Gangni Today

Gangni Today Introducing Gangni Today News, a comprehensive source of up-to-date information and stories. Our dedicated team of journalists

Stay informed about the latest happenings in Gangni and beyond with our reliable and timely news coverage.

আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ষোলটাকা ইউনিয়নে তিনজন হেভিওয়েট প্রার্থীর চেয়ারম্যান পদে লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে,,প...
07/06/2026

আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ষোলটাকা ইউনিয়নে তিনজন হেভিওয়েট প্রার্থীর চেয়ারম্যান পদে লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে,,

প্রার্থীরা হলেন -বর্তমান ষোলটাকা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জনাব কামরুল ইসলাম,ষোলটাকা ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি জনাব মনিরুজ্জামান মনি, জামাত ইসলামের নেতা মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম,,,

নির্বাচন কমিশনের সূত্র অনুযায়ী আগামী আগস্টে তফসিল ঘোষণা হতে পারে, এবং অক্টোবরে ভোটগ্রহণ শুরু করার ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন।

উক্ত নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীরা নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন।।

উক্ত ইউনিয়নের কয়েকজন ভোটারের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা চাই সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদানের নিশ্চয়তা,, ভোটাররা বলেন তারা শুধু প্রার্থীদের মুখের কথা শুনেই ভোট দিবেন না, ভোটাররা চাই যোগ্য সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত ব্যক্তি কে।

সরকারি বিধিমালা উপেক্ষা করে তিন লাভজনক পদে থেকে নিচ্ছেন আর্থিক সুবিধাপ্রধান শিক্ষক, চেয়ারম্যান ও কাজী—এক আলমের তিন রূপ !...
07/06/2026

সরকারি বিধিমালা উপেক্ষা করে তিন লাভজনক পদে থেকে নিচ্ছেন আর্থিক সুবিধা
প্রধান শিক্ষক, চেয়ারম্যান ও কাজী—এক আলমের তিন রূপ !
মু. আলম হুসাইন একাধারে একটি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং একই ইউনিয়নের সরকারি কাজী (বিবাহ রেজিস্ট্রার)।

আইন অনুযায়ী একই ব্যক্তি সরকারের একাধিক প্রতিষ্ঠান বা কোষাগার থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার বিধান না থাকলেও, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মু. আলম হুসাইনের ক্ষেত্রে ঘটছে তার উল্টোটা। তিনটি পদ থেকেই তিনি নিয়মিত নিচ্ছেন সরকারি বেতন-ভাতা ও আর্থিক সুবিধা।

ত্রিমুখী দায়িত্বের বেড়াজালে পড়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজই ঠিকমতো হচ্ছে না। ফলে একদিকে যেমন ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, অন্যদিকে চরম নাগরিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন ইউনিয়নবাসী।

বিদ্যালয়ে হ য ব র ল অবস্থা

অনুসন্ধানে জানা যায়, মু. আলম হুসাইন ২০১৮ সালে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী করমদি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। কিন্তু যোগদানের পর থেকেই বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান ও পরিবেশ ধসে পড়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণীর কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, “হেডস্যার স্কুলে ঠিকমতো আসেন না। সেই সুযোগে অন্যান্য শিক্ষকরাও নিজেদের ইচ্ছামতো স্কুলে আসেন, মন চাইলে ক্লাস নেন। আমাদের কত সুন্দর খেলার মাঠ আছে, অথচ কোনো খেলাধুলা করানো হয় না।”

প্রধান শিক্ষকের এই অনুপস্থিতি নিয়ে সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যেও তীব্র অসন্তোষ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান, একজন মানুষ একই সাথে পুরো একটা ইউনিয়ন পরিষদ এবং বিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন না। দুটি প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে ম্যানেজ করা অসম্ভব। এর ফলে বিদ্যালয়টি অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে কারিগরি শাখাসহ প্রায় ৫৫৩ জন শিক্ষার্থী এবং ৩০ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন, যারা এখন প্রশাসনিক স্থবিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

সপ্তাহে ১-২ দিন যান ইউপিতে, সেবা পেতে ছুটতে হয় ‘নিজস্ব অফিসে’

কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, মু. আলম হুসাইন ২০১১ সালে প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং ২০১৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বর্তমানেও পদে বহাল আছেন।

ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মতিয়ার রহমান জানান, চেয়ারম্যান একই সাথে প্রধান শিক্ষক ও কাজীর দায়িত্ব পালন করায় সপ্তাহে মাত্র এক থেকে দুই দিন পরিষদে আসেন। জরুরি কোনো কাজ বা স্বাক্ষরের প্রয়োজন হলে নাগরিকদের চেয়ারম্যানের ‘হাড়াভাঙ্গা’ এলাকার নিজস্ব অফিসে গিয়ে কাজ করিয়ে আনতে হয়। এতে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্বজনপ্রীতি ও বিধিবহির্ভূত কাজী নিয়োগের অভিযোগ

মেহেরপুর জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ৮ জুন কাজিপুর ইউনিয়নের কাজী (বিবাহ রেজিস্ট্রার) হিসেবে নিয়োগ পান আলম হুসাইন। মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা অনুযায়ী, কাজী নিয়োগ কমিটির অন্যতম সদস্য হলেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। আলম হুসাইন তৎকালীন সময়ে চেয়ারম্যান পদে থেকে নিজেই নিজের নিয়োগ কমিটিতে ছিলেন, যা চরম স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) এবং নীতিবহির্ভূত।

কী বলছে সংশ্লিষ্ট সরকারি বিধিমালা?

আইন ও বিধি অনুযায়ী মু. আলম হুসাইনের এই একাধিক পদে থাকা এবং আর্থিক সুবিধা নেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। সংশ্লিষ্ট আইনসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:

সরকারি চাকুরিজীবী আইন ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূর্ণকালীন পদে কর্মরত থেকে অন্য কোনো লাভজনক পদে (যেমন- নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বা কাজী) নিয়োজিত থাকতে পারেন না। এটি চাকুরির শর্তাবলির স্পষ্ট লঙ্ঘন।

মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ বিধিতে স্পষ্ট বলা আছে, একজন কাজী সংশ্লিষ্ট এলাকা ব্যতীত অন্য কোনো এলাকার কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় সবেতনে (মাসিক বেতন বা আর্থিক সুবিধায়) চাকরি করতে পারবেন না। আলম হুসাইন ২০১৮ সালে সবেতনে প্রধান শিক্ষক পদে যোগ দিয়ে এই বিধি সরাসরি লঙ্ঘন করেছেন।

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী কোনো জনপ্রতিনিধি একই সাথে সরকারের অন্য কোনো লাভজনক পদে বা সবেতন চাকুরিতে অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন না। তদুপরি, সরকারি কোষাগার বা একাধিক উৎস থেকে একই সাথে একাধিক আর্থিক সুবিধা (ভাতা ও বেতন) গ্রহণ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

অভিযুক্ত ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বক্তব্য

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মু. আলম ‍হুসাইন অস্বীকার না করে বলেন, “সারাদেশে এমন অনেকেই আছেন। তিনটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সব জায়গায়তেই ঝামেলা যে হয় না, তা বলবো না। তবে আমি সার্বক্ষণিক চেষ্টা করি নাগরিক সেবা দিতে। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন মিটিং ও পরীক্ষার কারণে উপজেলা অফিসে যেতে হয়, তাই নিয়মিত স্কুলে যাওয়া হয় না। তবে পরিবেশ ভালো করার চেষ্টা করছি।”

গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং করমদি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো: আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমরা কাজিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সরকারি ভাতাটা দিচ্ছি। বিদ্যালয়ের বিষয়টি আমার জানা ছিল না, খোঁজখবর নিয়ে দেখবো। যদি আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়ে থাকে, তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জেলা রেজিস্ট্রার সালাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, “পদাধিকার বলে চেয়ারম্যান কাজী নিয়োগ কমিটির সদস্য থাকেন। সেই কমিটিতে থেকে তিনি কীভাবে নিজে কাজী হলেন তা তৎকালীন কমিটিই বলতে পারবে। তবে একজন কাজী অন্য কোথাও সবেতনে চাকরি করতে পারবেন না, এটি নিয়মের পরিপন্থী। লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা মন্ত্রণালয়ে জানাবো এবং নির্দেশানুযায়ী ব্যবস্থা নেব।”

মেহেরপুরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (ডিডি এলজি) পার্থ প্রতিম শীল বলেন, “একজন ব্যক্তি কোনোভাবেই সরকারের একাধিক কোষাগার বা উৎস থেকে আর্থিক সুবিধা নিতে পারেন না। বিষয়টি যেহেতু এখন আমাদের নজরে এসেছে, তদন্তপূর্বক দ্রুত এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকাবাসীর দাবি, অতি দ্রুত এই অনিয়মের অবসান ঘটিয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হোক এবং ইউনিয়নবাসীকে প্রশাসনিক হয়রানি থেকে মুক্ত করা হোক।

প'র'মা'ণু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ। নতুন ইতিহাস গড়ছে। নতুন মাইলফলকে পৌঁছেছে রূপপুর পারমাণ...
29/04/2026

প'র'মা'ণু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ। নতুন ইতিহাস গড়ছে। নতুন মাইলফলকে পৌঁছেছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। দেশের জ্বালানি খাতে খুলছে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার। 🔥
বাংলাদেশ এখন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩৩ তম দেশ। ❤️

24/04/2026

❝ বিদ্যুৎ কখনও যায় না, মাঝে মাঝে আসে ❞

গাংনী বাজারের ব্যাপারটা ঠিক এমনই হয়ে গেছে। এমন একটা জায়গায় বসবাস করি যার কোনো অভিভাবক নাই।

24/04/2026

আপনার এলাকায় ২৪ ঘন্টায় কতক্ষণ বিদ্যুৎ পাচ্ছেন?
কমেন্ট করে জানাবেন।

জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারি হতে চেয়েছিলেন”সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন (বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দ...
23/04/2026

জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারি হতে চেয়েছিলেন”

সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন (বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের স্ত্রী) তখন আওয়ামী লীগের কনভেনর। অন্যদিকে চিফ মার্শাল ল’ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও রাষ্ট্রপতি হিশেবে জিয়াউর রহমান তখনও রাজনৈতিক দল করেননি।

এ সময়ে একদিন রাতে জোহরা তাজউদ্দিনের ধানমন্ডির বাসায় যান জিয়াউর রহমান। এবং জিয়াউর রহমান সেদিন জোহরা তাজউদ্দিনকে যা বলেন তা ছিল এমনই— “আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। আমি আওয়ামী লীগের বাইরে যেতে চাই না। বরং আপনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট থাকুন আমি আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারি হই। এবং দেশে নির্বাচন দিয়ে দেই। আওয়ামী লীগই তো নির্বাচনে জিতে আসবে। আপনি দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। আমি দেশের প্রেসিডেন্ট থাকবো।”

জোহরা তাজউদ্দিন তার উত্তরে বলেছিলেন— ‘দেখুন জিয়া, আওয়ামী লীগ এইভাবে সরকারে যাবে না, এই পথে রাজনীতিও করবে না। বরং আপনি আপনার পথে যান, আমরা আমাদের পথে হাঁটি।”

জিয়াউর রহমান তার উত্তরে বলেছিলেন— “ভাবি, আপনি তো জানেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে এ দেশে রাজনৈতিক দল করতে হলে রা*জাকার, আল-বদরদের নিয়ে করতে হবে। এবং আপনারা না এলে আমাকে তাই করতে হবে। আপনি একটু চিন্তা করেন। আমি আগামী সপ্তাহে আবার আসব।”

পরের সপ্তাহেও এক রাতে জিয়াউর রহমান গিয়েছিলেন, এবং জোহরা তাজউদ্দিন তাঁকে একই উত্তর দিয়েছিলেন।

জোহরা তাজউদ্দিনের কাছে তাঁর ধানমন্ডির বাসায় বসে এই ঘটনা শোনার পরে কৌতূহল বশত তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন তিনি জিয়াউর রহমানকে ওভাবে মুখের ওপর না বলে দিয়েছিলেন! এবং জিয়াউর রহমানের প্রস্তাব শুনলে কি দেশে রা*জাকার আল-বদরদের উত্থান কমতো না?

জোহরা তাজউদ্দিনকে যারা কাছের থেকে জানেন— সকলেই জানেন অত্যন্ত রাশভারী মানুষ ছিলেন। আবার খুবই স্নেহপ্রবণ মানুষও ছিলেন। তিনি অত্যন্ত স্নেহের কণ্ঠে উত্তর দেন— “দেখ, আওয়ামী লীগকে কখনও কনভেনশনাল মুসলিম লীগ (মুসলিম লীগের একটি অংশ যারা দলের সঙ্গে বেইমানি করে কনভেনশন ডেকে একটি মুসলিম লীগ বানিয়ে আইয়ুব খানের সঙ্গে গিয়েছিল । তাই ওই মুসলিম লীগকে বলা হতো কনভেনশনাল মুসলিম লীগ) বানানো যায় না। আওয়ামী লীগ জন-মানুষের দল। এটা কর্মীদের দল। এই দল কখনও সামরিক শাসনের অংশ হয় না। তাছাড়া বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা হ*ত্যাসহ অসংখ্য হ*ত্যার ভেতর দিয়ে যারা রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ঘটিয়েছে, তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ যোগ দিলে আর বাংলাদেশ থাকে না। বাঙালি জাতিও থাকে না।”

পরবর্তীতে বিষয়গুলো আরও উপলব্ধি করার অনেক সুযোগ ও তথ্য দীর্ঘ সময় ধরে পেয়েছি। সে অন্য প্রসঙ্গ। তবে জিয়াউর রহমান তাঁর প্রথম উদ্যোগে ব্যর্থ হলেও তিনি যে খুবই বুদ্ধিমান ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল বুঝতেন— তা তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপে বোঝা যায়। জিয়াউর রহমান সামরিক বাহিনীর মানুষ হলেও রাজনৈতিক দল বোঝার অবশ্য একটা যৌক্তিক কারণ ছিল। যেহেতু সার্ভিসে তাঁর দায়িত্বের মধ্যে ছিল রাজনৈতিক দলগুলোকে জানা।

যাহোক, আওয়ামী লীগকে সরকারি দল না বানাতে পারলেও তিনি এই সত্য বুঝেছিলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের বাইরে রাখলে ওই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে সরকার আসবে তা বেশিদিন টিকবে না। এবং প্রকৃত বৈধতাও পাবে না।

যে কারণে ১৯৭৯’র সংসদ নির্বাচনের আগে জিয়াউর রহমান যখন খবর পান— আওয়ামী লীগ নেতারা বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করে গোয়ালন্দের পথে মানিকগঞ্জ হয়ে ফেরার সময় সাভার জাতীয় স্মৃতি সৌধে যান। এবং সেখানে সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন জাতীয় স্মৃতি সৌধ স্পর্শ করিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতিজ্ঞা করান, তারা নির্বাচনে যাবার সিদ্ধান্ত নেবে না। ওই সময়ে সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন আওয়ামী লীগের কনভেনর ছিলেন না, সহ-সভাপতি ছিলেন। কিন্তু দলে তাঁর প্রভাব ছিল অনেক বেশি। তিনি এই শপথ করিয়েছিলেন, সে কথাও তাঁর কাছ থেকে নিশ্চিত করার সুযোগ হয়েছিল।

সাংবাদিক এম.আর আকতার মুকুল ও দাউদ খান মজলিশ সে সময়ে জিয়াউর রহমানের সরকারে কাজ করেন। এম.আর আকতার মুকুল ব্যক্তিগত আলোচনায় বলেন— ‘নির্বাচনে যাবার প্রশ্নে আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং শুরু হবার আগেই জিয়াউর রহমান ওই ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং মনিটর করার দায়িত্ব দেন দাউদ খান মজলিশকে। এবং সেখানে প্রতিদিন কী সিদ্ধান্ত হয় তা প্রতিদিনই তাকে জানাতে নির্দেশ দেন।’ দাউদ খান মজলিশ ওইভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে অতটা ঘনিষ্ঠ ছিলেন না যতটা ছিলেন এম.আর আকতার মুকুল। তাই দাউদ খান মজলিশ তাঁর বন্ধু এম.আর আকতার মুকুলের শরণাপন্ন হন।

আওয়ামী লীগের ওই ওয়ার্কিং কমিটির মিটিংয়ে প্রথম দিকে সকলেই নির্বাচনে না যাবার পক্ষে ছিলেন। কিন্তু তখনকার আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারী ও বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে হঠাৎ জনপ্রিয় হয়ে ওঠা নেতা আব্দুর রাজ্জাক তৃতীয় দিনের সভায় দলকে নির্বাচনে যাবার পক্ষে সিদ্ধান্ত পাস করাতে সমর্থ হন।

কেন আব্দুর রাজ্জাক এ-কাজ করেছিলেন, সে প্রসঙ্গ লিখতে গেলে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর কেরানীগঞ্জের এমপি বোরহান উদ্দিন গগনের বাসা থেকে আব্দুর রাজ্জাকের গ্রেফতার হওয়া থেকে শুরু করে ১৯৮৪-তে আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ভাঙা অবধি যাবতীয় কর্মকাণ্ড লিখতে হয়। সে আরেক সপ্তকাণ্ড রামায়ণ।

যাহোক, এম.আর আকতার মুকুল যখন দ্রুত বের হয়ে এসে দাউদ খান মজলিশকে এই খবর দেন। দাউদ খান মজলিশ তখন এম.আর আকতার মুকুলকে গাড়িতে তুলে নিয়ে জিয়াউর রহমানের কাছে যান। তারা গিয়ে দেখেন জিয়াউর রহমান রুমের এ-মাথা ও-মাথা পায়চারি করছেন। এম.আর আকতার মুকুলের ভাষায়— ‘দাউদের মুখ থেকে ওই খবর শোনার পরে তিনি পায়চারি থামিয়ে স্থির হন। এর পরে তিনি তার চরমপত্রের ভাষায় বলেন, “ঘাম ছাইড়্যা তাঁর জ্বর গেল।”

তবে বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসের দিকে তাকালে বলা যায়, রাজনৈতিক দূরদর্শিতায় জিয়াউর রহমান সঠিক ছিলেন। কারণ আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে ১৯৮৮ সালে রাষ্ট্রপতি জেনারেল এরশাদ নির্বাচন করেছিলেন, ওই নির্বাচনের পরে তিনি ক্ষমতায় থাকতে পেরেছিলেন মাত্র ১৭ মাস কয়েক দিন। খালেদা জিয়া ১৯৯৬-তে আওয়ামী লীগ বাদ দিয়ে নির্বাচন করেছিলেন, ক্ষমতায় থাকতে পেরেছিলেন মাত্র ১২ দিন। ২০০৭ এর ২২ ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করার চেষ্টা করতে গিয়ে বিএনপি দেশকে ভিন্ন যাত্রায় ঠেলে দেয়।

লেখক : Swadesh Roy
সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক,
সম্পাদক, সারাক্ষণ, The Present World

23/04/2026

গাংনীতে কারেন্ট যাওয়ার প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আছে কোন এলাকা !? 🐸🙉

জামাতের রাজনীতি এখন যেন “গুপ্ত নাটক”—মঞ্চে এক চরিত্র, আড়ালে আরেক! সামনে ধর্মের বুলি, পেছনে গোপন হিসাব—এই পুরোনো স্ক্রিপ্...
23/04/2026

জামাতের রাজনীতি এখন যেন “গুপ্ত নাটক”—মঞ্চে এক চরিত্র, আড়ালে আরেক! সামনে ধর্মের বুলি, পেছনে গোপন হিসাব—এই পুরোনো স্ক্রিপ্ট আর কতদিন চলবে?
মুখে আদর্শ, কাজে ভিন্ন পথ—এই দ্বিচারিতা মানুষ অনেক আগেই বুঝে গেছে। যুগ পাল্টেছে, কিন্তু তাদের গুপ্ত খেলা পাল্টায়নি। সমস্যা একটাই—এখন দর্শক আর আগের মতো সরল নেই।
মুখোশ পরে রাজনীতি করার দিন শেষ। এখন সময়—নাটক না, সত্য দেখানোর।

চায়ের দোকান থেকে পাড়া-মহল্লা-গাংনী পৌর নির্বাচনে আশরাফুল ইসলামের প্রত্যাবর্তনের গুঞ্জননিজস্ব প্রতিনিধিঃআসন্ন গাংনী পৌরসভ...
20/03/2026

চায়ের দোকান থেকে পাড়া-মহল্লা-গাংনী পৌর নির্বাচনে আশরাফুল ইসলামের প্রত্যাবর্তনের গুঞ্জন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
আসন্ন গাংনী পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক বাতাসে নতুন রং ছড়িয়ে পড়েছে। চায়ের দোকান, পাড়া-মহল্লার আড্ডা, বাজারের আড্ডা-সবখানেই ফের আলোচনায় উঠে এসেছে সাবেক মেয়র আশরাফুল ইসলামের নাম। অনেকের মনে নতুন করে কৌতূহল, আবারও তিনি কি ভোটারের হৃদয়ে ফিরে আসবেন? আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলোও, স্থানীয়দের মধ্যে তার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে উত্তেজনা স্পষ্ট।

আশরাফুল ইসলাম ২০১৫ থেকে ২০২০ পর্যন্ত দুই দফায় গাংনী পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মেয়াদকালকে অনেকেই মনে করেন মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগের সময়। পৌর শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে নিজের হাতে ঝাড়ু তোলার দৃশ্য, ড্রেনেজ ঠিক করা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা-এগুলো ছিল তার দিনের স্বাভাবিক কাজ। কিন্তু তার প্রকৃত পরিচয় হলো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানবিকতা।
রাতের শহরে আলোকসজ্জা বাড়িয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধপ্রবণ এলাকা সরেজমিনে দেখা-প্রশাসনিক দায়িত্বের সঙ্গে মানুষের প্রতি মমত্ববোধ ফুটে উঠেছিল। আশরাফুল ইসলামের সময় শহর সুন্দর হতো, মানুষের মনেও স্বস্তি ফুটে উঠত,স্থানীয়দের কথাগুলো তাইই প্রমাণ করে।

প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয়ে কিছু বিতর্কও ছিল। সমর্থকরা মনে করেন, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে এসব অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। তবুও মানুষের কাছে তার মানবিক চিত্রই সবচেয়ে শক্তিশালী।

২০২১ সালের ১৫ জানুয়ারির নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। সেই সময়ে সংঘটিত হামলায় তিনি আহত হন, এবং তার বৈধ অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। হারাতে হয় দলীয় পদ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই অধ্যায় তার জীবনের কঠিন চ্যালেঞ্জ হলেও মানুষের পাশে থাকার নৈতিক মানসিকতা আরও দৃঢ় হয়েছে।

করোনাকালে তার মানবিক কর্মকাণ্ড বিশেষভাবে নজর কাড়ে। অসহায়দের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য, ঔষধ ও অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, মানুষকে সচেতন করার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে লাঠি হাতে মাস্ক বিতরণ—এই দৃশ্যগুলো আজও মানুষের মনে জীবন্ত। তার লাঠি ছিল শাসনের প্রতীক নয়, সতর্কতার বার্তা, আগে জীবন, তারপর কাজ।

বর্তমানে পৌর নির্বাচনকে ঘিরে চায়ের দোকান, পাড়া-মহল্লা, বাজার-প্রায় সব জায়গাতেই তার নাম আলোচিত। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, ক্লিন ইমেজ, মানবিক ও কর্মঠ প্রার্থী হিসেবে তিনি পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিলে পৌর রাজনীতির পরিবেশ বদলে যেতে পারে।

দীর্ঘদিনের পৌরবাসীর অভিজ্ঞতাও এ প্রত্যাশাকে শক্তিশালী করছে। কেউ বলেন, পৌরসেবা নিতে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। কেউ বলেন, দুর্নীতিমুক্ত পৌরসভা একেবারে প্রয়োজন। এ প্রত্যাশার সঙ্গে আশরাফুল ইসলামের মানবিক ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি মিলিত হয়ে আশা ও বিশ্বাসের এক আলো দেয়।

চায়ের দোকান থেকে পাড়া-মহল্লা-সকলের মুখে উঠে আসে একই বার্তা, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত পৌরসভা করতে একমাত্র আশরাফুল ইসলামই যথেষ্ট। অভিজ্ঞতা, সততা, মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক,এই তিনের মেলবন্ধন তাকে ভোটারের চোখে অন্যদের থেকে আলাদা করে।

পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলাম বলেন, গাংনী পৌরবাসীর ভালোবাসা ও আস্থাই আমার রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি সবসময় চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে থাকতে-সুখে-দুঃখে, দুর্যোগে কিংবা সংকটে। ভবিষ্যতেও যদি পৌরবাসী আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার মতো মনে করেন, তাহলে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই। একটি দুর্নীতিমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক গাংনী পৌরসভা গড়ে তোলাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।

যদিও আনুষ্ঠানিক প্রার্থী হওয়া এখনো নিশ্চিত নয়, তবুও তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে আলোচনা ইতিমধ্যেই নির্বাচনী অঙ্গনকে সরব করে তুলেছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, যদি তিনি অংশ নেন, নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাস্তবায়িত হবে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড।

মেহেরপুর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোঃ রেজওয়ানুল হক ইমনের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা।
19/03/2026

মেহেরপুর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোঃ রেজওয়ানুল হক ইমনের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা।

Address

Gangni
7110

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gangni Today posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share