Al Haqq Media

Al Haqq Media Calling to the truth based on Quran and authentic sunnah. No innovation, no compromise. Pure Islamic message.

07/08/2026

ইসলামের আলোকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের নীতিমালা। পর্ব-৫

বিদ'আতের কুফলঃবিদ'আত একটি মারাত্মক ধর্মীয় বিচ্যুতি। এর ক্ষতি শুধু ব্যক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং ব্যক্তি, দ্বীন ...
06/08/2026

বিদ'আতের কুফলঃ

বিদ'আত একটি মারাত্মক ধর্মীয় বিচ্যুতি। এর ক্ষতি শুধু ব্যক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং ব্যক্তি, দ্বীন ও সমাজ—তিন ক্ষেত্রেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

👉ব্যক্তিজীবনে বিদ'আতের কুফলঃ
১. বিদ'আতের আমল আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না।
২. বিদ'আত মানুষকে আল্লাহর রহমত ও হিদায়াত থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।
৩. বিদ'আতীর জন্য অপমান ও লাঞ্ছনার পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।
৪. তাওবার তাওফীক থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যদি সে বিদ'আতের ওপর অটল থাকে।
৫. ঈমান নষ্ট হয়ে যাওয়া বা খারাপ পরিণতিতে মৃত্যুবরণ করার আশঙ্কা থাকে।
৬. কিয়ামতের দিন হাউজে কাওসার থেকে বিতাড়িত হওয়ার ভয়াবহ সতর্কতা এসেছে।
৭. যে ব্যক্তি বিদ'আতের সূচনা করে, তার অনুসরণে যত মানুষ সে বিদ'আত পালন করবে, তাদের গুনাহের অংশও তার আমলনামায় যুক্ত হবে।

👉দ্বীনের ওপর বিদ'আতের প্রভাবঃ
১. সুন্নাত ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হতে থাকে।
২. কুরআন ও সহীহ হাদিসের অনুসরণ দুর্বল হয়ে পড়ে।
৩. দ্বীনের প্রকৃত রূপ বিকৃত হতে থাকে।
৪. মানুষ সত্য ও বাতিলের পার্থক্য হারিয়ে ফেলে।

👉সমাজে বিদ'আতের প্রভাবঃ
১. দলাদলি, বিভেদ ও মতবিরোধ বৃদ্ধি পায়।
২. কুসংস্কার ও ভ্রান্ত আকীদার প্রসার ঘটে।
৩. সমাজে আল্লাহর শাস্তি ও বিভিন্ন বালা-মুসিবত নেমে আসার কারণ সৃষ্টি হয়।
৪. মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ আঁকড়ে ধরার এবং সব ধরনের বিদ'আত থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।

31/07/2026

ইসলামের আলোকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের নীতিমালা। পর্ব-৪

24/07/2026

ইসলামের আলোকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের নীতিমালা। পর্ব-৩

তরুণদের অবক্ষয় ও দ্বীনের পথে ফেরানোর উপায়: একটি জরুরি বার্তা- সম্প্রতি শেষ হওয়া ফুটবল বিশ্বকাপ আমাদের সামনে একটি নির্মম ...
21/07/2026

তরুণদের অবক্ষয় ও দ্বীনের পথে ফেরানোর উপায়: একটি জরুরি বার্তা-

সম্প্রতি শেষ হওয়া ফুটবল বিশ্বকাপ আমাদের সামনে একটি নির্মম ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। মুসলিম যুবসমাজের একটি বিরাট অংশ আজ অবলীলায় অমুসলিম ও পশ্চিমা খেলোয়াড় এবং সংস্কৃতির প্রতি অন্ধভাবে আসক্ত হয়ে পড়েছে।

যে যুবক রাত জেগে ১টা, ২টা কিংবা ৪টা পর্যন্ত খেলা দেখতে পারে, সে যুবক ফজরের সময় মসজিদে যাওয়া তো দূরের কথা, নিজের ঘরেও সালাত আদায় করতে পারে না। এর একমাত্র কারণ-খেলার প্রতি তার অন্তরে যে পরিমাণ ভালোবাসা ও মহব্বত রয়েছে, মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি এবং সালাতের প্রতি সেই ভালোবাসা নেই।
একজন মুসলিম যুবক ও যুবতী কতটা ঈমানী দুর্বলতা ও অজ্ঞতার শিকার হলে একজন অমুসলিম খেলোয়াড়কে নিজের জীবনের আদর্শ বানাতে পারে! অনেককে বলতে শোনা যায় অমুক খেলোয়াড় তার "আব্বা" বা অভিভাবক সমতুল্য (নাউজুবিল্লাহ)। আবার অনেক তরুণী এদের বিয়ে করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে।
এমনকি অনেক শিক্ষিত যুবক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনার মতো অমুসলিম দেশগুলোর জন্য নির্লজ্জভাবে পোস্ট দেয় ও অভিনন্দন জানায়।

এই চরম নৈতিক ও ঈমানী অবক্ষয় থেকে আমাদের যুবসমাজকে রক্ষা করতে এবং তাদের দ্বীনের পথে ফিরিয়ে আনতে আমাদের এখনই সতর্ক হতে হবে। নিচে আমাদের প্রাথমিক কিছু করণীয় তুলে ধরা হলো:

১. যুবকদের মাঝে ইসলামের দাওয়াত ছড়িয়ে দেওয়া:

আমাদের তরুণ প্রজন্মকে দ্বীনের সৌন্দর্য, আল্লাহর মহব্বত এবং আখেরাতের জবাবদিহিতা সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। তাদেরকে রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং সাহাবিদের বীরত্বপূর্ণ জীবনের আদর্শের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে।

২. অভিভাবকদের সচেতনতা ও আদর্শ স্থাপন:

অভিভাবকদের নিজেদেরকে আগে এ জাতীয় অনর্থক ও ক্ষতিকর খেলা দেখা ও তা নিয়ে মাতামাতি করা বর্জন করতে হবে। তারা নিজেরা সংশোধন হলে সন্তানদের উপদেশ দেওয়া সহজ হবে।

৩. খেলোয়াড়দের জার্সি ও প্রতিকৃতি বর্জন:

কোনো পিতা-মাতার উচিত নয় তাদের সন্তানদের অমুসলিম খেলোয়াড় বা দলের জার্সি কিনে দেওয়া। কারণ এগুলো সন্তানদের হৃদয়ে তাদের প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্যের বীজ বপন করে।

৪. বিবাহে দ্বীনদারিতাকে প্রাধান্য দেওয়া:

সন্তানদের বিবাহের ক্ষেত্রে বাহ্যিক সৌন্দর্য বা সম্পদের চেয়ে দ্বীনদারিতাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে। দ্বীনদার পিতা-মাতাই পারেন একটি আদর্শ ও ঈমানদার প্রজন্ম উপহার দিতে।

৫. স্বামী-স্ত্রীর মিলনের সময় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো দোয়া পাঠ করা:

সন্তান যেন শয়তানের প্রভাবমুক্ত হয়ে নেককার ও দ্বীনদার হিসেবে বড় হতে পারে, সেজন্য স্বামী-স্ত্রীর মিলনের সময় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো দোয়াটি পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এই দোয়া পড়ে মিলিত হলে তাদের ভাগ্যে যে সন্তান নির্ধারিত হবে, শয়তান কখনো তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না [১]।

দোয়াটি হলো:

بسْمِ اللهِ ، اللَّهُمَّ جَنَّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنْبِ الشَّيْطَانَ مَا

رَزَقْتَنَا

(বিসমিল্লাহি, আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শাইত্বানা ওয়া জান্নিবিশ-শাইত্বানা মা রযাক্বতানা)

অর্থ: "আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ!
আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন এবং আমাদের আপনি যে সন্তান দান করবেন, তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখুন।" বুখারী হাঃ ৬৩৮৮।

আসুন, আমরা নিজেরা সচেতন হই এবং আমাদের পরিবার ও সমাজকে এই জাহিলিয়াত থেকে রক্ষা করি। মহান আল্লাহ আমাদের যুবক সমাজকে দ্বীনের পথে ফিরে আসার তৌফিক দান করুন। আমিন।

মানুষের কতটুকু বিবেক-বুদ্ধি লোপ পেলে, একজন খ্রিস্টানকে পিতা বলে দাবি করতে পারে, ভাবা যায়। রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাই...
16/07/2026

মানুষের কতটুকু বিবেক-বুদ্ধি লোপ পেলে, একজন খ্রিস্টানকে পিতা বলে দাবি করতে পারে, ভাবা যায়।

রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন —
“যে অন্যকে নিজের পিতা বলে দাবি করে অথচ সে জানে যে সে তার পিতা নয়, জান্নাত তার জন্য হারাম।”
[সহীহ বুখারী হাঃ ৬৭৬৬]

15/07/2026

হিল্লা বিয়ে হারাম। এটি একটি গর্হিত, জঘন্য ও ঘৃণিত কাজ। মূর্খ ও নির্লজ্জ একশ্রেণীর বিদ‘আতী আলেম এই নোংরা প্রথা সমাজে চালু রেখেছে।

অতিবৃষ্টির সময় মুমিনের করণীয় পাঁচ আমলঃবৃষ্টি মহান আল্লাহর অন্যতম বড় নিয়ামত। এর মাধ্যমে মৃত ভূমি জীবিত হয়, ফসল উৎপন্ন হয় ...
13/07/2026

অতিবৃষ্টির সময় মুমিনের করণীয় পাঁচ আমলঃ

বৃষ্টি মহান আল্লাহর অন্যতম বড় নিয়ামত। এর মাধ্যমে মৃত ভূমি জীবিত হয়, ফসল উৎপন্ন হয় এবং মানুষ ও প্রাণিকুল জীবনধারণের উপকরণ পায়।

মহান আল্লাহর এই বিশেষ নিয়ামতের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আকাশ থেকে আমি বর্ষণ করি কল্যাণকর বৃষ্টি এবং তা দ্বারা আমি সৃষ্টি করি উদ্যান ও উদগত করি শস্য।’ (সুরা : কাফ, আয়াত : ৯)

তবে কখনো কখনো এই রহমতের বৃষ্টিই অতিবৃষ্টিতে রূপ নেয়, এমনকি বন্যা বা জলাবদ্ধতার কারণে মানুষের জন্য কষ্ট ও পরীক্ষার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ রকম পরিস্থিতিতে একজন মুমিনের করণীয় কী, সে বিষয়ে আলোকপাত করব, ইনশাআল্লাহ।

১। ধৈর্য ধারণ করাঃ
অতিবৃষ্টিকে আল্লাহর পরীক্ষা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৫৫)

অতএব অতিবৃষ্টিতে কোনো মুমিনের ঘরবাড়ি, ফসল বা সম্পদের ক্ষতি হলে তার করণীয় হলো, ধৈর্য ধারণ করা এবং আল্লাহর কাছে উত্তম প্রতিদানের আশা রাখা। কেননা মুমিনের কোনো অবস্থাই প্রকৃতপক্ষে তাকে লোকসানে ফেলতে পারে না।

হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুমিনের অবস্থা ভারি অদ্ভুত। তার সমস্ত কাজই তার জন্য কল্যাণকর। মুমিন ছাড়া অন্য কারো জন্য এ কল্যাণ লাভের ব্যবস্থা নেই। তারা আনন্দ (সুখশান্তি) লাভ করলে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে, তা তার জন্য কল্যাণকর হয়, আর দুঃখকষ্টে আক্রান্ত হলে ধৈর্যধারণ করে, এও তার জন্য কল্যাণকর হয়।
👉সহীহ মুসলিম হাঃ ২৯৯৯; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ২২৮৪৮।

২। দোয়া করাঃ
বৃষ্টি শুরু হলে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো দোয়া পড়া সুন্নত।

রাসুল (সাঃ) বৃষ্টি নেমে এলে বলতেন, اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا
‘আল্লাহুম্মা সইয়্যিবান নাফিআ’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ! মুষধারায় কল্যাণকর বৃষ্টি দাও।’
👉সহীহ বুখারি হাঃ১০৩২

আর যদি অতিবৃষ্টির কারণে মানুষের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিত, তখন রাসুল (সাঃ) এই দোয়া করতেন, اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا اللَّهُمَّ عَلَى الْآكَامِ وَالظِرَابِ وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ
‘আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়া লা আলাইনা, আল্লাহুম্মা আলাল আকামি ওয়াজ জিরাবি, ওয়া বুত্বনিল আউদিয়াতি ওয়া মানাবিতিশ শাজার।’
অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! আমাদের আশপাশে, আমাদের ওপর নয়। হে আল্লাহ! টিলা, মালভূমি, উপত্যকায় এবং বনভূমিতে বর্ষণ করুন।’
👉সহীহ বুখারি হাঃ ১০১৪

৩। মানুষের পাশে দাঁড়ানোঃ
বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো মুমিনের অন্যতম দায়িত্ব। অতিবৃষ্টিতে অনেক মানুষ খাদ্য, আশ্রয় ও চিকিৎসা সংকটে পড়ে। এ সময় সাধ্যমতো প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। এটিও মহান আল্লাহর রহমত ও সাহায্যপ্রাপ্তির একটি মাধ্যম।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, বান্দা যতক্ষণ তার ভাইয়ের সাহায্যে থাকে, আল্লাহও ততক্ষণ তার বান্দার সাহায্য করেন।
👉আবু দাউদ হাঃ৪৯৪৬

৪। সংকট নিরসনে স্বেচ্ছাসেবক হওয়াঃ
যাদের মহান আল্লাহ সুস্থতা ও শক্তি-সামর্থ্য দিয়েছেন, বিশেষ করে যুবসমাজ, তাদের উচিত— জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ। প্রয়োজনে নিজেদের উদ্যোগে রাস্তায় পড়ে থাকা গাছ সরানো, ড্রেন পরিষ্কার করা, জলাবদ্ধতা নিরসনে সহযোগিতা করা কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে মানুষকে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া। মানুষের কষ্ট লাঘবে আত্মনিয়োগ করা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে সহায়ক হয়।
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘আমি এক ব্যক্তিকে জান্নাতে ঘোরাফেরা করতে দেখলাম। যে (পৃথিবীতে) রাস্তার মধ্য থেকে একটি গাছ কেটে সরিয়ে দিয়েছিল, যেটি মুসলিমদের কষ্ট দিচ্ছিল।
👉সহীহ মুসলিম হাঃ ১৯১৪; সহীহুল জামে হাঃ ১৫৫২।

৫। গুজব থেকে দূরে থাকাঃ
দুর্যোগের সময় গুজব থেকে বিরত থাকা। দুর্যোগের সময় অনেকে আতঙ্ক ছড়িয়ে মানুষকে আরো বিপদে ফেলার চেষ্টা করে, কেউ রাজনৈতিক ফায়দা নেয়, কেউ আবার সামাজিক মাধ্যমে ভিউ ব্যবসা করে। অথচ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করা জঘন্য অপরাধ। যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের খবর বিশ্বাস করা ও প্রচার করাও নিষেধ।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদাররা! যদি কোনো পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের নিকট কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তোমরা ভালোভাবে যাচাই করে দেখবে, যেন তোমরা অজ্ঞতাবশত কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতি করে না বসো। ফলে নিজেদের কৃতকর্মের কারণে তোমাদের অনুতপ্ত হতে হয়।’ (সুরা : হুজুরাত, আয়াত : ৬)

অতিবৃষ্টি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে প্রকৃত ক্ষমতার মালিক একমাত্র আল্লাহ। তাই দুর্যোগের সময় বেশি বেশি তাওবা, ইস্তিগফার, দোয়া, আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল ও মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করা একজন মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। মহান আল্লাহ সবাইকে এই কাজগুলো করার তাওফিক দিন। আমিন।

10/07/2026

ইসলামের আলোকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের নীতিমালা। পর্ব-২

07/07/2026

ইসলামের আলোকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ১০ টি নীতিমালা। পর্ব-১

Address

ভবের বাজার রোড
Dinajpur
5250

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Haqq Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share