Let's Discuss

  • Home
  • Let's Discuss

Let's Discuss Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Let's Discuss, Social Media Agency, .

27/06/2026
বিয়ে-জন্মদিনে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলেই গুনতে হবে জনপ্রতি ২৫ টাকা দেশে এমন অনেক আইন ও আদেশ আছে, বাস্তবে যার প্রয়োগ নেই। ১...
27/06/2026

বিয়ে-জন্মদিনে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলেই গুনতে হবে জনপ্রতি ২৫ টাকা

দেশে এমন অনেক আইন ও আদেশ আছে, বাস্তবে যার প্রয়োগ নেই। ১৯৮৪ সালে জারি করা ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’ এমনই একটি। সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং অতিথির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার আদেশটি আবার নতুন করে আলোচনায় এনেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম।
দেশে বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং অতিথির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ১৯৮৪ সালে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ, ১৯৮৪’ (দ্য গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার, ১৯৮৪) জারি করা হয়। দেশের সামগ্রিক খাদ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অপচয় রুখতে এই আদেশটি জারি করা হয়েছিল। ব্রিটিশ আমলের ধারাবাহিকতায় এবং ১৯৫৬ সালের ‘দ্য কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট’-এর ৩ (১) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১৯৮৪ সালের ৩ জুলাই বিশেষ এই আদেশটি জারি করে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

আদেশটি আবার নতুন করে আলোচনায় এনেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। ২২ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে অতীতে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ কার্যকর করার আহ্বান জানান।

প্রধান ধারা ও নিয়মাবলি
১০০ জনের বেশি অতিথি নিষিদ্ধ: এই আদেশের মূল শর্ত ছিল, কোনো ব্যক্তি বা আয়োজক বিয়ে, জন্মদিন, আকিকা বা যেকোনো সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে (আয়োজক পরিবার বাদে) চাল বা গমের তৈরি কোনো খাবার পরিবেশন করতে পারবেন না।

বিশেষ অনুমতি ও রাজস্ব: বিশেষ কারণে যদি কোনো অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে খাওয়াতেই হয়, তবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে ‘ফরম-এ’-র মাধ্যমে পূর্ব অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। শুধু তা–ই নয়, ১০০ জনের অতিরিক্ত প্রতি অতিথির জন্য সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জনপ্রতি ২৫ (শুরুতে ছিল ১০) টাকা ফি জমা দিতে হবে।

তদারকি ও তল্লাশির ক্ষমতা: নিয়ম ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তদারকি করার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড কর্মকর্তা কিংবা জেলা প্রশাসক বা ইউএনও মনোনীত যেকোনো সরকারি কর্মকর্তাকে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও তল্লাশি করার আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

শাস্তি
১৯৫৬ সালের মূল আইনের আওতায় এই আদেশ অমান্য করা দণ্ডনীয় অপরাধ। নিয়ম ভাঙলে অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং যে স্থানে অনুষ্ঠানটি হচ্ছে (যেমন কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হল) তার মালিকের জরিমানা এবং ক্ষেত্রবিশেষে কারাদণ্ডের বিধান ছিল।

সংশোধনী
২০০৩ সালে এই আদেশে একটি সংশোধনী আনা হয়। মিলাদ মাহফিল, ইফতার পার্টি, কুলখানি, চেহলাম, ওরস বা শ্রাদ্ধের মতো বিশুদ্ধ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোকে অতিথির বাধ্যবাধকতা বা অতিরিক্ত ফির আওতামুক্ত করা হয়।

বর্তমান পরিস্থিতি
আদেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা না হলেও যথাযথ প্রয়োগ এবং নজরদারির অভাবে বর্তমানে এটি প্রায় নিষ্ক্রিয়। রেস্তোরাঁ, কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন সেন্টারে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হলেও অনুমতি নেওয়া বা ফি দেওয়ার নিয়মটি এখন আর চর্চা করা হয় না।
দেশে এমন অনেক আইন ও আদেশ আছে, বাস্তবে যার প্রয়োগ নেই।

"May us  home be filled with laughter, our  heart with gratitude, and our plate with sweets! Happy Eid!"
28/05/2026

"May us home be filled with laughter, our heart with gratitude, and our plate with sweets! Happy Eid!"

ঈদের ছুটিতে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখতে হবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশপবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ব্যাংকের এটিএম বুথে প...
10/03/2026

ঈদের ছুটিতে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখতে হবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ব্যাংকের এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকার রাখার জন্য সব ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইতিমধ্যে তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শীর্ষ নির্বাহীদের এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ঈদের সময় বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকার তোলার চাহিদা বাড়ে। এটিএম বুথের সামনে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। অনেক সময় বুথে টাকা থাকে না।

শুধু এটিএম নয়, পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), কিউআর কোড, ইন্টারনেট ব্যাংক, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এবার দেখা যাক, বাংলাদেশ ব্যাংকের গতকালের নির্দেশনায় কী আছে:

১. এটিএমের ক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিত করা; কোনো ধরনের কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা; বুথে পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহ নিশ্চিত করা; বুথে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা; প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কর্মকর্তারা বুথ পরিদর্শন করবেন।

২. পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), কিউআর কোডের ক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক লেনদেন সেবা নিশ্চিত করা; জাল–জালিয়াতি রোধে মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের সচেতন করা।

৩. ইন্টারনেট ব্যাংকিং অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে হিসাবের মাধ্যমে সম্পাদিত লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়েতে কার্ডভিত্তিক কার্ড ‘কার্ড নট প্রেজেন্ট’ লেনদেনের ক্ষেত্রে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবস্থা আবশ্যিকভাবে নিশ্চিত করা; ‘৮৫’ রেসপন্স কোড–সংবলিত লেনদেনের সেটেলমেন্ট রিপোর্ট পাওয়ার পর রিসিভিং ব্যাংক কর্তৃক নিজ উদ্যোগে তাৎক্ষণিকভাবে বেনিফিসিয়ারি গ্রাহকের হিসাবে ফান্ড ক্রেডিট করা।

৪. মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) ক্ষেত্রে এমএফএস প্রদানকারী সব ব্যাংক বা তাদের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি কর্তৃক নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন এবং এজেন্ট পয়েন্টে পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করা।

৫. বিবিধ: ক) ঈদের ছুটিকালীন সময়ে পরিশোধ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক উপর্যুক্ত সেবার আওতার সিস্টেমসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ ঝুঁকি মোকাবিলা করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। খ) ওপরে উল্লেখিত সেবার আওতায় যেকোনো অঙ্কের লেনদেনের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে এসএমএস অ্যালার্ট সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহকগণকে অবহিত করা। গ) ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সব ধরনের পরিশোধ সেবার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য গণমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করা। গ) সব লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো অবস্থাতেই গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হয়, তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন সহায়তা দেওয়া।

To know more:https://www.prothomalo.com/business/bank/7qvkdg1kjx

অনলাইনে রিটার্ন জমা ৪০ লাখ ছাড়াল, ৪০ লাখ টাকার বেশি আয় ৩৪ হাজার করদাতারঅনলাইন আয়কর রিটার্ন জমাকারী করদাতার সংখ্যা ৪০ লাখ...
04/03/2026

অনলাইনে রিটার্ন জমা ৪০ লাখ ছাড়াল, ৪০ লাখ টাকার বেশি আয় ৩৪ হাজার করদাতার
অনলাইন আয়কর রিটার্ন জমাকারী করদাতার সংখ্যা ৪০ লাখ পেরিয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ৫০ লাখ করদাতা ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন নিয়েছেন। আজ এই মাইলফলক অতিক্রম করেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এনবিআর আরও বলছে, ৪০ লাখ টাকার বেশি আয় দেখিয়েছেন, এমন পুরুষ করদাতার সংখ্যা ২৯ হাজার ৮০ ও নারী করদাতার সংখ্যা ৫ হাজার ১১৭। সব মিলিয়ে ৪০ লাখ টাকার বেশি আয় করেছেন ৩৪ হাজার ১৯৭ জন করদাতা।

এ ছাড়া ৫ লাখ টাকার বেশি, কিন্তু ১০ লাখ টাকার কম আয় দেখিয়েছেন, এমন পুরুষ করদাতার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৯৫৪ ও নারী করদাতার সংখ্যা ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৩৭। ১০ লাখ টাকার বেশি, কিন্তু ২০ লাখ টাকার কম আয় দেখিয়েছেন, এমন পুরুষ করদাতার সংখ্যা ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৮৩ ও নারী করদাতার সংখ্যা ৪৭ হাজার ৫৩২। ২০ লাখ টাকার বেশি, কিন্তু ৪০ লাখ টাকার কম আয় দেখিয়েছেন, এমন পুরুষ করদাতার সংখ্যা ৫৪ হাজার ২১২ ও নারী করদাতার সংখ্যা ১১ হাজার ৪৫৫।

এ ছাড়া সম্পদের পরিমাণ সারচার্জ আরোপযোগ্য হওয়ায় ৩৯ হাজার ৩৬৩ জন পুরুষ করদাতা ও ১১ হাজার ৬৫ জন নারী করদাতা সারচার্জ পরিশোধ করেছেন।

এনবিআর আরও বলছে, দাখিল করা ই–রিটার্নের মধ্যে ২৮ লাখ ৬৬ হাজার ৬১৮ জন পুরুষ ও ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৩ জন নারী করদাতা। করযোগ্য সীমার নিচে আয় দেখিয়েছেন, এমন পুরুষ করদাতার সংখ্যা ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৬৩০ ও নারী করদাতার সংখ্যা ৭ লাখ ৬৫ হাজার ১৯৭। এর মানে ২২ লাখের বেশি করদাতা রিটার্ন জমা দিলেও কোনো কর দেননি।

Address


1703

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Let's Discuss posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share