Md shahibul Mahmud

Md shahibul Mahmud আলহামদুলিল্লাহ

02/06/2026

সারা পৃথিবীতে মুসলিম কেন নির্যাতিত

01/06/2026

সারা পৃথিবীত মুসলিম জাতি কেন এত নির্যাতিতা

বিশ্বব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায়ের নির্যাতিত হওয়ার পেছনে কোনো একক কারণ নেই,
বরং এটি ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ, ইসলামোফোবিয়া (ইসলামভীতি), অর্থনৈতিক বৈষম্য, এবং অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা—
এই জটিল সমীকরণের ফল।সারা বিশ্বে মুসলিমদের এই সংকটের পেছনে প্রধান কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:১. ভূ-রাজনীতি ও সম্পদের নিয়ন্ত্রণখনিজ সম্পদের আধিপত্য: মধ্যপ্রাচ্যসহ অনেক মুসলিমপ্রধান দেশ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। এই সম্পদ নিয়ন্ত্রণের জন্য পরাশক্তিগুলোর কৌশলগত হস্তক্ষেপ, যুদ্ধ ও আগ্রাসনের ফলে ওই অঞ্চলগুলোতে চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে।সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন: বিভিন্ন সময়ে পরাশক্তিগুলোর আগ্রাসনের শিকার হয়ে আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের মতো অঞ্চলে লাখ লাখ মুসলিম বাস্তুচ্যুত ও নির্যাতিত হয়েছেন।২. ইসলামোফোবিয়া ও সামাজিক বৈষম্যনেতিবাচক প্রচারণা: বিশ্বব্যাপী মূলধারার কিছু গণমাধ্যমেউ ইসলাম ও মুসলমানদের প্রায়শই নেতিবাচকভাবে বা 'সন্ত্রাসী' হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এর ফলে সাধারণ মানুষের মনে

'ইসলামভীতি' তৈরি হয়।রাষ্ট্রীয় বৈষম্য: মিয়ানমার, চীন কিংবা ভারতে অনেক সময় উগ্র জাতীয়তাবাদ বা রাজনৈতিক মেরুকরণের কারণে মুসলিমরা রাষ্ট্রীয়ভাবে বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার হন।
৩. মুসলিম বিশ্বের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বঐক্য ও নেতৃত্বের অভাব: মুসলিম দেশ বা সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিরোধ, ক্ষমতার লোভ এবং সুন্নি-শিয়া দ্বন্দ্বের মতো মতবিরোধ রয়েছে। বহিরাগত শক্তিগুলো প্রায়ই এই দুর্বলতাগুলোকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে।জ্ঞানে ও প্রযুক্তিতে পিছিয়ে পড়া: সামগ্রিকভাবে আধুনিক বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অনেক মুসলিম দেশ পশ্চিমা বিশ্বের তুলনায় পিছিয়ে আছে, যা তাদের বৈশ্বিক দরবারে দুর্বল অবস্থানে রাখে।৪. ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বকীয়তাজীবনযাত্রার পার্থক্য: মুসলিমরা যখন তাদের ধর্মীয় অনুশাসন ও জীবনব্যবস্থা কঠোরভাবে মেনে চলতে চান, তখন আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ বা ভিন্ন সংস্কৃতির বিশ্বের সাথে প্রায়ই তাদের সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও অনেকে এই পরীক্ষাকে মুসলমানদের ঈমানের পরীক্ষা বা নিজেদের কৃতকর্মের ফল হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। তবে সামগ্রিকভাবে ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের বলি এবং সচেতনতার অভাবেই মুসলিম সম্প্রদায় আজ বিশ্বজুড়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।

01/06/2026

ওহাবীদেরকে না দিয়ে গরিবদেরকে দিন ✅

31/05/2026

ইসলাম ও খ্রিস্ট ধর্ম

29/05/2026

তাকওয়া অর্থ কী

27/05/2026

Alhamdulillah. সূরা সফ্ফাত আয়াত নং-106.107.108.

আলহামদুলিল্লাহ,
27/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ,

27/05/2026

ঈদুল আজহার দিনে নামাযে কী ভুল করে

ঈদের নামাজের সবচেয়ে সাধারণ ভুলটি হলো অতিরিক্ত ৬ তাকবীরের সংখ্যা বা নিয়ম নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়া এবং তাকবীর দিতে ভুলে যাওয়া।
অনেকে প্রথম বা দ্বিতীয় রাকাতে সুরা মেলানোর পর অতিরিক্ত তাকবীর দিতে ভুলে রুকুতে চলে যান,
অথবা তাকবীর ভুলে গেলে সিজদায়ে সাহু আদায় করেন না।
ঈদের নামাজে সাধারণ ভুলের তালিকা ও এর সমাধান নিচে দেওয়া হলো:
অতিরিক্ত তাকবীর ভুলে যাওয়া: প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহা ও অন্য সুরা পড়ার আগে অতিরিক্ত ৩ তাকবীর। এবং দ্বিতীয় রাকাতে সুরা মেলানোর পর রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত ৩ তাকবীর দিতে হয়।
কোনো মুসল্লি ভুলে গেলে তা রুকুর আগে আদায় করতে হবে।
তাকবীরের সংখ্যায় সন্দেহ: অতিরিক্ত তাকবীর কয়টি দেওয়া হলো—৩টি নাকি ২টি, তা নিয়ে সন্দেহ হলে কম সংখ্যা (অর্থাৎ ২টি) ধরে নিয়ে বাকি তাকবীর শেষ করতে হবে।
ভুল সংশোধনে সিজদায়ে সাহু: অতিরিক্ত ওয়াজিব তাকবীর ছুটে গেলে নামাজের শেষে নিয়মানুযায়ী 'সিজদায়ে সাহু' আদায় করতে হয়, অন্যথায় নামাজ ত্রুটিপূর্ণ থেকে যায়।
দেরিতে এসে তাকবীর ধরা: কোনো ব্যক্তি জামাতে দেরিতে (ইমাম রুকুতে থাকাকালীন) যোগ দিলে, রুকুর অতিরিক্ত তাকবীরগুলো ইমামের সাথে রুকুতেই আদায় করে নিতে পারবেন না।
খুতবা না শোনা: ঈদের নামাজের পর ইমামের খুতবা শোনা ওয়াজিব বা সুন্নতে মুয়াক্কাদা।
অনেকেই নামাজ শেষেই দ্রুত ঈদগাহ ত্যাগ করেন, যা সঠিক নিয়ম নয়।

মাসআলা : ঈদের অতিরিক্ত তাকবীরের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ হলে কম সংখ্যা ধরে বাকি তাকবীর আদায় করবে। যেমন, তিন তাকবীর হয়েছে, নাকি দুই তাকবীর- এ নিয়ে সন্দেহ হলে 🇧🇩

ঈদুল আজহার দিনে কুরবানির পর করনীয় ঈদুল আজহায় পশু কুরবানির পর প্রথম করণীয় হলো আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা এবং নিজের কুরবান...
27/05/2026

ঈদুল আজহার দিনে কুরবানির পর করনীয়

ঈদুল আজহায় পশু কুরবানির পর প্রথম করণীয় হলো

আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা এবং নিজের কুরবানির গোশত খাওয়া।
এরপর গোশত তিন ভাগে ভাগ করে— এক ভাগ পরিবার-পরিজনের জন্য, এক ভাগ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের জন্য এবং এক ভাগ দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করতে হবে। পাশাপাশি পশুর উচ্ছিষ্ট বা বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করা জরুরি।


কুরবানির পর করণীয় কাজগুলো ধারাবাহিকভাবে নিচে দেওয়া হলো:
১. গোশত খাওয়া ও বিতরণ
নিজে খাওয়া: কুরবানির পর নিজ কুরবানির গোশত দিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়া মোস্তাহাব।
গোশত বণ্টন: ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী, কুরবানির গোশত তিন ভাগে ভাগ করা উত্তম।
(১)এক ভাগ নিজের জন্য,
(২)এক ভাগ আত্মীয়-স্বজনের জন্য এবং
(৩) এক ভাগ গরিব-দুঃখীদের জন্য।
২. পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা
বর্জ্য অপসারণ: কুরবানির পর পশুর রক্ত, হাড়, চামড়া ও অন্যান্য বর্জ্য দ্রুত মাটি চাপা দেওয়া বা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে দেওয়া উচিত।
এতে দুর্গন্ধ ছড়ায় না এবং পরিবেশ দূষিত হয় না।
৩. চামড়া সংরক্ষণ ও দান
চামড়ার ব্যবহার: পশুর চামড়া বিক্রি করে সেই অর্থ গরিব-দুঃখীদের দান করে দিতে হবে।
এছাড়া চামড়া কোনো মাদরাসা বা এতিমখানায় দান করা একটি উত্তম কাজ।
৪. কসাইয়ের পারিশ্রমিক
মজুরি প্রদান: কসাই বা সহায়তাকারীদের পারিশ্রমিক নগদ টাকা বা অন্য কোনোভাবে পরিশোধ করতে হবে।
কুরবানির পশুর গোশত, হাড় বা চামড়া কোনোভাবেই পারিশ্রমিক বা মজুরি হিসেবে দেওয়া জায়েজ নেই।

৫. আল্লাহকে স্মরণ করা
তাকবির পাঠ: জিলহজের ১৩ তারিখ (কুরবানির ঈদের তৃতীয় দিন) আসর পর্যন্ত নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক (আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ) পাঠ করা অব্যাহত রাখতে হবে।
কুরবানির দিনে বর্জনীয়:
কুরবানি বা গোশত প্রস্তুতের আনন্দে দিন কাটালেও কিছু বিষয় থেকে বিরত থাকতে হবে—
কুরবানির গোশত বিক্রি করা জায়েজ নেই।
কুরবানির আগে ঈদের দিন সকালে কিছু না খেয়ে থাকা সুন্নাত বা মোস্তাহাব। ঈদের নামাজ পড়ে এসে নিজ কুরবানির গোশত দিয়ে দিনের প্রথম খাবার গ্রহণ করা উত্তম।
ঈদের দিনে রোজা রাখা সম্পূর্ণ হারাম.।

Alhamdulillah.
27/05/2026

Alhamdulillah.

Address

Habiganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md shahibul Mahmud posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share