30/07/2026
বিয়ের জন্য যেভাবে ইস্তিখারা করবেন!
বিয়ে যেহেতু একটা আবেগের সাথে সম্পর্কিত! তাই এই ব্যাপারে ইস্তিখারা করার বিষয় টা বুঝতে হবে। এটা অনান্য ইস্তেখারার মতো না।
১| কোনো প্রস্তাব আসলে, বিয়ের কথা বার্তা শুরু হওয়ার পর থেকে আপনি প্রচুর দু'য়া করতে পারেন ইং শা আল্লাহ। এভাবে দু'য়া করবেন ~ "আল্লাহ প্রস্তাব টা আমার জন্য কল্যাণকর হলে আগাতে সাহায্য করেন। আর অকল্যাণকর হলে আমাকে হিফাজত করুন।"
এই দু'য়া টা, দু'য়া কবুলের সময় গুলোতে দু'য়া করবেন। ইস্তিখারার যেই বাংলা দু'য়ার অনুবাদ সেটাই নিজের ভাষায় করবেন। তাহাজ্জুদ, ইস্তেগফার, দুরুদ, সদকাহ করবেন। অপর অবিবাহিত বোনদের বিয়ের জন্য দু'য়া করবেন। ইত্যাদি। আল্লাহর সাথে প্রাণ খুলে দু'য়া করবেন কথা বলবেন। ইং শা আল্লাহ। এইগুলা নফল আমল...
২| সাথে প্রথমে নিজের জ্ঞান-বিবেক-বুদ্ধি দ্বারা বিয়ের প্রক্রিয়া টা আগাবেন পারিবারিক ভাবে। মাশাওয়ারা করে নিবেন গুরুজন দের সাথে। যাচাই-বাছাই করে নিবেন। আশানুরূপ ভাবে দুই পক্ষের সঙ্গে মোটামুটি মিলে গেলে যদি এমন ধারণা হয়, ওমুকের সাথে বিয়ে হলে মন্দ হয় না মোটামুটি অনেকটা ম্যাচ, তবেই ইস্তিখারা করবেন।
(ইস্তিখারা টা হচ্ছে এমন যে, আমার নিজের বিবেক-বুদ্ধি দ্বারা ওমুক প্রস্তাব টা মোটামুটি ভালোই মনে হয়েছে। এখন আমি আল্লাহর থেকে চূড়ান্ত কল্যাণকর সাহায্য টা চেয়ে নিবো। বুঝে নিবো। এটাই)
ইস্তিখারা এমন কোনো অলৌকিক বিষয় না যে, বাস্তবিক ভাবে চিন্তা না করে, ওমুক সম্পর্কে ভালো মতো কিছু না জেনে, শুরুতেই ইস্তিখারা করে আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নিলাম। এইভাবে ইস্তিখারার প্রকৃত ফলাফল না বুঝে ; সেটা নফসের অনুসরণ হয়ে যাবে।
৩| আরেকটা টিপস। নিজে ইস্তিখারা করবেন। সাথে সম্ভব হলে পরিবারের সদস্যদের ও করতে বলবেন। যেমন ধরেন আপনার মা ও একই সাথে ইস্তিখারা করলো এই নিয়তে যে 'ওমুক পরিবারের সাথে আত্মীয়তা করা কিংবা ওমুক ছেলে আমার মেয়ের জন্য ঠিক হবে কি না' এই নিয়তে করতে বলতে পারেন।
• এবার নিয়ম টা বলি!
১| উত্তম রূপে অজু করে তারপর দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করবেন ইস্তিখারার নিয়তে।
ফজর এবং আসরের ওয়াক্তে কোনো নফল সালাত আদায় করা যায় না। তাই বাকি তিন ওয়াক্তে ইস্তিখারার সালাত আদায় করবেন। আর এমন সময় বাছাই করে নিবেন সুবিধা মতো যেনো পরিপূর্ণ মনোযোগ সহকারে সালাত টা আদায় করতে পারেন। আস্তে-ধীরে।
{ সবচেয়ে বেশি উত্তম হয় যদি তাহাজ্জুদের সময় সা