Couple Canvas by JoFiza

Couple Canvas by JoFiza জীবনের পথে যতই শান্তি, সৌন্দর্য বা আরাম আকর্ষণ করুক না কেন, মানুষকে তার দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতি শেষ করেই বিশ্রামে যেতে হয়।

Passionate about Design, Motion & Visual Creativity (ডিজাইন, মোশন ও ভিজ্যুয়াল সৃজনশীলতায় অনুরাগী)

31/05/2026

আমি পৃথিবী জিততে চাই না,
শুধু সারাজীবন তোমার হাতটা ধরে রাখতে চাই।

25/05/2026

বাচ্চাদের শিখান।

মেয়েরা, লাইফ পার্টনার চুজ করার আগে হাজারবার ভাবুন। 🌸ক্যারিয়ার, সৌন্দর্য বা সফলতা সবকিছু থাকার পরও একজন ভুল মানুষ পুরো জী...
25/05/2026

মেয়েরা, লাইফ পার্টনার চুজ করার আগে হাজারবার ভাবুন। 🌸
ক্যারিয়ার, সৌন্দর্য বা সফলতা সবকিছু থাকার পরও একজন ভুল মানুষ পুরো জীবনকে মানসিকভাবে ভেঙে দিতে পারে। আর একজন সঠিক মানুষ আপনার স্বপ্ন, শান্তি আর আত্মবিশ্বাসকে আরও সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।

ভালোবাসা শুধু সম্পর্ক না, এটা মানসিক নিরাপত্তারও নাম। ❤️

মেয়েরা লাইফ পার্টনার চুজ করার আগে ১ কোটি বার ভাববেন। 🙂

বিয়ের পরে একটা মানুষের জীবনের সব সুখ-শান্তি আসলে কার ওপর নির্ভর করে জানেন? তার জীবনসঙ্গীর ওপর। একটা সুখী বিয়ে আর একটা অসুখী বিয়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ।

​এই ছবিতে যে দুজনকে দেখছেন, দুজনেই এক সময়ের টপ ক্লাস সুন্দরী, আর দুজনেরই ছিল ঈর্ষণীয় ক্যারিয়ার। কিন্তু জীবনসঙ্গী নির্বাচনে জাস্ট একটা ভুলের খেসারত কীভাবে দিতে হয়, তা এদের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। 😊

​মাধুরী যখন ক্যারিয়ারের তুঙ্গে , তখন তিনি বিয়ে করেন ডক্টর শ্রীরাম নেনেকে। একজন নন-ফিল্মি, একদম মাটির মানুষ। বিয়ের পর মাধুরী কিন্তু মিডিয়া থেকে দূরে সরে যাননি, বরং তাঁর স্বামী তাঁকে প্রতিনিয়ত পুশ করেছেন নিজের স্বপ্নগুলো তাড়া করতে।

​আজ এই বয়সে এসেও মাধুরীর চেহারায় যে গ্লো, যে পজিটিভিটি আর এনার্জি আমরা দেখি, তা কেবল ভালো স্কিনকেয়ারের ফল নয়।
এটা হলো একটা মানসিক শান্তি আর সুখী দাম্পত্যের রিফ্লেকশন। সঠিক মানুষ পাশে থাকলে বয়স বাড়ে ঠিকই, কিন্তু ভেতরের এনার্জি আর সৌন্দর্য কখনো ম্লান হয় না।

​অন্যদিকে ঐশ্বরিয়া, অমিতাভ বচ্চনের মতো এত বড় পরিবারের বউ হয়েও, তিনি কি আসলেই সেই মানসিক শান্তিটা পেয়েছেন? 🙂

একজন জেন্টলম্যান বিয়ে করা, আর মায়ের আঁচলের নিচের বেডা মানুষ বিয়ে করার মধ্যে যে কত বড় তফাৎ সেটা ঐশ্বরিয়া আর অভিষেকের রিলেশনশিপ দেখলেই বোঝা যায়।

​বিয়ের পর থেকেই বচ্চন পরিবারের অভ্যন্তরীণ ক'ড়া'ক'ড়ি, শাশুড়ি জয়া বচ্চন ও ননদ শ্বেতা বচ্চনের সাথে কোল্ড ওয়ার, আর যেকোনো পরিস্থিতিতে অভিষেকের স্ট্যান্ড নিতে না পারা ঐশ্বরিয়াকে ভেতর থেকে একা করে দিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে কান চলচ্চিত্র উৎসব থেকে শুরু করে যেকোনো ইভেন্টে ঐশ্বরিয়াকে একা, শুধু তাঁর মেয়ে আরাধ্যার হাত ধরে চলতে দেখা যায়। বচ্চন পরিবারের কেউ তাঁর পাশে থাকে না।

​বয়সের কারণে চেহারায় বা শরীরে চেঞ্জ আসাটা স্বাভাবিক বায়োলজিক্যাল প্রসেস।
কিন্তু মানসিক স্ট্রেস আর টেনশনের কারণে চেহারা নষ্ট হয়ে যাওয়া আর ভেঙে পড়ার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।

​ক্রনিক স্ট্রেসের কারণে শরীরে হরমোনাল ইমব্যালান্স শুরু হয়, যা একজন মানুষের ফিজিক্যাল অ্যাপেয়ারেন্স পুরোপুরি বদলে দিতে পারে। কিছু মানুষের জন্য রিলেশনশিপ আর পরিবারটা এতটাই ম্যাটার করে যে, তারা অন্য সবার খেয়াল রাখতে রাখতে নিজেকে ভালো রাখতেই ভুলে যায়! ঐশ্বরিয়ার সাম্প্রতিক লুকগুলো নিয়ে যারা ট্রো--ল করে, তারা হয়তো বোঝেই না যে একটা মানুষ কতটা মানসিক ট্র--মার মধ্য দিয়ে গেলে এমনটা হতে পারে।

মেয়েরা, ক্যারিয়ার বা সৌন্দর্য যতই থাকুক না কেন, পার্টনার চুজ করার সময় ১০ বার ভাববেন। একজন জেন্টলম্যান আপনার ডানকাটা ডানাগুলোকে আরও মেলে ধরতে সাহায্য করবে, আর একজন ভুল মানুষ আপনার সেই ডানাগুলো ছিঁড়ে খাঁচায় বন্দি করে ফেলবে। ব্যস! এইটুকুই.........💔

একটা শিশুর মৃত্যু কখনোই কারও সুযোগ, কনটেন্ট বা সহানুভূতির প্রদর্শনী হতে পারে না। ছোট্ট রামিসা আজ নেই— এই শূন্যতা কোনো অর...
23/05/2026

একটা শিশুর মৃত্যু কখনোই কারও সুযোগ, কনটেন্ট বা সহানুভূতির প্রদর্শনী হতে পারে না। ছোট্ট রামিসা আজ নেই— এই শূন্যতা কোনো অর্থ, কোনো ক্যামেরা, কোনো আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে পূরণ হওয়ার নয়। সবচেয়ে জরুরি ছিল দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা।

একটি শোকাহত পরিবারের ব্যক্তিগত কষ্টকে পাবলিক কনটেন্টে পরিণত না করে, তাদের প্রতি সম্মান ও মানবিকতা দেখানো উচিত। শিশুদের ভালোবাসুন, নিরাপদে আগলে রাখুন, এমন কোনো আচরণ করবেন না যাতে তারা অস্বস্তি বোধ করে।

আজ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সচেতনতা, মানবিকতা এবং ন্যায়বিচার। কারণ একটি শিশুর নিরাপত্তা পুরো সমাজের দায়িত্ব।

#রামিসার_বিচার_চাই #শিশু_নিরাপত্তা #মানবিক_হই

যে বাবা নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে মেয়ের মুখে হাসি ফোটাতে দিনরাত পরিশ্রম করেন, সেই মেয়েদের সম্মান ও নিরাপত্তা ...
23/05/2026

যে বাবা নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে মেয়ের মুখে হাসি ফোটাতে দিনরাত পরিশ্রম করেন, সেই মেয়েদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যারা ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করে, তারা শুধু একটি মেয়ের জীবনই নয়—একজন বাবার স্বপ্ন, একটি পরিবারের শান্তি এবং পুরো সমাজের মানবিকতাকেই ধ্বংস করে দেয়। এদের প্রতি কোনো দয়া, সহানুভূতি বা ছাড় নয়। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে দ্রুততম বিচার ও কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে আর কোনো বাবা তার সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে না থাকেন। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি মেয়ে কারও না কারও আদরের সন্তান, কারও বুকের ধন।

22/05/2026
22/05/2026

Address

Habiganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Couple Canvas by JoFiza posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share