জেড এ নার্সারী এন্ড আম বাগান

জেড এ নার্সারী এন্ড আম বাগান ভেজালমুক্ত এবং সুস্বাদু আম খান বছরের যেকোনো সময়। আমাদের পাশে থাকবেন।

🥭 আম হারভেস্টের পর গাছের শক্তি ফেরাতে সেরা রাসায়নিক সার ব্যবস্থাপনা!🍃আম চাষে ফলন বাড়াতে সঠিক রাসায়নিক সারই হতে পারে আপনা...
05/08/2025

🥭 আম হারভেস্টের পর গাছের শক্তি ফেরাতে সেরা রাসায়নিক সার ব্যবস্থাপনা!🍃

আম চাষে ফলন বাড়াতে সঠিক রাসায়নিক সারই হতে পারে আপনার সফলতার চাবিকাঠি!
ফল সংগ্রহের পর আম গাছ একপ্রকার বিশ্রামে চলে যায়, এই সময়টাই হলো গাছকে পরবর্তী মৌসুমের জন্য প্রস্তুত করার সেরা সময়। সঠিক পরিমাণে রাসায়নিক সার প্রয়োগ করলে গাছ সুস্থ থাকে, রোগ কম হয় এবং পরের মৌসুমে অধিক ফুল ও ফল ধরে।

এই সময়ে প্রতি পূর্ণবয়স্ক গাছে যা যা প্রয়োজন

ইউরিয়া ২০০–২৫০ গ্রাম নতুন পাতা গজাতে সহায়তা করে।

টিএসপি ২৫০–৩০০ গ্রাম শিকড় মজবুত করে, ফুল ধরার আগেই গাছকে প্রস্তুত করে।

এমওপি বা পটাশ ১৫০–২০০ গ্রাম গাছের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়, গুটি ও ফল বড় হয়।

জিংক সালফেট ২০–২৫ গ্রাম হরমোন ব্যালান্স করে, গাছের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।

বোরন বা বোরিক এসিড (১০–১৫ গ্রাম): গুটি ঝরার হার কমায়, ফুল ঠিকমতো ফলতে সাহায্য করে।

এই পরিমাণে সার ব্যবহার করলে পরবর্তি বছরে আম ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
াছে_সার_প্রয়োগ #টিপস cp

📌📌সর্তকতা মূলক পোস্টঃআমার হাসবেন্ড মেয়ের জন্য এই ফল (আঙ্গুর) আজ থেকে আড়াই মাস আগে কিনে আনছে।কয়েকটা ফল যে রয়ে গেছিল আমার ...
04/08/2025

📌📌সর্তকতা মূলক পোস্টঃ

আমার হাসবেন্ড মেয়ের জন্য এই ফল (আঙ্গুর) আজ থেকে আড়াই মাস আগে কিনে আনছে।
কয়েকটা ফল যে রয়ে গেছিল আমার খেয়াল ছিলনা,আজকে হঠ্যাৎ রোম গুছাতে গিয়ে ফলগুলো দেখে আমার চোখ তো কপালে ঊঠে গেছে!
এটা কিভাবে সম্ভব!! দেখেন এখন পর্যন্ত কতটা সতেজ আর টাটকা,চামড়া টা পর্যন্ত কুচকায় নি।
কি পরিমাণ মেডিসিন ইউজ করলে একটা ফল এতদিন টাটকা থাকে,একটা পোকামাকড় পর্যন্ত টাচ করেনি!
অথচ আমারা আমাদের সন্তান দের আদর করে কি কিনে এনে খাওয়াচ্ছি।
জানিনা এসব অসাধু ব্যাবসায়ীরা আমাদের দেশ থেকে কোনদিন দূর হবে কিনা,তাই নিজেরাই এসব ফল বাজার থেকে সন্তানদের জন্য না কিনে,নিজের হাতে লাগানো দেশি ফল খাওয়ান।।

পোস্ট টি অবশ্যই শেয়ার করে নিজে সর্তক হবেন এবং আপনার বন্ধুদের সর্তক করবেন।
ধন্যবাদ। cp

Sadiatul Jannat

বুদ্ধির ধাঁধা। বুদ্ধির কুইজ।cp
03/08/2025

বুদ্ধির ধাঁধা। বুদ্ধির কুইজ।cp

🥭 আগামী বছর আমে গাছভর্তি ফল পেতে এখনই যেসব কাজ করবেন 👉 কৃষি সমস্যা ও সমাধান জুলাই–আগস্ট—এই সময়টায় আমগাছে যত্ন না নিলে পর...
03/08/2025

🥭 আগামী বছর আমে গাছভর্তি ফল পেতে এখনই যেসব কাজ করবেন 👉 কৃষি সমস্যা ও সমাধান

জুলাই–আগস্ট—এই সময়টায় আমগাছে যত্ন না নিলে পরের বছর ফলন কমে যাবে। তাই এখনই গাছের পরিচর্যা, সঠিক সার প্রয়োগ ও রোগ দমন জরুরি।

চলুন জেনে নেই, এখন কী করলে আগামী বছর গাছ ভরে আম ধরবে—

✅ ১. গাছ ছাঁটাই করুন

আম সংগ্রহের পর শুকনো, মরা ও রোগাক্রান্ত ডাল কেটে ফেলুন। মুকুল যেখানে লেগেছিল, সেই ডালের ৩-৪ ইঞ্চি কেটে দিন। এতে নতুন শাখা গজাবে ও পরের বছর বেশি মুকুল আসবে।

✅ ২. নিচে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করুন

গাছের নিচে পড়ে থাকা শুকনো পাতা, বোঁটা, পচা আম—সব সরিয়ে ফেলুন। এতে রোগ জীবাণু ও ছত্রাকের সংক্রমণ কমবে।

✅ ৩. আগাছা তুলে ফেলুন

গোড়ার চারপাশ থেকে আগাছা তুলে ফেলুন, কারণ এগুলো গাছের পুষ্টি শোষণ করে নেয়।

✅ ৪. সঠিকভাবে সার প্রয়োগ করুন

৫ বছরের একটি গাছে প্রয়োগযোগ্য সারঃ

গোবর: ১০–২০ কেজি

ইউরিয়া: ২৫০ গ্রাম

টিএসপি: ৩৫০ গ্রাম

এমওপি: ১৫০ গ্রাম

জিপসাম: ৫০ গ্রাম

বোরন: ১০ গ্রাম

👉 বর্ষার শেষ দিকে (আগস্ট–সেপ্টেম্বর) এসব সার মাটিতে মিশিয়ে দিন।

✅ ৫. ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক দিন

ডাল কাটার পর গাছে কপার অক্সিক্লোরাইড ছত্রাকনাশক ও সাইপারমেথ্রিন কীটনাশক স্প্রে করুন।

✅ ৬. বোরিক অ্যাসিড স্প্রে করুন

আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ০.২% বোরিক অ্যাসিড স্প্রে করলে গাছে বেশি ফুল আসবে, ফলে ফলনও হবে বেশি।
📌 সবশেষে মনে রাখুন:
যত্নবান গাছই পরের বছর আপনাকে উপহার দেবে গাছভর্তি মিষ্টি ও রসালো আম।

🟩 ভালো ফলনের জন্য পোষ্টটি সংরক্ষণ করুন, শেয়ার করুন ও আপনার মতামত দিন।

মনে হয় ইহাই বিশ্বের একমাত্র অভাগা সাপ যে মানুষের কামড়ে মারা গেছে 😛আর এই সেই পিচ্ছি যে সাপটাকে কামড়ে কামড়ে একদম মেরেই ফ...
28/07/2025

মনে হয় ইহাই বিশ্বের একমাত্র অভাগা সাপ যে মানুষের কামড়ে মারা গেছে 😛
আর এই সেই পিচ্ছি যে সাপটাকে কামড়ে কামড়ে একদম মেরেই ফেলেছে !

সূত্র : Snake bite study club of Bangladesh

বেলের উপকারিতা জেনে নিন।copy post
28/07/2025

বেলের উপকারিতা জেনে নিন।copy post

সাপের সঙ্গে বসবাস, গুহায় সন্তানপ্রসব! প্রেমিককে লুকিয়ে দুই সন্তানকে নিয়ে ১৫ বছর ধরে জঙ্গলে! রাশিয়ান তরুণীর বিস্ময়কর বনবা...
27/07/2025

সাপের সঙ্গে বসবাস, গুহায় সন্তানপ্রসব! প্রেমিককে লুকিয়ে দুই সন্তানকে নিয়ে ১৫ বছর ধরে জঙ্গলে! রাশিয়ান তরুণীর বিস্ময়কর বনবাসে চাঞ্চল্য

আধুনিক জীবন থেকে শত যোজন দূরে, যেখানে শুধু ঘন অরণ্যের নিঃসঙ্গতা আর প্রকৃতির নির্মম রূপ—সেই ভয়াল নিসর্গের বুকেই গড়ে উঠেছিল এক মায়ের আশ্রয়। না, কোনও সিনেমা নয়, গোকর্ণের জঙ্গলে সজীব এক গল্প। রাশিয়ার এক তরুণী, নিনা কুটিনা, দুই শিশু কন্যাকে নিয়ে দীর্ঘ দুই মাস ধরে বসবাস করছিলেন কর্নাটকের এক দুর্গম পাহাড়ি গুহায়।

তার আগেও বছর বছর ধরে নানা অরণ্যে, গুহায় গুহায় ঘুরে কাটিয়েছেন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। একটি সন্তানকে তো গুহার মধ্যেই প্রসব করেছিলেন, কোনও হাসপাতাল, চিকিৎসক কিংবা ওষুধ ছাড়া।

❝প্রকৃতিই আমার আশ্রয়, সাপেরা আমার বন্ধু❞
গুহার ভিতরটায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে কিছু জামাকাপড়, প্লাস্টিকের চাদর, অল্প কিছু খাবার, আর এক কোণে এক হিন্দু দেবতার মূর্তি। মাথার উপর চুঁইয়ে পড়ছে জল। অথচ নিনা নির্ভার। তাঁর মতে, “প্রকৃতির সঙ্গে যাপনই আসল মুক্তি। সাপেরা আমাদের ক্ষতি করে না। ওরা আমাদের বন্ধু।”

সেই গুহা, যেখানে ২০২৪ সালে ভয়াবহ ধস নেমেছিল। বর্ষাকালে সাপের উপদ্রব চরমে। পুলিশ যখন তাঁকে উদ্ধার করে, তখনও চেতনাহীন নয়, বরং শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী। তিনি নাকি নিজেই গুহা বেছে নিয়েছিলেন ধ্যান, প্রার্থনা আর শান্তির জন্য। তাঁর দুই সন্তান—৬ বছরের প্রেমা আর ৪ বছরের অ্যামা—এই ভয়াল প্রকৃতির মধ্যেই খুশিতে হুল্লোড় করে জলপ্রপাতে সাঁতার কাটে।

এক জোড়া পায়ের ছাপ আর তারপর...
গোকর্ণ পুলিশের নজরে প্রথম আসে কিছু পায়ের ছাপ। গভীর জঙ্গলে পাহাড়ি গুহার পথে সেই ছাপ অনুসরণ করে যখন তাঁরা এগোন, তখন আবিষ্কার হয় সেই কাপড় দিয়ে ঢাকা এক গুহার মুখ। ভিতর থেকে ভেসে আসা কথোপকথনের শব্দে থমকে যায় তাঁদের পা।

ভেতরে উঁকি দিতেই চোখে পড়ে এক বিদেশিনী আর তার দুই কন্যা—জীবন্ত অরণ্যবাস যেন ঠিক সামনে! উদ্ধার করে তাঁদের নিয়ে আসা হয় লোকালয়ে।

নিনা প্রথমে তাঁর সন্তানের পিতার কথা জানাতে চাননি। পরে জানা যায়, তিনি একজন ইজরায়েলি ব্যবসায়ী, ড্রর গোল্ডস্টেইন। বহু বছর ধরে গোয়ায় বসবাস করছেন, প্রতি বছর মেয়েদের সঙ্গে সময় কাটান। নিনার অভিযোগ, তিনি আর সন্তানদের নিয়ে একা থাকতে চেয়েছিলেন, গোল্ডস্টেইনের ‘বসবাস’ বা সম্পর্ক নিয়ে ছিলেন নিরুৎসাহী।

নিনার ভিসার মেয়াদ বহু আগেই শেষ। বর্তমানে তিনি ভারতে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে বিবেচিত। তাঁর ও মেয়েদের রাখা হয়েছে নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের এক আশ্রয়কেন্দ্রে। ভারত সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে তাঁদের রাশিয়ায় ফেরত পাঠানোর।

অন্যদিকে, ড্রর চান মেয়েরা ভারতে থাকুক—তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের পথ যেন বন্ধ না হয়ে যায়।

প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে—এই আধুনিকতার যুগে, যেখানে মানুষ প্রযুক্তিতে আচ্ছন্ন, সেই সময়ও একজন মা কীভাবে এমন সাহসিকতা দেখালেন? সন্তানদের নিয়ে ভয়াল অরণ্যে স্বেচ্ছা নির্বাসন?

নিনা কুটিনার গল্প যেন এক আধুনিক যুগের জঙ্গলি মা—যিনি সভ্যতার থেকে দূরে, গুহার অন্ধকারে সন্তানদের নিয়ে জ্বালিয়েছেন ভালোবাসার দীপ।
তাঁর সাহস, ভালোবাসা ও প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থানের এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ—যা রোমাঞ্চ, বিস্ময় আর এক চিরস্থায়ী আবেগের ছোঁয়া রেখে যায়

অর্ঘ্য রায় ✍️ copy post

খুব অদ্ভুত ভাবে একদল মানুষ চাচ্ছে মৃত্যু সংখ্যাটা বাড়ুক! ৩০ এর জায়গায় ৩০০ হোক!তারা কি আসলে চায় যে এতো বাচ্চা মরুক?না আসল...
27/07/2025

খুব অদ্ভুত ভাবে একদল মানুষ চাচ্ছে মৃত্যু সংখ্যাটা বাড়ুক! ৩০ এর জায়গায় ৩০০ হোক!

তারা কি আসলে চায় যে এতো বাচ্চা মরুক?
না আসলে তারা তা চায়না।

শুধুমাত্র যেনো তারা এই তর্কে জিতে যায়, তাই তারা এখনো চাচ্ছে কোনো ভাবে এই নিউজ আসুক যে আরো অনেক বাচ্চা মরে গেছে।

কী অদ্ভুত হিউম্যান সাইকোলজি হ্যাঁ!

মানুষ যাদের হিংসা করে, প্রচন্ড কঠিন মূহুর্তেও তার কাছে সবার আগে হিংসার ফিলিংস টাই আগে। এই হিংসার আগুনের কাছে অন্যান্য মানবিক আবেগ ও কতো ছোট!

কিছু মানুষকে দেখলাম যারা জনম জনম ভরে আর্মিকে দেখতে পারেনা।

এখানে দেখতে না পারার অনেক কারণ থাকতে পারে ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাজনৈতিক বা কঠিন ভাবে পুষে রাখা কোনো হিংসা। যাই হোক, থাকতে পারে।

কিন্তু এই ঘটনায় আর্মির শুধুই প্রশংসা পাওয়ার কথা ছিলো। মাত্র ২-৩ মিনিটের মধ্যে আর্মি ঘটনাস্থলে পৌঁছে অসংখ্য বাচ্চা উদ্ধার করেছে যার ভিডিও আমরা দেখছি।

১ টা ১০ মিনিটে প্লেন ক্র‍্যাশ হলো, ১ টা ৩০ মিনিট থেকেই ফেসবুকে সেনাবাহিনীর উদ্ধারের ভিডিও আসা শুরু করেছে, মানে ভিডিও করা হইছে আরো মিনিমাম ৫/১০ মিনিট আগে।

অথচ আর্মি নাকি আগে গিয়ে ঐ বিধ্বস্ত জলন্ত বিল্ডিংয়ের সিসিটিভি খুলে নিয়েছে, তারপর উদ্ধার শুরু করেছে!

এটা কি কোনো ভাবে সম্ভব?

এখন আর্মি অফিসারদের অনেকের বক্তব্য আসতেছে, কারো কথায় আক্রোশ দেখছেন?
তারা ছাত্রদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছে বারবার যে তারা অনেক হেল্প করেছে।

এখনো পর্যন্ত কোনো অভিভাবক, স্কুলের শিক্ষকের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ গুলা আসছে ?

অভিযোগ আসতেছে কিছু ছাত্রদের কাছ থেকে, যারা অভিযোগ দিচ্ছে সবাই বলতেছে সে নিজে দেখছে, ২০০/৩০০ লাশ নাকি বের হইছে।

আচ্ছা আর্মিরা কিন্তু এই কঠিন ডিউটির মধ্যে কেউ ফোন বের করে ভিডিও করেনি। আর্মিদের যেই ভিডিও গুলা আসতেছে এগুলা অন্যরাই করেছে।

এখনো পর্যন্ত একটা ভিডিও দেখছেন যেখানে এক সাথে বেশি না, ১০ টা লাশ দেখা গেছে?

হ্যাঁ বিক্ষিপ্ত ভাবে আমরা লাশ দেখেছি।

এখন সব অভিভাবকদের সাক্ষাৎকারও আসতেছে।

সব মিলায়ে আপনারা এতো সংখ্যা পাচ্ছেন?

কেনো আপনারা চাচ্ছেন ২০০ বাচ্চা মরুক?

হাসপাতালে যারা চিকিৎসাধীন আছে তারা কি মৃত?

না আমরা দু'আ করি তারা সুস্থ হয়ে ফিরে আসুক?

শুধুমাত্র আর্মিকে দেখতে পারেননা বলে কেনো এই অহেতুক তর্কে জিততে চাচ্ছেন?

আপনারা জিতে গেলে হেরে যাবে অসংখ্য বাবা-মা, অসংখ্য মাসুম বাচ্চা।

তর্কে হেরে গিয়েও যদি মৃত্যুর সংখ্যা কম হয় সেটাই কি বড় আনন্দের বিষয় না?

সত্য অলরেডি সামনে আসা শুরু করছে। এখন অনেক শিক্ষক, অনেক প্রত্যক্ষদর্শী অভিভাবক স্বাক্ষী দিচ্ছেন।

ছোট বাচ্চারা যারা বলছে ২০০/৩০০ লাশ দেখছে তাদের কোনো দোষ দিচ্ছিনা। তারা হয়তো এমন পরিস্থিতিতে ট্রমাটাইজড হয়ে বলে ফেলেছে। আর এক শয়তান দল এই সুযোগে নিজেদের ফায়দা হাসিল করছে।

কিন্তু আমরা যখন শিক্ষক, অভিভাবক আরো বিভিন্ন মহল থেকে প্রমাণ পাচ্ছি মৃতের সংখ্যা এতো না, আমরা এমনই অধম।

"আলহামদুলিল্লাহ" টা আগে মুখে আসতেছে না।

আগে আসতেছে আমার ঐ বহুদিনের পুষে রাখা হিংসা।

প্লেনে ক্রাশের আগুন অর্ধশত বাচ্চাকে মারতে না পারলেও তাদের হিংসার আগুন ঠিকই মেরে ফেলতেছে!

CP

ভেন্না গাছ
27/07/2025

ভেন্না গাছ

এই ফুল গুলো কি নাম খুব সুন্দর  cp
27/07/2025

এই ফুল গুলো কি নাম খুব সুন্দর cp

26/07/2025

Address

Godagari

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জেড এ নার্সারী এন্ড আম বাগান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share