Rimi Islam

Rimi Islam "জীবন ক্ষণিক, মৃত্যু অনিবার্য, প্রস্ততি নাও
জান্নাত হোক সর্বোচ্চ প্রত্যাশা।" �
(1)

 #ঈদমোবারাকসবাইকে
20/03/2026

#ঈদমোবারাকসবাইকে

আজ সন্ধ্যা থেকে ২৩তম রামাদান শুরু হয়েছে। আজ সম্ভাব্য কদরের রাত। আসুন, বেশি বেশি নেক আমলে মশগুল হই।▬▬▬▬▬▬▬❖▬▬▬▬▬▬▬ সাহাবি...
12/03/2026

আজ সন্ধ্যা থেকে ২৩তম রামাদান শুরু হয়েছে। আজ সম্ভাব্য কদরের রাত। আসুন, বেশি বেশি নেক আমলে মশগুল হই।
▬▬▬▬▬▬▬❖▬▬▬▬▬▬▬
সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনু উনাইস (রা.) রামাদানের ২৩তম রাতকে কদরের রাত মনে করতেন। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৬৫]
তিনি বলেন, একবার আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলি, ‘আমার একটি খামার আছে এবং আল্লাহর প্রশংসা যে, আমি সেখানেই নামাজ পড়ি। কাজেই আপনি আমাকে রাতটি সম্পর্কে বলে দিন, যাতে আমি এই মসজিদে আসতে পারি।’ তখন তিনি বলেন, ‘‘তুমি রামাদানের ২৩তম রাতে আসবে।’’
মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহিম (রাহ.) বলেন, ‘আমি (উপরের হাদিসের বর্ণনাকারী) আবদুল্লাহর পুত্রকে জিজ্ঞাসা করি, আপনার পিতা (তখন) কী করতেন?’ তিনি বলেন, ‘আমার পিতা রামাদানের (২২ তারিখে) আসরের নামাজ আদায়ের পর মসজিদে গমন করতেন এবং পরদিন সকাল পর্যন্ত কোনো প্রয়োজনে সেখান থেকে বের হতেন না। অতঃপর তিনি ফজরের নামাজ আদায়ের পর মসজিদের পাশে থাকা তাঁর বাহনের উপর আরোহণ করে নিজ খামারে প্রত্যাবর্তন করতেন।’ [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩৮০; হাদিসটি হাসান সহিহ]
তাহলে বুঝা গেলো, তিনি ২২ তারিখ বিকেলে মসজিদে চলে যেতেন। ২৩তম রাতে সেখানে ইবাদত করে সকালে চলে আসতেন।
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা.) বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘তোমরা রামাদানের শেষ দশকে কদরের রাত অনুসন্ধান করো। তোমাদের কেউ যদি দুর্বল অথবা অক্ষম হয়ে পড়ে, তবে সে যেন অবশিষ্ট ৭টি রাতে অলসতা না করে।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৫৫]
আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) থেকে বর্ণিত। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কতিপয় সাহাবিকে স্বপ্ন দেখানো হলো যে, (রামাদানের) শেষ সাত দিনের (রাতের) মধ্যে কদরের রাত নিহিত রয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘‘আমি দেখতে পাচ্ছি, শেষের ৭ (রাত) সম্পর্কে তোমাদের সকলের স্বপ্ন পরস্পর সামঞ্জস্যপূর্ণ। অতএব, যে ব্যক্তি তা (কদরের রাত) অন্বেষণ করবে, সে যেন রামাদানের শেষ ৭টি রাতে তা অন্বেষণ করে।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৫১]
রামাদান যদি ২৯ দিনে হয়, তাহলে শেষ ৭টি রাতের মধ্যে আজকের রাতটিও আছে।
সুতরাং, আজ থেকে বাকি রাতগুলো আমরা যেন কোনোভাবেই অবহেলায় না কাটাই। আজকের রাতসহ শেষ ৭টি রাত অত্যন্ত মূল্যবান। এই ৭ রাতের মধ্যে কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই, আজকের রাতটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।

08/03/2026

যাদের আপনজন কবরবাসী হয়ে আছে, তাদের উচিত ইফতারের আগে তাদের জন্য আল্লাহর কাছে মাগফিরাতের দুআ করা।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘আল্লাহ প্রতি ইফতারে অনেককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। আর এটি প্রতি রাতেই হয়ে থাকে।’’ [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২১৬৯৮; ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ১৬৪৩; হাদিসটি হাসান সহিহ]

নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তিন ব্যক্তির দুআ ফিরিয়ে দেওয়া হয় না—ন্যায়পরায়ণ শাসকের দুআ, রোজাদারের ইফতারের সময়কালীন দুআ এবং মজলুমের দুআ। আল্লাহ তাআলা এটি (দু‘আ) মেঘমালার উপর তুলে নেন, তার জন্য আকাশের দরজাগুলো খুলে যায় এবং মহান রব বলেন—

وَعِزَّتِي لَأَنْصُرَنَّكِ وَلَوْ بَعْدَ حِينٍ

আমার সম্মানের শপথ! কিছু দেরিতে হলেও আমি তোমাকে সাহায্য করবো।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ২৫২৬; হাদিসটি সহিহ]

শুধু ইফতারের সময়েই নয়, রোজা থাকা অবস্থায় যেকোনো সময়ে দুআ করলেও কবুল করা হয়।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—

ثلاثةٌ لا تُردُّ دعوتُهم الصَّائمُ حتَّى يُفطرَ

‘‘তিন ব্যক্তির দুআ ফিরিয়ে দেওয়া হয় না—রোজাদারের দুআ, যতক্ষণ না সে ইফতার করে...।’’ [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৮০৩০; হাদিসটি সহিহ]

তাই, আসুন, বিশেষভাবে আমাদের কবরবাসী মৃত আত্মীয়-স্বজন, পরিবারের সদস্য ও আপনজনদের জন্য দুআ করি। তারা ভীষণভাবে আমাদের দুআর মুখাপেক্ষী। আমাদের দুআ তাদের জন্য মহা-আনন্দের উপলক্ষ।

06/03/2026

রোজার প্রতিদান পুরোপুরি পেতে চাইলে অবশ্যই রোজার হক আদায় করে রোজা রাখতে হবে। রোজার হক আদায়ে যেসব করণীয়:(১) মিথ্যা এবং মূর...
06/03/2026

রোজার প্রতিদান পুরোপুরি পেতে চাইলে অবশ্যই রোজার হক আদায় করে রোজা রাখতে হবে। রোজার হক আদায়ে যেসব করণীয়:

(১) মিথ্যা এবং মূর্খতা বর্জন করতে হবে। মেজাজের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা, সে অনুসারে কাজ করা এবং মূর্খতা পরিহার করলো না, আল্লাহর নিকট তার পানাহার বর্জনের কোনো প্রয়োজন নেই।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬০৫৭]

‘মূর্খতা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে, এ ব্যাপারে সহিহ বুখারির শ্রেষ্ঠ ব্যাখ্যাকার ইমাম ইবনু হাজার আসকালানি (রাহ.) বলেন, এর মানে হলো, চিৎকার-চেঁচামেচি করা, বোকার মতো কাজ করা। অর্থাৎ হৈ-হুল্লোড় করা, মূর্খের মতো আচরণ করা। সাধারণত মেজাজ হারালে আমরা এমন করি। রোজাদার সবর করবে, সংযমী হবে, এটিই নিয়ম।

নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘রোজা জাহান্নামের আগুন থেকে ঢালস্বরূপ। তাই, যে ব্যক্তি রোজা রেখে ভোর করে, সে মূর্খতা দেখাবে না। অন্য কেউ যদি তার সাথে মূর্খের ন্যায় আচরণ করে, তবে সে তার সাথে অশ্লীল কথা বলবে না এবং গালি দেবে না। বরং সে যেন বলে, ‘‘আমি রোজাদার।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ২২৩৪; হাদিসটি সহিহ]

(২) অনর্থক ও অশ্লীল কথা বলা যাবে না।

আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “কেবল পানাহার থেকে বিরত থাকাই রোজা নয়। রোজা হলো, অনর্থক ও অশ্লীল কথা থেকে বিরত থাকা।’’ [ইমাম হাকিম, আল-মুসতাদরাক: ১৫৭০; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১০৮২; হাদিসটি সহিহ]

(৩) গালি দেওয়া যাবে না, ঝগড়া করা যাবে না।

নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘রোজা ঢালস্বরূপ। তোমাদের কেউ যেন রোজা পালনের দিন অশ্লীল কথা না বলে এবং চিৎকার-চেঁচামেচি না করে। কেউ যদি তাকে গালি দেয় অথবা তার সাথে লড়াই করতে চায়, তাহলে সে যেন বলে, ‘আমি একজন রোজাদার মানুষ’।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯০৪]

(৪) কামনা-বাসনা থেকে দূরে থাকতে হবে।

নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘আদম সন্তানের প্রতিটি (ভালো) কাজের প্রতিদান ১০ গুণ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়।’’ মহান আল্লাহ বলেন, “কিন্তু রোজা ব্যতীত। কেননা, এটি আমার জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেবো। বান্দা আমার জন্যই তার কামনা-বাসনা এবং পানাহার থেকে বিরত থেকেছে।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৫৯৭]

(৫) এগুলোর পাশাপাশি গিবত ও পরচর্চা থেকে দূরে থাকতে হবে। চোখ এবং কানের হেফাজত করতে হবে। তাহলেই আমাদের রোজা পরিপূর্ণতা পাবে, ইনশাআল্লাহ।

রোজাদার ব্যক্তিদের জন্য অত্যন্ত এলার্মিং একটি হাদিস হলো, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘কতো রোজাদার আছে, যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া কিছুই জোটে না! (ইবাদতের জন্য) কতো রাত্রিজাগরণকারী আছে, যাদের রাতে জেগে থাকা ছাড়া আর কিছুই জোটে না!’’ [ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ১৬৯০; হাদিসটি হাসান সহিহ]

#আলোকিত_রামাদান

 #সুবহানআল্লাহ
21/02/2026

#সুবহানআল্লাহ

রামাদান মাসের শ্রেষ্ঠত্ব ও গুরুত্ব যেসব কারণে: (১) রামাদানে উমরা করা নবিজির সাথে হজের সমতূল্য।নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়...
20/02/2026

রামাদান মাসের শ্রেষ্ঠত্ব ও গুরুত্ব যেসব কারণে:

(১) রামাদানে উমরা করা নবিজির সাথে হজের সমতূল্য।

নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘রামাদানে উমরা করা আমার সাথে হজ করার সমান।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৮৬৩]

(২) রামাদানের শ্রেষ্ঠ নিয়ামতগুলো:

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘রামাদান মাস আগমন করলে জান্নাতের দরজাগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানগুলোকে শিকলবন্দী করা হয়।” [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৩৮৫]

অন্য হাদিসে এসেছে, ‘‘রামাদানের প্রথম দিনেই শয়তান এবং খারাপ জিনদের বেঁধে ফেলা হয়; জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, একটি দরজাও খোলা হয় না; জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, একটি দরজাও বন্ধ করা হয় না। একজন ঘোষক ঘোষণা দিতে থাকেন—হে কল্যাণের দিকে অগ্রসরমান ব্যক্তি! তুমি এগিয়ে চলো; হে মন্দের দিকে অগ্রসরমান ব্যক্তি! তুমি থেমে যাও।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৬৮২; হাদিসটি সহিহ]

(৩) নবিজি রামাদানে অধিক আমল করতেন।

ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ দানশীল। রামাদানে তিনি আরো অধিক দানশীল হয়ে ওঠতেন, যখন জিবরিল (আ.) তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতে আসতেন। রামাদানের প্রতি রাতেই জিবরিল তাঁর সাথে দেখা করতেন এবং তারা একে অপরকে কুরআন তিলাওয়াত করে শোনাতেন। নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রবহমান বাতাসের চেয়েও অধিক দানশীল ছিলেন। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ০৬]

(৪) মহাগ্রন্থ আল-কুরআন রামাদান মাসেই অবতীর্ণ হয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘‘রামাদান মাস—যাতে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, মানুষের হিদায়াত (পথনির্দেশ)-এর জন্য; হিদায়াতের স্পষ্ট নিদর্শন এবং (সত্য-মিথ্যার) পার্থক্যকারীরূপে। অতএব, তোমাদের মধ্যে যে এ মাস পাবে, সে যেন রোজা রাখে।’’ [সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৫]

(৫) এই মাসটি অত্যন্ত বরকতময়।

নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমাদের নিকট এসেছে রামাদান—বরকতময় মাস।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ২১০৬; হাদিসটি সহিহ]

(৬) এই মাসেই আছে মহান কদরের রাত।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘লাইলাতুল কদর (কদরের রাত) হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।’’ [সুরা কদর, আয়াত: ০৩]

(৭) অনেক মানুষকে ক্ষমা করা হয় রামাদান মাসে।

হাদিসে এসেছে, ‘‘(এ মাসে) আল্লাহর পক্ষ থেকে অনেককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয়, আর প্রতি রাতেই এরূপ হতে থাকে।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৬৮২; হাদিসটি সহিহ]

30/11/2025

---

🌙 মৃত্যু — জীবনের সবচেয়ে নীরব শিক্ষা

মৃত্যু এমন একটি সত্য, যাকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। জীবন যতই সুন্দর হোক, যতই প্রিয় মানুষে ভরা হোক, একদিন সবাইকে থেমে যেতে হয়। এই থেমে যাওয়ার নামই মৃত্যু—কিন্তু অন্যরকম শান্তির নামও মৃত্যু।

মৃত্যু আমাদের শেখায়, আমরা এই পৃথিবীর মালিক নই; আমরা শুধু পথচলার অতিথি। আজ যাদের সাথে হাসি, কথা, মান–অভিমান করি, কাল হয়তো তারা থাকবে না—বা আমরাও নাও থাকতে পারি। তাই মৃত্যু সবসময় মনে করিয়ে দেয়, সময় খুবই ছোট, আর ভালোবাসা খুবই মূল্যবান।

যে মানুষটি একদিন আমাদের পাশে ছিল, আমাদের হাত ধরে জীবন শিখিয়েছে, তার নিঃশ্বাস থেমে গেলে পৃথিবী একই থাকে—কিন্তু আমাদের ভেতরের পৃথিবী ভেঙে যায়। আমরা বুঝতে শিখি, বিদায় শুধু শব্দ নয়, বিদায় হলো ব্যথার গভীরতম রূপ।

তবুও মৃত্যু শেষ না। মৃত্যু হলো আরেক যাত্রার দরজা। পৃথিবীতে কষ্ট, দুঃখ, অভিমান—সবকিছু ফেলে রেখে মানুষ চলে যায় এক শান্তির স্থানে। সেখানে আর কান্না নেই, ব্যথা নেই, দুশ্চিন্তা নেই—কেবল নীরবতা আর প্রশান্তি।

মৃত মানুষরা কখনো পুরোপুরি চলে যায় না। তারা স্মৃতির ভেতর বেঁচে থাকে—হাসিতে, কষ্টে, দোয়ার মাঝে, আর নীরব রাতগুলোর অশ্রুসিক্ত প্রার্থনায়। আমরা যখন তাদের জন্য দোয়া করি, তাদের রুহ শান্তি পায়। আর যখন তাদের কথা মনে করি, হৃদয় নরম হয়ে যায়।

মৃত্যু আমাদের শিখায়—
যে অহংকার করে লাভ নেই,
দূরত্ব তৈরি করে লাভ নেই,
মনে ঘৃণা রেখে লাভ নেই।
কারণ শেষমেষ সবাই মাটির ঘ্রাণে মিশে যায়।

জীবন যতদিন আছে, ততদিন ভালোবাসা ছড়িয়ে যাওয়াই আসল কাজ। ক্ষমা করা, আলিঙ্গন করা, দোয়া করা—এসবই একদিন আমাদের রাহমত হয়ে ফিরে আসবে।

এভাবেই মৃত্যু হৃদয়কে নরম করে, মানুষকে বিনয়ী করে, আর জীবনকে গভীরভাবে বুঝিয়ে দেয়। 😥

15/11/2025
অতঃপর চুপ হতে শিখলাম, একা থাকা শিখলাম! কেউ গরুত্ব না দিলে, গুরুত্ব পাওয়ার আশা বাদ দিলাম! কেউ পাশে থাকবে নাকি থাকবে না সে...
04/11/2025

অতঃপর চুপ হতে শিখলাম, একা থাকা শিখলাম! কেউ গরুত্ব না দিলে, গুরুত্ব পাওয়ার আশা বাদ দিলাম! কেউ পাশে থাকবে নাকি থাকবে না সেই আশা ও বাদ দিলাম!কারও কথায় মন খারাপ করাও বাদ দিলাম! অতঃপর, জীবন এখন অনেক সুন্দর !

কারণ, অবশেষে বুঝেছি শান্তি কখনও অন্যের মাঝে নয়, নিজের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে!❤️‍🩹

নারীর আপন বলে কেউ সত্যিই হয় না…বাবার বাড়িতে সে “অতিথি”,স্বামীর বাড়িতে সে “দায়িত্ব”,সন্তানের চোখে সে “অভ্যাস” মাত্র।দিনশে...
29/10/2025

নারীর আপন বলে কেউ সত্যিই হয় না…
বাবার বাড়িতে সে “অতিথি”,
স্বামীর বাড়িতে সে “দায়িত্ব”,
সন্তানের চোখে সে “অভ্যাস” মাত্র।

দিনশেষে যখন আলো নিভে যায়,
একজন নারী একাই বসে থাকে—
নিজের অজস্র ত্যাগ,
অগণিত কান্না, আর অব্যক্ত বেদনার পাশে।

নারীর দুঃখ কেউ শোনে না,
তার হাসিটাই সবাই দেখতে চায়।
কিন্তু সেই হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকে
একটা নীরব যুদ্ধ,
যেখানে সে প্রতিদিন একটু করে ভাঙে,
তবুও টিকে থাকে—সবাইয়ের জন্য।।

Address

Hobiganjj
Habiganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rimi Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share