19/05/2026
বর্তমানে সব বিষয়ে মজা করা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি, ছবির এই লোকের কিছু সংলাপ ভাইরাল হয়েছে এবং সবাই সেই সংলাপগুলো নিয়ে মিমস (বিনোদন) পোস্ট দিচ্ছে। এটা থেকে আমাদের দ্বীনি-ঘরানার লোকেরাও বাদ নেই।
সব বিষয় কি মজা করা উচিত? জায়েজ/নাজায়েজ প্রশ্নে যাচ্ছি না। লোকটা একজন গণক (ভন্ড, প্রতারক)। লোকটা সুস্পষ্ট হারাম কাজ করেছে। আর তাকে ভাইরাল করে তাকে ও তার কাজকে আরো প্রমোট করছি না তো?
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি গণকের কাছে যায় এবং তাকে কোন কথা জিজ্ঞেস করে, তার ৪০ দিনের সালাত (নামাজ) কবুল হয় না।” (সহীহ মুসলিম, হা/২২৩০)
আমরা সবাই জানি বাংলাদেশে কেউ নেগেটিভভাবে ভাইরাল হলেও, সবাই তাকে নিয়ে মাতামাতি করে, এবং এক সময়ে সে সেলেব্রিটি হয়ে যায়। আমাদের তো উচিত ছিল- তার বিষয়ে লোকদের সতর্ক করা। সবাইর কথা বাদ দিলাম- যাদের দ্বীনি বুঝ রয়েছে, তাদের এটা নিয়ে মজা করে অহেতুক সময় নষ্ট করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
সোশ্যাল মিডিয়া আসলে এখন অস্বস্তি লাগে, বিরক্ত লাগে। বিনোদনের অবশ্যই প্রয়োজন আছে, কিন্তু সব বিষয় নিয়ে এবং সারাক্ষণ তো মজা করা ঠিক না। অতিরিক্ত হাসি-তামাশা আমাদের অন্তরকে কঠিন করে দেয় এবং আমাদের দ্বীন ও আমল থেকে দূরে সরিয়ে রাখে৷ শয়তান আমাদের এভাবেই অহেতুক বিষয়ে ব্যস্ত রাখতে চায়, যেন আমরা আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ভুলে থাকি।
কথাগুলো অনেকের খারাপ লাগতে পারে, তবে ভেবে দেখবেন! আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে উত্তম বুঝ দিন।
জিলহজ্ব মাস শুরু হয়েছে, জিলহজ্ব মাসের প্রথম দশকের আমল আল্লাহর নিকট অনেক বেশি প্রিয়। তাই এই ১০ দিন অহেতুক সময় নষ্ট না করে, বেশি বেশি নেক আমল করুন।