09/02/2026
সময় বদলেছে। বাচ্চাদের মানুষ করার পদ্ধতিও বদলানো দরকার।
- - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
কিছু সহজ অভ্যাস প্যারেন্টিং সহজ করে দেয় ইনশাআল্লাহ। কিন্তুু আমারা প্রায় বাবা মায়েরা সহজ বিষয় গুলা জটিল করে ফেলি বাচ্চার জন্য ভাল মন্ধ না বুঝেই। একটু দৈর্য আর বাবা মার একাত্মতা পোষনে বাচ্চারা আস্হা আর ভরসার যায়গা পায় তার পরিবার থেকে। এতে করে ছোট থেকেই তার হতাশা দুর করা বা ভবিষ্যতে সে যে কোন সমস্যা থেকে নির্বিঘ্নে বের হয়ে আসতে পারবে।
১. বাচ্চা চিৎকার করলে আপনি নিচু স্বরে কথা বলুন
আমাদের স্বাভাবিক রিঅ্যাকশন হয় জোরে কথা বলা।
কিন্তু আপনি যখন ইচ্ছা করে নিচু স্বরে কথা বলেন, বাচ্চা তখন কৌতূহলী হয়—
“আম্মু/আব্বু কী বলছে?”
শুনতে গিয়ে সে নিজে থেকেই শান্ত হয়।
২. সন্তানের চোখে চোখ রেখে কথা বলুন
টিভি, মোবাইল পাশে রেখে বাচ্চার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন।
তাতে সে বুঝে—
আমার কথা গুরুত্বপূর্ণ।”
৩. নিয়মের কথা বারবার বলবেন না
একই কথা বারবার বললে বাচ্চা আর গুরুত্ব দেয় না।
নিয়ম একবার পরিষ্কার করে বলুন, তারপর ধৈর্য ধরে সেটার বাস্তব প্রয়োগ দেখান।
৪. আদেশ না দিয়ে বিকল্প দিন
“এটা করতেই হবে”—এই ভাষা বাদ দিন।
২টি বিকল্প দিন, যেমন—
“হোমওয়ার্ক আগে করবে, নাকি গোসল?”
বাচ্চা নিজের সিদ্ধান্ত নিতে শেখে।
৫. সব আচরণে সঙ্গে সঙ্গে বকা বা বাধা না দিয়ে দৈর্য ধরুন
সব সময় বকা দিলে বাচ্চা ভয় পায়, শেখে না।
কিছু আচরণ সময়ের সাথে নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়।
পরিস্থিতি বুঝে কখন চুপ থাকতে হয়, সেটাও বুঝে নেয়া ও প্যারেন্টিং-এর অংশ।
৬. ভালো কাজের প্রশংসা করুন, নির্দিষ্ট করে
শুধু “ভালো করছ” না বলে বলুন—
“তুমি ছোট বোনটাকে সাহায্য করেছ, বা এই কাজটা করেছ এটা দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে।”
এতে বাচ্চার মনোবল বাড়ে।
৭. আগে নিজেকে সামলান
রাগের মাথায় বলা কথা পরে আফসোস ডেকে আনে।
একটু গভীর শ্বাস নিন, মনে মনে বলুন—
“ও বাচ্চা, শিখছে।”শুধু বাচ্চার সাথে ভাল ব্যবহারই যথেষ্ট নয়,বাচ্চার সামনে কাউকে তাছিল্য করে বলা কথা গুলা বাচ্চাদের মনের উপর যথেষ্ট খারাপ প্রভাব ফেলে।
- - - - - - - - -আমরা চাই আমাদের বাচ্চারা মানুষ হোক ভয়ে নয়, ভালোবাসায়।
এই ছোট ছোট অভ্যাসই বড় পরিবর্তন আনে।