Desh News BD

Desh News BD সততা, সচ্ছতা ও ন্যায়-নিষ্ঠ প্রচার মাধ্যম, ২৪ ঘন্টা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার-ই মুল লক্ষ্য,

 #মুক্তিযুদ্ধে_বাংলাদেশী_শহীদের_সংখ্যা_দুই_হাজারের  কাছাকাছি!   ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশী শহীদের সংখ্যা দুই...
17/08/2026

#মুক্তিযুদ্ধে_বাংলাদেশী_শহীদের_সংখ্যা_দুই_হাজারের কাছাকাছি!

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশী শহীদের সংখ্যা দুই হাজারের কাছাকাছি। এটাই সত্যি। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পত্রিকা দ‍্য গার্ডিয়ানের ১৯৭২ সালের ৬ জুনে প্রকাশিত শেখ মুজিবের আমলে জরিপে ২০০০ (দুই হাজার) টি পরিবার তাদের স্বজন হারানোর দাবী করেন বলে প্রকাশ করেন পৃথিবীর নামজাদা সাংবাদিক এবং সাংবাদিকতার শিক্ষক উইলিয়াম ড্রামন্ড। বর্তমানে উনার বয়েস ৮২ বছর হলেও তিনি এখনো দুনিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক সাংবাদিকতার শিক্ষকদের একজন হয়ে এখনো নিজের পেশায় নিয়োজিত আছেন।

নিম্নে তাঁর প্রকাশিত কয়টি লাইনঃ

William Drummond — “The Missing Millions”
The Guardian, 6 June 1972

“Since the third week of March, when the Inspector General’s office in the Bangladesh Home Ministry began its field investigations, there have been about 2,000 complaints from citizens about deaths at the hands of the Pakistan Army.”
Story of Bangladesh
“My judgement, based on numerous trips around Bangladesh and extensive discussions with many people at the village level as well as in the government, is that the three million deaths figure is an exaggeration so gross as to be absurd.”

#উইলিয়াম_ড্রামন্ড ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৪, ওকল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া, একজন আমেরিকান সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ এবং ইউসি বার্কলি গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব জার্নালিজমের অধ্যাপক। তিনি এখনও সক্রিয়ভাবে পড়াচ্ছেন এবং গবেষণা/প্রকল্পে জড়িত।
তিনি ওকল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলি থেকে জার্নালিজমে বিএ (সম্মানসহ, ১৯৬৫)।
কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব জার্নালিজম থেকে এমএস (সম্মানসহ, ১৯৬৬)।
পরে ইউসিএলএ-তে অর্থনীতিতে কিছু পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট কাজও করেছেন।
১৯৬৬–১৯৬৭: দ্য লুইভিল কুরিয়ার-জার্নাল-এ স্টাফ রাইটার; সিভিল রাইটস মুভমেন্ট কভার করেন।
১৯৬৭–১৯৭৬ লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস-এ স্থানীয় রিপোর্টার, অ্যাসিস্ট্যান্ট মেট্রোপলিটন এডিটর; পরে নিউ দিল্লি ব্যুরো চিফ (১৯৭১–৭৪, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও ভারতের পারমাণবিক বিস্ফোরণসহ গুরুত্বপূর্ণ কভারেজ) এবং জেরুজালেম ব্যুরো চিফ (১৯৭৪–৭৬)। পরে ওয়াশিংটন ব্যুরোতে কাজ করেছেন।
১৯৭৬–১৯৭৭: হোয়াইট হাউস ফেলো (প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ড কর্তৃক নিয়োগ)। স্টেট ডিপার্টমেন্টে হেনরি কিসিঞ্জারের সঙ্গে কাজ; পরে প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের অ্যাসোসিয়েট প্রেস সেক্রেটারি।
১৯৭৭–১৯৭৯: লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস-এর ওয়াশিংটন ব্যুরোতে ফিরে যান।

-- বরাবর ৫৪ বছর ধরে বাংলাদেশের কোনো সরকারই কেন মুক্তিযুদ্ধের শহীদের সংখ্যা কত তা প্রকাশ করেনা? কেন শহীদের সংখ্যা যুদ্ধের পুরোটা সময় দেশে না থেকে পাকিস্তানের করাচি থাকা শেখ মুজিব দেশ স্বাধীনের পর বাংলাদেশে এসে ৩০ লাখ বললে সেটাই ঊনবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগে আজো মেনে নেয়া হচ্ছে?
এই প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে গেলে উপরের দিকে থুথু ছিটালে নিজের শরীরেই এসে পড়ে বলেই কেউ সে সাহস দেখায়না। একদিকে শেখ মুজিব নিজের প্রধানমন্ত্রী হবার জন্যে মরিয়া, তিনি কথা চালাচালি করে যাচ্ছিলেন ইয়াহিয়া ও ভুট্রুর সঙ্গে।অপরদিকে মুজিবের দল আওয়ামীলীগ ও ভারত-বাংলাদেশের হিন্দুদের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে থাকা নিরিহ নিরপরাধ পাকিস্তানি ও বিহারীদের সব প্রতিষ্ঠান দখলের পাশাপাশি গণহত্যা, গণধর্ষণ, লুটপাট করতে থাকে।তখন কিন্তু যুদ্ধ আরম্ভ হয়নি। সবচেয়ে বেশী হত‍্যালীলা চলে মুজিবের ৭ মার্চের ভাষণের পর। ওই ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছাত্রলীগ, আওয়ামীলীগ, বাংলাদেশের হিন্দুদের একটা অংশ এবং ভারতীয়রা কৌশলে বাংলাদেশে ঢুকে হত‍্যালীলা চালায় বাংলাদেশে থাকা পাকিস্তানি নাগরিক ও বিহারীদের ওপর।
পাকিস্তান সরকার মুজিবের কাছে কারণ জানতে চাইলে মুজিব কোনো জবাব দিতে পারেননি। এভাবেই আওয়ামীলীগ ও ভারত বাংলাদেশের হিন্দুরা মিলে পাকিস্তানের নাগরিক ও বিহারীদের গণহত্যা করতে থাকে বরাবর ২৫ মার্চ পর্যন্ত।মুজিব এইসব গণহত্যা দেখে বারবার অনুরোধ করলেও তার দলের লোক ও হিন্দুরা শোনেনি তার কথা। এরপরই নিরুপায় মুজিব স্বইচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তান চলে যায়।
এই বিহারীরা কেউই পাকিস্তানি ছিলোনা। তাদের ভাষা উর্দু হবার কারণেই তাদেরকে গণহত্যা করে আওয়ামীলীগ ভারত ও বাংলাদেশের হিন্দুরা সহ মিলে। বিহারীরা সবাই ছিলো ভারতের বিহার অঙ্গরাজ্যের। হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গায় হিন্দুরা লাখ লাখ মুসলমানদের গণহত্যা করে। বেঁচে যাওয়া অনেক বিহারী পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তান চলে আসে পাকিস্তান স্বাধীন হলে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের আগে বাংলাদেশে ১৩ লাখের বেশী বিহারী থাকলেও যুদ্ধের পর বাংলাদেশে বিহারী পাওয়া যায় ৩ লাখের কিছু বেশী। বিহারীরা ভারত থেকে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে এসেও গণহত্যার শিকার হয় তাদের বাংলাদেশী মুসলমান ভাইদের হাতে, যারা শত্রু হিন্দুদের সঙ্গে নিয়েই তাদেরকে হত‍্যা করে।
আর বাংলাদেশ অংশে পাকিস্তানের উঁচু শিক্ষিত অনেক চাকুরীজীবি, ব‍্যবসায়ী, প্রতিষ্ঠানের মালিক ও বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিতদের সবাইকেই গণহত্যা, নারীদের গণধর্ষণ ও তাদের টাকা-পয়সা, সম্পদ, প্রতিষ্ঠান লুটপাটের পর গণহত্যা করা হয় সবাইকেই। উল্লেখ্য যে, তখনো কিন্তু যুদ্ধ শুরু হয়নি। পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলো এইসব অপরাধ বন্ধ করাতে, কিন্তু কোনো কাজেই আসেনি সরকারের কোনো উদ্যোগ। এরপর সেনাবাহিনী আক্রমণে নামে ২৫ মার্চ রাতে।
বাংলাদেশের বেশীরভাগ গণহত্যার গণকবর বধ‍্যভূমিতে আছে নিরীহ পাকিস্তানি নাগরিক ও বিহারীদের লাশ, যাদের মধ্যে অসংখ্য শিশুও আছে। জীবিত থাকতে না দিয়ে তাদেরকে গণহত্যা করে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর নামে চালিয়ে দিয়ে এখন ওই মৃত লাশকে শ্রদ্ধা জানানো হয় বাংলাদেশী শহীদ মনে করে!যদিও সব বধ‍্যভূমির চিত্র একইরকম নয়।

এজন্যেই আজ ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো সরকার শহীদদের সংখ্যা জরিপ করে প্রকাশ করেনা। কারণ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস লিখতে গেলে প্রথমেই গণহত্যার ও ধর্ষণের দায় বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ ও হিন্দুদের ওপর চলে আসে।যদিও যুদ্ধ শুরু হলেই এই আওয়ামীলীগ ও হিন্দুরা সবাই ভারতে পালিয়ে যায়। যদি যুদ্ধে শহীদের সংখ‍্যা প্রকাশ করা হয়, তাহলে সেটা কত হবে? তার মধ্যে বাংলাদেশী কতজন হবে?১০ লাখ বিহারী ও পাকিস্তানের নাগরিকদের সংখ‍্যা কি এসেই যাবেনা?

বিএনপি তাদের ইশতেহারের ৩১ দফার ২২ নাম্বার দফায় বলেছে তারা যুদ্ধে শহীদের সংখ্যা, ধর্ষিতাদের সংখ্যা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক সংখ্যা নির্ণয় করে প্রকাশ করবে। এটা যে করবেনা বিএনপি তার প্রমাণ পাওয়া যায় যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধা হত‍্যাকারী খুনি মুজিব বাহিনীর সদস্য ফজলুর রহমানের কথাতেই, তিনি এখনো ৩০ লাখ শহীদ ও দুই লাখ নারী ধর্ষণের সংখ্যা প্রতিদিন সরাসরি ও টকশোতে বলে থাকেন। শুধু তাই নয়, তাকে তারেক রহমান মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের ওই দায়িত্বে নিয়োজিত রেখেছেন যারা শহীদের সংখ্যা নির্ণয়ের ভূমিকায় থাকবেন! ফলে, বিএনপি শহীদের সংখ্যা প্রকাশ করার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে আমরা ধরেই নেবো ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ বাংলাদেশীর সংখ্যা ২০০০ (দুই হাজার )ই। যুদ্ধের সময় াজার_মুক্তিযোদ্ধা_অংশ নিলেও ৫৫ বছর পর এখনো কেউ মরেনি, শুধু দিন দিন মুক্তিযোদ্ধা বৃদ্ধি পেতে পেতে বর্তমানে ভাতাপ্রাপ্ত #মুক্তিযোদ্ধার_সংখ্যা_আড়াই_লাখ! শহীদের সংখ্যা ৩০ লাখ আর ধর্ষণের শিকার দুই লাখ মানতেই হবে!
এখনো ইচ্ছে করলে এক সপ্তাহের মধ্যেই শহীদের সংখ্যা বের করা সম্ভব। এখনো দেশের প্রত‍্যেক এলাকায় কিছু চাক্ষুস মোরব্বি বেঁচে আছেন যারা তাদের এলাকার শহীদ হওয়াদের সংখ্যা জানার কথা। কিন্তু সংখ্যা নির্ণয়ের তেমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছেনা। তাই আমি বিশ্বাস করি সাংবাদিক #উইলিয়াম_জো_ড্রামেন্ডের পরিসংখ্যান। বতর্মান পৃথিবীতে জীবিত থাকা সবচেয়ে অভিজ্ঞ সাংবাদিকের সংখ্যা ততদিন পর্যন্ত আমার কাছে সঠিক সংখ্যা হিসেবেই গণ‍্য থাকবে যতদিন সরকার জরিপ চালিয়ে শহীদের সঠিক সংখ্যা প্রকাশ না করবে।

Abdul Quddush Paban.. ভাইয়ের বিশ্লেষণ থেকে কপিকৃত সংবাদ!
প্রকাশিত হয়...
১৫ আগষ্ট, শনিবার।

এসএসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ন শিকার্থী সংখ্যাব।
10/08/2026

এসএসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ন শিকার্থী সংখ্যাব।

অবিশ্বাস্য বটে!
10/08/2026

অবিশ্বাস্য বটে!

দেশ নিউজ বিডি: স্টাফ রিপোর্টার: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া গত ১ জুলাই থেকে শুরু হ...
06/07/2026

দেশ নিউজ বিডি: স্টাফ রিপোর্টার:
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া গত ১ জুলাই থেকে শুরু হলেও এ-সংক্রান্ত গেজেট এখনো প্রকাশিত হয়নি। তবে প্রাথমিক খসড়ায় বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় আর সব গ্রেডে সমান হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হবে না; বরং গ্রেডভেদে ভিন্ন হারে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে। গেজেট জারির পরই নতুন কাঠামো কার্যকর হবে।
গ্রেডভিত্তিক ইনক্রিমেন্টের প্রস্তাব
প্রাথমিক খসড়া অনুযায়ী—
৬ষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেড: মূল বেতনের ৫% বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট।
৫ম গ্রেড: ৪% ইনক্রিমেন্ট।
৩য় ও ৪র্থ গ্রেড: ৩.৫% ইনক্রিমেন্ট।
২য় গ্রেড: ২.৭৫% ইনক্রিমেন্ট।
১ম গ্রেড: আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হবে।
বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের সব গ্রেডেই গড়ে ৫ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট কার্যকর রয়েছে।
মতামতের ভিত্তিতেই পরিবর্তনের উদ্যোগ
সরকারি সূত্র জানায়, নতুন ইনক্রিমেন্ট কাঠামো নির্ধারণের আগে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ সরকারি চাকরিজীবী, ৬১ হাজার ৫০০ সাধারণ নাগরিক এবং ৩ হাজার ৫১৩টি প্রতিষ্ঠানের প্রধানের মতামত নেওয়া হয়।
জরিপে দেখা যায়—
মাত্র ৫.৬ শতাংশ উত্তরদাতা বিদ্যমান ইনক্রিমেন্ট পদ্ধতির পক্ষে মত দিয়েছেন।
৫০.৪৩ শতাংশ উত্তরদাতা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইনক্রিমেন্ট নির্ধারণের পক্ষে মত দেন।
৩১.৫৪ শতাংশ উত্তরদাতা জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ইনক্রিমেন্টের পক্ষে মত দেন।
৭৯.৫ শতাংশ উত্তরদাতার মতে, ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি হওয়া উচিত।
ভাতার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন
জাতীয় বেতন কমিশন চিকিৎসা ভাতা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা করার সুপারিশ করলেও সরকার তা ৩ হাজার টাকা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এছাড়া সন্তানদের শিক্ষা ভাতা কমিশনের প্রস্তাবিত ২ হাজার টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
গেজেট প্রকাশের অপেক্ষা
নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রস্তাবিত কাঠামো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। গেজেট প্রকাশের পরই ইনক্রিমেন্ট, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তাই সরকারি চাকরিজীবীদের এখন গেজেট প্রকাশের দিকেই নজর রয়েছে।

১৯০ কিলোমিটার দূর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আকাশেই ইউক্রেনের মিগ-২৯ ধ্বংসের দাবি রাশিয়ারদেশ নিউজ বিডি: আন্তর্জাতিক ডেস্ক...
28/06/2026

১৯০ কিলোমিটার দূর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আকাশেই ইউক্রেনের মিগ-২৯ ধ্বংসের দাবি রাশিয়ার

দেশ নিউজ বিডি: আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইউক্রেনের পোলতাভা অঞ্চলে দেশটির একটি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে রাশিয়ার সুখোই সু-৩৫এস যুদ্ধবিমান। রুশ পক্ষের দাবি, প্রায় ১৯০ কিলোমিটার দূর থেকে ছোড়া দূরপাল্লার আর-৩৭এম ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আকাশেই ধ্বংস হয় ইউক্রেনীয় যুদ্ধবিমানটি। এত দীর্ঘ দূরত্ব থেকে যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের এই দাবি আন্তর্জাতিক সামরিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। আধুনিক বিমানযুদ্ধের ইতিহাসে ফাইটার-টু-ফাইটার ভূপাতিতের ঘটনাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম দীর্ঘ-পাল্লার হামলা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষও পোলতাভা অঞ্চলে একটি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে তারা জানিয়েছে, বিমানের পাইলট সময়মতো ইজেক্ট করতে সক্ষম হন এবং প্রাণে বেঁচে যান।
রাশিয়াপন্থী সামরিক সূত্র ও উন্মুক্ত গোয়েন্দা বিশ্লেষকদের দাবি অনুযায়ী, রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলের আকাশসীমা থেকে একটি সু-৩৫এস যুদ্ধবিমান আর-৩৭এম এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ক্ষেপণাস্ত্রটি ইউক্রেনের মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানকে আঘাত করে ভূপাতিত করে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, বেলগোরোদের পশ্চিমাঞ্চল থেকে পোলতাভা অঞ্চলের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর সরলরৈখিক দূরত্ব প্রায় ১৮৫ থেকে ১৯০ কিলোমিটার। ফলে ঘটনাটি দূরপাল্লার আকাশযুদ্ধের ক্ষেত্রে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাশিয়া এখন নিরাপদ আকাশসীমায় নিজেদের যুদ্ধবিমান অবস্থান করিয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, স্থলভিত্তিক রাডার এবং সুরক্ষিত ডেটা লিংকের সমন্বয়ে নেটওয়ার্কভিত্তিক যুদ্ধ কৌশল ব্যবহার করছে।
আর-৩৭এম ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে রাশিয়া ইউক্রেনের পুরোনো মিগ-২৯ ও সু-২৭ যুদ্ধবহরের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে। পশ্চিমা দেশগুলোর সরবরাহকৃত নির্ভুল অস্ত্র বহনে এসব যুদ্ধবিমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো ভিডিও ফুটেজ বা ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশিত হয়নি, যা নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করে যে বিমানটি আর-৩৭এম ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ভূপাতিত হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, রাশিয়ার সুখোই-৫৭ এবং মিগ-৩১বিএম যুদ্ধবিমান দীর্ঘ দূরত্ব থেকে ইউক্রেনীয় যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে আর-৩৭এম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে।
একই বছরে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য কনভারসেশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার মিগ-৩১ ও সুখোই-৫৭ যুদ্ধবিমান রুশ আকাশসীমার ভেতর থেকেই ২০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে অবস্থান করা ইউক্রেনীয় যুদ্ধবিমানে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে।
রুশ সংবাদমাধ্যম স্পুটনিককে দেওয়া এক সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ইউক্রেন যুদ্ধে আর-৩৭এম ক্ষেপণাস্ত্র সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্রগুলোর একটি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ওই সূত্রের ভাষ্যমতে, লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি এবং একটি ক্ষেপণাস্ত্রই একটি যুদ্ধবিমান ধ্বংসে যথেষ্ট।
বিশ্লেষকদের মতে, সুখোই-৩৫ যুদ্ধবিমান দূরপাল্লার আকাশযুদ্ধে কার্যকর হলেও এর নিজস্ব রাডার মিগ-৩১বিএম-এর তুলনায় কিছুটা কম শক্তিশালী। ফলে সর্বোচ্চ পাল্লায় আঘাত হানতে এটি প্রায়ই আকাশভিত্তিক আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা বা স্থলভিত্তিক রাডার নেটওয়ার্কের সহায়তা গ্রহণ করে।
তবে সুখোই-৩৫-এর ইরবিস-ই রাডারকে অত্যন্ত শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এর লক্ষ্য শনাক্তকরণ ক্ষমতা অনেক পশ্চিমা যুদ্ধবিমানের রাডারের চেয়েও উন্নত। যদিও এটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নয়, তবুও এর বড় আকার ও উচ্চ ক্ষমতা যুদ্ধক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সুবিধা প্রদান করে।

বিদ্রোহের অগ্নিশিখা: কাজী নজরুল ইসলামবাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে যে কজন মহান ব্যক্তি যুগে যুগে মানুষের হৃদয়ে অমর হ...
24/05/2026

বিদ্রোহের অগ্নিশিখা: কাজী নজরুল ইসলাম
বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে যে কজন মহান ব্যক্তি যুগে যুগে মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি শুধু একজন কবি নন, তিনি ছিলেন সাম্য, মানবতা, প্রেম ও বিদ্রোহের প্রতীক। তাঁর লেখনী অন্যায়ের বিরুদ্ধে বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে, আবার প্রেম ও মানবতার বাণীতেও হয়েছে কোমল ও স্নিগ্ধ। তাই বাংলার মানুষ তাঁকে ভালোবেসে “বিদ্রোহী কবি” নামে অভিহিত করেছে।
১৮৯৯ সালের ২৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও সাহসী। দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম করেও তিনি সাহিত্যচর্চা চালিয়ে যান। কৈশোরে মসজিদে মুয়াজ্জিনের কাজ করেছেন, লেটো দলে গান লিখেছেন, অভিনয় করেছেন এবং পরবর্তীতে সেনাবাহিনীতেও যোগ দিয়েছিলেন। জীবনের এসব অভিজ্ঞতা তাঁর সাহিত্যকে করেছে বৈচিত্র্যময় ও শক্তিশালী।
নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মূল শক্তি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’ বাংলা সাহিত্যে এক নতুন জাগরণের সৃষ্টি করে। তিনি লিখেছিলেন—
“বল বীর— বল উন্নত মম শির!”
এই কাব্যধ্বনি শুধু কবিতার পঙ্‌ক্তি নয়, বরং বাঙালির আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছিল। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে তাঁর লেখনী ছিল অত্যন্ত প্রেরণাদায়ক। তাঁর সম্পাদিত ‘ধূমকেতু’ পত্রিকা তৎকালীন শাসকদের বিরুদ্ধে সাহসী কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছিল।
নজরুলের কিছু অমর স্মৃতি
কবি নজরুলের জীবনে এমন কিছু ঘটনা রয়েছে, যা আজও মানুষের হৃদয়ে গভীর আবেগ সৃষ্টি করে। একবার ব্রিটিশ সরকার তাঁর লেখার কারণে তাঁকে কারাগারে বন্দি করে। কারাগারে থেকেও তিনি মাথা নত করেননি। অন্যায়ের প্রতিবাদে তিনি টানা অনশন শুরু করেছিলেন। সেই সময় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে অনশন ভাঙার আহ্বান জানিয়ে বার্তা পাঠান। এই ঘটনা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে আছে।
আরেকটি স্মরণীয় ঘটনা হলো—নজরুল ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি যেমন ইসলামী গান লিখেছেন, তেমনি শ্যামাসংগীত ও ভক্তিগীতিও রচনা করেছেন। ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে তিনি মানুষকে ভালোবাসার শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর সেই অমর বাণী আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক—
“গাহি সাম্যের গান— মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান।”
নজরুল ছিলেন সাম্যের কবি। ধর্ম, বর্ণ, জাতিভেদ ভুলে মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্বের ডাক দিয়েছেন তিনি। তাঁর গান, কবিতা ও প্রবন্ধে মানবতার জয়গান ধ্বনিত হয়েছে বারবার। ইসলামী সংগীত, শ্যামাসংগীত, ভক্তিগীতি, প্রেমের গান—সব ক্ষেত্রেই তিনি অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধেও নজরুলের কবিতা ও গান মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। স্বাধীনতার পর তাঁকে বাংলাদেশে এনে জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়। তাঁর সাহিত্য আজও মানুষের হৃদয়ে সাহস, প্রেম ও ন্যায়ের বোধ জাগিয়ে তোলে।
আজ তাঁর জন্মজয়ন্তীতে আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এই মহান কবিকে। তাঁর আদর্শ, সাহস ও মানবতার শিক্ষা আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে চিরকাল। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বেঁচে থাকবেন তাঁর অমর সৃষ্টি ও মানুষের ভালোবাসার মধ্য দিয়ে যুগ যুগান্তর।

রামিসা হত্যাকাণ্ডে উত্তাল বাংলাদেশনিজেশ্ব প্রতিবেদক,  অপরাধ বিশ্লেষণ: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে রাজপথ—সর্বত্র ক্ষোভ, বি...
20/05/2026

রামিসা হত্যাকাণ্ডে উত্তাল বাংলাদেশ
নিজেশ্ব প্রতিবেদক, অপরাধ বিশ্লেষণ:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে রাজপথ—সর্বত্র ক্ষোভ, বিচার দাবিতে সোচ্চার জনতা
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের নির্মম হত্যা দেশজুড়ে সৃষ্টি করেছে তীব্র শোক, ক্ষোভ ও আতঙ্ক। দ্বিতীয় শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, আলেম-ওলামা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা রামিসার হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিশুটিকে হত্যার আগে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত ও কেমিক্যাল রিপোর্টের পর বিস্তারিত নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ঘটনাটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী আলী আসগর ইমন নিজের পোস্টে লেখেন,
“রামিসা আমাদের সন্তান। দেশটা এমনভাবে অপরাধের ডেরা হতে পারে না। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ এক হন, আওয়াজ তুলুন।”
তার এই বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং হাজারো মানুষ একই সুরে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বিশিষ্ট ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সাত বছরের মেয়েও যাদের কাছে নিরাপদ নয়, তারা মানুষ নয়, নরপিশাচ।” তার এই বক্তব্যও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।
এদিকে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও সামাজিক সংগঠন রাজধানীতে বিক্ষোভ, মশাল মিছিল ও মানববন্ধনের ঘোষণা দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম রামিসার জন্য ন্যায়বিচার দাবি করে বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—দেশে শিশু ও নারীর নিরাপত্তা কোথায়? বারবার এমন নৃশংস ঘটনার পরও কেন অপরাধ কমছে না? কেউ কেউ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
মানবাধিকারকর্মীদের মতে, রামিসা হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে। তারা বলছেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে আরও কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এমন অপরাধ প্রতিরোধ সম্ভব নয়।

শেরপুর উপজেলার সকল ইউনিয়নে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণাদেশ নিউজ বিডি: নিজস্ব প্রতিনিধি, বগুড়া:আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ...
14/05/2026

শেরপুর উপজেলার সকল ইউনিয়নে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা
দেশ নিউজ বিডি: নিজস্ব প্রতিনিধি, বগুড়া:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে ।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ৮টায় হামছায়াপুরস্থ দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোঃ দবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সেক্রেটারি প্রভাষক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মোস্তাফিধ নাসিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা মোঃ আব্দুল হাকিম। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
ঘোষিত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন—
• কুসুম্বী ইউনিয়ন — মোঃ আব্দুল হাই
• গাড়িদহ ইউনিয়ন — সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ আঃ ছাত্তার
• খামারকান্দি ইউনিয়ন — সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মতিন
• খানপুর ইউনিয়ন — মোঃ আব্দুল খালেক ফকির
• মির্জাপুর ইউনিয়ন — হাফেজ মাওলানা মোঃ জহুরুল ইসলাম
• বিশালপুর ইউনিয়ন — মোঃ আঃ ছাত্তার
• ভবানীপুর ইউনিয়ন — অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম
• সুঘাট ইউনিয়ন — মোঃ লুৎফর রহমান
• সীমাবাড়ী ইউনিয়ন — মাওলানা মোঃ ইমাম হোসাইন
• শাহ্ বন্দেগী ইউনিয়ন — মাওলানা মোঃ কাউছার আলী
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মোঃ আব্দুল বাছেদ। এছাড়াও উপজেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন, সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতেই যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচনে সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

Address

Dhaka
Gazipur
1702

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Desh News BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share