13/08/2026
আসিফ মাহমুদ যখন উপদেষ্টা, ২০২৫ সালে, তখন তার বাবা ঠিকাদারির লাইসেন্স নেয়।
এইটাকে চাঞ্চল্যকর নিউজ হিসেবে ব্রেক করে জুলকারনাইন সায়ের। এরপর দেশের সব মিডিয়া এইটা নিয়ে নিউজ করে।
প্রেক্ষাপট বুঝেন। কোনো সরকারি কাজ নেয়নি। কাজের আবেদনও করেনি। জাস্ট লাইসেন্স নিয়েছিল।
আর তাতেই তার উপর খড়গ নামিয়ে এনেছিল মিডিয়া। পুরো ন্যাশনাল ইস্যু হয়ে গেছিল এইটা।
অ্যালিগেশন কী?
কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট। আসিফ মাহমুদ মন্ত্রী থাকা অবস্থায় তার বাবা ঠিকাদারি কাজ পেলে সেটাতে পক্ষপাতিত্বের সুযোগ থাকবে।
এটা ন্যাশনাল ইস্যু হিসেবে ট্রিটমেন্ট পেয়েছে। ১০০+ নিউজ হয়েছে। টকশো হয়েছে।
আসিফ মাহমুদ এই ঘটনার পর ক্ষমা চায় এবং নিজে বাবার লাইসেন্স বাতিল করায়।
ফাস্ট ফরোয়ার্ড টু ২০২৬
বিএনপির সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা, ইয়েস তারেক রহমানের চেয়েও প্রভাবশালী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের পুত্র সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ সাম্প্রতিক সময়ে পরে একটা প্রতিষ্ঠান খুলেছে।
জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে ৪০ হাজার কোটি টাকার ২ টা বিশাল ব্রিজ নির্মাণ করতে চায়। এই কাজে তাদের লোকাল পার্টনার কারা? সালাহউদ্দিন পুত্রের কোম্পানি!
প্রেক্ষাপট বুঝেন। সালাহউদ্দিনের ছেলে। ৫০ হাজার টাকার কোনো কাজের অভিজ্ঞতা নেই। জীবনে একটা ড্রেনও বানায়নি। তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে সরকারি কাজ, তাও ৪০ হাজার কোটি টাকার কাজ!
কেন? অভিজ্ঞতা ছাড়া সে কীভাবে পেয়েছে এই কাজ? হিসাব তো সোজা। সে সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে! স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ছেলে।
কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট কি, এখানে তো সরাসরি ইন্টারেস্ট পাচ্ছে সালাহউদ্দিন পুত্র!