Jui Api

Jui Api যে কোনো পরিস্থিতি তে পিছনে না তাকিয়ে সামনে দিকে এগিয়ে যাই

28/10/2025

রোদটা নরম, হাওয়া হালকা,
তোমার ভাবনায় মনটা ঢলকা।
তোমার হাসি রোদের সুর,
তোমায় জানাই মিষ্টি শুভ দুপুর! ☀️💌

21/10/2025

ঠিক আছে, নিচে তোমার জন্য একটি “বড় লোকের মেয়ে গরিবের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া” গল্প দিচ্ছি — আবেগ, টানাপোড়েন আর ভালোবাসার ছোঁয়ায় ভরা:

---

🌸 ভালোবাসার দাম

বাবা শহরের বড় ব্যবসায়ী, নাম তার রফিকুল ইসলাম। তাঁর একমাত্র মেয়ে তানিয়া—বিলাসিতা, দামি পোশাক, প্রাইভেট কারে স্কুল-কলেজ—সবই তার জীবনের অংশ। কিন্তু যত ভালোবাসা পায় চারপাশের মানুষ থেকে, তত একা লাগে নিজের ভেতরে।

একদিন তাদের বাড়ির ড্রাইভার কামাল অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার জায়গায় আসে গ্রামের এক ছেলেটি, নাম রিয়াজ—চোখে স্বপ্ন, মুখে বিনয়, পরনে সাধারণ জামা। প্রথম দিকে তানিয়া তাকে খুব একটা পাত্তা দিত না। কিন্তু ধীরে ধীরে রিয়াজের সরলতা, ভদ্র ব্যবহার, আর নিঃস্বার্থ হাসি তার মনে দাগ কাটে।

তানিয়া বুঝতে পারে, এই ছেলেটার মধ্যে আছে এমন কিছু যা টাকায় কেনা যায় না—একটা সত্যি ভালোবাসা।
রিয়াজও অনুভব করে তানিয়ার প্রতি টান, কিন্তু সে জানে—তাদের সম্পর্ক অসম্ভব। বড়লোকের মেয়ে আর গরিব ছেলের গল্পে সমাজের অনুমতি নেই।

তবু এক রাতে, যখন তানিয়ার বাবা তার বিয়ের কথা ঠিক করে দেন এক ধনী ব্যবসায়ীর ছেলের সঙ্গে, তখন তানিয়ার বুক ফেটে যায়।
সেই রাতেই সে রিয়াজকে বলে,

> “চলো, আমরা পালিয়ে যাই। টাকার নয়, হৃদয়ের জায়গা চাই শুধু।”

রিয়াজ থেমে বলে,

> “তুমি কি ভেবে দেখেছো, আমি কিছুই দিতে পারবো না তোমায়?”
তানিয়া চোখ ভিজিয়ে বলে,
“তুমি আমাকে ভালোবাসো—এইটুকুই যথেষ্ট।”

রাতের আঁধারে তারা দুজন অজানার পথে রওনা হয়।
তাদের যাত্রা ছিল কঠিন—কখনো ক্ষুধায়, কখনো ভয়েতে দিন কাটে।
কিন্তু তানিয়া কখনো অনুতপ্ত হয়নি, কারণ সে পেয়েছিল নিজের পছন্দের মানুষকে।

বছর কেটে যায়। তারা ছোট্ট এক ভাড়াবাড়িতে সুখে থাকে। রিয়াজ পরিশ্রম করে নিজের ব্যবসা দাঁড় করায়।
একদিন খবর আসে—তানিয়ার বাবা অসুস্থ।
তানিয়া ফিরে যায় বাবার কাছে, ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে।
কিন্তু বৃদ্ধ বাবা চোখে জল নিয়ে বলে,

> “তুমি চলে গিয়ে আমাকে কষ্ট দিয়েছিলে, কিন্তু আজ বুঝি—ভালোবাসা কোনো শ্রেণি বোঝে না।”

তানিয়া বাবার হাত ধরে কাঁদে।
আর রিয়াজ মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে, এক গরিব ছেলে, যে প্রমাণ করেছে—ভালোবাসা কখনো ছোট হয় না।

16/10/2025

বাবা বললেন,

> “তুই বড় হচ্ছিস রিমি, তোকে একা মানুষ করতে কষ্ট হয়। আমি আবার বিয়ে করব।”

আমি কিছু বলিনি। শুধু জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। মেঘলা আকাশের নিচে মনে হলো — আমার মা হয়তো ঠিক এই আকাশেই আছেন, তাকিয়ে আছেন আমার দিকে।

কয়েকদিন পর এক মহিলা এলেন। নাম—শীলা।
সাদা শাড়ি, চুপচাপ মুখ।
বাবা বললেন,

> “এখন থেকে এই তোমার মা।”

আমি ঠোঁট নেড়ে বললাম,

> “মা?”

তিনি মৃদু হাসলেন, কিন্তু সেই হাসিতে উষ্ণতা ছিল না, ছিল একরাশ দূরত্ব।

---

দিন গড়াল।
এক সকালে আমি স্কুলের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি, তিনি বললেন,

> “এই জামাটা পরিস না, পুরনো হয়ে গেছে। ওটা ধুয়ে রাখিস।”

আমি বললাম,

> “ওটাই আমার প্রিয় জামা…”

তিনি চোখ সরিয়ে ফেললেন, যেন আমার কথার কোনো মানেই নেই।

বাবা থাকলে ঘর ভরে যেত হাসিতে,
আর বাবা চলে গেলেই ঘরে নেমে আসত নিস্তব্ধতা।
একদিন অসাবধানতাবশত গ্লাস পড়ে ভেঙে গেল।
তিনি চিৎকার করে উঠলেন,

> “তুই কি সব নষ্ট করবি? আমি তোকে মানুষ করব কীভাবে?”

আমি কিছু বলিনি। শুধু টুকরো কাচগুলো হাতে তুলে নিলাম, আর নিজের হাত কেটে ফেললাম।
রক্ত পড়ছিল, কিন্তু তার চেয়ে বেশি ব্যথা হচ্ছিল মনে।

---

রাতের দিকে বাবা ফিরলেন।
আমি কাঁথা গায়ে দিয়ে পড়ছিলাম।
বাবা জিজ্ঞেস করলেন,

> “রিমি, ঠিক আছিস?”

আমি হাসলাম, বললাম,

> “হ্যাঁ বাবা, মা খুব ভালো রাখেন।”

সৎ মা দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমার কথা শুনে তিনি চমকে তাকালেন।
সেই রাতেই তিনি নিঃশব্দে আমার পাশে বসে বললেন,

> “রিমি, তুই কেন এমন বললি?”

আমি ফিসফিস করে বললাম,

> “কারণ বাবা যেন কষ্ট না পান।”

তারপর আমি দেখলাম, তিনি মাথা নিচু করে কাঁদছেন।
হয়তো সেই মুহূর্তেই কিছু গলে গিয়েছিল তার হৃদয়ে।

---

কয়েক মাস পর পরীক্ষা ছিল। আমি প্রথম স্থান পেলাম।
পুরস্কার নিতে মঞ্চে উঠলাম।
হলঘরে বাবা আর মা বসেছিলেন।
যখন ট্রফিটা হাতে নিলাম, ঘোষক বললেন,

> “এই মেয়েটি বলেছে—ওর মা সব সময় ওকে প্রেরণা দেন।”

আমি মঞ্চ থেকে তাকালাম,
দেখলাম মা দাঁড়িয়ে আছেন, চোখে জল।

আমি দৌড়ে গিয়ে তাঁর গলা জড়িয়ে ধরলাম, বললাম,

> “মা, তোমার জন্যই পারলাম।”

তিনি কাঁপা গলায় বললেন,

> “না রিমি, তুই আমাকে ‘মা’ বানিয়ে দিয়েছিস।”

---

সেদিন বুঝেছিলাম —
সব সৎ মা খারাপ হয় না,
কেউ কেউ শুধু সময় চায়... ভালোবাসা চিনতে।

16/10/2025

আসসালামু আলাইকুম শুভ সকাল,,,সবাই কেমন আছেন????

    mother and father   love my papa and Maa  “দুই জীবন”যেদিন বাবা-মা আলাদা পথে হাঁটতে শুরু করল, সেদিন থেকেই আমার জীবনের...
15/10/2025

mother and father love my papa and Maa

“দুই জীবন”
যেদিন বাবা-মা আলাদা পথে হাঁটতে শুরু করল, সেদিন থেকেই আমার জীবনের রঙটা বদলে গেল।
আগে সকালে একসাথে নাস্তা, হাসি, ঝগড়া — সব ছিল এক ঘরের ভেতরেই।
এখন সকাল মানে দুই ঠিকানার মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়া সময়।

বাবা বলে, “বড় হয়ে বুঝবি কেন এমন হলো।”
মা বলে, “সব ঠিক হয়ে যাবে একদিন।”
কিন্তু আমি জানি— ঠিক আর হয় না, শুধু অভ্যেস হয়ে যায়।

এখন আমার পৃথিবীটা দুই ভাগে —
একপাশে বাবার নিঃশব্দ ভালোবাসা,
অন্যপাশে মায়ের চোখের জল মুছে ফেলার চেষ্টা।

আমি শিখে গেছি—
ভালোবাসা মানেই একসাথে থাকা নয়,
কখনো কখনো দূরে থেকেও ভালো বাসতে হয়

💔 তবুও আমি দু’জনেরই সন্তান,
দু’জীবনের মাঝেই আমি বেঁচে আছি।

🕊️ #দুইজীবন #মনকথা

    story   love ma   you maa ""মা তুমি কেথায়""ছোটবেলা থেকেই বুঝে গিয়েছিলাম —আমার জীবনে একটা জায়গা চিরকাল খালি থাকবে।সেই...
15/10/2025

story love ma you maa
""মা তুমি কেথায়""

ছোটবেলা থেকেই বুঝে গিয়েছিলাম —
আমার জীবনে একটা জায়গা চিরকাল খালি থাকবে।
সেই জায়গার নাম — “মা” 🕊️

প্রতিদিন সকালে পাড়ার মেয়েরা বলত,
👉 “মা, ব্যাগটা ধরো।”
আর আমি?
চুপচাপ নিজের ব্যাগটা নিজেই পিঠে তুলে নিতাম।
মনে মনে শুধু বলতাম —
“আমারও যদি এমন করে বলার কেউ থাকত!” 😢

বাবা সারাদিন কাজে ব্যস্ত।
আমি একা ঘরে বসে পুতুল নিয়ে খেলতাম।
মাঝে মাঝে পুতুলটাকে কোলে নিয়ে বলতাম,
“তুমি আমার মা, ঠিক আছে?”
তারপর হাসতাম... কিন্তু চোখে জল এসে যেত 💔

বড় হতে হতে বুঝেছি —
মা না থাকা মানে শুধু একজন মানুষ না থাকা নয়,
মানে ভালোবাসার ভাষাটা হারিয়ে ফেলা। 🌧️

বন্ধুরা বলে,
— “তুই এত শক্ত কেন?”
আমি হাসি। কিন্তু তারা জানে না,
ভাগ্যই আমাকে শক্ত বানিয়ে দিয়েছে। 💔

একদিন এক ছোট্ট মেয়ে রাস্তায় নিজের মাকে জড়িয়ে ধরে বলল,
— “মা, আমি তোমায় ভালোবাসি।” ❤️
তখন বুকটা হঠাৎ কেঁপে উঠল...
মনে হল, যদি একবার শুধু একবার — আমিও বলতে পারতাম! 😔

এখন আমি বড় হয়েছি।
জীবনের যুদ্ধ শিখে গেছি।
কিন্তু রাতে যখন চুপচাপ শুয়ে থাকি,
মনে হয় — কেউ এসে আমার কপালে চুমু খেয়ে বলুক,
“ঘুমিয়ে যা মা, আমি আছি।” 🌙

হয়তো আমার মা আছেন —
এই আকাশের ওপারে কোথাও,
আমার প্রতিটি নিঃশব্দ কান্না শুনছেন,
আর ফিসফিস করে বলছেন...
🌷 “আমার মেয়ে, তুমি একা নও — আমি সবসময় তোমার সঙ্গে আছি।” 🌷

---

💫 শেষ কথা 💫

“মা শুধু একজন মানুষ নয়, মা মানে পুরো পৃথিবী।
যার কোলে একবার মাথা রাখলে —
সব কষ্ট, সব ভয় হারিয়ে যায়।” 💖

সবাই এই এই সোফা নিয়ে কথা বলছে,,,, বিভন্ন রকম মন্তব্য করছে,,, তাই আমি চ্যাট জিপিটি কে প্রাশ্ন করেছি সে উত্তর দিয়েছে এটা আ...
04/10/2025

সবাই এই এই সোফা নিয়ে কথা বলছে,,,, বিভন্ন রকম মন্তব্য করছে,,, তাই আমি চ্যাট জিপিটি কে প্রাশ্ন করেছি সে উত্তর দিয়েছে এটা আসলে সোফা না এটা এক ধরনের চিয়ার আচ্ছা ✅ তাহলে বিস্তারিত বলি—

এই সোফা বা চেয়ার (যেটাকে অনেক সময় লাভ চেয়ার/তান্ত্রিক চেয়ার বলা হয়) এর ব্যবহার ও উপকারিতা:

🔹 মূল ব্যবহার

1. রিল্যাক্সেশন ও আরাম

এর ঢেউ খেলানো (wave shape) ডিজাইন শরীরের প্রাকৃতিক বাঁক অনুসরণ করে।

এতে বসলে বা শুলে কোমর, পিঠ আর ঘাড়ে চাপ কম পড়ে।

যারা লম্বা সময় কাজ করেন, তারা এতে বিশ্রাম নিলে অনেকটা আরাম পান।

2. যোগব্যায়াম ও স্ট্রেচিং

বিশেষ করে যোগাসন (Yoga Poses) আর স্ট্রেচিং সহজে করার জন্য এই ডিজাইনটা বানানো।

মেরুদণ্ড সোজা রাখা ও শরীর ফ্লেক্সিবল করতে সাহায্য করে।

3. মেডিটেশন ও রিলাক্স থেরাপি

মেডিটেশনের সময় আরামদায়ক ভঙ্গি ধরে রাখতে সুবিধা হয়।

মানসিক চাপ কমাতে হেলথ থেরাপি সেন্টারেও ব্যবহার হয়।

4. কাপল চেয়ার হিসেবে ব্যবহার

অনেকে ব্যক্তিগত জীবনে দাম্পত্য সম্পর্ককে আরামদায়ক ও আনন্দময় করতে এটা ব্যবহার করে থাকেন।

এর বিভিন্ন বাঁক শরীরকে নানা ভঙ্গিতে আরামে রাখতে সাহায্য করে।

---

🔹 উপকারিতা

পিঠ, কোমর আর ঘাড়ের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

স্ট্রেচিং করার ফলে শরীর ফ্লেক্সিবল হয়।

মানসিক চাপ কমে, রিল্যাক্সেশন পাওয়া যায়।

বসার ঘর বা বেডরুমে আধুনিক ফার্নিচার হিসেবেও দেখতে সুন্দর।

---

মানে, এটা আসলে শুধু বসার জন্য না—আরাম, যোগব্যায়াম, রিলাক্সেশন, এমনকি ব্যক্তিগত সম্পর্ক আরও সুন্দর করার জন্যও ব্যবহার হয়

Address

Joydebpur
Gazipur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jui Api posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share