28/04/2025
ফ্রান্স ১৯১৭ সালে চাদ দখলের সময় ৪০০ মুসলিম আলেমকে একত্র করে গলা কে/টে হ/ত্যা করেছিল। ১৮৫২ সালে যখন তারা আলজেরিয়ার লগওয়াত শহরে প্রবেশ করে, তখন একটি রাতেই শহরের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মে/রে ফেলেছিল।
১৯৬০ থেকে ১৯৬৬ সালের মধ্যে ফ্রান্স আলজেরিয়ায় ১৭টি পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়, যার ফলে কত মানুষ মারা গেছে তার সঠিক হিসাব আজও অজানা। আনুমানিক ২৭,০০০ থেকে ১ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে বলে ধারণা করা হয়। আজও এর প্রভাব সেখানে অনুভূত হচ্ছে।
১৯৬২ সালে যখন ফ্রান্স আলজেরিয়া ত্যাগ করে, তখন তারা পেছনে রেখে যায় ধ্বংসের বীজ। পুরো আলজেরিয়ার জনগণের সংখ্যার (১ কোটি) চেয়েও বেশি ভূমিমাইন তারা সেখানে পুঁতে রাখে।
ফ্রান্স আলজেরিয়াকে ১৩২ বছর ধরে শাসন করেছে। প্রথম ৭ বছরে তারা ১০ লাখ মুসলমানকে হ/ত্যা করে, আর শেষ ৭ বছরে বিদায়ের আগে মেরে ফেলে আরও ১৫ লাখ মানুষকে।
ফরাসি ইতিহাসবিদ জ্যাক গোরকি হিসেব করে দেখিয়েছেন—১৮৩০ সালে আগমনের পর থেকে ১৯৬২ সালে বিদায় পর্যন্ত, আলজেরিয়ায় ফ্রান্সের হাতে মোট ১ কোটি মুসলমান শহীদ হয়েছেন।
তারা তিউনিসিয়াকে শাসন করেছে ৭৫ বছর, আলজেরিয়াকে ১৩২ বছর, মরক্কোকে ৪৪ বছর এবং মৌরিতানিয়াকে ৬০ বছর।
এছাড়া, বিখ্যাত মিশর অভিযানকালে ফরাসি সৈন্যরা মসজিদে ঘোড়া নিয়ে ঢুকেছিল। তারা নারীদের পরিবারের সামনেই ধ/র্ষণ করেছিল, মসজিদে বসে মদ পান করেছিল, এমনকি কিছু মসজিদকে ঘোড়ার আস্তাবল বানিয়ে ফেলেছিল।
তারপর আজ তারা বলে ইসলাম সন্ত্রা/সের ধর্ম, আর আমাদের প্রিয়নবী (সা.) নাকি সন্ত্রা/সের নেতা!
অথচ এই ইতিহাস জানার পরও কিছু মুসলিমকে দেখা যায় ‘ফ্রান্সের সভ্যতা’ নিয়ে গর্ব করতে, তাদের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে!
-- সাইফুল খান