28/06/2026
ইরানের সাথে কি হয়েছে আমেরিকাতে যদি আপনারা না জানেন সম্পূর্ণ লেখাগুলো পড়েন তাহলে বুঝতে পারবেন আসলে ইরান ফুটবল দলের সাথে কি ঘটেছে আমেরিকার মাটিতে💔💔😢
একটা ম্যাচ না হারার পরেও ইরানকে হারিয়ে দেওয়া হলো।
সব ম্যাচ ফেলা হইলো আমেরিকায়।
এরপর বলা হইলো, আমেরিকায় থাকার অনুমতি নাই।
সব দল ম্যাচের পর রিল্যাক্স করে, অথচ ইরানকে ম্যাচের পরেই ছুটতে হইতো বিমান ধরতে।
আমেরিকা থেকে বের হয়ে যেতে হবে।
ম্যাচের আগে সব দল বসে যখন প্ল্যান সাজাইসে, তখন ইরানকে প্লেনে উঠে জার্নি করা লাগসে,
চোখের সামনে এত বড় অন্যায় দেখেও ইরান কিন্তু ম্যাচ বা বিশ্বকাপ বয়কট করে নাই,
বরং লড়াই করেছে,
ইরানের ফুটবলাররা এই বিশ্বকাপে এসেছিলেন মাথা ভর্তি লাশের বোঝা নিয়ে,
সুপ্রিম লিডার মারা গেছে, বোমাতে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বাচ্চাদের স্কুল, বেঁচে থাকাই যেখানে বিলাসিতা, সেখানে ফুটবল খেলা অসম্ভবই ছিল।
ইরান সেই অসম্ভবের পাহাড় পায়ে ঠেলেই ফুটবলটা খেলে গেল।
আমেরিকা আর ফিফা সব রকমভাবে চেষ্টা করেছিল, যাতে ইরান বিশ্বকাপটা না খেলে। যে জঘন্য সব শর্ত আর অনিয়ম চাপাইয়া দেওয়া হইছিল শুরুর আগেই, আমেরিকা চায়ই নাই যে ইরান এই বিশ্বকাপ খেলুক।
কিন্তু পারস্য ঘোড়া কি কোনদিন থামে?
সবকিছুর পরেও ইরান বিশ্বকাপ খেলল।
আমেরিকার মাটিতেই খেলল।
এবং প্রতিটা ম্যাচ ড্র করলো।
শুধু তাই না, ম্যাচের পর ইরান আমেরিকা ছাড়ার আগে একটা চিরকুট রেখে যেত।
সেই চিরকুটে লেখা থাকত, আমেরিকা আর হিজ্রেল মিলে কি নৃশংসভাবে ইরানের বাচ্চাদের খুন করেছে।
ইরান প্রতি ম্যাচ শেষে মনে করাইয়া দিত, তোমরা সেই কাপুরুষ, যারা আমাদের পুরুষের সাথে যুদ্ধে না পেরে আমাদের বাচ্চাদের খুন করে এসেছ।
এই যুদ্ধে আমেরিকা চেয়েছিল খামেনিকে মেরে ফেলে দুই দিনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করবে।
খামেনিকে মারতে ওরা পেরেছিল, কিন্তু খামেনির মৃত্যু ইরানকে এক করে ফেলল, এন্ড ট্রাম্প পর্যন্ত এসে স্বীকার করলো, ইরানে হামলা তার ভুল হয়েছে। হিজ্রেলের ৯০%+ মানুষ মনে করে, এই যুদ্ধে ইরান জিতেছে।
ফুটবলেও ইরান আমেরিকা আর ফিফার জন্য একটা লজ্জা হয়েই থাকবে।
যতবার আমেরিকা বা ফিফা বড় বড় কথা বলবে, ততবার মানুষ মনে করাইয়া দেবে, যুদ্ধবিধ্বস্ত এক দেশকে খেলতে না দেওয়ার জন্য এদের ঠিক কতটা ছোটলোকি করতে হয়েছিল।
ইরান হারে নাই।
যুদ্ধেও না, ফুটবলেও না।
বরং ইরানকে জোর করে হারাতে যাইয়া, ওরাই উলটো হাইরা গেছে।