The natural beauty

The natural beauty Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The natural beauty, Digital creator, Gazipur.

আমাদের দেশকে আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষিকে আরো একধাপ এগিয়ে নিব। কৃষি সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো।

"গাছ লাগাবো পরিবেশ বাঁচাবো" সৃষ্টিকর্তার উপহার দেওয়া প্রতিটি গাছ কোন না কোন কাজের জন্য উপকারী।

🐄 সকল বয়সী গরুর দানাদার খাবার তৈরি পদ্ধতি 🪵গরুর দানাদার খাবার (Compound Feed / Pellet Feed) এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে এতে...
30/10/2025

🐄 সকল বয়সী গরুর দানাদার খাবার তৈরি পদ্ধতি 🪵

গরুর দানাদার খাবার (Compound Feed / Pellet Feed) এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে এতে শক্তি, প্রোটিন, খনিজ ও ভিটামিন সুষমভাবে থাকে। নিচে সহজ ও কার্যকর স্থানীয় উপাদানে তৈরি দানাদার খাবারের রেসিপি ও পদ্ধতি দেওয়া হলো👇

🧾 ১️⃣ দানাদার খাবারের মূল উপাদান (১০০ কেজি খাবারের ভিত্তিতে)

উপাদানের নাম পরিমাণ (কেজি) ভূমিকা

ভুসি (গম/ধানের) ৩০ কেজি শক্তি ও আঁশ
ভুট্টা গুঁড়া ২৫ কেজি শক্তি সরবরাহ
খৈল (সরিষা, তিল, সয়াবিন বা নারিকেল) ২০ কেজি প্রোটিন উৎস
চালের কুড়া ১০ কেজি শক্তি
গমের ভূষি ১০ কেজি আঁশ
ডিক্যালসিয়াম ফসফেট (DCP) ১ কেজি হাড় ও দাঁতের গঠন
লবণ (খাবার লবণ) ১ কেজি খনিজ ভারসাম্য
খনিজ মিশ্রণ (Mineral mix) ০.৫ কেজি খনিজ ও ভিটামিন
চিটাগুড় (মোলাসেস) ২.৫ কেজি স্বাদ ও শক্তি

👉 সব উপাদান ভালোভাবে শুকিয়ে ও গুঁড়ো করে মিশিয়ে দানাদার (pellet) বা শুকনো আকারে সংরক্ষণ করুন।

🧂 ২️⃣ বিভিন্ন বয়সী গরুর জন্য খাবারের অনুপাত

গরুর বয়স/অবস্থা দানাদার খাবারের পরিমাণ (দৈনিক) মন্তব্য

৬ মাস বয়সী বাছুর ৫০০ গ্রাম – ১ কেজি সামান্য খড় বা ঘাসসহ
১–২ বছর বয়সী গরু ১.৫ – ২ কেজি প্রোটিন বেশি দরকার
দুধ দানকারী গাভী ৩ – ৫ কেজি প্রতি লিটার দুধে ৪০০–৫০০ গ্রাম বাড়তি দিন
গরু মোটাতাজা করার সময় ৫ – ৬ কেজি সবুজ ঘাসের সাথে দিন
গর্ভবতী গাভী (শেষ ৩ মাস) ৩ – ৪ কেজি ক্যালসিয়াম ও মিনারেল মিক্স বাড়ান

🧺 ৩️⃣ খাবার তৈরির পদ্ধতি

1. সব উপাদান আলাদা আলাদা শুকিয়ে নিন (আর্দ্রতা ১২% এর নিচে রাখতে হবে)।

2. সব উপকরণ নির্ধারিত অনুপাতে মিশিয়ে নিন।

3. প্রয়োজনে চিটাগুড় সামান্য গরম পানিতে গুলে মিশিয়ে দিন (এতে দানাদার আকারে বাঁধবে)।

4. মিশ্রণটি পেলেট মেশিনে চালিয়ে দানা বানিয়ে ছায়ায় শুকিয়ে নিন।

5. সম্পূর্ণ শুকিয়ে বায়ুরোধী পলিব্যাগ বা ড্রামে সংরক্ষণ করুন।

🌿 ৪️⃣ খাবার ব্যবহারের নিয়ম

প্রতিবার নতুন খাবারে গরুকে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত করুন (৩–৫ দিনে)।

দানাদার খাবার সবসময় ঘাস বা খড়ের সাথে দিন, একা নয়।

গরু যেন দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করতে পারে (৫০–৭০ লিটার পর্যন্ত)।

খাবারের সাথে লবণ ও মিনারেল লিক পাথর রাখুন।

🧪 ৫️⃣ বিশেষ পরামর্শ

দুধ গাভীর জন্য প্রোটিন ১৬–১৮% রাখুন।

মোটাতাজা করার সময় শক্তি উপাদান (ভুট্টা, ভুসি) বাড়ান।

বাছুরের জন্য ভালো মানের খৈল ও ডিক্যালসিয়াম ফসফেট দিন যাতে হাড় মজবুত হয়।

২–৩ মাস পরপর খাবারের উপাদান কিছুটা পরিবর্তন করুন (খৈল বা ভুসি)।

🧉 ঘরোয়া বিকল্প জৈব দানাদার খাবার (কম খরচে)

ভুট্টা গুঁড়া – ৪০%

ধানের কুড়া – ২৫%

সরিষা খৈল – ২০%

গমের ভুসি – ১০%

লবণ + ছাই + ডিমের খোসা গুড়া – ৫%
👉 গরু এটি খুব পছন্দ করে এবং দ্রুত ওজন বাড়ে।

Enjoy the Entertainment The natural beauty

🌸অফুরন্ত লেবু গাছে ফুল ও ফল আনতে করণীয় অফুরন্ত লেবু গাছে নিয়মিত ফুল ও ফল আনানোর জন্য সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত যত্ন জরুরি...
30/10/2025

🌸অফুরন্ত লেবু গাছে ফুল ও ফল আনতে করণীয়

অফুরন্ত লেবু গাছে নিয়মিত ফুল ও ফল আনানোর জন্য সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত যত্ন জরুরি। ধাপে ধাপে করণীয় নিম্নরূপ:

✂️১. সঠিক প্রুনিং (ছেঁটে দেওয়া)
• গাছের বৃদ্ধির সময় অতিরিক্ত ডাল কেটে নিন যাতে আলো ও বাতাস প্রবেশ করতে পারে।
• শুকনো, রোগাক্রান্ত বা দুর্বল ডাল সরিয়ে দিন।
• প্রতিটি মৌসুমে হালকা প্রুনিং করলে গাছ শক্ত ও স্বাস্থ্যবান থাকে।

💧২. সঠিক সেচ ব্যবস্থা
• লেবু গাছকে নিয়মিত পানি দিন, বিশেষ করে ফুল ও ফল ধরার সময়।
• মাটির ধরনের উপর ভিত্তি করে পানি দিন—মাটি যদি ভারী হয়, বেশি পানি দেবেন না।
• পানির অভাব বা অতিরিক্ততা ফুল ঝরার প্রধান কারণ।

🔹৩. সার প্রয়োগ
• নাইট্রোজেন সার: নতুন পাতা ও ডাল বৃদ্ধির জন্য।
• ফসফরাস: ফুল এবং ফল ধরার জন্য।
• পটাশিয়াম: ফলের মিষ্টিতা এবং গুণমান বাড়ায়।
• জৈব সার: গোবর, কম্পোস্ট, ডিমের খোসা, কলার খোলা ব্যবহার করতে পারেন।
• প্রতি ৩–৪ মাস অন্তর সারের ব্যবহার করুন।

🌸৪. ফুল ও ফল ধরানোর উপকারী উপায়
• ফুল পোঁকার দমন: পোকামাকড় বা এফিডি নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
• পলিনেশন: প্রয়োজনে প্রাকৃতিক পোকা বা মৌমাছি ব্যবহার করুন।
• সঠিক জলবায়ু: গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া গাছকে ফুল দিতে সাহায্য করে।

🐛৫. রোগ ও পোকা দমন
• লেবু গাছে শুষ্ক পাতা, হলুদ পাতা, পোকামাকড় নিয়মিত দেখুন।
• জৈব বা রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
• বিশেষ করে: এফিডি, সিটার, স্কেল পোকা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

🌞৬. হালকা হাওয়া ও আলো
• লেবু গাছকে সরাসরি রোদ এবং হাওয়া পাওয়া যায় এমন স্থানে রাখুন।
• আলো কম হলে ফুল ও ফল ধরতে সমস্যা হয়।

💡 টিপস
• ছোট টবে লেবু থাকলে মাটির উর্বরতা বজায় রাখতে প্রতি ১–২ মাসে জৈব সার মেশান।
• ফল ধরার জন্য প্রতিটি শাখা বেশি গজানো ঠিক নয়; গাছের শক্তি ধরে রাখুন।

#চাষআবাদ #ছাদবাগান #লেবু #চাষ Enjoy the Entertainment The natural beauty

মরিচ 🌶️ আবাদে বাম্পার ফলন পেতে ১০টি পরামর্শ 🌿মরিচ চাষে ভালো ফলন পেতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলা খুব জরুরি। নিচে মরি...
30/10/2025

মরিচ 🌶️ আবাদে বাম্পার ফলন পেতে ১০টি পরামর্শ

🌿মরিচ চাষে ভালো ফলন পেতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলা খুব জরুরি। নিচে মরিচ আবাদে বাম্পার ফলনের জন্য ১০টি কার্যকর পরামর্শ দিলাম:

🌶️১. ভালো জাত নির্বাচন

বাজারে চাহিদা অনুযায়ী দেশি বা হাইব্রিড মরিচ বেছে নিন।

রোগ প্রতিরোধী ও দ্রুত ফলনদায়ক জাত নির্বাচন করুন।

উদাহরণ: Swarna, Pusa Jwala, Arka Lohit।

⬛২. জমি নির্বাচন ও প্রস্তুতি

হালকা দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটি উত্তম।

জল নিষ্কাশন ভালো হতে হবে; পানা জমে থাকলে গাছ পচে যায়।

২–৩ বার চাষ করে মাটি ঝাড়-ছেঁকানো এবং জৈব সার মিশিয়ে প্রস্তুত করুন।

🔹৩. সার প্রয়োগ

জৈব সার: ৩–৫ টন/হেক্টর

রাসায়নিক সার:

ইউরিয়া: ৫০–৬০ কেজি

টি এস পি (TSP): ৭৫–১০০ কেজি

এমওপি: ৫০–৬০ কেজি

ফসলের বৃদ্ধির সময় ২–৩ ভাগে ভাগ করে প্রয়োগ করুন।

🌱৪. বীজ বা চারা ব্যবহার

চারা তৈরি করলে দ্রুত ফলন পাওয়া যায়।

৬–৮ সপ্তাহ আগে nursery-তে চারা তৈরি করুন।

স্বাস্থ্যকর বীজ নির্বাচন করুন; ছোট বা রোগগ্রস্ত বীজ বর্জন করুন।

🌱৫. রোপণ পদ্ধতি

সারি ব্যবধান: ৪০–৫০ সেমি

গাছের ব্যবধান: ৩০–৪০ সেমি

চারা বসানোর সময় হালকা পানি দিন।

💧৬. সেচ ও পানি

নতুন লাগানো চারা প্রথম ৭–১০ দিন নিয়মিত পানি পান করুক।

ফুল আসার সময় পর্যাপ্ত পানি দিন, কিন্তু অতিরিক্ত পানি জমে থাকা যাবে না।

✂️৭. আগাছা নিয়ন্ত্রণ

রোপণের ২–৩ সপ্তাহ পর মাটি খোঁচা (weeding) করুন।

অতিরিক্ত আগাছা থাকলে গাছের বৃদ্ধি ধীর হয় ও রোগ বেশি হয়।

🐛৮. রোগ ও পোকা প্রতিরোধ

প্রধান রোগ: পাতা দাগ, ফফুনি, root rot

প্রধান পোকা: thrips, aphid, fruit borer

প্রয়োজন হলে জৈব বা কেমিকেল ফাঙ্গিসাইড/ইনসেক্টিসাইড ব্যবহার করুন।

আক্রান্ত অংশ দ্রুত কেটে ফেলে ফসল রক্ষা করুন।

❄️৯. মালচিং ও কাদা খাড়া (Hilling)

পাতা ও মাটি শুকনো রাখতে মালচিং করুন।

গাছের গোড়ায় হালকা মাটি খাড়ার মাধ্যমে ফল ও মূল সাপোর্ট দিন।

💰১০. কাটা ও বাজারজাতকরণ

✔️ফুল থেকে ফল পর্যন্ত সাধারণত ৭৫–৯০ দিন লাগে।

✔️পাকা মরিচ সরাসরি বাজারজাত করুন বা শুকিয়ে সংরক্ষণ করুন।

✔️সময়মতো কাটার মাধ্যমে নতুন ফলন আসে, তাই ফসল ঘাটতি বা ক্ষতি না হয়।

💡 সংক্ষেপে:

স্বাস্থ্যকর বীজ + ভালো চারা + সঠিক সেচ ও সার + নিয়মিত যত্ন = বাম্পার ফলন।

রোগ বা পোকা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে লস অনেক কমে।

#চাষাবাদ #মরিচ #চাষ Enjoy the Entertainment Md Biplob Hossain

🌿 ছাদ বাগানে টবে লাউ গাছে অধিক ফলন পেতে করণীয়লাউ একটি দ্রুতবর্ধনশীল ও ফলনশীল সবজি। টবে বা ছাদে লাউ চাষে সঠিক পরিচর্যা ও ...
30/10/2025

🌿 ছাদ বাগানে টবে লাউ গাছে অধিক ফলন পেতে করণীয়

লাউ একটি দ্রুতবর্ধনশীল ও ফলনশীল সবজি। টবে বা ছাদে লাউ চাষে সঠিক পরিচর্যা ও জৈব ব্যবস্থাপনা করলে সহজেই অধিক ফলন পাওয়া যায়। নিচে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেওয়া হলো 👇

১️⃣ টব ও মাটির প্রস্তুতি

টবের মাপ: লম্বা ও প্রশস্ত টব, অন্তত ৬০–৭০ লিটার।

ড্রেনেজ: টবের তলায় ছিদ্র করতে হবে যাতে পানি জমে না থাকে।

▪️মাটি:

বেলে দোআঁশ মাটি – ৫০%

ভুসি / পচা গোবর – ৩০%

কম্পোস্ট বা মাটি আর্দ্র রাখার জন্য ২০%

pH: ৬–৭ এর মধ্যে হলে ভালো ফলন।

২️⃣ চারা বা বীজ নির্বাচন ও রোপণ

বীজ বপন: ফেব্রুয়ারি–মার্চ (শীত শেষ, গ্রীষ্ম শুরু)

চারা রোপণ: ২০–২৫ দিন বয়সে টবে লাগান

দূরত্ব: গাছ থেকে গাছ ৫০–৬০ সেমি, সারি থেকে সারি ৭৫–৮০ সেমি

টবে ২–৩টি গাছ রাখলে ছাদে স্পেসের সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়

৩️⃣ সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা

মাটি সবসময় আর্দ্র রাখতে হবে, কিন্তু জলাবদ্ধতা হবে না

শুকনো দিনে প্রতিদিন হালকা পানি দিন

ফুল ধরার সময় পানি অতিরিক্ত দেবেন না, এতে ফুল ও কুঁড়ি ঝরা কম হয়

৪️⃣ সার ব্যবস্থাপনা (জৈব ও ঘরোয়া)

সার প্রকার প্রয়োগ সময় পরিমাণ / পদ্ধতি

☑️পচা গোবর / কম্পোস্ট রোপণের সময় মাটিতে মিশিয়ে ২–৩ কেজি প্রতি গাছ
☑️ইউরিয়া (N) ১৫–২০ দিন অন্তর ২০–৩০ গ্রাম গাছের গোড়ায়
☑️টিএসপি (P) রোপণের সময় মাটিতে ১৫–২০ গ্রাম
☑️এমওপি (K) রোপণের সময় ১৫–২০ গ্রাম
☑️ঘরোয়া তরল সার প্রতি ১০–১৫ দিন কলার খোসা, গুড় ও দই মিশিয়ে স্প্রে করুন

৫️⃣ ফুল ও ফল ঝরা কমানোর উপায়

পরাগায়ন: ভেঁপো বা হাত দিয়ে পরাগায়ন করলে ফুল ও কুঁড়ি ঝরা কমে

ফসলের সহায়ক: লাউ গাছের পাশে মৌরি বা চুপচাপ ফুলদানি রাখলে ভেঁপো আসে

শীতকালে: রাতে কফি কাপড় বা প্লাস্টিক দিয়ে কুঁড়ি ঢেকে রাখলে শীতের ঠান্ডা ও ফুল ঝরা রোধ হয়

৬️⃣ পোকামাকড় ও রোগ দমন

সমস্যা প্রতিকার (জৈব/ঘরোয়া)

পাতায় পোকার দাগ (জাব, থ্রিপস) নিমপাতা বাটা পানি বা ৫–৭ ফোঁটা নিমতেল প্রতি লিটার পানি স্প্রে
ফুল পঁচা অতিরিক্ত পানি এড়ানো, রোগ আক্রান্ত অংশ কেটে পুড়িয়ে ফেলা
লতাপাতা ছিদ্র বা ছত্রাক বেকিং সোডা ১ চা চামচ + ১ লিটার পানি স্প্রে

৭️⃣ ছাঁটাই ও সহায়ক ব্যবস্থা

লাউ লতা ধরে সাপোর্ট দিয়ে বেলন/জাল ব্যবহার করুন

অতিরিক্ত ডাল ও পাতার ছাঁটাই করলে আলো ও বায়ু চলাচল বেড়ে ফলন বেশি হয়

৮️⃣ ফলন ও সংগ্রহ

বীজ বপনের ৫০–৬০ দিনের মধ্যে প্রথম লাউ কেটে সংগ্রহ করুন

প্রতিদিন বা প্রতিদিনের পর পর ফসল সংগ্রহ করলে গাছ আরও ফল দেয়

টবে ২–৩টি গাছ থেকে মোট ১৫–২০টি লাউ সহজে পাওয়া যায়

✅ সংক্ষেপে করণীয়

1. বড় টব + ভালো মাটি + গোবর/কম্পোস্ট

2. সঠিক দূরত্বে চারা রোপণ

3. নিয়মিত পানি, কিন্তু জলাবদ্ধতা নেই

4. জৈব সার ও ঘরোয়া তরল সার প্রয়োগ

5. ফুল পঁচা ও পোকামাকড় রোধে ঘরোয়া স্প্রে

6. লতা ধরে সমর্থন, ছাঁটাই ও বায়ু চলাচল নিশ্চিত

7. নিয়মিত ফলন সংগ্রহ

#চাষআবাদ #ছাদবাগান Enjoy the Entertainment The natural beauty

🐐 নতুন ছাগল ক্রয়ের সম্পূর্ণ গাইডলাইনছাগল পালনের জন্য সঠিক ছাগল ক্রয় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ক্রয় করলে রোগ, কম দু...
30/10/2025

🐐 নতুন ছাগল ক্রয়ের সম্পূর্ণ গাইডলাইন

ছাগল পালনের জন্য সঠিক ছাগল ক্রয় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ক্রয় করলে রোগ, কম দুধ/মাংস উৎপাদন ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে। এখানে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেওয়া হলো 👇

১️⃣ ছাগল ক্রয়ের আগে প্রস্তুতি

বাজেট নির্ধারণ: প্রতিটি ছাগলের জন্য কত টাকা খরচ করতে পারেন তা নির্ধারণ করুন।

ছাগলের ধরন ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করুন:

দুধ উৎপাদন: দেশি বা হাইব্রিড/প্রজাতি (যেমন: Jamunapari, Beetal)

মাংস উৎপাদন: Black Bengal, Boer, Beetal

সংকর: উন্নত প্রজাতি ও দেশি সংকর

২️⃣ ছাগলের বয়স নির্বাচন

বাছুর: ১–৬ মাস বয়সের বাছুর কেনা যায়।

কৈশোর: ৬–১২ মাস বয়সের ছাগল দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

প্রাপ্তবয়স্ক: ১–২ বছর বয়সের গরু বা ছাগল মাদার ক্রয় করলে তা দুধ বা প্রজননের জন্য উপযোগী।

নোট: বাছুর কেনা হলে দুধ খাওয়ানোর সুবিধা ও খরচ বিবেচনা করুন।

৩️⃣ ছাগলের শারীরিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা

চোখ: উজ্জ্বল, পানি বা সাদা পদার্থ বের হচ্ছে না।

নাক: পরিষ্কার, শুকনো, কোনো ফোঁটা নেই।

মুখ: দাঁত ও জিহ্বা ঠিক আছে।

দাঁড়ি ও চামড়া: ক্ষত বা দাগ নেই।

লোম: ঝকঝকে, খোসা পড়া বা রাম্ভা নেই।

লম্বা, শক্ত ও সোজা পায়ের হাড়।

হাঁটা-চলা স্বাভাবিক।

দেহের তাপমাত্রা: 38–39°C (শরীর গরম লাগলে স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে)।

৪️⃣ ছাগলের লিঙ্গ নির্বাচন

উদ্দেশ্য লিঙ্গ

দুধ উৎপাদন মাদি (ছাগিনী)
প্র'জনন পুরুষ (ছাগল) + মাদি সংকর করা যায়
মাংস পুরুষ বা মাদি

---

৫️⃣ প্রজাতি নির্বাচন

দেশি বা স্থানীয় প্রজাতি: রোগপ্রতিরোধী, কম খরচে সহজে পালনযোগ্য।

হাইব্রিড বা বিদেশি প্রজাতি: বেশি দুধ বা মাংস, তবে পরিচর্যা ও খরচ বেশি।

সংকর: দেশি+বিদেশি সংকর করা হলে ফলন বেশি ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো।

৬️⃣ ছাগলের আচরণ ও মানসিক অবস্থা

স্বাভাবিক, সাবলীল আচরণ করা উচিত।

অতিরিক্ত ভয়, হামলা বা অলসতা ক্ষতিকর।

খাওয়ার সময় স্বাভাবিক খায় কিনা দেখুন।

৭️⃣ রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা

কেনার আগে প্রথমে ভেটেরিনারি পরীক্ষা করান।

ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা প্যারাসাইট (কৃমি) পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

ভ্যাকসিনেশন রেকর্ড থাকলে ভাল। (যেমন: PPR, Goat Pox, FMD)

৮️⃣ ছাগল ক্রয়ের সময় সতর্কতা

অনেক বেশি দামে না কিনুন — বাজারমূল্য যাচাই করুন।

ছাগল একদম দুর্বল বা রোগাক্রান্ত হলে কেনাবেচা এড়ান।

ক্রয়ের সময় ঠিকমতো বয়স যাচাই করুন: দাঁত, ওজন ও শরীরের বিকাশ দেখে।

৯️⃣ প্রাথমিক পরিচর্যা (কেনার পরে)

আলাদা ঘরে বা পেন (কোয়ারেন্টাইন) রাখুন ১৫ দিন।

খাওয়ার পানি ও খাবার পরিষ্কার রাখুন।

কৃমিনাশক প্রয়োগ করুন।

ছাগলকে নতুন পরিবেশের সঙ্গে অভ্যস্ত করুন।

🔟 সংক্ষেপে চেকলিস্ট

বিষয় টিপস

☑️বয়স ১–৬ মাস, কৈশোর ৬–১২ মাস, প্রাপ্তবয়স্ক ১–২ বছর
☑️স্বাস্থ্য চোখ, নাক, লোম, দাঁড়ি, হাঁটা-চলা
☑️প্রজাতি দেশি, হাইব্রিড বা সংকর
☑️লি'ঙ্গ উদ্দেশ্য অনুযায়ী নির্বাচন
☑️আচরণ স্বাভাবিক ও সাবলীল
☑️রোগ ভ্যাকসিনেশন ও প্যারাসাইট পরীক্ষা
☑️খরচ বাজারমূল্য যাচাই

The natural beauty Enjoy the Entertainment

🌿লাউয়ের মাছি পোকা দমনে করণীয় 👉লক্ষণঃস্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে অভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির...
30/10/2025

🌿লাউয়ের মাছি পোকা দমনে করণীয়

👉লক্ষণঃ
স্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে অভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির মত তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী রং ধারন করে । ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের শাস খেতে শুরু করে এবং ফল বিকৃত হয়ে যায় এবং হলুদ হয়ে পঁচে ঝড়ে যায়।

🔰ব্যবস্থাপনাঃ
১। আক্রান্ত ফল বা ফুল সংগ্রহ করে ধ্বংস করা বা পুড়ে ফেলা।
২। কচি ফল কাগজ বা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেয়া ।
৩। প্রথম ফুল আসা মাত্র কুমড়া জাতীয় ফসলের ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করা। প্রতি ১০ শতাংশের জন্য ৩ টি হারে ।
৪। আম বা খেজুরের রসে সামান্য বিষ মিশিয়ে তা বোতলে রেখে জানালা কেটে দিয়ে ক্ষেতের মাঝে মাঝে স্থাপন করা।
৫। পাকা মিষ্টি কুমড়া বা কুমড়া জাতীয় ফল ১০০ গ্রাম কুচি কুচি করে কেটে তাতে সামান্য বিষ ( যেমন- সপসিন ০.২৫ গ্রাম ) মিশিয়ে তা দিয়ে বিষটোপ তৈরী করে মাটির পাত্রে করে ক্ষেতের মাঝে মাঝে স্থাপন করা।
৬। সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক ১ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।

⚠️সাবধানতাঃ
স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাবেন না বা বিক্রি করবেন না।

➡️করনীয়ঃ
১। উত্তমরুপে জমি চাষ দিয়ে পোকার পুত্তলি পাখিদের খাবার সুযোগ করে দিন।

#চাষআবাদ #ছাদবাগান The natural beauty Enjoy the Entertainment

🌼 সরিষা আবাদের সার ও স্প্রে সিডিউল (সপ্তাহভিত্তিক)🗓 ১ম সপ্তাহ (বীজ বপন ও জমি প্রস্তুতি)শেষ চাষের সময় বিঘা প্রতি দিন:পচা ...
30/10/2025

🌼 সরিষা আবাদের সার ও স্প্রে সিডিউল (সপ্তাহভিত্তিক)

🗓 ১ম সপ্তাহ (বীজ বপন ও জমি প্রস্তুতি)

শেষ চাষের সময় বিঘা প্রতি দিন:

পচা গোবর/কম্পোস্ট: ৫–৬ মণ

টিএসপি: ২৫ কেজি

এমওপি: ১২ কেজি

জিপসাম: ৮ কেজি

দস্তা সার: ১ কেজি

ইউরিয়া সার ৫০% রেখে দিন পরে দেওয়ার জন্য।

টিপস: আগাছামুক্ত মিহি বেড তৈরি করে বীজ বপন করুন।

🗓 ২য়–৩য় সপ্তাহ (চারা গজানো ও বাড়ন্ত পর্যায়)

আগাছা পরিষ্কার করুন, প্রয়োজনে পাতলা করে দিন (গাছ থেকে গাছ ৫–৬ ইঞ্চি)।

হালকা সেচ দিন যদি মাটি শুকিয়ে যায়।

🗓 ৪র্থ সপ্তাহ (শাখা গজানো সময়)

বাকি অর্ধেক ইউরিয়া সার (১৫–২০ কেজি/বিঘা) দিন।

মাটিচাপা দিন যাতে সার মিশে যায়।

🗓 ৫ম–৬ষ্ঠ সপ্তাহ (ফুল আসা সময়)

🌿 স্প্রে:

বোরাক্স ২ গ্রাম / লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করুন (ফল ধরতে সহায়তা করে)।

এফিড বা চোষা পোকার আক্রমণ দেখা দিলে:

কনফিডর ৫ মি.লি. / ১০ লিটার পানি স্প্রে করুন।

💧 সেচ:

প্রথম সেচ দিন ফুল আসার সময়।

🗓 ৭ম–৮ম সপ্তাহ (ফল ধরা সময়)

🌿 স্প্রে:

ক্যালসিয়াম বোরন বা জিঙ্ক সালফেট ২ গ্রাম / লিটার স্প্রে করুন।

পাতায় দাগ বা ছত্রাকজনিত সমস্যা থাকলে —

কপার অক্সিক্লোরাইড ৩ গ্রাম / লিটার পানিতে স্প্রে করুন।

💧 সেচ:
প্রয়োজনে দ্বিতীয় সেচ দিন (ফল মোটা হওয়ার সময়)।

🗓 ৯ম–১০ম সপ্তাহ (ফসল পরিপক্ব সময়)

ফলি বাদামি রঙ ধারণ করলে গাছ কেটে ফেলুন।

শুকিয়ে দানাগুলো আলাদা করুন ও সংরক্ষণ করুন।

✅ বিশেষ টিপস

ফুল ও ফল বৃদ্ধির জন্য গাছের ডগা হালকা ছাঁটাই করুন।

নিয়মিত ফাঁদ (হলুদ/আঠালো) ব্যবহার করুন চোষা পোকা দমনে।

জমিতে পানি জমে থাকতে দেবেন না।

#চাষআবাদ Enjoy the Entertainment Md Biplob Hossain

🍅 টমেটো আবাদে সার ও স্প্রে সিডিউল (সপ্তাহভিত্তিক পূর্ণ নির্দেশিকা) 🌿এই শিডিউল অনুসরণ করলে গাছ সবল হবে, ফুল ঝরবে না, আর ফ...
30/10/2025

🍅 টমেটো আবাদে সার ও স্প্রে সিডিউল (সপ্তাহভিত্তিক পূর্ণ নির্দেশিকা) 🌿
এই শিডিউল অনুসরণ করলে গাছ সবল হবে, ফুল ঝরবে না, আর ফলন হবে বাম্পার।

🧱 ১. জমি প্রস্তুতি ও প্রাথমিক সার ব্যবস্থাপনা

প্রতি বিঘায় সার পরিমাণ:

সার পরিমাণ

পচা গোবর/কম্পোস্ট ১৫–২০ মণ
ইউরিয়া ৩৫ কেজি
টিএসপি ২৫ কেজি
এমওপি ২০ কেজি
জিপসাম ৮ কেজি
দস্তা সার (ZnSO₄) ১ কেজি
বোরাক্স ১ কেজি

👉 ইউরিয়া ৩ ভাগে, এমওপি ২ ভাগে ভাগ করে প্রয়োগ করুন।
👉 টিএসপি, জিপসাম, দস্তা, বোরাক্স পুরোটা জমি প্রস্তুতির সময় দিন।

📅 টমেটো আবাদে সার ও স্প্রে সিডিউল (সপ্তাহভিত্তিক)

🌱 ১ম সপ্তাহ (চারা রোপণ)

চারা লাগানোর সময় গর্তে অল্প গোবর ও টিএসপি মিশিয়ে দিন।

রোপণের পর হালকা সেচ দিন।

বিকেলে ট্রাইকোডার্মা মিশ্রিত জৈব সার ব্যবহার করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

-🌿 ২য়–৩য় সপ্তাহ (চারা বৃদ্ধি সময়)

সার: ইউরিয়ার ১ম কিস্তি (১৫ কেজি/বিঘা) + এমওপি এর অর্ধেক দিন।

স্প্রে:

ইমিডাক্লোপ্রিড (Confidor) ১ মিলি/লিটার পানিতে স্প্রে করুন চোষা পোকার দমনে।

প্রয়োজন হলে ম্যানকোজেব (3 gm/L) ছত্রাকনাশক হিসেবে স্প্রে করুন।

🌼 ৪র্থ–৫ম সপ্তাহ (ফুল আসা শুরু)

সার: ইউরিয়ার ২য় কিস্তি (১০ কেজি/বিঘা) দিন।

স্প্রে:

বোরন (Borax ২ গ্রাম/লিটার পানি) স্প্রে করুন ফুল ঝরা রোধে।

প্লানোফিক্স (NAA ১ মিলি/৪ লিটার পানি) স্প্রে করলে ফল সেট ভালো হয়।

এফিড/সাদা মাছি থাকলে — স্পিনোসাড (0.5 ml/L) স্প্রে করুন।

🍅 ৬ষ্ঠ–৭ম সপ্তাহ (ফল ধরা সময়)

সার: ইউরিয়ার শেষ কিস্তি (১০ কেজি/বিঘা) + বাকি এমওপি দিন।

✅স্প্রে:

ক্যালসিয়াম নাইট্রেট ১৫ গ্রাম/১০ লিটার পানিতে স্প্রে করুন (ফলের নিচে পচা রোধে)।

ম্যানকোজেব বা কারবেনডাজিম (2.5 gm/L) ছত্রাকনাশক স্প্রে করুন।

🍅 ৮ম–৯ম সপ্তাহ (ফল বড় হওয়া সময়)

✅স্প্রে:

জিঙ্ক সালফেট বা ক্যালসিয়াম বোরন ২ গ্রাম/লিটার পানিতে স্প্রে করুন।

স্পিনোসাড বা থিওমিথক্সাম স্প্রে করুন ফলছিদ্রকারী পোকার দমনে।

ফল চকচকে রাখতে seaweed extract (5 ml/L) স্প্রে করুন।

🌾 ১০ম–১২তম সপ্তাহ (ফল পাকার সময়)

✅স্প্রে:

কার্বেনডাজিম বা কপার অক্সিক্লোরাইড (3 gm/L) প্রতি ১০ দিনে একবার করে দিন।

শেষ স্প্রে ফসল তোলার অন্তত ৭ দিন আগে দিন।

💧 সেচ ব্যবস্থাপনা

মাটি শুকিয়ে গেলে ৫–৭ দিন পরপর হালকা সেচ দিন।

ফুল ও ফল ধরার সময় পানি ঘাটতি যেন না হয়।

অতিরিক্ত পানি জমে থাকলে রোগ বাড়ে — পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা রাখুন।

✅ বিশেষ পরামর্শ

নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার ও হালকা মাটিচাপা দিন।

প্রতি ১৫ দিন অন্তর জৈব তরল সার (যেমন: ভার্মি লিকুইড, seaweed) স্প্রে করুন।

আক্রান্ত পাতা বা ফল তুলে ফেলুন।

#চাষআবাদ #ছাদবাগান The natural beauty Md Biplob Hossain

🌿 শিম গাছে ফুল পঁচা রোগের কারণ ও জৈব প্রতিকারশীতকালে বা আর্দ্র পরিবেশে শিম গাছে “ফুল পঁচা” বা “ফুল ঝরা” রোগ খুব সাধারণ স...
30/10/2025

🌿 শিম গাছে ফুল পঁচা রোগের কারণ ও জৈব প্রতিকার

শীতকালে বা আর্দ্র পরিবেশে শিম গাছে “ফুল পঁচা” বা “ফুল ঝরা” রোগ খুব সাধারণ সমস্যা। এর ফলে ফুল ঠিকমতো ফল হয় না এবং গাছের ফলন অনেক কমে যায়। নিচে কারণ ও প্রতিকার ধাপে ধাপে দেওয়া হলো 👇

🌸 রোগের লক্ষণ

ফুল ফোটার কিছুদিন পর ফুলের গোড়া বাদামি বা কালচে হয়ে পচে যায়।

ফুল ঝরে পড়ে বা শুকিয়ে যায়।

অনেক সময় ফুলের জায়গায় ছোট ফল ধরলেও তা বড় হয় না, পরে শুকিয়ে যায়।

⚠️ ফুল পঁচা রোগের প্রধান কারণ

1. অতিরিক্ত আর্দ্রতা বা টানা বৃষ্টি / জলাবদ্ধতা

2. ফাঙ্গাস বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ (বিশেষ করে Botrytis ও Rhizopus জাতের ফাঙ্গাস)

3. অতিরিক্ত নাইট্রোজেন সার প্রয়োগ (পাতা বাড়ে কিন্তু ফুল পঁচে)

4. সূর্যালোকের অভাব বা বায়ু চলাচলের ঘাটতি

5. ফুলে পানি বা শিশির জমে থাকা

6. পরাগায়নের ঘাটতি ও পুষ্টি অভাব (বিশেষত পটাশ ও ক্যালসিয়াম ঘাটতি)

🌿 জৈব প্রতিকার ও ঘরোয়া সমাধান

🪴 ১. মাটি ও ড্রেনেজ ঠিক রাখুন

টবে বা জমিতে পানি জমতে দেবেন না।

মাটি নরম ও ঝুরঝুরে রাখলে শিকড় ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারে।

🌼 ২. ফুল পঁচা রোধে ঘরোয়া স্প্রে

(সপ্তাহে ১–২ বার স্প্রে করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়)

🔸 বিকল্প–১:

১ লিটার পানিতে ১ চা চামচ বেকিং সোডা + কয়েক ফোঁটা তরল সাবান

ভালোভাবে মিশিয়ে পাতায় ও ফুলে স্প্রে করুন।
→ ছত্রাক দমন করবে।

🔸 বিকল্প–২:

১ লিটার পানিতে ৫–৭ মিলি নিম তেল + ১ চা চামচ সাবান পানি

এটি ফাঙ্গাস ও পোকা দুই-ই দমন করে।

🔸 বিকল্প–৩ (দুধ স্প্রে):

১ লিটার পানিতে আধা কাপ দুধ মিশিয়ে স্প্রে করুন।
→ দুধে থাকা প্রাকৃতিক ল্যাকটিক এসিড ব্যাকটেরিয়া ছত্রাক দমন করে।

🌿 ৩. জৈব সার ব্যবস্থাপনা

ফুল আসার সময় অতিরিক্ত নাইট্রোজেন বন্ধ করুন।

প্রতি ১০–১৫ দিন পর ভারমি কম্পোস্ট বা কাঠের ছাই দিন।

ফসফরাস ও পটাশ জাতীয় সার (যেমন হাড়গুঁড়ো, ছাই, কলার খোসা পচানো পানি) ফুল পঁচা কমায়।

🐝 ৪. পরাগায়ন উন্নতি

সকালে ফুল ফোটার সময় মৌমাছি বা কীট না থাকলে হাতে পরাগায়ন করুন।

পুরুষ ফুলের পরাগ স্ত্রী ফুলে ছোঁয়ালে ফলন বাড়ে ও ফুল ঝরা কমে।

🌤️ ৫. পরিবেশ ও যত্ন

গাছের ঘনত্ব কমান যেন বাতাস চলাচল ঠিক থাকে।

পচা ফুল বা ফল দ্রুত ছেঁটে ফেলুন যাতে রোগ ছড়াতে না পারে।

গাছ যেন ৬–৮ ঘণ্টা সূর্যালোক পায়, তা নিশ্চিত করুন।

✅ সংক্ষেপে সমাধান

সমস্যা করণীয়

ফাঙ্গাস সংক্রমণ বেকিং সোডা / নিম তেল স্প্রে
অতিরিক্ত পানি জলাবদ্ধতা দূর, সঠিক ড্রেনেজ
পুষ্টি ঘাটতি ছাই, কলার খোসা, ভারমি কম্পোস্ট
ফুল ঝরা হাতে পরাগায়ন ও পর্যাপ্ত রোদ
বায়ু চলাচল গাছের মধ্যে ফাঁকা রাখুন

🌱 অতিরিক্ত টিপস:
ফুল আসার সময় প্রতি ৭ দিনে একবার কলার খোসা + ডিমের খোসা ফারমেন্ট করা পানি (১:৫ অনুপাতে) গাছের গোড়ায় দিন। এতে ক্যালসিয়াম ও পটাশ সরবরাহ হয়, ফুল শক্ত থাকে এবং ফলন বাড়ে।

#চাষআবাদ #ছাদবাগান The natural beauty

রাস্তার পাশে পতিত জায়গায় কলা গাছ রোপন পদ্ধতি  রাস্তার পাশে পতিত জমি বা খালি জায়গায় কলা চাষ করলে শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় ন...
30/10/2025

রাস্তার পাশে পতিত জায়গায় কলা গাছ রোপন পদ্ধতি

রাস্তার পাশে পতিত জমি বা খালি জায়গায় কলা চাষ করলে শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, অতিরিক্ত আয়ও হবে। তবে যেহেতু রাস্তার ধারে, তাই একটু বিশেষভাবে পরিকল্পনা করতে হয়।

🌱 রাস্তার পাশে পতিত জমিতে কলা চাষ পদ্ধতি
১. জমি নির্বাচন ও প্রস্তুতি
• রোদ বেশি পাওয়া যায় এমন উঁচু বা মাঝারি উঁচু জমি বেছে নিন।
• পানি যাতে জমে না থাকে সে দিকে খেয়াল রাখুন।
• জমি ভালোভাবে চাষ করে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
২. চারা নির্বাচন
• রোগমুক্ত ও ভালো জাতের চারা (তালাগাছ/সাকার বা টিস্যু কালচার) ব্যবহার করতে হবে।
• সাধারণত সবরি, কাবুলী, স্থানীয় মালভোগ, জাহাজি, গ্রোস মিশেল, ক্যাভেন্ডিশ জাতগুলো চাষযোগ্য।

৩. গর্ত তৈরি ও রোপণ
• প্রতি গাছের দূরত্ব সারি থেকে সারি ৬–৭ ফুট, গাছ থেকে গাছ ৫–৬ ফুট রাখুন।
• গর্তের মাপ হবে ২.৫ × ২.৫ × ২.৫ ফুট।
• গর্তে মাটি, ২০–২৫ কেজি গোবর, ২০০ গ্রাম টিএসপি, ১০০ গ্রাম এমওপি মিশিয়ে ১৫–২০ দিন আগে ভরে রাখতে হবে।
• এরপর বর্ষা শুরুর আগে (জুন–জুলাই) বা শীতকালে (অক্টোবর–নভেম্বর) চারা রোপণ করুন।

৪. সার ব্যবস্থাপনা (প্রতি গাছ)
• গোবর/কম্পোস্ট → ১৫–২০ কেজি
• ইউরিয়া → ২৫০–৩০০ গ্রাম
• টিএসপি → ১৫০–২০০ গ্রাম
• এমওপি → ২০০–২৫০ গ্রাম
• এগুলো ৩–৪ কিস্তিতে ভাগ করে দিতে হবে।

৫. পরিচর্যা✅
• নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করুন।
• গরমে ১০–১৫ দিন পরপর পানি দিন।
• বাতাসে কলা গাছ ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকলে খুঁটি দিয়ে বেঁধে দিন।
• শুকনা পাতা ও কচি চারা কেটে ফেলুন (শুধু ১টি মূল চারা রাখুন)।

৬. রোগ-পোকা দমন🐛
• কলার ছত্রাকজনিত রোগ (পাতা দাগ, সিগাটোকারা) হলে ম্যানকোজেব/কার্বেন্ডাজিম স্প্রে করুন।
• ছিদ্রকারী পোকা হলে নিম তেল স্প্রে করতে পারেন।

৭. ফসল সংগ্রহ🎯
• কলা সাধারণত রোপণের ১১–১৪ মাসের মধ্যে ফল দেয়।
• ফল পাকতে শুরু করলে থোড় কেটে বাজারজাত করুন।

🚧 রাস্তার ধারের জন্য বিশেষ টিপস
• রাস্তার একেবারে ধার থেকে কমপক্ষে ৩–৪ ফুট ভিতরে রোপণ করুন যাতে যানবাহন বা পথচারী ক্ষতি না করে।
• রাস্তার পাশে মাটি শক্ত হয়, তাই জৈব সার বেশি দিন।
• মাটি ঢেকে (মালচিং) রাখলে আর্দ্রতা ভালোভাবে থাকবে।

👉 এভাবে সঠিকভাবে রোপণ ও পরিচর্যা করলে রাস্তার পাশে পতিত জমি থেকেও ভালো মানের কলা উৎপাদন সম্ভব।

#চাষআবাদ #ছাদবাগান Enjoy the Entertainment The natural beauty

🌿🍆তাল বেগুন (Round/Aubergine) ছোট-বড় যেকোনো বাগানে সহজে চাষ করা যায়। এটি ঝরঝরে, disease-resistant জাত এবং টবে, বাগানে বা...
30/10/2025

🌿🍆তাল বেগুন (Round/Aubergine) ছোট-বড় যেকোনো বাগানে সহজে চাষ করা যায়। এটি ঝরঝরে, disease-resistant জাত এবং টবে, বাগানে বা খোলা মাঠে চাষযোগ্য। নিচে ধাপে ধাপে জৈব পদ্ধতিতে টবে/বাগানে তাল বেগুন চাষের গাইডলাইন দিলাম 👇

🪴 তাল বেগুন চাষ পদ্ধতি (জৈব) 🍆

🌱 ১. উপযুক্ত জাত নির্বাচন

গ্রীষ্মকালীন/বর্ষাকালীন: Tal-1, Tal-2

ছোট টবে বা বেলকনির জন্য: Dwarf Round বা Baby Tal varieties

ফসল ঝরে কম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো।

🪵 ২. টব বা জমি প্রস্তুতি

টব/পাত্র গভীরতা: ১২–১৫ ইঞ্চি

নিচে পানি নিষ্কাশনের জন্য ছিদ্র রাখুন।

মাটির মিশ্রণ:

দোআঁশ মাটি – ৫০%

পচা গোবর সার – ২৫%

ভার্মিকম্পোস্ট – ১৫%

কাঠের ছাই – ৫%

ডিমের খোসা গুঁড়া – ৫%

🌾 ৩. বীজ বপন ও চারা প্রস্তুতি

বীজ ১২–২৪ ঘন্টা পানি/গরম পানি ভিজিয়ে দিন।

১টি ছোট পাত্রে ২–৩টি বীজ বপন করুন।

চারা ২৫–৩০ দিন বয়সে রোপণের জন্য প্রস্তুত।

প্রতি গর্তে ১টি শক্তিশালী চারা রাখুন।

🌞 ৪. আলো ও অবস্থান

প্রতিদিন ৬–৮ ঘণ্টা সরাসরি রোদ প্রয়োজন।

বাতাস চলাচলের সুবিধা থাকলে পাতা রোগ কম হয়।

💧 ৫. পানি ব্যবস্থাপনা

সপ্তাহে ২–৩ বার পানি দিন।

গরমে দিনে একবার বা দুইবার হালকা পানি।

অতিরিক্ত পানি জমে থাকলে গাছের গোড়া পচে যায়।

🌿 ৬. জৈব সার ব্যবস্থাপনা

প্রথম কিস্তি (চারা রোপণের সময়):

১ মুঠো পচা গোবর + ১ চা চামচ ছাই মাটিতে মিশিয়ে দিন।

দ্বিতীয় কিস্তি (১ মাস পর):

ভার্মিকম্পোস্ট ১ মুঠো গাছের গোড়ায় দিন।

তৃতীয় কিস্তি (ফুল আসার সময়):

১ লিটার পানিতে ৫০ মি.লি. গোবর গুড় তরল সার প্রতি ৭–১০ দিনে দিন।

🪲 ৭. রোগ ও পোকা দমন (জৈব উপায়)

রোগ/পোকা লক্ষণ জৈব প্রতিকার

জাব / থ্রিপস কচি পাতা বা ফুল ক্ষতিগ্রস্ত নিমতেল বা রসুন-মরিচ স্প্রে (১ লি. পানিতে ৫–১০ মি.লি.)
পাতা পচা / ফল পচা কাণ্ড বা পাতা নরম, দাগ দই-হলুদ স্প্রে বা ট্রাইকোডার্মা মিশ্রণ
লাল মাকড় পাতায় লাল দাগ সাবান পানি বা নিমপাতা স্প্রে

🌸 ৮. ফুল ও ফল বৃদ্ধি

ফুল আসার সময় গাছের গোড়ায় ডিমের খোসা গুঁড়া ও কাঠের ছাই দিন।

সকালে হাতে পরাগায়ন করলে ফল ধরন বেশি হয়।

ফল আসার পর সপ্তাহে একবার জৈব তরল সার দিন।

🥬 ৯. ফল সংগ্রহ

বীজ বপনের ৫০–৬০ দিন পর প্রথম ফল পাওয়া যায়।

নিয়মিত ফল সংগ্রহ করলে গাছ নতুন ফল দেয়।

পাকা বা আধ-পাকা ফল কেটে নিন।

✅ ১০. সংক্ষেপে টিপস

বিষয় করণীয়

☑️আলো ৬–৮ ঘণ্টা রোদ
☑️পানি সপ্তাহে ২–৩ বার, জমে না
☑️সার প্রতি ৭–১০ দিনে জৈব তরল সার
☑️রোগ পোকা নিমতেল, দই-হলুদ স্প্রে
☑️ফলন সময় ৫০–৬০ দিন থেকে শুরু

#ছাদবাগান #চাষআবাদ #তালবেগুন #চাষ Enjoy the Entertainment

🥬 বাঁধাকপি গাছ পচা রোগের কারণ ও প্রতিকার (জৈব উপায়ে)⚠️ ১. রোগের প্রধান কারণকারণ ব্যাখ্যা💧 অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও পানি জমে থ...
30/10/2025

🥬 বাঁধাকপি গাছ পচা রোগের কারণ ও প্রতিকার (জৈব উপায়ে)

⚠️ ১. রোগের প্রধান কারণ

কারণ ব্যাখ্যা

💧 অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও পানি জমে থাকা মাটিতে পানি জমলে ছত্রাক দ্রুত ছড়ায়
🌱 দূষিত চারা বা সংক্রমিত মাটি আগের মৌসুমের রোগজীবাণু নতুন গাছে ছড়ায়
☁️ অতিরিক্ত ঠান্ডা ও কুয়াশা আর্দ্র পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক সক্রিয় হয়।

অপর্যাপ্ত পচা জৈব সার অর্ধপচা সার ছত্রাক বৃদ্ধিতে সহায়ক
🪲 পোকামাকড় ক্ষতি পোকার কামড়ে রোগ প্রবেশ করে

🧫 ২. রোগের ধরন ও লক্ষণ

(ক) Damping-off (চারা পচা রোগ):

চারা গজানোর পর গোড়ায় কালচে ও নরম হয়ে পড়ে যায়।

গাছ হেলে পড়ে এবং শুকিয়ে যায়।

(খ) Black rot (কালো পচা রোগ):

পাতার কিনারা থেকে “V” আকৃতির হলুদ দাগ শুরু হয়, পরে কালো হয়ে পচে।

ফুল বা বাঁধাকপি মাথা গঠনের সময় পচে যায়।

(গ) Soft rot (নরম পচা রোগ):

ফুল বা কাণ্ড নরম ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়।

আর্দ্র দিনে দ্রুত ছড়ায়।

🌿 ৩. জৈব প্রতিকার ও ব্যবস্থাপনা

✅ (১) চারা পর্যায়ে প্রতিকার

চারা তৈরি করার সময় মাটিতে ট্রাইকোডার্মা পাউডার মিশিয়ে নিন
→ ১ কেজি কম্পোস্টে ১০ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা।

চারা রোপণের আগে গোড়ায় ছাই ছিটিয়ে দিন।

অতি ঘনভাবে চারা রোপণ করবেন না।

✅ (২) আক্রান্ত গাছের ব্যবস্থা

আক্রান্ত গাছ সঙ্গে সঙ্গে তুলে পুড়িয়ে ফেলুন।

আক্রান্ত জায়গায় চুন বা ছাই ছিটিয়ে দিন।

রোগ ছড়ানো মাটি রোদে শুকিয়ে পুনর্ব্যবহার করুন।

✅ (৩) জৈব ছত্রাকনাশক স্প্রে (সপ্তাহে ১ বার)

স্প্রে রেসিপি ১:

নিমপাতা বাটা রস – ৫০ মি.লি.

হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ

পানি – ১ লিটার
👉 মিশিয়ে আক্রান্ত পাতায় স্প্রে করুন।

স্প্রে রেসিপি ২ (ছত্রাক দমন):

দই – ২ চা চামচ

বেকিং সোডা – ১ চা চামচ

পানি – ১ লিটার
👉 মিশিয়ে ৭ দিন পরপর স্প্রে করলে ছত্রাক বন্ধ হয়।

✅ (৪) মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা

প্রতি ১৫ দিনে একবার করে গোবর গুড় তরল সার দিন।

গাছের গোড়ায় কাঠের ছাই ও ভার্মিকম্পোস্ট দিন।

পানি জমে না তা নিশ্চিত করুন।

🌤️ ৪. প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

1. টবে বা জমিতে সঠিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা রাখুন।

2. মাটি জীবাণুমুক্ত করুন (রোদে শুকানো বা ছাই মেশানো)।

3. গাছের পাতা খুব ঘন হয়ে গেলে কিছু ছাঁটুন যাতে বাতাস চলাচল হয়।

4. সকালে পানি দিন, রাতে নয়।

5. শীতের কুয়াশায় গাছ ঢেকে রাখুন (পলিথিন বা আগাছা ঢেকে)।

✅ ৫. সংক্ষিপ্ত সারাংশ

বিষয় করণীয়

✅প্রধান কারণ ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া, অতিরিক্ত আর্দ্রতা
✅লক্ষণ পাতায় “V” দাগ, ফুল নরম হয়ে পচে।
✅প্রতিকার নিমপাতা-হলুদ বা দই-বেকিং সোডা স্প্রে
মাটি ট্রাইকোডার্মা + ছাই মেশান।
✅পানি সকালবেলায় দিন, জমে থাকতে দেবেন না।
✅প্রতিরোধ আক্রান্ত গাছ সরিয়ে ফেলুন, রোদে শুকান।

#চাষআবাদ #ছাদবাগান Md Biplob Hossain

Address

Gazipur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The natural beauty posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share