07/09/2025
✍️লিখেছেন মিলি আপি
পরীমণি তার মুখবই'তে সরাসরি অপু বিশ্বাসের সমালোচনা করেছে। বিষয়টা কুড়কুড়ে চিপস আর মুড়মুড়ে চানাচুরের মত। এতে করে অপু বিশ্বাসের ফ্যান ফলোয়াররা পরীমণির বিরুদ্ধে এলান-এ-জং ঘোষণা করে যুদ্ধের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। কেউ কচাকচ করে কচু কাটছে, কেউ আলু কাটছে,কেউ কুমড়া কাটছে,কেউ ভেন্ডি কাটছে,কেউ বরবটি কাটছে, আর কেউ গাজর কাটছে ইত্যাদি ইত্যাদি। একসময় অপু বিশ্বাসের সাথে জোট বেঁধে বুবলির নিন্দায় মগ্ন ছিল পরীমণি, পূজা চেরি, তমা মির্জারা। এদের মধ্যে পরীমণির সাথেই অপু বিশ্বাসের বেশুমার পিরিত ছিল। পরীর বাসায় ছেলে রাজ্যের সাথে গলাগলি করে ঘুমিয়েছিল আব্রাহাম খান জয়। পরীর প্রেগন্যান্সির সময় তার জন্য নিরামিষ খাবার রেঁধে নিয়েছিল অপু। তারপর রাজ্যের জন্মদিনে অপু সোনার চেইন উপহার দিয়েছিল। অপুর হয়ে বুবলিকে সাইজ করার জন্য পরীর ভাষা ছিল বেশি আক্রমণাত্মক।
কিন্তু এত পিতলা খাতিরের সম্পর্ক হঠাৎ তিক্ততায় রূপ নিলো কেন?দুটো কারণ ব্যাখ্যা করবো। এখানে স্পাইসি কাহিনী আছে। হয়ত এটা দুজনের নিরব সমঝোতায় অর্থাৎ ইন্টেনশনালি করা হয়েছে। যাকে আমরা পাবলিসিটি স্টান্ট বলি। অপু বিশ্বাস সবসময় পাবলিসিটির কাঙাল। যেকোনো কিছুর বিনিময়ে হলেও তার পাবলিসিটি চাই। তাকে আলোচনার তুঙ্গে থাকতেই হবে। আমি শিওরলি বলছিনা। তবে পাবলিসিটির জন্যও করা হতে পারে। এটা ফেলে দেয়া যায়না।
এবার আসি সেই স্পাইসি কাহিনীতে- পরীমণির বাড়ি পিরোজপুর। অপু বিশ্বাসের সিঙ্গাপুরী মক্কেল ফেরদৌসের বাড়িও পিরোজপুর। অপুর সাথে অ্যাফেয়ারের আগে ফেরদৌসের সাথে ডানাকাটা পরীর অ্যাফেয়ার ছিল। ফেরদৌস ডানাকাটা পরীকে সিঙ্গাপুর ডেকে নিতো। সিঙ্গাপুরের সেই বস হোটেলে পরীর থাকার ব্যবস্থা করা হতো। ফেরদৌসের টাকা আছে। কিন্তু সে গুড লুকিং নয়।
নিজে ডানাকাটা পরী বলে টাকার সাথে গুড লুকিংও তালাশ করে পরীমণি। তাই ফেরদৌসের সাথে তার অ্যাফেয়ার বেশিদিন টেকেনি। অ্যাফেয়ারের গতি পরিবর্তিত হয়। ঢুকে পড়ে অপু বিশ্বাস। বিশেষ সূত্রে জানা গেছে ফেরদৌসের সাথে অপু বিশ্বাসের অ্যাফেয়ারের কথা জেনে ক্রোধে ফুঁসে উঠেছে পরীমণি। সেই আক্রোশ প্রশমিত করতেই অপু বিশ্বাসকে ছয়মাস আওয়ামী লীগ, ছয়মাস বিএনপি এবং ছয়মাস হিন্দু ছয়মাস মুসলমান বলে ভর্ৎসনা করেছে পরীমণি। যেটা অপু বিশ্বাস ডিজার্ভ করে। ধর্ম নিয়ে তো সে ছিনিমিনি খেলেছে। এখন নেমেছে রাজনীতির নোংরা খেলায়। অথচ আওয়ামী লীগের কাছ থেকে সরকারি অনুদানসহ ব্যাপক সুবিধা সে নিয়েছে। আর এখন হাসির ব্যাপার হলো অপুর মুর্খ ভক্তরা তাকে মাজারের ভন্ড পীর বানিয়ে পূজা করছে।