DUETian Voice

DUETian Voice Proud to be a DUETian

বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬
21/06/2026

বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬

03/06/2026
We believe in reality not speech!
01/06/2026

We believe in reality not speech!

এই ধারা অব্যাহত থাকুক
01/06/2026

এই ধারা অব্যাহত থাকুক

22/05/2026

"যুদ্ধ শুরু হলে রাজনীতিবিদেরা অস্ত্র দেয়, ধনীরা রুটি দেয় আর গরিবেরা তাদের ছেলেদের দেয়। যুদ্ধ শেষ হলে রাজনীতিবিদেরা হাত মেলায়, ধনীরা রুটির দাম বাড়ায় আর গরিবেরা তাদের সন্তানের কবর খুঁজে বেড়ায়!"

ডুয়েটের প্রেক্ষাপটে উপরের উক্তি থেকে কে কোন অবস্থানে আছেন নিজে উপলব্ধি করে আগামীতে আন্দোলনে আসবেন।

ডুয়েটের ভিসি স্যার জয়েন করেছে, তিনি আছেন, তিনি থাকবেন। রাষ্ট্রের #সর্বোচ্চ পর্যায় যেহেতু বিষয়টি #রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে জানে, তাই কোনো অবস্থাতেই এই ভিসি স্যার সরছে না। তাই আন্দোলন করে নিজেদের ক্যারিয়ার ঝুঁকির মধ্যে ফেলা ছাড়া খুব বেশি লাভ হবে বলে মনে করি না।

বর্তমানে সবাই নিজেকে বিপ্লবী ভাবে, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তকে মবের মাধ্যমে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে চায়। কিন্তু রাষ্ট্র তার গতিতে , তার সেটাপে এগিয়ে যাবে। যারা রাষ্ট্রের কাজে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়, তাদের তথ্য রাষ্ট্রের গোয়েন্দারা জায়গামতো পৌঁছায়। ডুয়েটের প্রায় সবার ই সরকারী চাকুরী করার স্বপ্ন থাকে, সরকারি চাকরিতে ভেরিফিকেশন নামে কিছু একটা কিন্তু আছে,, আপনি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন। রাষ্ট্র নিশ্চয় বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখবে। এখন সরকারি চাকরির সেই স্বপ্নের পেরেক আপনি নিজেই মেরে দিচ্ছেন কিনা ভেবে দেখবেন!

আপনি সাধারণ শিক্ষার্থী, আপনি পড়াশোনা করে সরকারি চাকরি করবেন। ডুয়েট প্রশাসনে কে কোথায় বসবে না বসবে এটা রাজনৈতিক ইস্যু, এটা ওদের হাতেই ছেড়ে দেন। দিনশেষে কেউ কারো না, আপনার বিপদে একমাত্র আপনার বাবা মা ই পাশে থাকবে। আপনার বাবা মার স্বপ্ন পূরণে, পরিবার ও সমাজের পাশে দাঁড়াতে আপনি দূরদর্শী হবেন এই প্রত্যাশা করি। কারো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হয়ে নিজেকে ব্যবহৃত হতে দিয়েন না।

উক্ত পোস্টটি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফোরামে পরেছিল ৫/৬ দিন আগেই। পোস্টটি ডুয়েটিয়ান গ্রুপে ভাইরাল হওয়ার আগেই গোপনে ...
22/05/2026

উক্ত পোস্টটি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফোরামে পরেছিল ৫/৬ দিন আগেই।

পোস্টটি ডুয়েটিয়ান গ্রুপে ভাইরাল হওয়ার আগেই গোপনে যেগুলো অন্যের জার্নাল পেপার ছিল তা আমাদের প্রিয় অভিভাবক রিমুভ করে দিয়েছেন যার ফলে সাইটেশন সংখ্যা ৯৭৫ থেকে ৬০০+ নেমে এসেছে।

উল্ট দিকে তাকে ডিফেন্ড কর‍তে এসে তার বলদ খাসী গুলো প্রমান চাই বলে ম্যা ম্যা করতেছে।

সরাসরি গুগুল সাইট থেকে ছবি দিলাম, তড়িঘড়ি করে ডিলেট করায় মেইন গুগল সাইটে এখনো সঠিক সাইটেশন adjust হয় নি, cache এ আগের সংখ্যাই রয়ে গেছে এখনো।

চোরের মন পুলিশ পুলিশ! গুপ্ত শিবিরের ধান্দাবাজি ক্লিয়ার,,,
18/05/2026

চোরের মন পুলিশ পুলিশ!
গুপ্ত শিবিরের ধান্দাবাজি ক্লিয়ার,,,

অতিরঞ্জিত কৃতিত্বের পোস্টমর্টেমসদ্য বিদায়ী উপাচার্য প্রফেসর জয়নাল আবেদীন স্যারের উনার অর্জনের এক বিশাল লিস্ট ডুয়েটের ওয়ে...
16/05/2026

অতিরঞ্জিত কৃতিত্বের পোস্টমর্টেম
সদ্য বিদায়ী উপাচার্য প্রফেসর জয়নাল আবেদীন স্যারের উনার অর্জনের এক বিশাল লিস্ট ডুয়েটের ওয়েবসাইট এবং ফেইসবুকে উনি নিজেই প্রকাশ করলেন । এখানে উনি নিজেই নিজের ঢোল পিটিয়েছিন। গতকাল (১৪/০৫/২৬ ইং) ভিসি স্যারকে অব্যহতি করা হলেও অদ্য (১৫/০৫/২৬ ইং) সকাল ৮.০০ ঘটিকায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে নিয়ম লঙ্ঘন করে নিজের অর্জনের সত্য মিথ্যার মিশ্রন ঘটিয়ে বিশাল তালিকা প্রকাশ করেন। আসুন উনার অর্জনকেই বিষয়গুলিকেই একে একে বিশ্লেষন করা যাক:
১. এম-ডুয়েট প্রজেক্ট (১৭ সেপটেম্বর ২০২৫): অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন সম্প্রতি একনেকে ডুয়েটের জন্য পাশকৃত ৮৬৬+ কোটি টাকার প্রজেক্টেকে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিজের অর্জন হিসেবে তুলে ধরেন।
বাস্তবে M-DUET প্রকল্পটি গত ভিসি হাবিবুর রহমানের একটি ব্রেন চাইল্ড। ঐ প্রজেক্ট উনি নিজেই এককভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, বিশেজ্ঞ কমিটির মূল্যায়ন এবং প্রি একনেক পাশ করিয়ে বিগত ০৫ আগষ্টের পূর্বে তা একনেকে উত্থাপন এর পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। হয়ত অনেকেই মনে করতে পারেন ভিসি হাবিবুর রহমান আসলেই কি করছিলেন? কারন হাবিবুর রহমানের সেই পরিমানের রাজনৈতিক সক্ষমতা ছিল। তিনি শিক্ষামন্ত্রীকেও পাত্তা দিতেন না। তিনি যা করেছেন। তা অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন স্যার রাজনৈতিক ক্ষমতার বাইরে। ভিসি হাবিবুর রহমান নিজের ক্ষমতায় তিনি ২০০০ কোটি টাকার M-DUET প্রকল্পটি প্লানিং থেকে শুরু করে ৬/৭ ধাপ ক্লিয়ার করে একনেকে নিয়ে যান। যদি ধাপে ধাপে প্রকল্পের আকার ছোট হতে হতে শেষ পর্যন্ত ৮৬৬ কোটিতে এসে ঠেকেছে। M-DUET এ অধ্যাপক জয়নাল আবেদীনের অবদান কি? অনেকটা কাকের বাসায় কোকিলের ডিম পাড়ার মত অবদান। অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ০৫ আগস্টের পরে শুধুমাত্র মন্ত্রনালয়ে খোজ খবর নিয়েছেন যে M-DUET কবে উঠছে এবং কয়েকজন সহকারী ও যুগ্ম সচিবের সাথে যোগাযোগ রাখা পর্যন্ত।
২. UGC HEAT Project (২৭ আগস্ট ২০২৫): ইউজিসি থেকে World Bank এর অর্থায়নে ডুয়েটে ৩ টি হিট প্রজেক্ট পাশ হয় যার মুল্যমান ৬ কোটি টাকা। মজার বিষয় হচ্ছে প্রজেক্টের কোনটাই অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদীন স্যারের নয়, বিভাগভিত্তিক ৩ টি প্রজেক্টের পাশ হয়। একটি মেকানিক্যাল বিভাগ থেকে অধ্যাপক হাসান মোস্তফা আফরোজ স্যারের, অন্যটি টেক্সটাইল বিভাগ থেকে অধ্যাপক আবদুস শহীদ স্যারের, তৃতীয়টি সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অধ্যাপক আবদুর রহমান ফরহাদ স্যারের। সবগুলো প্রজেক্টেই উল্লিখিত অধ্যাপকবৃন্দের ব্যক্তিগত প্রজেক্ট। যেখানে ডুয়েট প্রশাসক হিসাবে অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদীন কেবল সহায়ক ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু কোনভাবে তার ভিসি হিসেবে অর্জন হিসেবে দেখানোকে অতিরঞ্জিত বিষয়।
৩. BEPRC প্রজেক্টঃ অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদীন স্যার, তার অর্জন হিসেবে ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকার BEPRC প্রজেক্ট উল্লেখ করেন। আগের মতই এই প্রজেক্টটি ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. ইজাদার সাব্বির হাসান স্যারের ব্যক্তিগত প্রজেক্ট। একইভাবে কারো ব্যাক্তিগত প্রজেক্টকে অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদীন স্যার ভিসি হিসেবে অর্জন দাবি দেখানো অতিরঞ্জিত বিষয়।
৪. IAB এক্রিডেশন (১০ মে ২০২৫) ভিসি স্যার নিজের অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন। IAB এক্রিডেশন পাওয়ার ক্ষেত্রে ২ টি প্রতিবন্ধকতা ছিল ১ টি ছিল আর্কিটেকচার বিভাগে পূর্ণকালীন অধ্যাপক না থাকা (যেটি গত ভিসি হাবিবুর রহমান সমাধান করেন সরাসরি বাইরে থেকে একজন অভিজ্ঞ অধ্যাপককে তিনি নিয়োগ দেন)। অন্যটি ছিল ১/১ সেমিস্টার চালু করা, সেটিও ভিসি হাবিবুর রহমান আর্কিটেকচার বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য শেষে একটি অতিরিক্ত সেমিস্টার যোগ করেন। অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদীনের অবদান কি? উনি IAB অর্জনের ফল ভোগ করেছেন। এমনকি যেদিন IAB আক্রিডেশন দেয়া হবে সেদিন আর্কিটেকচারের শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামে যেতে বাধা দেন তিনি। এছাড়া উনি সকল ডিপার্টমেন্টে ১/১ সেমিস্টার চালু করেছেন। হয়তো আর্কিটেকচার বিভাগের প্রয়োজন হলেও বাকি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে এখনও ১/১ এর প্রয়োজনীয়তা শুরু হয়নি।
৫. UGC DUET Project এর কথা তিনি অর্জন হিসেবে বলেছেন। ইহা ডুয়েটে প্রতি বছরই দেয়া হয়। নতুন কিছু নয়। টাকার এমাউন্ট প্রায় একই আছে, ৩ লক্ষ টাকা। এই ধরনের জিনিস অর্জন হিসেবে দেখানো মানে কিছু না পারলে, পরীক্ষার খাতা যেভাবে ভরা হয় তার কৌশল।
৬. জব ফেয়ার প্রোগ্রামকে তার অর্জন হিসেবে অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদীন দেখিয়েছেন। হ্যা উনি জব ফেয়ার প্রোগ্রাম করেছেন। কিন্তু এর ফলে খুব কম সংখ্যক শিক্ষার্থীই এই জব ফেয়ার থেকে উপকৃত হয়েছিল।
৭. আন্তর্জাতিক কনফারেন্স, সেমিনার, ওয়ার্কশপ অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদীন স্যার নিজের অর্জন হিসেবে দেখিয়েছেন। তবে মজার বিষয় ডুয়েটে বিগত যত ভিসি ছিলেন সবার আমলেই আন্তর্জাতিক কনফারেন্স, সেমিনার, ওয়ার্কশপ হয়েছে। কিন্তু কোন ভিসিই অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদীনের মত লোক দেখানো অবদান হিসেবে প্রচার করেননি।
৮. আলামুনাই এসোসিয়েশন এবং রিউনিয়ন প্রোগ্রামকে উনার অর্জন হিসেবে দেখিয়েছেন। সিভিল ডিপার্টমেন্ট বাদে বেশ কয়েকটা ডিপার্টমেন্টে শুধুমাত্র রিউনিয়ন প্রোগ্রাম আয়োজন হলেও প্রকৃত আলামুনাই এসোসিয়েশন হয় নি। যে রিউনিয়ন প্রোগ্রাম হয়েছে তা কোনটাই শিক্ষার্থীদের কোন কাজে আসবে না।
৯. Collaboration and MoU with University and Company। এখানে যে MoU এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে তেমন উল্লেখযোগ্য কিছুই না, লোক দেখানো আইওয়াশ।
১০. র‍্যাকিং এবং ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোজর হয়ত এখানে ভিসির অর্জন হিসাবে বলা যেতে পারে।
১১. নিউ হল চালু করণঃ বিজয় ২৪ হল চালু করা বলেছেন, বাট বানাইলো কে হল? যে চালু করনের কৃতিত্ব নিতে হবে?
১২. নিউ গেইট চালু করনঃ সিরিয়াসলি এটাও অর্জন?
১৩. মনোচিকিৎসক নিয়োগঃ সম্ভবত কাগজ কলমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে।
১৪. নিউ ডিপার্টমেন্ট চালু করনঃ ইসিই, বিএমই এবং আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স বিভাগ চালু করার কৃতিত্ব নিয়েছেন কিন্তু এইসব কেবল কাগজ কলমেই সীমাবদ্ধ।
১৫. নিউ ইনস্টিটিউট চালুঃ কেবল কাগজ কলমেই সীমাবদ্ধ।
১৬. নিউ ল্যাব চালুকরণঃ UGC HEAT project সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অধ্যাপক আবদুর রহমান ফরহাদ স্যারের প্রজেক্টের ল্যাব নিজের কৃতিত্ব বলে জাহির।
১৭. নিউ একাডেমিক প্রোগ্রাম চালুকরনঃ স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম HSS এবং আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের চালু করনের কথা বলা হয়েছে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন কাজ। ইহাকে কৃতিত্ব হিসেবে জাহির করার কোন মানে নেই।
১৮. ভূমি সম্প্রসারন প্রজেক্টঃ ৫ আগস্টের পরে ডুয়েটের সকল শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল ডুয়েট গেটের সামনে উপজেলা পরিষদ দখল করে নেয়া। কিন্তু অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদিন স্যার ভিসি হওয়ার পর পর নিজের গদি টিকিয়ে রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের তার বিশেষ দলীয় বাহিনী (ইরফানুল হাসান সাকিব, আব্দুল্লাহ আল কুরাইশ উল্লেখযোগ্য) দ্বারা নিয়ন্ত্রন করে ভূমি আন্দোলন থেকে বিমুখী করেন। উনার ধারনা ছিল শিক্ষার্থী থেকে আন্দোলন হলে উনাকে সরকার ভিসি থেকে সরিয়ে দিতে পারেন। পরবর্তীতে একটি লোক দেখানো কমিটি গঠন করে কিছু দূর্বল চিঠি পত্র ডিসি অফিস সহ কিছু জায়গায় প্রেরণ করেন। যার বাস্তব কোন ভ্যালু নেই।
১৯. প্রেসিডেন্ট AUB: এটা মুলত সাবেক ভিসি হাবিবুর রহমান তার রাজনৈতিক ক্ষমতা বলে ভিসি পরিষদের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। যা ০৫ আগস্টের ২০২৪ এর আগ পর্যন্ত, সরকার পতনের পরে নতুন করে ভিসি পরিষদের মিটিং হলে কয়েকদিন হাবিবুর রহমানে প্রক্সি দেন ভিসি অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদীন স্যার।
২০. ডুয়েট গ্র্যাজুয়েটদের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীতে নিয়োগ সমস্যার সমাধানে ভিসি অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদীন স্যার কেবল চিঠি দেয়াকে কৃতিত্ব হিসেবে জাহির করলেন।
২১. ডিজিটাল সিস্টেম ডুয়েটঃ ICT সেলের রেগুলার কাজ, যার ৯৫% সিস্টেমই ভিসি হাবিবুর রহমানের আমলেই ছিল। সেইগুলোকে নিজের কৃতিত্ব হিসেবে তুলে ধরলেন ভিসি অধ্যাপক ড. মোহম্মদ জয়নাল আবেদীন স্যার।
২২.অনলাইন UG এবং PG এডমিশন সিস্টেমঃ এই সিস্টেম বহু আগে থেকেই ছিল।
২৩. মেরিট অনুযায়ী হলে সীট প্রদানঃ এটিকে অধ্যাপক মোহম্মদ জয়নাল আবেদীন স্যারের কৃতিত্ব হিসেবে মানা যায়।
২৪. ক্লাব এক্টিভিটিঃ ভিসি জয়নাল আবেদীন স্যার আমলে বেশিরভাগ ক্লাবের সকল পর্যায়ে তিনি নিজের দলীয় লোক বসিয়ে ক্লাবগুলোকে সম্পুর্নভাবে নিজের কব্জাতে নিয়ন্ত্রন করতেন।
২৫. একাডেমিক এক্টিভিটিঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন কাজ, এখানে ভিসি না থাকলে এই কাজ কর্ম বন্ধ হয় না সেটা ০৫ আগস্টের পরেই দেখা গেছে। ভিসি ছাড়াই ফাইনাল এক্সাম হয়েছিল।
২৬. এক্সট্রা-কারিকুলার এক্টিভিটিঃ সবকিছু অনির্দিষ্ট কথাবার্তা৷ ক্রেডিট নেয়ার মত উল্লেখযোগ্য কিছুই না।
২৭-২৯. ডীন এওয়ার্ড টাকা বৃদ্ধি, থিসিস/প্রজেক্টের টাকা বৃদ্ধি এবং TA/RA/PhD Fellowship টাকা বৃদ্ধিঃ উনাকে এই কৃতিত্বের ক্রেডিট দিতে হবে।
৩০-৩১ ডুয়েট ভিসির চেয়ার হিসেবে BAETE এবং BPERB সদস্য। নিজের কোন কৃতিত্ব নেই।
৩২. UGC HEAT Project CoE member: চেয়ার হিসেবে সদস্য, নিজের কোন কৃতিত্ব নেই।
৩৩. সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সংস্কারঃ ভিসি জয়নাল আবেদীন স্যারের রেকম্যান্ডেশন লেটারে স্বাক্ষরে করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য নির্মান করা কলেজকে B.Sc. দের হাতে উঠিয়ে দিয়ে, সেটাকে ডুয়েটের জাহির করতেছেন কৃতিত্ব হিসেবে।
৩৪ -৩৬ তেমন উল্লেখযোগ্য কিছুই না, হয়ত পাতা ভরার কাজে হয়ত লিখেছেন।
৩৭. নিয়োগে স্বচ্ছতাঃ বর্তমানে ডুয়েটের পিপড়াও জানে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারি নিয়োগে তিনি নির্দিষ্ট দলের লোকজনকেই নিয়োগ দিয়েছেন। নিয়োগে জালিয়াতির বহু গ্রুপে ইতিমধ্যে এসেছে। উপযুক্ত সময়ে আরো অনেক কিছু প্রকাশ করা হবে।
৩৮-৪০ তেমন উল্লেখযোগ্য কিছুই না।
পরিশেষ একটা কথাই বলতে হয় “সমাজে এমন লোক অনেক আছে কিছু করার থেকে ক্রেডিট নেয়ার কাজে ব্যস্ত থাকে। ভিসি হওয়ার পর থেকে বর্তমান ভিসির ভূমিকা ছিল ব্যক্তি PR শীপ চালানো এবং ভিসির মেয়াদের পরদিন পর্যন্তও অধ্যাপক মোহম্মদ জয়নাল আবেদীন স্যার তাই করে গেছেন।“

 #ফুটেজখোর রাজনীতি নাকি অভ্যুত্থান পরবর্তী আবির্ভূত হওয়া ভন্ড দরবেশ বাবার অবসান!এটাকে দাওয়াত কার্ড বলবো নাকি শাক দিয়ে ...
19/03/2026

#ফুটেজখোর রাজনীতি নাকি অভ্যুত্থান পরবর্তী আবির্ভূত হওয়া ভন্ড দরবেশ বাবার অবসান!

এটাকে দাওয়াত কার্ড বলবো নাকি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার বৃথা চেষ্টা বলবো!হয়তো এই ফুটেজখুরী রাজনীতির খুব শীঘ্রই অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

একদিকে জামায়াত চীনের অনুদানকে নিজের বলে ক্রেডিট নিতে গিয়ে ধরা খেয়েছে, বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জামায়াতের ইজ্জতের ফালুদা বানিয়ে দিয়েছে চীনের দূতাবাস।ভার্সিটির ফান্ডে শিক্ষার্থীদের ভূরিভোজ করাবে কিন্তু দাওয়াত কার্ড এমনভাবে প্রকাশ করা হলো যেন ভিসি নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ করে এই আয়োজন করতেছেন।এটাই অভ্যুত্থান পরবর্তী ভন্ড দরবেশ বাবার কারসাজি!
বর্তমান ভিসি,গত দেড় বছরের লাগামহীন নিয়োগ বাণিজ্য, অনিয়ম, দুর্নীতি এবং ডুয়েট প্রশাসনকে জামায়াতীকরণ করতে কোন কার্পণ্য করেন নি।যা ইতোমধ্যে দেশের প্রথম সারির কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে কর্মচারী নিয়োগ সকল নিয়োগে দলীয় লোককে প্রয়োরিটি দিয়েছেন।শিবিরের সংশ্লিষ্ট একজনকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে নিয়োগ বিধিমালায় এনেছেন পরিবর্তন।সেটাও আবার কনফার্ম করেছেন, নিজের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে।

দলীয়করণের মাত্রা কোন পর্যায়ে নিয়ে গেছে এই ভন্ড দরবেশ বাবা একবার ভাবুন,
স্থানীয় জামায়াতের নেতাকে ক্যান্টিনের টেন্ডার দিয়েছেন,যে কিনা শিক্ষার্থীদের মানসই খাবার পরিবেশনে ব্যর্থ ছিল। শিক্ষার্থীদের শত অভিযোগ সত্ত্বেও তাকে অপসারণ করে নি,এই ভন্ড দরবেশ বাবা।যার একমাত্র কারণ তিনি জান্নাতের ঠিকাদার!
পরবর্তীতে আরেকজনকে ক্যান্টিনের টেন্ডার দেওয়া হয়,তার বিষয়ে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের মন্তব্য ছিল একইরকম- এ যেন "নতুন বোতলে পুরনো পানি"।

ভার্সিটির ফান্ডে ভূরিভোজের এই দাওয়াত কার্ড ফুটেজখোর তথা ভন্ড দরবেশ বাবার সর্বশেষ সংযোজন!

Address

Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DUETian Voice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share