13/08/2026
তোমাদের কথা প্রতি দিন, প্রতি ওয়াক্তে, প্রতি মুহূর্তে মনে পরে।আমার বড় জেঠী রমজান মাসে আমাদের ছেড়ে চলে গেছে।আমাদের সাথে নেই ৬ মাস হয়ে যাবে কয়েক দিন পরে। আমাকে, আমার বড় জেঠী আর মেজো জেঠী রাখতেন , যখন আম্মু মাদ্রাসায় যেতেন।(আম্ম সালনা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক।) মেজো জেঠীকে আমি ছোট থেকেই 'মা' ডাকি আল্লাহ মা কে নেক হায়াত ও সুস্থতা দান করুক। আমিন
বড় জেঠীকে এইভাবে হারানো আমি এখনো মেনে নিতে পারছি না। মাঝে মাঝে এত খারাপ লাগে যে বুক ফেটে কান্না আসে। তার কোনো হিংসা ছিল না। মারা যাওয়ার ঠিক ১০ দিন আগে ভোট দিতে বাড়ি তে যাই।ওইদিনই যে আমার তার সাথে শেষ কথা হবে ভাবতেও পারি নি। ৬ রমজান সেহরি খেতে বসছিলাম মাত্র, আম্মুর ফোন, বড় জেঠীর অবস্থা খারাপ। আইসা পড় ফজর পড়ে।আমাকে সরাসরি বলে নি যে মারা গেছে। কিন্তু আমার মন ঠিকই বুঝতে পারছে।দুই চোখ দিয়ে পানি আর থামাতে পারলাম না। সেহরিতে আর খেতে পারলাম না। যখন জেঠী কে দেখলাম নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না। বুকটা ফেটে যাচ্ছিলো অঝোরে কান্না।
আর আমার বড় ফুফু চলে গেছে ৫ মাস হয়ে যাচ্ছে।১ মাসের বেবোধানে পরিবারের ২ জন মানুষ কে হারানো মেনে নেয়া কষ্টকর । ফুফু আমাকে 'মা' ডাক ছাড়া কথাই বলেন নি।" মা কেমন আছো!?"মা আমার লেইগা দোয়া কইরো "মা তুমি যে জামার কাপড় দিছো ঈদের পরে বানাইয়া দিবো" কথা গুলো কানে বাজে। কথা বলতে কষ্ট হলেও আমি দেখতে গেলে আমার সাথে হাশি মুখে কথা বলতেন। গেলে কত্ত খুশিই না হতেন।তোমাদের জন্য তো কিছুই করতে পারলাম না। শুধু দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা তোমাদের জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা বানিয়ে দিক।তোমাদের ভালো কাজের উছিলায় আল্লাহ পরকালের জিন্দেগী আসান করে দিক আমিন। আর আমরা যারা জীবিত আছি আল্লাহ তায়ালা আমাদের বেশি বেশি নেক আমল করার তৌফিক দান করুন আমিন।