পাসের মতো দাবি।
-
বুয়েটিয়ানের বাড়তি ‘অটো পাস’ স্টাইলে দাবী
কেউ কেউ বুয়েট ছাত্র বলছে: “ডিপ্লোমা ধারীদের আগে বুয়েট বানান শিখতে হবে, তারপরে তারা নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার ব্যবহার করতে পারবে।”
আবার দেখলাম কেউ একজন ক্যালকুলাসের একটা সমীকরণ দিয়ে বলছে: “প্রথমে এই ইকুয়েশন সলভ করো, তারপর নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার লেখ।”
এক সাংবাদিক তাদের কে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করলেন: তারা পড়াশোনা করেছেন, চাকরি নিচ্ছেন যোগ্যতার পরিচয়ও দিয়েছেন, তাহলে তারা নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার লাগালে আপনাদের সমস্যা কি?
দরকার হলে আপনারা নামের আগে ‘বুয়েট ইঞ্জিনিয়ার’ লিখুন। অনেককে তো দেখেছি নামের সাথে ব্র্যাকেট দিয়ে BUET Eng. লিখে রাখে!”
এটার উত্তরে এক বুয়েটিয়ান নাক উঁচু করে বলল: “আপনি জানেন বুয়েট কী জিনিস? বুয়েটের বানান সম্পর্কেই তো আপনার ধারণা নেই!
সবচেয়ে মজার ব্যাপার, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেক লোক তাচ্ছিল্যের সুরে বলে উঠল:
হ্যাঁ আপনার বুয়েট থেকে পইড়া বড় বালটা ফালাইছেন,
“বুয়েট থেকে পড়ে আজ পর্যন্ত কী বানাইছেন? অটো রিকশা ছাড়া আর কিছু?”😂
-
শেষকথা:
বুয়েটিদের এই ৩ দফা আসলে দক্ষতার প্রতিযোগিতা নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের সিলমোহর ভরসায় ‘অটো পাস’ পাওয়ার চেষ্টা। অথচ সত্যিকারের ইঞ্জিনিয়ার প্রমাণিত হয় কাজ দিয়ে, আবিষ্কার দিয়ে, আর বাস্তব সমস্যার সমাধান দিয়ে—কোটা বা সাইনবোর্ড দিয়ে নয়।