17/02/2026
সিংহকে বনে মানায়...
এর উল্টা হলে তো ধরা খাবেই।
রাজনীতি নয়, সামাজিক চরিত্রই আমাদের মূল শক্তি ছিলো শতবছর।
গনতন্ত্র নয়, দাওয়াতই কাম্য।
ক্ষমতা নয়, সংস্কার।
লোভ লালসা নয়, যুহদ আর বে-নিয়াজি হওয়ার কথা ছিলো।
২০১৩ সালে হেফাজতে ইসলামের উত্থানের সময় হঠাৎ আমাদের তরুণ নেতৃত্বের একাংশ রাজনৈতিক চক্রে যুক্ত হয়, আমাদের সমাজ-বিপ্লবী নিউক্লিয়াসের মধ্য রাজনৈতিক শয়তানের অনুপ্রবেশ ঘটে। তার পর ৫ মের ট্রাজোডি, শহীদদের বিস্মৃতি,টাকার বস্তা, জেলের পরিবর্তে আপোষ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কওমী স্বীকৃতির ড্রামা, ইত্যাদি...
এ পর্যন্ত ছিলো সিন্ডিকেট চক্রের ইতিহাসের এক পর্ব। হাটহাজারী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে হলো এর যুগের অবসান।
নেতৃত্বের পরিবর্তন, এবার নতুন সিন্ডিকেট, বসন্তের কুকিলরা নিয়ন্ত্রণ নিলো, পরিণতি ২১ সালের ট্রজোডি।
তার পর হেফাজতের অর্ধেক জেলে, অর্ধেক গোয়েন্দা সংস্থার পেটে।
আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রা. এর যুগের অবসান।
তৃতীয় পর্বের সূচনা হলো এবার, ধীরেধীরে কারামুক্ত হলো হেফাজত। এবার সমস্যা যতোটা সরকার তার চেয়ে বেশী ঐ সিন্ডিকেট চরিত্রে প্রত্যাবর্তন।
কারামুক্তির পর পদপদবীর খাহেশ,কারা-মজলুমদের বিস্মৃতি।
হঠাৎ আচমকা জুলাই বিপ্লবের বজ্রপাত। এবার ঠিকানা হলো গর্ত,আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দরবার। তারপর অকল্পনীয় পটপরিবর্তন, এবার ইউনুসের দরবারে ঘনঘন ফটোসেশনে অংশগ্রহণ।
অতঃপর ইলেকশনের হাওয়া... এবার কাঙ্ক্ষিত সে চূড়ান্ত বাসনা, একটু ক্ষমতার ভিক্ষা...
অতঃপর তরী ডুবলো, সঙ্গে ডুবলো আমাদের শতবছরের ইজ্জত।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাসের এ তিন পর্বের সাথে যুক্ত রয়েছে একদিকে আধ্যাত্মিক আপোষহীন নেতৃত্ব ও কর্মীদের এখলাস ও ত্যাগ, অন্যদিকে রাজনৈতিক মতলববাজ ধূর্ত সিন্ডিকেট চক্রের কারসাজি।
এখন এ রাষ্ট্রকে তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কে বলবে খামোশ?
রাজনৈতিক চক্র নয়, কওমি জগতের মূল চরিত্র সামাজিক শক্তি। এ শক্তি এখনো অপ্রতিরোধ্য।
ইনশাআল্লাহ এ শক্তিই বলতে থাকবে খামোশ!