05/01/2026
+2
সৌদি আরবের এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনায়, দুই ভাই সম্পত্তির জন্য নয়, বরং তাদের বার্ধক্যে উপনীত মা'কে দেখাশোনার অধিকার নিয়ে আদালতে গিয়েছিলেন, যেখানে বড় ভাই মায়ের সেবাকে জীবনের ব্রত মনে করলেও ছোট ভাই বড় ভাইয়ের বিশ্রামের জন্য দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন; মা নিজে সিদ্ধান্ত নিতে না পারায়, আদালত ছোট ভাইয়ের শারীরিক সক্ষমতাকে বিবেচনা করে তাকে দায়িত্ব দেন, যা ভাইদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
গল্পের মূল বিষয়বস্তু:
বিরোধ নয়, অধিকার: সাধারণত আদালতে ভাই-বোনেরা সম্পত্তি নিয়ে ঝগড়া করে, কিন্তু এখানে দুই ভাই আদালতে এসেছেন 'মা'কে সেবা করার পরম সৌভাগ্যটুকু আদায় করতে।
বড় ভাইয়ের যুক্তি (হিজাম আল-গামদি): তিনি মাকে নিজের জীবনের অংশ মনে করতেন এবং সবসময় তাঁর সেবা করে এসেছেন; তিনি চেয়েছিলেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মায়ের দেখাশোনা করতে।
ছোট ভাইয়ের যুক্তি: তিনি চেয়েছিলেন বড় ভাইয়ের বিশ্রাম হোক এবং তিনি নিজে মায়ের দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে আগ্রহী ছিলেন, কারণ তার মনে হয়েছিল বড় ভাইয়ের বয়স হয়েছে।
মায়ের সিদ্ধান্ত: বিচারক যখন মাকে সিদ্ধান্ত নিতে বললেন, তখন তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন যে দুই ছেলে তার কাছে দুই চোখের মতো, তিনি কাউকে আলাদা করতে পারবেন না।
আদালতের রায়: মা সিদ্ধান্ত দিতে না পারায়, আদালত ছোট ভাইয়ের শারীরিক শক্তি ও সক্ষমতাকে বিবেচনা করে তাকে মায়ের দেখাশোনার দায়িত্ব দেন।
ভাইয়ের প্রতিক্রিয়া: রায় শুনে বড় ভাই হিজাম কেঁদে ফেলেন, কারণ তিনি মায়ের সেবা করার সুযোগ হারানোর বেদনায় কাতর ছিলেন, কোনো ক্ষোভ থেকে নয়।
গুরুত্ব:
এই ঘটনাটি সৌদি আরবে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল এবং এটি বয়স্কদের অধিকার ও পরিবর্তিত পারিবারিক মূল্যবোধের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করে।
এটি প্রমাণ করে যে ভাইয়েরা শুধু সম্পত্তির জন্য নয়, বরং ভালোবাসার জন্য এবং নৈতিক দায়িত্ব পালনের জন্যও আদালতে যেতে পারে। Sharmin Akther Mehedi Sk Ishtiyak Rahbar সঁপ্নেঁরঁ রাঁজঁকুঁমাঁরঁ