30/01/2026
#নোংরামি_বন্ধ_হোক
ফেনীতে একজন শহীদমাতা আমীরে জামাতকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে তাকে জড়িয়ে ধরেন। দৃশ্যটা চোখে পানি এনে দিয়েছে, আমীরে জামাত নিজেও অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছিলেন।
জ্ঞানতঃ এমন বিষয় ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক নয়। কিন্তু কেউ যখন তীব্র আবেগ, কষ্ট ও মানসিক যন্ত্রণার কারণে দিকবিদিকশুন্য হয়ে পড়েন, স্বাভাবিক জ্ঞান থাকেনা— তখন শরীয়ত প্রযোজ্য হয় কিনা, সে বিষয়টা আমরা জানি।
তবে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক নোংরামি করা হবে। জড়িয়ে ধরা নারী একজন শহীদমাতা। নোংরা রাজনীতির কারণে আমীরে জামাতকে ভিলিফাই করতে গিয়ে এরা শহীদের মাকেও ভিলিফাই করবে। যদিও পরিস্থিতিটা হঠাৎ উদ্ভুত, আমীরে জামাতের পক্ষে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব ছিল না।
ড. ইউনুস সরকার জুলাই গণহত্যাকারীদের বিচার করতে সফল হননি। শহীদ পরিবার ও গাজীরা নতুন কাউকে খুজে বেড়াচ্ছে, যিনি ইনসাফ এনে দেবেন, শহীদদের রক্তের হিস্যা আদায় করবেন। তিনি ডা. শফিকুর রহমান, এই শহীদমাতার কাছে।
যে মাতা সন্তান হারানোর বেদনায় পাগল হয়ে গেছেন। দিনের পর দিন কেঁদে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছেন। বিচারহীনতার প্রতিটা দিন যার কাছে বিষের মত কষ্টদায়ক আর পাথরের মত ভারি।
সন্তানহারা মা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় দুঃখী। সেই দুঃখী মাতা ডা. শফিকুর রহমানকে ত্রাতা হিসেবে মেনে নিয়েছেন। তিনিই কায়েম করবেন ইনসাফ। এনে দেবেন শহীদ ও আহত গাজীদের জন্য ন্যায়বিচার।
তিনি পাশে দাঁড়াবেন সেইসব পরিবারের, যারা পরিবারের কাউকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে, দুঃখে কাটাচ্ছে প্রতিটা সেকেন্ড, প্রতিটা ক্ষণ!
কবি আল-মাহমুদ। তিনি ইখতিয়ারউদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজিকে নিয়ে কবিতা লিখছেন। সেখানে এমন একটা লাইন আছে—
“আল্লার সেপাই তিনি, দুঃখীদের রাজা।”
স্পষ্টভাবেই আমাদের শহীদ মাতা ন্যায়বিচার না পেয়ে দুনিয়ার সবচে দুঃখী মানুষদের একজন। তার কাছে ইনসাফ এনে দিতে পারেন কেবল ডা. শফিকুর রহমান। তিনিই ত্রাতা, তিনিই এই দুঃখী মায়ের চোখে ইনসাফ কায়েমকারী রাজা— আল্লাহর সেপাই, দুঃখীদের রাজা।
ডা. শফিকুর রহমান! ধাতস্থ হোন, শক্তিশালী হোন, শপথ করুন। এই দুঃখী মায়ের জন্য ইনসাফ এনে দেবেন। গণহত্যাকারীদের বিচারে কোনো শক্তির পরোয়া করবেন না।
প্রয়োজন হলে এই দেশের মানুষ, এই দেশের তরুণ যুবারা শহীদমাতার দোয়া নিয়ে যুদ্ধে নামবে। সেই যুদ্ধে আপনি 'আল্লাহর সেপাই ও দুঃখীদের রাজা' হিসেবে নেতৃত্ব দেবেন।
©