CNN BD News

টিএসসিতে নারী শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ‘ফিমেল জোন’: ইসলামভীতি ও প্রগতিশীলতার দোহাই দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগবিশ্ববিদ...
24/07/2026

টিএসসিতে নারী শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ‘ফিমেল জোন’: ইসলামভীতি ও প্রগতিশীলতার দোহাই দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ

বিশ্ববিদ্যালয় সিএনএন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) ক্যাফেটেরিয়ায় নারী শিক্ষার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে একটি পৃথক 'ফিমেল জোন' উদ্বোধন করা হয়েছে। মূলত পর্দা করা বা নেকাব পরিধানকারী শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি এবং সাধারণ নারী শিক্ষার্থীদের আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতেই টিএসসি ক্যাফেটেরিয়া ও ডাকসুর সমন্বয়ে এই উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়।তবে শুভ এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে আবারও মাঠে নেমেছে ধর্মবিদ্বেষী ও কথিত প্রগতিশীল ঘরানার একদল সমালোচক। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ইসলামি প্রথা বা পোশাকের প্রতি বিদ্বেষ থেকে এই সমন্বিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি, বিতর্ককে আরও উস্কে দিতে এবং একটি বিশেষ রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে এই ঘটনাকে চটকদার ও নেতিবাচকভাবে পরিবেশন করতে দেখা গেছে চিহ্নিত কিছু গণমাধ্যমকে।নারী শিক্ষার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্যই মূল লক্ষ্যডাকসুর দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, টিএসসিতে পর্দা করা নারী শিক্ষার্থীদের খাবার খাওয়া বা পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্যের প্রয়োজন থেকেই একটি ছোট আলাদা স্পেসের আবেদন ছিল। সেই সুবিধার্থে কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই মাত্র একটি নির্দিষ্ট টেবিল নিয়ে ‘ফিমেল জোন’ করা হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বরাবরের মতো উন্মুক্ত স্থানেই বসতে পারবেন, শুধু যাঁদের বিশেষ ব্যক্তিগত বা প্র্যাকটিক্যাল সুবিধার প্রয়োজন, তারা এই জোনটি ব্যবহার করবেন।প্রগতিশীলতার নামে ধর্মবিদ্বেষ ও অযৌক্তিক রাজনীতিউদ্যোগটি সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক এবং নারীদের সহায়তার জন্য হলেও, কিছু সমালোচক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এর সাথে ধর্ম ও রাজনীতিকে টেনে এনে বিতর্ক তৈরির চেষ্টা করছেন। সাধারণ অবকাঠামোগত সমস্যার দোহাই দিয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি এই সংবেদনশীল উদ্যোগটিকে খাটো করার চেষ্টা চলছে।ডাকসু প্রতিনিধিরা এ ধরনের সমালোচনাকে হীনম্মন্যতা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুল ধারণা বলে অভিহিত করেছেন। তাঁদের মতে, কম্বাইন্ড বসার জায়গা দখল না করে কিংবা কাউকে জোর না করে নারী শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে নেওয়া এই ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়ে জলঘোলা করা কেবলি বিশেষ দর্শনের প্রতি অন্ধ আনুগত্য ও ধর্মীয় চর্চার ওপর অহেতুক আঘাতের চেষ্টা।

বিশ্ববিদ্যালয় সিএনএন ডেস্ক:

গাজীপুরে সাংবাদিক জামাল আহমেদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা: তীব্র নিন্দা ও আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিগাজীপুর প্রতিনিধি...
23/07/2026

গাজীপুরে সাংবাদিক জামাল আহমেদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা: তীব্র নিন্দা ও আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন জিরানী পলাশ হাউজিং এলাকায় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এস ও দৈনিক জনবাণী পত্রিকার প্রতিনিধি সাংবাদিক জামাল আহমেদের ওপর এক বর্বর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে বা ব্যক্তিগত কাজের সূত্রে জিরানী পলাশ হাউজিং এলাকায় অবস্থানকালে ওত পেতে থাকা একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী হঠাৎ সাংবাদিক জামাল আহমেদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।একজন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর এমন প্রকাশ্যে হামলার ঘটনায় গাজীপুরের সাংবাদিক সমাজ, মানবাধিকারকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। সাংবাদিক সমাজ ও স্থানীয় সুশীল সমাজ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ও স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এমন হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও বাকস্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।এ বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জড়িত চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

গাজীপুর প্রতিনিধি:

কালিয়াকৈরে স্বামীর সামনে স্ত্রীর বিষপান, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তির পর স্বামী উধাওজুলফিকার আলী জুয়েল, কালিয়াকৈ...
23/07/2026

কালিয়াকৈরে স্বামীর সামনে স্ত্রীর বিষপান, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তির পর স্বামী উধাও

জুলফিকার আলী জুয়েল, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালিয়াকৈরে স্বামীর মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তাঁর সামনেই বিষপান করেছেন মোসাঃ সিমা আক্তার (৩৮) নামে এক নারী। বিষপানের পর মুমূর্ষু অবস্থায় স্ত্রীকে ফেলে রেখেই ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন অভিযুক্ত স্বামী। বর্তমানে তিনি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ভুক্তভোগী সিমা আক্তার কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক (কৌচাকুড়ি) এলাকার আবুল কালাম আজাদের মেয়ে।পরিবার ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে সৌদি আরবে অবস্থানকালে গাজীপুর সদরের ভাওয়াল (সূর্য নারায়ণপুর) এলাকার বাসিন্দা কবিরের (৪৮) সঙ্গে পারিবারিকভাবে সিমা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের বছরখানেক পর থেকেই টাকার দাবিতে সিমার ওপর শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। একপর্যায়ে তিন বছর আগে তাকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেন কবির। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী সিমা আক্তারের কোনো খোঁজখবর ও ভরণপোষণ দিতেন না।অভিযোগে আরও বলা হয়, কবির প্রায় দুই বছর আগে গোপনে দেশে ফিরলেও স্ত্রীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি। সিমা দেখা করতে গেলে সংসার না করার কথা বলে হুমকি দেন এবং আবারও বিদেশে পাড়ি জমান। সম্প্রতি গত ১০ জুলাই তিনি পুনরায় সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন। গত ১৮ জুলাই স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হুমকির অভিযোগ এনে কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন ভুক্তভোগী নারী।এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুলাই দুপুরে কালিয়াকৈরে স্বামীর সামনে বিষপানের সিদ্ধান্ত নেন সিমা আক্তার এবং একপর্যায়ে বিষপান করে ফেলেন। কিন্তু স্ত্রীকে বাঁচানোর চেষ্টা না করে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান স্বামী কবির। পরে সিমার বোন তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করেন।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

জুলফিকার আলী জুয়েল, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

জালিয়াতির বলি ৭৫ বছরের বৃদ্ধ সদর আলী: ১৩ বছর ধরে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরে আজ মুমূর্ষুমো: মহিউদ্দিন, নেত্রকোনা প্রতিনিধ...
23/07/2026

জালিয়াতির বলি ৭৫ বছরের বৃদ্ধ সদর আলী: ১৩ বছর ধরে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরে আজ মুমূর্ষু

মো: মহিউদ্দিন, নেত্রকোনা প্রতিনিধি: চোখে ঝাপসা দৃষ্টি, শরীরে মৃত্যুর শীতল ছোঁয়া, আর বুকের ভেতর দাউদাউ করে জ্বলা একবুক আক্ষেপ—এই নিয়েই জীবনের শেষ প্রান্তে এসে শয্যাশায়ী ৭৫ বছরের বৃদ্ধ সদর আলী ফকির। নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রঘুনাথপুর মৌজার পৈতৃক ভিটেমাটি জালিয়াতিচক্রের কবল থেকে উদ্ধার করতে গিয়ে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরে আজ তিনি সর্বস্বান্ত। দীর্ঘ ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই আইনি লড়াই এখন এক মর্মান্তিক মানবিক ট্র্যাজেডিতে রূপ নিয়েছে।আদালত ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, রঘুনাথপুর মৌজার মূল মালিক মাযহোম ফকির ১৯৫৭ সালের ২৭ নভেম্বর রেজিস্ট্রিকৃত দলিলমূলে জমি ক্রয় করে ভোগদখল শুরু করেন। তাঁর মৃত্যুর পর দুই ছেলে সদর আলী ফকির ও মনফর ফকির আইনগত ওয়ারিশ হন। কিন্তু বি.আর.এস জরিপকালে মৃত আবুল হোসেন ফকির গং অসৎ উদ্দেশ্যে মাযহোম ফকিরের কোনো পুত্র সন্তান নেই মর্মে মিথ্যা তথ্য দিয়ে 'সাজিয়া' নামক এক ভুয়া পুত্র খাড়া করে। এর মাধ্যমে বি.আর.এস খতিয়ান নং-৫৯ প্রস্তুত করিয়ে এস.এ খতিয়ান নং-৩৪-এর মোট ১.৮৭ একর পৈতৃক সম্পত্তি বিবাদীদের নামে কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে নেত্রকোনার বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত ও ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে ২০১৩ সালের ১৪ আগস্ট ল্যান্ড সার্ভে মোকদ্দমা নং-১৫৫৫/২০১৪ দায়ের করা হয়। বর্তমানে মিলন মিয়া, কাঞ্চন মিয়া, হারুন মিয়া ও কাজল মিয়াসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে এই আইনি লড়াই চলছে।একসময়ে ভাঙারি কুড়িয়ে ও লোহালক্করের কাজ করে কোনোমতে সংসার চালানো সদর আলী এখন পুরোপুরি শয্যাশায়ী ও মুমূর্ষু। জীবনের অন্তিম ক্ষণে এসেও তাঁর একটাই আকুতি—মৃত্যুর আগে যেন পৈতৃক জমিটুকু ফিরে পান এবং নিজের ভিটায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারেন।এদিকে দীর্ঘ ১৩ বছরেও মামলার কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, একটি প্রভাবশালী মহল দীর্ঘদিন ধরে জমি জালিয়াতি করে নিরীহ মানুষকে নিঃস্ব করছে। ত্বরান্বিত বিচারের মাধ্যমে মুমূর্ষু সদর আলী ফকিরকে তাঁর ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মো: মহিউদ্দিন, নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

23/07/2026

যেকোনো মুহূর্তে পদত্যাগ করতে পারেন পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের রাষ্ট্রপতি চুপ্পু

সরকারি বরাদ্দ বাঁচিয়ে উদাহরণ সৃষ্টি: কচুয়ায় খাল পুনঃখনন শেষে ৩৪ লক্ষ টাকা কোষাাগারে ফেরত।নিজস্ব সংবাদদাতা কচুয়া ( বাগের...
22/07/2026

সরকারি বরাদ্দ বাঁচিয়ে উদাহরণ সৃষ্টি: কচুয়ায় খাল পুনঃখনন শেষে ৩৪ লক্ষ টাকা কোষাাগারে ফেরত।

নিজস্ব সংবাদদাতা কচুয়া ( বাগেরহাট:) সরকারি যেকোনো প্রকল্পের বরাদ্দ মানেই বাজেটের অতিরিক্ত খরচের অজুহাত কিংবা অনিয়মের অভিযোগ—এমন একটি প্রচলিত ধারণার বিপরীতে গিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা প্রশাসন। দুটি খালের পুনঃখাল খনন ও সংস্কারকাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে প্রকল্পের বরাদ্দকৃত বিপুল অঙ্কের অব্যয়িত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আলী হাসান ।উপজেলা প্রকল্প দপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোপালপুর ও মঘিয়া ইউনিয়নে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচসুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুটি খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্প দুটিতে মোট বরাদ্দ ছিল ৭৭ লাখ ৩৩ হাজার ১৪২ টাকা। তবে স্বচ্ছতা ও সঠিক তদারকির মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করায় এতে প্রকৃত ব্যয় হয় ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৮৪৩ টাকা। ফলে প্রকল্পের অব্যয়িত ৩৪ লাখ ৩৮ হাজার ২৯৯ টাকা কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো....

নিজস্ব সংবাদদাতা কচুয়া ( বাগেরহাট:)

রামপালে যুবতীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণেহারুন শেখ, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি বাগ...
22/07/2026

রামপালে যুবতীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণে

হারুন শেখ, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাটের রামপালে এক যুবতীকে (৩৫) ঘরের ভেতর জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে শফিকুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে রামপাল থানা পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার বর্ণি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত শফিকুল ইসলাম রামপাল উপজেলার বর্ণি গ্রামের মো. আ. আজিজ শেখের ছেলে।পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শফিকুল ইসলাম তাঁর পার্শ্ববর্তী ছায়রাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ওই যুবতীর ঘরে ঢুকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনাটি প্রকাশ করলে যুবতীকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। পরবর্তীতে কোনো উপায় না দেখে ভুক্তভোগী যুবতী মঙ্গলবার দুপুরে রামপাল থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত শফিকুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।মামলা দায়েরের পর পরই রামপাল থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। বুধবার সন্ধ্যায় পুলিশ বর্ণি গ্রাম এলাকা থেকে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রাজিব আল রশিদ জানান, "ভুক্তভোগী যুবতী থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করার পরপরই আমরা অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছি। ভিকটিমের প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।"তিনি আরও জানান, বুধবার বেলা ১১টায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

হারুন শেখ, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান: ২০৪০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক কারবারি গ্রেপ্তারমকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জে...
22/07/2026

ময়মনসিংহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান: ২০৪০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ময়মনসিংহে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক সফল অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) কোতোয়ালি মডেল থানাধীন চুরখাই এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে ২,০৪০ পিস ইয়াবাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।ডিএনসি সূত্র জানায়, বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ কাওসারুল হাসান রনির নেতৃত্বে একটি বিশেষ চৌকস দল চুরখাই এলাকায় মহাসড়কের ওপর তল্লাশি চৌকি বসিয়ে এই মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ আশিক সারোয়ার (৪০)। সে নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা থানার গোহালাকান্দা এলাকার মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে। গ্রেপ্তারের সময় তার হেফাজত থেকে মোট ২,০৪০ (দুই হাজার চল্লিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আশিক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা এনে ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল ও আশেপাশের এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করেছে।এ বিষয়ে ডিএনসি’র উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজগর আলী বাদী হয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের জিরো টলারেন্স অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি

নগর বাঁচাতে ধ্বংসের মুখে বন: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের বুকে বর্জ্য ট্রান্সফার স্টেশনসিএনএন ডেস্ক | অনুসন্ধানী রিপোর্ট ঢাকা...
22/07/2026

নগর বাঁচাতে ধ্বংসের মুখে বন: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের বুকে বর্জ্য ট্রান্সফার স্টেশন

সিএনএন ডেস্ক | অনুসন্ধানী রিপোর্ট ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঠিক পাশেই দাঁড়িয়ে আছে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান। রাজধানী ঢাকার 'ফুসফুস' হিসেবে পরিচিত এই সংরক্ষিত শালবনটি দেশের অন্যতম অন্যতম শেষ শালবন অবশিষ্টাংশ।বহু বছর ধরেই মহাসড়কের পাশে বনের সীমানা ঘেঁষে জমে রয়েছে বাসাবাড়ির বর্জ্য। একদিকে বিষাক্ত ময়লার স্তূপ, অন্যদিকে ভাওয়াল বনের সবুজ—দুইয়ের মেলবন্ধনে সেখানে এক অস্বস্তিকর বৈপরীত্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক দৃশ্য অপেক্ষা করছে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের সীমানার ভেতরের অংশে।সেখানে বনের সীমানা প্রাচীরের একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সেই ভাঙা অংশ দিয়ে ভেতরের দিকে চলে গেছে একটি পথ, যা গিয়ে ঠেকেছে একটি অর্ধনির্মিত অবকাঠামোতে। সংরক্ষিত বনের ঠিক মাঝখানে গড়ে তোলা হচ্ছে এক বর্জ্য ট্রান্সফার স্টেশন। অথচ তার ঠিক পাশেই এখনও ঝুলছে সরকারের "৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি"র একটি প্রচারমূলক সাইনবোর্ড!গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এই বর্জ্য ট্রান্সফার স্টেশনটি নির্মাণ করছে। সিটি কর্পোরেশনের দাবি, এটি তাদের শহরের দীর্ঘদিনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সমস্যার সমাধান করবে।গাজীপুরে প্রায় ৫,০২২ হেক্টর এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানটি রাজধানীর এত কাছে অবশিষ্ট থাকা শেষ শালবনগুলোর একটি। হরিণ, বুনো শুয়োর, বেজি সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও সরীসৃপের আশ্রয়স্থল এই বন। আশপাশের শহরাঞ্চলের প্রসারের কারণে এসব প্রাণীর জন্য নিরাপদ আবাসের জায়গা দিন দিন ছোট হয়ে আসছে। কেবল বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলই নয়, দ্রুত নগরায়িত গাজীপুর-ঢাকা করিডোরের জন্য এই বন ভূগর্ভস্থ পানি পুনর্ভরণ (Groundwater Recharge) এবং পরিবেশের কার্বন শোষণে (Carbon Sink) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।পরিবেশবিদরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, দেশের অন্যতম প্রধান এই সংরক্ষিত শালবনের ভেতরে এ ধরনের বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হলে তা পুরো বাস্তুতন্ত্রকে বিষাক্ত করে তুলবে। এতে বন্যপ্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে এবং পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।বন বিভাগের নথিপত্রে যে চিত্রআদালতের হস্তক্ষেপের বহু আগেই ভাওয়ালের বন কর্মকর্তা এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন প্রশাসনের মধ্যে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্র পর্যালোচনা করে এক উদ্বেগজনক চিত্র সামনে এসেছে।নথি অনুযায়ী, গত বছরের মার্চ মাসে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের একটি ডাম্প ট্রাককে বনের ভেতরে বর্জ্য ফেলার সময় হাতেনাতে আটক করা হয়। সে সময় সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিখিত মুচলেকা দিয়ে জানান যে, এমন ঘটনা আর ঘটবে না। তবে বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতির কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি।চলতি বছরের ১১ এপ্রিল বিকেলে 'বিশ্বজিৎ এন্টারপ্রাইজ' নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে একদল শ্রমিক বনের সীমানা প্রাচীরের পাশে কাজ শুরু করে। বন বিভাগের চিঠি থেকে জানা যায়, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকেই তাদের সেখানে পাঠানো হয়েছিল। রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজের অনুমতিপত্র দেখতে চাইলে শ্রমিকরা কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি; তা সত্ত্বেও তারা কাজ চালিয়ে যায়।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পরদিন রাতে শ্রমিকরা একটি এক্সেভেটর (মাটি কাটার যন্ত্র) ব্যবহার করে জাতীয় উদ্যানের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলে এবং সেই ফাঁকা স্থান মাটি দিয়ে ভরাট করে ভেতরের দিকে রাস্তা তৈরি করে। এর পরের দিন বন বিভাগের কর্মকর্তারা নির্মাণকাজ বন্ধ করতে গেলে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন শ্রমিক ও রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি সেখানে জড়ো হন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন বিভাগের পক্ষে কাজ বন্ধ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে যৌথ পরিদর্শনে দেখা যায়, সংরক্ষিত বনের একটি অংশে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

সিএনএন ডেস্ক | অনুসন্ধানী রিপোর্ট

ভাইরাল ভিডিও: ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি সাবেক এমপি নজরুলের, আইনি হুমকির মুখে অপপ্রচারকারীরাসোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিতর্কি...
22/07/2026

ভাইরাল ভিডিও: ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি সাবেক এমপি নজরুলের, আইনি হুমকির মুখে অপপ্রচারকারীরা

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিতর্কিত ভিডিওর বিষয়ে অবশেষে নীরবতা ভেঙেছেন সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পরিবার। প্রচারিত ভিডিওটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত এবং ভিডিওর তরুণী তাঁর আইনসংগত দ্বিতীয় স্ত্রী বলে এক লিখিত বিবৃতিতে দাবি করেছেন এ জামায়াত নেতা। অন্যদিকে, এ ঘটনা নিয়ে অপপ্রচার চালালে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁর প্রথম স্ত্রী।সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামের একটি 'অন্তরঙ্গ ভিডিও' সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে নজরুল ইসলাম জানান, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি রাজধানীর মগবাজারের একটি অফিসের। ভিডিওতে দৃশ্যমান তরুণী—মরিয়ম বেগম (১৮)—তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তাঁদের বিয়ে আইন ও শরিয়ত সম্মতভাবেই সম্পন্ন হয়েছে।এদিকে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক ভিডিওবার্তায় জামায়াত নেতার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগমও স্বামীর অবস্থানের সমর্থনে এগিয়ে আসেন। স্বামীর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন:"আমি মাকছুদা ইসলাম। আমার স্বামী গাজী নজরুল ইসলামের সাথে মরিয়ম বেগমের বিয়ে হয়েছে। এটা নিয়ে যারা নানা রকম কুৎসা রটাচ্ছেন, আমি তাঁর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ধরনের অপপ্রচার থেকে সবাই বিরত না থাকলে আমি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।"উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরে জামায়াতে ইসলামীর এই নেতার এক তরুণীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর থেকে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সব মহলজুড়ে চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তবে এমপি ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সরাসরি বিয়ের বিষয় নিশ্চিত করায় এবং আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেওয়ায় এ সংক্রান্ত বিতর্কে নতুন মোড় নিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিতর্কিত ভিডিওর বিষয়ে অবশেষে নীরবতা ভেঙেছেন সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসন....

Address

Kasimpur
Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CNN BD News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share