18/07/2025
📍 লোকেশন: এক্তিয়ারপুর, ছাতিয়াইন, মাধবপুর, হবিগঞ্জ।
🕯️ ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় সাপে কাটা রোগীর মৃ=ত্যু!
গতকাল সন্ধ্যার পর আমাদের গ্রামের এক মা ইঁদুরের গর্তের পাশে পা রাখেন এবং হঠাৎ কিছু একটা তাঁকে কামড়ে দেয়।
আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি পায়ে দাগ — সাথে সাথে ছবি তুলে কামড়টা কিসের হতে পারে জানতে পোস্ট করি এবং রোগীর পরিবারকে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেই।
রোগীকে দ্রুত হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয় — মাত্র ২ ঘণ্টার মধ্যেই।
ডাক্তার প্রথমে বলেন রক্তে কোনো বিষ নেই। দ্বিতীয়বার রক্ত নিয়ে পরীক্ষা করেও একই কথা — “বিষ নাই”।
তাদের জিজ্ঞেস করা হয়, “অ্যান্টিভেনম আছে?”
ডাক্তার বলে, “হ্যাঁ, সব ঔষধ আছে — কিন্তু অ্যান্টিভেনম দেব না, কারণ রক্তে বিষ নেই, দিলে উল্টো রোগী মারা যেতে পারে!” 😨
রোগীকে ভর্তি রাখা হয়। পায়ে তখনো বাঁধ ছিল, রোগী ব্যথার কথা জানাতে থাকেন। রাত ১২টার দিকে ডাক্তারের নির্দেশে বাঁধ খুলে দেওয়া হয়। বাঁধ খুলতেই রোগী ঢলে পড়ে...
তখন বুঝলেন ডাক্তার — বিষ তো ছড়িয়েই গিয়েছে!
তাড়াহুড়ো করে অ্যান্টিভেনম প্রস্তুত করতে গেলেন, কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ — সেই মা আর বেঁচে নেই! 💔
আজ সকালবেলা কামড়ের জায়গা খুঁজতে গিয়ে ২টি বিষধর “পদ্মা গোখরো” সাপ পাওয়া গেছে ঠিক সেই ইঁদুরের গর্তে।
তাহলে প্রশ্ন:
🔹 ডাক্তার কেন রক্তে বিষ না পেয়ে অ্যান্টিভেনম দিল না?
🔹 কেন বাঁধ খোলার আগে অ্যালার্ট ছিলেন না?
🔹 কেন রোগীর প্রতিটি কথাকে গুরুত্ব দেওয়া হলো না?
এই মৃত্যু কি প্রকৃতির? নাকি অবহেলার, ভুল সিদ্ধান্তের, দায়িত্বহীনতার মৃ=ত্যু?
আমরা কেমন দেশে বাস করি, যেখানে এমন একটা জরুরি চিকিৎসায়ও ঘটে অবহেলা?
কোথাও না কোথাও ভয়ংকর গাফিলতি হয়েছে, এবং তার মূল্য দিতে হয়েছে একজন মায়ের জীবন দিয়ে।
এ মৃ=ত্যু যেন আর কারো না হয়!
আসুন সবাই সচেতন হই, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলতে শিখি।
📌কথাগুলো বলেছেন সাদেক মিয়া নামের এক ব্যক্তি।
কপি পোষ্ট...