Safiul Azam

Safiul Azam আমি সর্বপ্রথম নিজেকে চিনতে চাই

16/05/2025
মাঝে মাঝে ভীষণ মানিয়ে নেয়া মানুষটারও কষ্ট হয়😥😥
16/05/2025

মাঝে মাঝে ভীষণ মানিয়ে নেয়া মানুষটারও কষ্ট হয়😥😥

হাটছি জাহান্নামের পথে আর ভাবছি....Safiul Azam
15/05/2025

হাটছি জাহান্নামের পথে আর ভাবছি....

Safiul Azam

আল্লাহ যদি ক্ষমা না করতেন.....
14/05/2025

আল্লাহ যদি ক্ষমা না করতেন.....

ইলমে দ্বীন শিক্ষা করা সকলের জন্য ফরজ
14/05/2025

ইলমে দ্বীন শিক্ষা করা সকলের জন্য ফরজ

ইনকামে বরকত পাচ্ছিনা এই অভিযোগ নিয়ে একদিন আমার এক প্রিয় উস্তাযের (মেন্টর) কাছে গেলাম। কোনো কিছু নিয়ে দ্বিধান্বিত-কনফিউজড...
12/05/2025

ইনকামে বরকত পাচ্ছিনা এই অভিযোগ নিয়ে একদিন আমার এক প্রিয় উস্তাযের (মেন্টর) কাছে গেলাম। কোনো কিছু নিয়ে দ্বিধান্বিত-কনফিউজড কিংবা অশান্তিতে থাকলে তার সাথে কথা বললে এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি আমি পাই।

তো একবার এইরকম একটা ডাউট নিয়ে আমি মেন্টরের সাথে দেখা করলাম।

আমাকে দুধ এবং চিনি ছাড়া স্রেফ গরম পানিতে ডুবানো একটা টি প্যাক এগিয়ে দিয়ে বললেন-তানভীর, আছো কেমন?

আমি কিছুটা আড়ষ্টতা নিয়ে তাকে বললাম, কনফিউজড উস্তায!

তিনি আমার চেহারার দিকে গভীর ভাবে তাকালেন, মিনিট খানেক। তারপর চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন-কি নিয়া পেরেশানিতে আছো?

আমি তার আরো একটু সামনে এসে নিচু কন্ঠে বললাম-উস্তায, আমার ইনকাম নিয়া আমি দ্বিধায় আছি। আমি সৎ পথে উপার্জন করি। পেশাগত কাজে পারলে ২০০ ভাগ নিবেদন দিয়ে কাজ করি। তারপরও কেন জানি এতো বছর কাজ করার পরও আমার মনে হয়ে যে আমার উপার্জনে কোনো বরকত পাচ্ছিনা।

উস্তায মন দিয়ে আমার কথা শুনলেন, তারপর জিজ্ঞেস করলেন

-কেন তোমার এমন মনে হচ্ছে?

আমি এবার বললাম, যে আমার সেভিংস হচ্ছেনা। প্রতিবছর যেমন আয় বাড়ছে, তেমনি খরচও বাড়ছে।

উস্তায আবার কী মনে করে যেন আমার ডান হাতটা তার হাতে নিলেন। তারপর আবার গভীর ভাবে আমার কপাল আর চোখের দিকে তাকালেন। প্রশ্ন করলেন

-কিসের খরচ বাড়ছে তোমার?

-এই যেমন বাচ্চাদের এডুকেশন-ওদের স্কুলের বেতন, ওদের টিচারদের বেতন, কিছু অস্বচ্ছল আত্মীয় স্বজনদের খরচ।
-কোন স্কুলে পড়ে তোমার বাচ্চারা?

-আমি স্কুলের নাম বললাম।

-তানভীর, তুমি কি মনে করো, শুধু ব্যাংকে জমা বাড়া মানেই আয়ের বরকত?

আমি আমতা আমতা করি।

-এই যে তুমি সেরা একটা স্কুলে তোমার বাচ্চাদের পড়াতে পারছ, এটা কি বরকত নয়? কয়জন বাবা-মা এরকম ভালো স্কুলে তার বাচ্চাদের পড়াতে পারছে?

হ্যাঁ, তা তো ঠিক। আমি মাথা নাড়ি।

-তোমার বাচ্চারা কেমন? ওরা কি উচ্ছৃংখল? তোমাদের কথা বার্তা শোনেনা?

-না, না উস্তায। খুব শান্ত-শিষ্ট বাচ্চা ওরা।

-এটা কি বরকত নয়, তানভীর?

-জি, অবশ্যই।

-বিগত ৫/৭ বছরে তোমার পরিবারে কেউ বড় রকম অসুস্থ হইছে? বা তুমি নিজে?

-না উস্তায, আল্লাহর রহমতে কেউ ওরকম সিরিয়াস অসুস্থ হয়নাই। আমার স্ত্রী অসুস্থ হয়েছিল, আল্লাহর রহমতে দ্রুত

সুস্থ হয়ে গেছে।

-হাসপাতালে ভর্তি করাতে হইছিল?

-না উস্তায, আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়েছে।

-এই যে তোমরা সুস্থ আছো, এটা কি বরকত না, তানভীর? আমার মাথায় হাত রেখে জিজ্ঞেস করেন তিনি।

-জি অবশ্যই।

-তানভীর, তোমার স্ত্রী কেমন মানুষ? সে কি তোমার সাথে সদাচারণ করে? তোমার খেয়াল রাখে? সে কী উন্নত চরিত্রের নয়?

-না না, উস্তায। সে অসাধারণ উন্নত চরিত্রের মানুষ। সে শুধু আমাকেই নয়। আমার সন্তাদের, আমার বাবার, আত্মীয় স্বজনেরও যত্ন নেয।

-আর কী বরকত চাও, তুমি? পরিবারে শান্তির চেয়ে বড় বরকত কী হতে পারে?

-জি উস্তায, আমি আসলে এভাবে গভীরে গিয়া চিন্তা
-তোমার বাবা-মা আছেন?

-মা নেই, বাবা আছেন?

-বাবা কি তোমার সাথে থাকেন, নাকি আলাদা থাকেন?

-আমার সাথে থাকেন, উস্তায। আমার সাথে।

-তোমার বাবা তোমার সাথে থাকেন, এ যুগে বাবা-মা সাথে থাকা, কত বড় বরকত তানভীর, তুমি টের পাওনা?

-টের পাই উস্তায। টেরপাই। আব্বা সাথে আছেন, এইটা অনেক বড় বারাকা, উস্তায।

তিনি আর কথা বাড়ান না। আমাকে বুকে জড়াই ধরেন। মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। তারপর বলেন, জীবনে টাকা পয়সা-ধনসম্পদ বৃদ্ধিই শুধু বরকত না। জীবনে তুমি সুস্থ আছো, তোমার একটা সুন্দর পরিবার আছে, তুমি তাদের এবং তারা তোমার দেখভাল করতে পারছে-এটাও বরকত। জীবনে তুমি সঠিক জ্ঞানের আলো পাচ্ছ-এটাও বরকত। আত্নীয় স্বজনের খবর নিতে পারছ-এটাও বরকত। প্রতিদিন বাবার চেহারা দেখতে পাচ্ছ-এটাও বরকত।

-তুমি টাকা পয়সা ব্যাংকে জমাইয়া কী এরচেয়ে বেশি বরকত পাবে, তানভীর?

-উস্তায, আপনি ঠিক বলছেন।

তিনি আমাকে নিচ তলা পর্যন্ত এগিয়ে দেন। আমি তার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বের হয়ে পড়ি। গাড়ি সার্ট দিয়ে আমি প্যানারমিক সানরুফটা খুলে দিই। তারপর গভীর কৃতজ্ঞতায় আকাশের দিকে তাকাই। সেদিন ছিল জোৎস্না। রুপালী আলোয় ভেসে যাচ্ছে আকাশ। সানরুফের খোলা ছাদ দিয়ে আমি দুইহাত উপরে তুলে দাঁড়িয়ে যাই। তারপর দুচোখ বন্ধ করি। আমি অনুভব করি, পৃথিবীর সব বরকত জড়িয়ে আছে আমায়!

যাদেরকে মানুষ ভাবতানা তারাই আজ সম্মুখ সমরে
11/05/2025

যাদেরকে মানুষ ভাবতানা তারাই আজ সম্মুখ সমরে

"بنيان مرصوص"(বানিয়ান মারসুস) শব্দগুচ্ছটি মূলত আরবি ভাষার যার অর্থ “সুদৃঢ়ভাবে গাঁথা প্রাচীর” বা “একটি সংহত ও দৃঢ় কাঠা...
10/05/2025

"بنيان مرصوص"
(বানিয়ান মারসুস) শব্দগুচ্ছটি মূলত আরবি ভাষার যার অর্থ “সুদৃঢ়ভাবে গাঁথা প্রাচীর” বা “একটি সংহত ও দৃঢ় কাঠামো”। এটি কুরআনের একটি পরিচিত উদ্ধৃতি:

সূরা আস-সাফ (সুরা ৬১), আয়াত ৪:
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الَّذِينَ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِهِ صَفًّا كَأَنَّهُم بُنيَانٌ مَّرْصُوصٌ

অর্থ: “নিশ্চয়ই আল্লাহ সেইসব মানুষকে ভালোবাসেন, যারা তাঁর রাহে শৃঙ্খলাবদ্ধ সারিতে যুদ্ধ করে, যেন তারা একটি সুদৃঢ় গাঁথা প্রাচীর।”

এই আয়াতটি মুসলমানদের ঐক্য, সংহতি ও শৃঙ্খলার গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

আজ ১০ মে ২০২৫, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে যে সামরিক অভিযান চালিয়েছে, তার নাম রেখেছে "অপারেশন বুনিয়ান উল মারসুস"। এটি কেবল একটি সামরিক কৌশলের নাম নয়—বরং একটি বার্তা, একটি ধর্মীয় প্রতীক, একটি ঐক্যের প্রতিচ্ছবি।

এই অপারেশনের মাধ্যমে পাকিস্তান নিজেদের অবস্থানকে কুরআনের ঐ মহান আয়াতের সাথে মিলিয়ে দেখাতে চেয়েছে—যেখানে মুসলিমদের বলা হয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রে যেন তারা হয় একটি ‘সুদৃঢ় প্রাচীরের’ মতো।

আজকের দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ধর্মীয় শব্দ ও প্রতীকের ব্যবহার কখনও কখনও কেবল ইবাদতের জায়গায় নয়, রাজনীতি ও যুদ্ধের ময়দানেও প্রভাব ফেলে।

তাওবা আল্লাহ তাআ'লার অনেক বড় একটা নেয়ামত
09/05/2025

তাওবা আল্লাহ তাআ'লার অনেক বড় একটা নেয়ামত

পাক-ভারত যু:দ্ধ নিয়ে শাইখুল ইসলাম মুফতী তাকী উসমানী হাফিযাহুল্লাহ'র আজকের পোস্টের অনুবাদ৷তিনি গত রাত এগারোটার দিকে টুইট...
09/05/2025

পাক-ভারত যু:দ্ধ নিয়ে শাইখুল ইসলাম মুফতী তাকী উসমানী হাফিযাহুল্লাহ'র আজকের পোস্টের অনুবাদ৷
তিনি গত রাত এগারোটার দিকে টুইটারে এই পোস্ট করেন,
بھارت نے رات کے اندھیرے میں پاکستان کے بےگناہ شہریوں اور مسجدوں پربزدلانہ حملہ کرکے اپنی ذلالت پوری دنیاکے سامنے کھول دی جو حضرات اس حملے میں شہید ھوے وہ ملک کے لئے جان قربان کرکے امر ھوگئے ہیں الحمدللہ پاکستان کی افواج اس گھٹیا جارحیت کے دفاع میں جوقدم اٹھائینگی پوری قوم انکے پشت پر ہیں تمام مساجد ومدارس انکی فتح ونصرت کے لئے آیت کریمہ کا ختم کرکے دعاؤں کااھتمام کریں
অর্থঃ "ভারত রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানের নিরীহ নাগরিক ও মসজিদসমূহের উপর কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে নিজের নিকৃষ্টতা পুরো বিশ্বের সামনে উন্মোচন করে দিয়েছে। যারা এই হামলায় শহীদ হয়েছেন, তারা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করে অমর হয়ে গেছেন। আলহামদুলিল্লাহ, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এই জঘন্য আগ্রাসনের প্রতিরোধে যে পদক্ষেপই গ্রহণ করবে, পুরো জাতি তাদের পাশে রয়েছে। সব মসজিদ ও মাদরাসায় তাদের বিজয় ও সহায়তার জন্য আয়াতে কারিমার খতম করে দোয়ার আয়োজন করা হোক।"

আল্লাহ তাআলা, মসজিদে হামলাকারী এই সমস্ত বেঈমানদেরকে লাঞ্ছিত করুন, আমীন৷

Address

Chandona Chowrasta
Gazipur
1702

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Safiul Azam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Safiul Azam:

Share