Mohammad Abdul Matin

Mohammad Abdul Matin Matin Rahman

26/08/2026

মুরগির ঠ্যাংটা একটু ফ্রিজে রাখবেন?
অভাব মানুষের পকেটে থাকতে পারে; আত্মসম্মানে নয়।

একদিন আম্মাকে দেখলাম পাশের বাসার চাচির কাছে এক মুঠো লবণ চাইতে।

আমি অবাক হয়ে বললাম,
— আমাদের ঘরে তো লবণ আছে। তাহলে পাশের বাসা থেকে চাইলেন কেন?

আম্মা মুচকি হেসে বললেন,
— দেখ বাবা, ওরা খুব অভাবী মানুষ। প্রায়ই আমাদের কাছে এটা-ওটা চাইতে আসে। আমি যদি শুধু দিয়ে যাই, একসময় ওদের নিজের কাছেই খারাপ লাগবে। মনে হবে, “আমরা শুধু নিই, কিছু দিতে পারি না।”

— তাই বলে লবণ চাইবেন?

— হ্যাঁ। মাঝে মাঝে আমিও ওদের কাছে সামান্য কিছু চাই। এতে ওরা স্বস্তি পায়। মনে হয়, “আমরাও তো কখনো কখনো ওদের কাজে লাগি।”

কয়েকদিন পর সেই চাচি একদিন খুব আমতা আমতা করে আমাদের দরজায় এলেন।

— আপা… একটা কথা ছিল…

আম্মা বললেন,
— বলেন চাচি, কী হয়েছে?

চাচি একটু ইতস্তত করে বললেন,
— আপনাদের ফ্রিজে… মুরগির একটা ঠ্যাং একটু রাখা যাবে? আমাদের তো ফ্রিজ নেই। রান্না করব দুপুরে, কিন্তু এখন রাখার কোনো ব্যবস্থা নেই।

আম্মা একটুও অবাক হলেন না। হাসিমুখে বললেন,
— আরে, এই কথা বলতে এত লজ্জা পাচ্ছেন কেন? নিয়ে আসেন। আমাদের ফ্রিজে রেখে যান।

চাচি চলে যাওয়ার পর আমি আম্মার দিকে তাকিয়ে রইলাম।

আম্মা হেসে বললেন,
— বুঝলি তো? মানুষকে সাহায্য করার সময় শুধু তার অভাবটা দেখলে হয় না, তার আত্মসম্মানটাও দেখতে হয়।

সেদিন বুঝলাম—

কাউকে সাহায্য করা মানে শুধু তার প্রয়োজন মেটানো নয়।
কখনো কখনো এমনভাবে পাশে দাঁড়ানো, যাতে সে নিজেকে অসহায় মনে না করে—সেটাই সবচেয়ে সুন্দর সাহায্য।

অভাব মানুষের পকেটে থাকতে পারে; আত্মসম্মানে নয়।

14/08/2026

জীবনের সবচেয়ে সহজ কাজগুলোর একটি হলো—অন্যের হয়ে কাজ করে আয় করা।

আপনি যত ঘণ্টা কাজ করবেন, সেই সময়ের বিনিময়ে পারিশ্রমিক পাওয়ার একটা নির্দিষ্ট নিশ্চয়তা থাকে। একদিন কাজ না করলে হয়তো সেই দিনের আয় হবে না, কিন্তু আগের শ্রমের মূল্য সাধারণত হারিয়ে যায় না।

কিন্তু সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো নিজের পণ্য, নিজের কোম্পানি বা নিজের স্বপ্নের ওপর কাজ করা।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা, দিন, মাস, বছর—এমনকি যুগ ধরে পরিশ্রম করতে হতে পারে। অথচ সেই শ্রমের বিনিময়ে কোনো পারিশ্রমিক আসবে—তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

বরং উল্টো নিজের সঞ্চয় শেষ হতে পারে, ঋণ হতে পারে, পরিবার থেকে চাপ আসতে পারে, মানুষ বলতে পারে—“এতদিন কী করলে?”

তারপরও কাজ করে যেতে হয়।

কারণ আপনি শুধু কাজ করছেন না—আপনি এমন একটি সম্পদ তৈরি করার চেষ্টা করছেন, যেটা একদিন আপনার সময়ের বাইরে মূল্য তৈরি করবে।

এই কারণেই অধিকাংশ মানুষ নিরাপদ পথ বেছে নেয়। কেউ সরকারি চাকরি করে, কেউ বেসরকারি চাকরি করে, কেউ আমলা হয়, কেউ শ্রমিক হয়।

এতে লজ্জার কিছু নেই। সমাজের প্রতিটি কাজেরই মূল্য আছে।

তবে বাস্তবতা হলো—এই নিরাপদ পথের ভেতরেও অনেকেই অজান্তে নিজেদের অবস্থানকে ক্ষমতার কেন্দ্র বা সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রক হিসেবে ভাবতে শুরু করে। অথচ বাস্তবতা আরও সরল: তারা মূলত একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর ভেতরে সময় ও দক্ষতা বিনিময় করে আয় করেন। পদ, প্রতিষ্ঠান ও নিয়মের আবরণ অনেক সময় এই বাস্তবতাকে আড়াল করে এক ধরনের ভ্রান্ত ক্ষমতার অনুভূতি তৈরি করে। আর সেই অনুভূতি থেকেই কখনও কখনও ক্ষমতার অপব্যবহারও দেখা যায়—যেখানে কাঠামোর সুবিধা ব্যবহার করে অন্যের ওপর অপ্রয়োজনীয় প্রভাব খাটানো হয়। কিন্তু গভীরভাবে দেখলে, এই অবস্থানগুলো কাউকে “চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রক” বানায় না; বরং সবাইই একটি বৃহত্তর ব্যবস্থার ভেতরে নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও সীমার মধ্যে কাজ করে। তাই নিজের অবস্থানকে অতিরঞ্জিত করে অন্যকে ছোট বা নিয়ন্ত্রণ করার মানসিকতা থেকে বের হয়ে এসে বাস্তবতাকে স্বীকার করা এবং সম্মানজনক আচরণ বজায় রাখা জরুরি।

চাকরিতে আপনি আপনার সময়ের বিনিময়ে আয় করেন।
উদ্যোক্তা হিসেবে আপনি অনিশ্চয়তার বিনিময়ে ভবিষ্যৎ তৈরি করেন।

আর এই দ্বিতীয় পথটাই সবচেয়ে কঠিন।

কারণ এখানে আপনি ব্যর্থ হলে শুধু আয় হারান না—অনেক সময় হারান বছর, সঞ্চয়, আত্মবিশ্বাস এবং জীবনের মূল্যবান সময়ও।

তবুও কিছু মানুষ এই পথ বেছে নেয়।

কারণ তারা শুধু নিজের জন্য আয় করতে চায় না—তারা কিছু তৈরি করতে চায়।

31/07/2026
17/06/2026

Celebrating my 1st year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

16/06/2026

Global Peace Index (GPI) 2026 অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ এখন চতুর্থ সর্বাধিক শান্তিপূর্ণ দেশ। 🌍

বিশ্বের ১৬৩টি অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৭তম, স্কোর ২.২২৬। এই সূচকে বাংলাদেশ অবস্থান করেছে ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের উপরে। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে আবারও অবস্থান ধরে রেখেছে ভুটান।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছরে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির সবচেয়ে বড় অবনতি হয়েছে—যার পেছনে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও সীমান্ত উত্তেজনা বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে।

বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে আইসল্যান্ড। আর সূচকের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে স্থান পেয়েছে রাশিয়া।

শান্তি শুধু সীমান্তে নয়—ন্যায়, স্থিতিশীলতা ও মানুষের মর্যাদার মধ্যেও গড়ে ওঠে।

16/06/2026

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি একসময় ভাবত শক্তিই সব। শাসন, নিয়ন্ত্রণ, মানুষকে তুচ্ছ করা—সবই চলেছিল। শেষ পর্যন্ত থেকে গেছে ইতিহাসের বিচার।

আজ যদি কোনো রাষ্ট্র—ধরা যাক ভারত—মানুষের নাগরিকত্ব, পরিচয় বা মর্যাদাকে রাজনৈতিক খেলায় পরিণত করে, তাহলে ইতিহাস প্রশ্ন করবেই। কারণ ক্ষমতা স্থায়ী না, ন্যায়বিচারের প্রশ্ন দীর্ঘস্থায়ী।

মানুষকে কাগজে মাপার আগে মনে রাখা ভালো—রাষ্ট্র মানুষ তৈরি করে না, মানুষ রাষ্ট্র তৈরি করে।

ইতিহাসের শিক্ষা: জোরে মানচিত্র বদলানো যায়, মানুষের স্মৃতি না।”



# #

আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল যে ধ্বংস হবে এটাই স্বাভাবিক। আর ধ্বংস হওয়ার কয়েকটি কারণ হল-১।ঢাকার ভিতরে আপনাদেরকে কে বলে...
15/06/2026

আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল যে ধ্বংস হবে এটাই স্বাভাবিক। আর ধ্বংস হওয়ার কয়েকটি কারণ হল-
১।ঢাকার ভিতরে আপনাদেরকে কে বলেছে অ্যাম্বুলেন্স এর ভাড়া ৩৬০ টাকা করতে।আপনাদের জন্য অন্য হাসপাতালের তিন থেকে চার হাজার টাকায় অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া কেউ নিচ্ছে না।
২।অন্যান্য হাসপাতালে সিজার ছাড়া কোন কথাই নেই সিজারে ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা তাদের ইনকাম হয়।আর এখানে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আছেন সারাদিন নরমাল ডেলিভারি নিয়া।
৩।আদ-দ্বীন হাসপাতালকে কে বলেছে যাকাতের ফান্ড তৈরি করতে?এই হাসপাতাল যাকাতের ফান্ড থেকে গরিব দুঃখীর ফ্রিতে চিকিৎসা চালায়।এজন্য অন্যান্য হাসপাতাল আদ দিন হাসপাতাল এর জন্য ইনকাম করতে পারছে না হাজার টাকা কামাইতে পারছে না
৪।আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি বড় ভুল হচ্ছে ২৫০ টাকায় ডায়ালিসিস করার সুযোগ দেওয়া।কিডনি রোগী প্রতি ডায়ালোসিস এর মাত্র ২৫০ টাকা দিয়ে ডায়ালাইসিস করে।যেখানে বাইরের একটি হাসপাতালে ৩ থেকে ৮ হাজার টাকার নিচে না।এজন্য অন্যান্য হাসপাতাল টাকা ইনকাম করতে পারছে না অবশ্যই আদদিনের একটি দোষ।
৫।আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হচ্ছে গরিব দুঃখীর চিকিৎসা ফ্রিতে করে দিচ্ছে
৬।আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজের আরো ভুল আছে তারা মসজিদের ইমামদের চিকিৎসা সবসময় ফ্রিতে করেন।
৭।আদ দ্বীন হাসপাতালে আরো একটি বড় সমস্যা হচ্ছে ২০০ টাকা ভিজিটে রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার সুবিধা করেছে।
এত ভুল থাকলে কিভাবে একটি প্রতিষ্ঠান মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলেন।আসুন আমরা মানবিক হাসপাতালের পাশে দাঁড়াই।
এই হাসপাতাল যদি বন্ধ হয়ে যায় গরিব মানুষ চিকিৎসার অভাবে মারা যাবে।

৩ বছর নিজের স্বপ্নের জন্য লড়াই করতে অনেকেই ভয় পায়।কিন্তু ৩০-৪০ বছর অন্য কারও স্বপ্ন পূরণ করতে চাকরি করে কাটিয়ে দিতে আপত্...
05/06/2026

৩ বছর নিজের স্বপ্নের জন্য লড়াই করতে অনেকেই ভয় পায়।
কিন্তু ৩০-৪০ বছর অন্য কারও স্বপ্ন পূরণ করতে চাকরি করে কাটিয়ে দিতে আপত্তি নেই।

ব্যবসা মানেই দ্রুত সফলতা নয়।
ব্যবসা মানে অনিশ্চয়তা, শেখা, ভুল করা, আবার উঠে দাঁড়ানো।

প্রথম কয়েক বছর হয়তো আয় কম হবে, মানুষ হাসবে, অনেক পরিকল্পনা ব্যর্থ হবে।
কিন্তু যদি ধৈর্য ধরে এগিয়ে যেতে পারেন, তাহলে একসময় আপনার তৈরি সিস্টেম, ব্র্যান্ড বা ব্যবসাই আপনার হয়ে কাজ করবে।

চাকরি খারাপ নয়। ব্যবসাও সবার জন্য নয়।
কিন্তু যদি আপনার ভেতরে কিছু তৈরি করার স্বপ্ন থাকে, তাহলে শুধু ভয় বা সমাজের কথার কারণে সেই স্বপ্নকে চাপা দেবেন না।

আজ যে বীজ রোপণ করবেন, আগামী কয়েক বছর পর সেটাই আপনার স্বাধীনতার বৃক্ষ হতে পারে।

I integrated voice cloning into my AI system.The first test was simple: I cloned my own voice. Hearing a machine speak e...
16/05/2026

I integrated voice cloning into my AI system.

The first test was simple: I cloned my own voice. Hearing a machine speak exactly like me was strange — but expected.

Then I tried something more personal.

i made a call using pipecat telephony with cloned my child’s voice and played it in front of their mother . For a moment, she thought our child was actually speaking That reaction changed something in me.
In that instant, I understood how dangerous and powerful technology can feel at the same time.

As engineers, we often celebrate when something “works.” But some creations hit differently. They make you stop and ask deeper questions.

When I saw that emotional reaction, one thought came to my mind:

When the inventors of bombs or missiles first built their creations… did they feel the same mix of pride and fear?
Did they test on themselves first?
Did they ever imagine how their invention would affect their own family before the world?

Building AI isn’t just about code anymore.
Sometimes one successful experiment makes you question the entire meaning of invention.

Address

Dinajpur
৫২৩০

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammad Abdul Matin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share