Bristy's Creation

Bristy's Creation Alhamdulillah
(1)

আসলেই তো,,
23/08/2026

আসলেই তো,,

১৯ বছর বয়সে মাসিক না হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি নারী, ডাক্তারের পরীক্ষায় মিললো পুরুষের ক্রোমোজমও অন্ডকোষ ☣️বাহ্যিকভাবে তিনি এ...
18/08/2026

১৯ বছর বয়সে মাসিক না হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি নারী, ডাক্তারের পরীক্ষায় মিললো পুরুষের ক্রোমোজম
ও অন্ডকোষ ☣️

বাহ্যিকভাবে তিনি একজন পূর্ণাঙ্গ নারী, দেখতে লম্বা ও স্বাভাবিক সুন্দর শারীরিক গঠন। অথচ ১৯ বছর পার হয়ে গেলেও জীবনে কখনো তাঁর মাসিক (Period) হয়নি! বিষয়টিকে প্রথমে তেমন গুরুত্ব না দিলেও, বিয়ের পর এক বছর চেষ্টা করার পরও সন্তান না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়ে যান এই দম্পতি।

অবশেষে স্ত্রীরোগ চিকিৎসকের (Gynecologist) কাছে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় প্রকাশ পায় অবিশ্বাস্য এক সত্য! বাহ্যিক শারীরিক গঠন একজন নারীর মতো হলেও আল্ট্রাসাউন্ড ও এমআরআই (MRI) রিপোর্টে দেখা যায়— তাঁর তলপেটে গর্ভাশয় (Uterus) বা ডিম্বাশয় (O***y) বলে কিছু নেই!

বরং ক্যানাল বা কুচকির কাছে দুটি বিশেষ গঠন দেখা যায়, যা আসলে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় "Undescended Testicles" বা **অণ্ডকোষ**! এমনকি রক্তের টেস্টে পুরুষদের মতো উচ্চমাত্রার টেস্টোস্টেরন হরমোন এবং '46,XY' পুরুষের ক্রোমোজোম ধরা পড়ে!

**চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি কী?**
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই বিরল অবস্থাকে বলা হয় **‘কমপ্লিট অ্যান্ড্রোজেন ইনসেনসিটিভিটি সিন্ড্রোম’ (CAIS)**। এই ক্ষেত্রে শিশু জিনগতভাবে পুরুষ ক্রোমোজোম (46,XY) নিয়ে জন্ম নিলেও, গর্ভস্থ অবস্থা থেকে শরীর পুরুষ হরমোনের (Androgen) প্রতি কোনো সাড়া দেয় না। ফলে শিশুটির বাহ্যিক রূপ, স্তন ও অঙ্গসমূহ সম্পূর্ণ নারীর মতো গড়ে ওঠে, কিন্তু শরীরের ভেতরে অণ্ডকোষ রয়ে যায় এবং জরায়ু থাকে না।

নারীদের এই বিরল ও অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আপনার কী মতামত?

**Disclaimer:** *This post summarizes a rare medical condition known as Complete Androgen Insensitivity Syndrome (CAIS) based on clinical case reports.*

17/08/2026

মাথাটা ঘুরতেছে এটা পড়ে।😭😭😭😭

ডিভোর্সের পর ছোট বোনটা দশ মাসের বাচ্চা নিয়ে আমাদের বাসায় এসে উঠলো। ভাবলাম বোনের বাচ্চাকে নিয়ে আমার স্ত্রী লুনার সময়টা এবার হয়তো ভালোই কাটবে। বোনটাও আমার এ বাড়িতে একটু শান্তিতে থাকতে পারবে। আমাদের বিয়ের সাত বছরেও কোনো বাচ্চাকাচ্চা হলো না। বাবা বললেন আমি বৃদ্ধ হয়েছি তো কি হয়েছে? তোদের চার ভাইবোনকে খাইয়ে পরিয়ে এতো বড় করতে পারলে শেষ বয়সে আমার ছোট মেয়ের দায়িত্বও নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

মাস তিনেক পর থেকেই আমার স্ত্রী লুনার সাথে বিথীর ঝামেলা হতে লাগলো। এ নিয়ে মা প্রায়ই আমার কাছে বিচার দিতেন। আমি লুনাকে বুঝানোর চেষ্টা করতাম যে আজ বিথীর অবস্থা যদি তোমার হতো তাহলে কি করতে?

একদিন অফিস থেকে এসে দেখি বিথী বারান্দায় বসে কাঁদছে। আমার স্ত্রী লুনা বললো, খালি তো বলো আমি খারাপ। তাইলে আজ দুপুরে মা কেন বিথীকে বকলো "বিয়ে দিয়েছি স্বামীর ঘর করার জন্য। নিজের খাসলতের কারণে স্বামীর ভাত খেতে না পেরে ভাই-ভাবীর ঘাড়ে এসে উঠেছিস। তুই মরতে পারিসনা?"

একটা মেয়ে তার এই চরম দুঃসময়ে নিজের মাকেই সবচেয়ে কাছে চায়, পাশে চায়। কিন্তু আমার বোনের বেলায় হলো সম্পূর্ণ উল্টা। মা কেনো জানি দিনকে দিন ওকে আর সহ্যই করতে পারছিলো না। রোজই কিছু না কিছু নিয়ে ঝামেলা হতো। আমার স্ত্রী লুনা মনেমনে তাতে বেশ খুশিই হতো। আমি হলাম মাঝখানে দিশাহারা। ছোট বোনের এমন বিপদে মাকে সামলাবো নাকি নিজের স্ত্রীকে সামলাবো!? কিন্তু মার আচরণে আমি দিনকে দিন অবাক হচ্ছি। নিজের মেয়ের এমন বিপদে মার এই আচরণ একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

বিথী রোজ রাতে বারান্দায় বসেবসে কাঁদে। আমার চার ভাইবোনের মধ্যে এই অসহায় বোনটা ছিল পরিবারের সবার চোখের মণি।তার প্রতি পরিবারের সবার আদরযত্ন ছিল অন্যরকম। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস আজ সেই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত লাঞ্চিত।

আব্বার বয়স হয়েছে। বেশির ভাগ সময় অসুস্থ থাকেন। শুধু মুখটাই যা শক্ত আছে। আমার অন্য দুই ভাই বোন নিজের মতো করে আলাদা থাকে। আব্বা মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। এখন অবসরে আছেন। পেনশনের টাকা আর আমার চাকরির যৎসামান্য বেতনে কোনরকম দিন চলে যায়। মধ্যবিত্ত পরিবারের একটাই সমস্যা। তা হলো টাকা। তার উপর এখন নতুন যোগ হয়েছে ছোট বোনটা। প্রতি মাসে তার এবং তার বাচ্চার পেছনে বাড়তি অনেকগুলা টাকা খরচা হয়। মাঝেমাঝে আমি বেদিশা হয়ে যাই খরচ সামলাতে সামলাতে। তবুও যতই অভাবে থাকি নিজের মায়ের পেটের বোনকে ফেলে তো আর দেয়া যায়না। এব্যাপারটা মাও বুঝতে চায়না আমার স্ত্রীও বুঝতে চায়না।

ইদানিং বিথী আমার সামনে আসতে চায়না। সবসময় নিজেকে লুকিয়ে রাখে। আমি বুঝতে পারি ওর মধ্যে হয়তো অপরাধ বোধ কাজ করে। বর্তমান উর্ধগতির বাজারে টানাপোড়েনের সংসারে হুট করে দুজন মানুষের বাড়তি খরচ নেহাতই কম না।

মাস শেষে আজ বেতন পেলাম। বিথীকে ডেকে জিগ্যেস করলাম "কিরে কই থাকিস সারাদিন? সবসময় এমন মন মরা হয়ে থাকিস কেন? মা আর লুনা ছাদে গেছে শুকনো কাপড় আনতে। আমি বাজারে যাব কিছু লাগবে তোদের? লাগলে বল মা আর তোর ভাবি জানতে পারবেনা। "

বোনটার মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছে না। চেহারার কি হাল হয়েছে। চিন্তায় রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে চোখ দুটো কঠোরের ভেতর ঢুকে গেছে। চাঁদমাখা মুখটার কি শ্রী হয়েছে! দুধে আলতা গায়ের রঙ ছিল বোনটার। অথচ ডিভোর্সের এই কয়েক মাসে যেন পাতিলের তলায় রুপ নিয়েছে।

ও ঝরঝরে কেঁদে উঠলো। বললো ভাইয়া মেয়েটার জ্বর দুদিন থেকে। বুকের দুধ ছাড়া বাড়তি কোনো খাবার মুখে দিতে পারিনা ভয়ে। মা ফ্রিজ লক করে রাখে। ভাবিও নিষেধ করেছে ওনাকে না বলে যেন কোনো কিছু না ধরি। তার কান্না ভরা কন্ঠে কথাগুলো শুনে আমার চোখ ভিজে এলো। তাকে শান্তনা দিয়ে বললাম, চিন্তা করিস না বোন। মানুষের খারাপ সময় আজীবন থাকেনা। রাত যত গভীর হয় ভোর তত নিকটে আসে। আমি বাজার থেকে তোর মেয়ের জন্য কিছু খাবারদাবার নিয়ে আসবো। তুই তোর খাটের নিচে লুকিয়ে রাখিস কেমন।

বাবার ভুলের খেসারত আজ বোনটাকে দিতে হচ্ছে। কত করে নিষেধ করেছি কোনো বিদেশি ছেলের কাছে বিথীকে বিয়ে দিও না। মার অতি চালাকি আর লোভের কারণে বাবা আমাদের ভাইবোনের কথা অগ্রাহ্য করে ছেলের কোনো খোঁজ খবর না নিয়েই তড়িঘড়ি করে বিয়ে দিয়ে দিল। বিয়ের কিছুদিন পর জানতে পারি ছেলের কোনো লেখাপড়া নেই তারউপর নেশা করে। সৌদি থেকে দেশে এসে কয়দিন রমরমা চললেও এখন ধারকর্জ করে নেশা করে। বিথী কিছু বললে গায়ে হাত তোলে। বিথীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। টাকার বিনিময়ে বাজে বন্ধুদের বাড়িতে এনে বিথীকে বলে তাদের মনোরঞ্জন করে খুশি করতে। বিথী রাজি না হওয়াতে তাকে মারপিট করে ডিভোর্স দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

গত মাসে একটা বড় কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম। আজ এইচ আর থেকে ফোন করে কনফার্ম করলো। আগামী মাসে জয়েনিং। সেলারি বর্তমানের দিগুণ। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে প্রায় দিগুণ সেলারির জবটা বিথী আর বিথীর মেয়ের জন্যই হয়েছে। নাহয় গত বার বছরে আমি মনে হয় বারটা ইন্টারভিউ ফেস করেছি। অনেক ভালো ভালো ইন্টারভিউ দিয়েও টেন পার্সেন্ট বাড়তি সেলারিতে কোথায়ও ঢুকতে পারলাম না। অথচ এখন কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়াই হঠাৎ ইন্টারভিউ ফেস করে চাকরি হয়ে গেল, তাও আবার দিগুণ সেলারিতে! অবিশ্বাস্য ব্যাপার। অসহায় বোন ভাগ্নীর রিজিক হয়তো আল্লাহ আমার মাধ্যমেই পাঠাচ্ছেন। যাক, বাসায় গিয়ে বিথীকে বলবো আর যেন চিন্তা না করে। আগামী মাস থেকে হাতখরচ বাবত ওকে কিছু টাকা দেব যেন ওদের মা মেয়ের প্রয়োজন মিটাতে পারে। সে সাথে একটা সেলাই মেশিন কিনে দিব। বিয়ের আগে যুব উন্নয়ন থেকে ওর সেলাইয়ের উপর প্রশিক্ষণ নেওয়া ছিল। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেই যেন অনলাইনে একটা ছোটখাটো বিজনেস দাড় করাতে পারে। আমার বিশ্বাস বিথী বেশ খুশি হবে আমার পরিকল্পনা শুনে এবং একজন সফল উদ্দোক্তাও হতে পারবে নিজের শ্রম আর বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে।

এসব ভাবতে ভাবতে বাসের হেল্পার যখন আজমপুর আজমপুর বলে ডাকতে লাগলো তখন ভাবনায় আমার ছেদ পড়লো। বাস থেকে নেমে বনফুল থেকে দুই কেজি মিষ্টি নিলাম। ছোট বেলায় বিথীর মিষ্টি খুব ফেবারিট ছিল। তাছাড়া নতুন জবের সুসংবাদটা খালি মুখে দেওয়া বেমানান হবে। সারাদিনের ক্লান্তি আর ঘর্মাক্ত শরীর নিয়ে যখন বাসার সামনে আসি দেখি চেনা অচেনা অনেক মানুষের ভিড়। প্রতিবেশী কয়েকজনকে বলতে শুনলাম, এইতো মেয়ের ভাই এসেছে। বাসার সামনে লোকে লোকারণ্য। ভিড় ঢেলে ড্রয়িং রুমে প্রবেশ করতেই সবার কান্নাকাটির শব্দ কানে আসলো। বিথীর রুমের খোলা দরজায় চোখ পড়তেই দেখি বোন আমার ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে ঝুলে আছে। আমাকে দেখে বাবা হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠলেন খোকা তুই এসেছিস? এদিকে আমার যে সব শেষ হয়ে গেল রে বাবা। আমার সোনার ময়না পাখি উড়াল দিয়ে চলে গেল অচিন দেশে। দুপুরে বিথী মাছের পেটির পিসে কাঁটা কম সেজন্য পেটি খুটে ভাত খাইয়েছিল মেয়েকে। এ নিয়ে তোর মা আর বৌমা বিথীকে কথা শুনিয়েছে। তাতেই পাখি আমার অভিমান করে আত্নহত্যা করে ফেললো।

আমি যেন একমুহূর্তে পাথর মূর্তি হয়ে গেলাম। মাকে দেখলাম মেঝেতে বসে খাটে মাথা ঠেকিয়ে বিলাপ করে কাঁদতে। আমার স্ত্রী লুনা, বিথীর মেয়েকে কোলে নিয়ে কাঁদছে। আমার বাকি দুই ভাইবোন খবর পেয়ে বিকালেই চলে এসেছে। আমার ফোনের চার্জ শেষ হয়ে অফ হয়ে গিয়েছিল তাই কেউ কিছু জানাতে পারেনি। লোকজন বলাবলি করছে, থানায় খবর দেওয়া হয়েছে।

আমি তাকিয়ে দেখি বোন আমার ছাতক পাখির মতো আমার দিকেই যেন চোখ মেলে চেয়ে আছে। হাতের চুড়িতে ভাঁজ করা একটা চিরকুট পাওয়া গেল। তাতে ছোট বড় কষ্টের অক্ষরে লেখা- "ভাইয়া তুই এসেছিস? বিশ্বাস কর ভাইয়া এতো সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে এতো তাড়াতাড়ি মোটেও যেতে ইচ্ছা করছিল না আমার। কিন্তু কি করবো? উপায় যে আমার আর ছিল না। পৃথিবীটা আমার জন্য জাহান্নাম হয়ে গেছে। আমার মেয়েটাকে তুই দেখে রাখিস ভাইয়া। পারলে আমাকে ক্ষমা করিস। আমি তোদের বোঝা ছিলাম। তাই বোঝাটাকে নামিয়ে মাটিচাপা দিয়ে দিস চিরদিনের জন্য। মা আর ভাবিকে বলিস ভালো থাকতে শান্তিতে থাকতে। আমি আর জালাতন করবো না কোনদিন।
সবাইকে নিয়ে খুব বেশি ভালো থাকিস ভাইয়া।"

ডিভোর্সির_সাতকাহন

কলমেঃ Imran Khan Ratan
কেমন লাগলো জানাবেন।

আসসালামু আলাইকুম। আমি এইবার এচএচছি লেজাল্ট পেয়েছি। আমার রেজাল্ট ২.৫৯। এখন আমি কি পলিটেকনিকেল এ চান্স পাবো। আর চান্স পেলে...
17/08/2026

আসসালামু আলাইকুম। আমি এইবার এচএচছি লেজাল্ট পেয়েছি। আমার রেজাল্ট ২.৫৯। এখন আমি কি পলিটেকনিকেল এ চান্স পাবো। আর চান্স পেলেও কোনটা বালো হবে। সরকারি না বেসরকারি আবার সরকারি হলে কোন ডিপার্টমেন্ট বালো হবে

চিবিল,ইলেক্ট্রনিক,ইলেক্ট্রিক্যাল না এইচএসসি আগে করব। না মাছটাস করে ডিপ্লোমা করব। না ডিপ্লোমা করে জেনারেল করব কুনটা ভালা হবে? মুখ্যরা ধুরে তাকবেন।

ছবিতে দেখান এই ডাইনি টানা দেড় বছর এই বাচ্চাকে নিজের ঋতুস্রাব (পিরিয়ডের নোংরা রক্ত) খাইয়েছেন। বাচ্চার নাম রামিসা। বাচ্চাক...
16/08/2026

ছবিতে দেখান এই ডাইনি টানা দেড় বছর এই বাচ্চাকে নিজের ঋতুস্রাব (পিরিয়ডের নোংরা রক্ত) খাইয়েছেন।

বাচ্চার নাম রামিসা। বাচ্চাকে কোলে নিয়ে আছে রামিসাদের বাসায় ছুটা কাজ করা মহিলা, নার্গিস। নার্গিস মালয়েশিয়ায় আসেন দালাল ধরে, এসে কাজ কর্ম পান না, অনেকদিন কষ্ট করেন। আমার সুপারিশেই উনার কাজ হয় আমাদের মালয়েশিয়া প্রবাসী নাখালপাড়া সমিতির আহ্বায়ক সাইমন ভায়ের বাসায়। সায়মন ভাই-ভাবী ডাক্তার, সারাদিন বাইরে থাকেন। বাচ্চা থাকতো এই ডাইনী নার্গিসের কাছে। নার্গিস টানা দেড় বছর ধরে খাবারে ঋতুস্রাব মিশিয়ে খাইয়েছে রামিসাকে। গত শুক্রবারে রামিসা অসুস্থ হয়ে আমার চেম্বারে আসলে আমি সাইমন ভাইরে বলি বাসার সিসি ক্যামেরা চেক করতে, আমার সন্দেহ হয়। এরপরে তো মাথায় হাত!

নার্গিসরে পুলিশ নিয়ে গেছে। রিমান্ডে বলেছে, এইটা নাকি কি এক কালা যাদু। খাবারের সাথে ঋতুস্রাব মিশিয়ে খাওয়ালে নাকি মানুষ বশ করানো যায়। অনেক মেয়ে নাকি এটা করে, স্বামীকেও নাকি খাওয়ায় নিজের বশে রাখার জন্য। নার্গিস রামিসাকে বশ করে নিজের মেয়ের মত পালতে চেয়েছিল। এই কালা যাদু নাকি বাংলাদেশ চিটাগাং এর সব মেয়েরা করে। আমি শুনে আকাশ থেকে পড়েছি। বিয়ে-শাদি করার যা ইচ্ছা ছিল, সেটাও চলে গেছে।

আপনারা দয়া করে কমেন্টে জানাবেন এই ধরণের কালাযাদু সম্পর্কে আগে থেকে জানলে। বাঙালিদের উপর বিশ্বায যা ছিল যেটাও উঠে যাচ্ছে দিনকে দিন।

📌সতর্কতামূলক পোস্টজিরোস চিপসের ভিতরে পোকা।তাও আবার চিপসের মতো মুচমুচে হয়ে আছে।🙂আমি বাইরের খাবার বাবুকে দেইনা বল্লেই চলে।...
14/08/2026

📌সতর্কতামূলক পোস্ট

জিরোস চিপসের ভিতরে পোকা।তাও আবার চিপসের মতো মুচমুচে হয়ে আছে।🙂
আমি বাইরের খাবার বাবুকে দেইনা বল্লেই চলে।কিন্তু ৭/৮ বছর বয়সি ওর তিনটা বোন আছে ওদের দেখে জিরোস চিপস টা খাই।আমিও ইদানীং জিদ করে দেখে মাঝে মাঝে কিনে দেই।যে এটাতে একটু মসলা কম থাকে।

আজ একটা টিপস কেটে বাটিতে ঢালতেই কালো এটা বের হয়ে আসছে। পোকাটা সবাই চেনেন, জিরোস এর মতোই হয়ে আছে। এই পোকা কত বিষাক্ত সেটাই জানি🙂পোকাতেও মশলা একদম মেখে আছে🙂
যেখানে আমরা মায়েরা বাচ্চাদের খাবার নিয়ে এত সেনসেটিভ থাকি সেখানে বাইরের খাবারের আরালে এগুলা খাওয়াই😥

কোন দেশে বাস করি আল্লাহ।
বাইরের খাবারে সবাই সতর্ক হবেন প্লিজ।

#শিশুখাদ্য #জিরোস #ভেজালজিরোসচিপস

একজন মেয়ের নিজের বাড়ি বলতে আসলে কী থাকে?ছোটবেলায় বাবার বাড়ি, মায়ের বাড়ি, বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি, স্বামীর বাড়ি, কত ...
08/08/2026

একজন মেয়ের নিজের বাড়ি বলতে আসলে কী থাকে?

ছোটবেলায় বাবার বাড়ি, মায়ের বাড়ি, বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি, স্বামীর বাড়ি, কত রকমের পরিচয়, কত রকমের সম্পর্কের নামে একটা মেয়ের ঠিকানা পরিচিত হয়। কিন্তু খুব সহজভাবে, কোনো সম্পর্কের নাম না জুড়ে, একজন মেয়ে কি বলতে পারে—“এটা আমার বাড়ি”, “এটা আমার বাসা”?

আমাদের সমাজে একজন পুরুষ খুব স্বাভাবিকভাবে বলতে পারে, “আমার বাড়ি”, “আমার ফ্ল্যাট”, “আমার ঘর।” কিন্তু একজন নারী যখন একই কথাটা বলে, তখন অনেক সময় তার কথার মধ্যে অন্য কারও অধিকার, পরিচয় কিংবা সম্পর্ক খুঁজে দেখা হয়।

বিয়ের পর মেয়ের বাড়ি হয়ে যায় “স্বামীর বাড়ি”। বাবার বাড়ি হয়ে যায় “বাপের বাড়ি”। মায়ের বাড়ি হয়ে যায় “মায়ের বাড়ি”। অথচ একটা মেয়ের নিজের একটা জায়গা—যেটার পরিচয় কোনো বাবা, মা, স্বামী, শ্বশুর কিংবা অন্য কারও নামের ওপর নির্ভর করবে না, সেটা থাকা কতটা জরুরি, সেটা হয়তো আমরা খুব কমই ভাবি।

আমি মনে করি, প্রত্যেক মেয়ের জীবনে এমন একটা জায়গা থাকা উচিত, যেটার সামনে দাঁড়িয়ে সে একদম নিশ্চিন্তে বলতে পারে—

এটা আমার বাড়ি।
এটা আমার বাসা।
এটা আমার জায়গা।

সেখানে তার পরিচয় কারও স্ত্রী হিসেবে নয়, কারও মেয়ে হিসেবে নয়, কারও বউমা হিসেবে নয়—শুধু সে নিজে।

সেটা একটা ছোট্ট ঘর হতে পারে, একটা ফ্ল্যাট হতে পারে, একটা বাড়ি হতে পারে। কিন্তু সেটার ওপর তার নিজের অধিকার, নিজের সিদ্ধান্ত এবং নিজের পরিচয় থাকা উচিত।

কারণ একজন মেয়ের নিজের একটা বাড়ি শুধু ইট-পাথরের চার দেয়াল নয়। এটা তার স্বাধীনতা, নিরাপত্তা, আত্মসম্মান আর নিজের অস্তিত্বের একটা দৃশ্যমান ঠিকানা।

যে বাড়িটাকে সে কারও নামে পরিচয় করিয়ে দিতে বাধ্য হবে না।

কেউ জিজ্ঞেস করলে তাকে বলতে হবে না, “এটা আমার বাবার বাড়ি”, “এটা আমার মায়ের বাড়ি”, “এটা আমার স্বামীর বাড়ি” কিংবা “এটা আমার শ্বশুরবাড়ি।”

সে শুধু খুব স্বাভাবিকভাবে, কোনো দ্বিধা ছাড়াই বলতে পারবে

“এটা আমার বাড়ি।”

হয়তো একজন মেয়ের জীবনে এই ছোট্ট বাক্যটার চেয়ে সুন্দর, শক্তিশালী এবং নিজের করে পাওয়ার মতো অনুভূতি আর খুব বেশি কিছু নেই। 🥀
゚viralシ

নিউজটা দেখে বুকটা ভারী হয়ে গেল!মৃত্যুর পর কি সাড়ে তিন হাত মাটির জন্য আমার লাশ/টা পঁচবে? ভয় লাগে ভাই,গ্রামে চলে যাবো ভাবছ...
03/08/2026

নিউজটা দেখে বুকটা ভারী হয়ে গেল!মৃত্যুর পর কি সাড়ে তিন হাত মাটির জন্য আমার লাশ/টা পঁচবে? ভয় লাগে ভাই,গ্রামে চলে যাবো ভাবছি অত্যন্ত পক্ষে লাশ/টা পঁচবে না আমার

01/08/2026

🤣🤣🤣🤣🤣🤣 একটাই ১০০ কোটি শয়তানের সমান

Address

Dinajpur

Opening Hours

Monday 08:00 - 06:00
Tuesday 08:00 - 10:30
Wednesday 08:00 - 10:00
Thursday 08:00 - 08:30
Friday 08:00 - 08:15
Saturday 08:00 - 08:30
Sunday 08:00 - 08:15

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bristy's Creation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share