Bengal's WILD TALES

Bengal's WILD TALES Welcome to Bengal's WILD TALES: An explorer's guide to the wildlife. A source of facts, photos, video
(1)

এখানে শুধুমাত্র বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী নিয়ে বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করছি- ড. মোস্তফা ফিরোজ, প্রফেসর, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। গত তিন দশকে বন্যপ্রাণী গবেষণায় আমার সম্পৃক্ততা ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি সবার সাথে। এ পেইজে আমারই ধারণকৃত ভিডিওচিত্র বা আমার টিমের সদস্যদের ভিডিওচিত্র ছাড়া অন্য কোন মাধ্যম থেকে কোন ভিডিও ব্যবহার করা হয়না। বন্যপ্রাণী আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধিই আমার উদ্দেশ্য। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোন বিষয় জানতে বা দেখতে চাইলে সে বিষয়টি উপস্থাপন করার চেষ্টা করবো।

কটকার ছনের মাঠের ছনের যায়গা দখল করেছে সবুজ এ গুল্ম জাতীয় গাছ। দেখতে সুন্দর হলেও সুন্দরবনের আর কোথাও চোখে পরেনি। এ  গাছ স...
23/08/2026

কটকার ছনের মাঠের ছনের যায়গা দখল করেছে সবুজ এ গুল্ম জাতীয় গাছ। দেখতে সুন্দর হলেও সুন্দরবনের আর কোথাও চোখে পরেনি। এ গাছ সুন্দরবনের গাছ কিনা তাও জানিনা।

লংকার হনুমান নিয়ে আমাদের এবারের পর্বটি একটু ভিন্ন ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
21/08/2026

লংকার হনুমান নিয়ে আমাদের এবারের পর্বটি একটু ভিন্ন ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।

Kingdom of the Hanuman || Family –The First SchoolEvery life, begi...

15/08/2026

বর্ষায় মাধবকুন্ড জলপ্রপাত

World Elephant Day-2026: Beyond the Electric Fence”
12/08/2026

World Elephant Day-2026: Beyond the Electric Fence”

সুন্দরবনে একটি বিষয় গত বছর খানেক থেকে আমার চোখে বেশ স্পষ্টভাবে ধরা পড়ছে—ভোদর ও রামগুই এখন মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই দ...
10/08/2026

সুন্দরবনে একটি বিষয় গত বছর খানেক থেকে আমার চোখে বেশ স্পষ্টভাবে ধরা পড়ছে—ভোদর ও রামগুই এখন মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি অনেক দূর থেকে নৌকার শব্দ শুনেও অনেক সময় তাদের আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ জায়গায় ছুটে যেতে দেখা যাচ্ছে।
যারা নিয়মিত সুন্দরবনে যান, তারা জানেন—এই দুই প্রাণী সাধারণত মানুষের উপস্থিতিকে খুব একটা ভয় পায় না। কটকার মতো পর্যটন এলাকাতেও এখনো মানুষের আশপাশে তাদের স্বাভাবিকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। করমজলেতো রামগুই সবচেয়ে বেশী দেখা যায়। কিন্তু সুন্দরবনের অনেক প্রত্যন্ত এলাকায় চিত্রটি যেন একেবারেই ভিন্ন। সেখানে মানুষের সামান্য উপস্থিতি টের পেলেই তারা দ্রুত আড়ালে চলে যাচ্ছে।
এর পেছনে অন্যতম কারণ হতে পারে অতিরিক্ত শিকার ও বিভিন্ন ভাবে নিয়মিত বিরক্তি করা। বিশেষ করে শিবসা নদীর পশ্চিম পাড়ের সাতক্ষীরা সুন্দরবন এলাকায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। সেখানে ভোদর ও গুইসাপ এখন খুব কমই চোখে পড়ে। দেখা গেলেও মানুষের উপস্থিতি টের পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মুহূর্তের মধ্যে লুকিয়ে পড়ে।
ভোদর শিকার সম্পর্কে স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে রামগুই—অর্থাৎ বড় গুইসাপ—মেরে টুকরো করে কাঁকড়া ধরার ফাঁদে টোপ হিসেবে ব্যবহারের কথা স্থানীয়দের কাছ থেকে আগেও বহুবার শুনেছি। এবার মাঠ পর্যায়ে তার প্রমাণও পাওয়া গেল।
সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডের তালিকায় ফাইশা জাল, চরপাটা জাল কিংবা বিষ দিয়ে মাছ ধরার মতো আরও একটি গুরুতর বিষয় হলো অবৈধ বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে কাঁকড়া ধরার পদ্ধতি। পূর্ব সুন্দরবনে এসব কর্মকাণ্ড অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও পশ্চিম সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় এখনো এগুলো ব্যাপকভাবে চলছে বলে মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণে মনে হচ্ছে।
আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, কাঁকড়া ধরার ফাঁদে গুইসাপের দেহের অংশ টোপ হিসেবে ব্যবহারের ঘটনাটিও পশ্চিম সুন্দরবনেই পাওয়া গেছে। এর ফলে শুধু একটি প্রাণী নয়, সুন্দরবনের সামগ্রিক খাদ্যশৃঙ্খল ও জীববৈচিত্র্যও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সুন্দরবনের প্রতিটি প্রাণীরই এই বাস্তুতন্ত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই গুইসাপের মতো প্রাণীকে শিকার কিংবা টোপ হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি।
আশা করি, পশ্চিম সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (DFO) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। একই সঙ্গে স্থানীয় জেলেদের বিকল্প ও টেকসই কাঁকড়া ধরার পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন করাও জরুরি। সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে শুধু বাঘ নয়—এই বনভূমির প্রতিটি ছোট-বড় প্রাণীকেই রক্ষা করতে হবে।

ছবি ভিডিও থেকে নেয়া- প্রসেঞ্জিত দেববর্মণ

১৯৮৮ সালের মার্চ মাসে বন বিভাগের আয়োজনে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগে প্রথমবার সুন্দরবনে যাই। সেই প্রশিক্ষ...
09/08/2026

১৯৮৮ সালের মার্চ মাসে বন বিভাগের আয়োজনে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগে প্রথমবার সুন্দরবনে যাই। সেই প্রশিক্ষণের প্রধান আয়োজক ছিলেন তৎকালীন বন্যপ্রাণী ওয়ার্ডেন জনাব আব্দুল ওয়াব আকন্দ।
সে সময় বন বিভাগের দুটি বড় লঞ্চ ছিল—‘বনরানী’ ও ‘বনকন্যা’। আমরা গিয়েছিলাম ‘বনকন্যা’ লঞ্চে। ব্রিটিশ আমলে তৈরি, প্রায় সোয়াশ বছরের পুরোনো এই লঞ্চ দুটিই ছিল আমাদের ঐতিহ্যের এক অনন্য স্মারক। দুঃখের বিষয়, সম্প্রতি সেগুলোও বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।
মনে প্রশ্ন জাগে—জাতি হিসেবে আমরা কেন আমাদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারি না? পুরোনো ও ঐতিহাসিক জিনিস সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পরিবর্তে কেন আমরা এত সহজেই সেগুলো হারিয়ে ফেলি?

একসময় ভাবতাম, সুন্দরবনে Ruddy Kingfisher শুধু কটকা আর কয়েকটি নির্দিষ্ট ব্লকেই দেখা যায়। কিন্তু এখন দেখছি সুন্দরবনের ব...
08/08/2026

একসময় ভাবতাম, সুন্দরবনে Ruddy Kingfisher শুধু কটকা আর কয়েকটি নির্দিষ্ট ব্লকেই দেখা যায়। কিন্তু এখন দেখছি সুন্দরবনের বেশিরভাগ ব্লকেই এদের উপস্থিতি রয়েছে।

জোয়ারে সুন্দরবনে…
04/08/2026

জোয়ারে সুন্দরবনে…

Address

Fulbaria

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bengal's WILD TALES posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bengal's WILD TALES:

Shortcuts

Share

Category