Radhakrishna's lover

Radhakrishna's lover ভালোবাসার মানুষটি সঠিক হলে ভক্তি জীবনে কোনো প্রতিকুলতা থাকে না সব সময় হাসি খুশি থাকা যায় কৃষ্ণময় জীবন (Radha❤️Osim)🥰🤗

🥀🥀 হরে কৃষ্ণ রাধে রাধে🥀🥀🙏
(6)

12/06/2026

ভিডিও টি দেখতে নিচের লিংক এ ক্লিক করুন হরেকৃষ্ণ👇
https://youtu.be/yjHrQB_m7nc?si=n_kgv1IjVTmAtAh5

ভিডিও টি শেয়ার করুন আর সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকুন

10/06/2026

ভিডিও টি দেখতে নিচের লিংক এ ক্লিক করুন হরেকৃষ্ণ 👇
https://youtu.be/Iuda8IJRbTw?si=ZxOoZz7h0RmU5CBF

ভিডিও টি শেয়ার করুন আর সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকুন হরেকৃষ্ণ

‎🌸✨ জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজের জীবনের কিছু অজানা তথ্য...যা এতদিন আমাদের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল 😲🔥 ( কিন্তু কেন ) .... ...
06/06/2026

‎🌸✨ জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজের জীবনের কিছু অজানা তথ্য...যা এতদিন আমাদের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল 😲🔥 ( কিন্তু কেন ) .... জানলে আপনিও অবাক হয়ে যাবেন 😱

‎👉 মাত্র পাঁচ সেকেন্ড পড়ুন....আপনি এমন কিছু জানতে পারবেন যা বছরের পর বছর আমাদের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল

‎🌸 জয়পতাকা স্বামী ১৯৪৯সালের ৯ এপ্রিল উত্তর আমেরিকার মিলওয়াকির উইসকনসিনে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি ইন্টারন্যাশানাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনসাসনেসের (ইসকন) একজন বৈষ্ণব ধর্মগুরু। তিনি ছিলেন অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের বায়োজ্যেষ্ঠ শিষ্য । বর্তমানে তিনিই একমাত্র আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে দীক্ষিত করা শুরু করেন (ইসকন গুরু), গভর্ণিং বডি কমিশন-এর সদস্য, ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্টের বিভাগীয় ট্রাস্টি নিযুক্ত আছেন ।

‎ # জন্ম,শৈশব ও শিক্ষা >>>>

‎জয়পতাকা স্বামী ১৯৪৯ সনের ৯ই এপ্রিল (রাম নবমী পরবর্তী একাদশী তিথিতে) আমেরিকার উইস্কনসিনের মিলওয়াকিতে জন হুবার্ট ও লরেইন এ্যার্ডম্যানের পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর নাম ছিল জন গর্ডন এ্যার্ডম্যান। তিনি অত্যন্ত সম্পদশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতামহ বিশাল একটি রংয়ের কারখানার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, যেটির মূল্যমান তাঁর জন্মের সময়ই লক্ষ লক্ষ ডলারের অধিক ছিল। পরবর্তীতে শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজ যখন দেখেন যে তাঁর নাম – গর্ডন জন (গৌর ধন জন) – প্রভুপাদ কর্তৃক বিবৃত বাণীকেই সমর্থন করে, যে তিনি এবং আরো দু’জন ভক্ত পূর্বে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর পার্ষদ ছিলেন এবং সারা বিশ্বে কৃষ্ণভাবনামৃত প্রচারের সুবিধার্থে তাঁরা পশ্চিমে জন্মগ্রহণ করেছেন।

‎যখন জয়পতাকা মহারাজের বয়স এগার বছর, তখন তিনি তাঁর পিতামহের পরামর্শে ঈশ্বরের নাম জপ করার মাধ্যমে চর্মরোগ হতে আরোগ্যতা লাভ করেন। ১৪ বছর বয়সে সেন্ট জনস্ একাডেমী হতে তিনি প্রায় একরকম প্রচেষ্টা ছাড়াই কলেজে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি পরীক্ষায় শীর্ষ স্থানসহ অর্জন করেন। আমেরিকার বেশ কয়েকটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে শিক্ষা, বইপত্র, খাদ্য, বাসস্থান, আনুষঙ্গিক খরচসহ পূর্ণকালীন মেধাবৃত্তি প্রদানের প্রস্তাব দেয়। তিনি ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করেন। সেখানে নবীন ছাত্র হিসেবে আমন্ত্রিত এক বক্তৃতায় বুদ্ধদেবের জীবনীর উপর আলোচনায় তিনি এমনই আলোড়িত হন যে পড়াশোনার প্রতি সমস্ত আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং একজন পারমার্থিক গুরুর অন্বেষণ শুরু করেন। অন্বেষণ ও তপস্যায় কিছু কাল অতিবাহিত হলে গুরুকে খুজেঁ পেতে তিনি ভারতে যাবার সিদ্ধান্ত নেন।

‎যখন তিনি ভারতে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন একদিন আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি এ. সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের শিষ্যদেরকে পার্কে কীর্তন ও ব্যাক টু গডহেড পত্রিকা বিতরণ করতে দেখলেন। একজন ভক্ত তাঁকে ব্যাক টু গডহেড পত্রিকা দেবার জন্য এগিয়ে আসলে তার কপালে অংকিত তিলক দেখে তিনি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন এবং তাঁর তখন এমন বিস্ময়কর অনুভূতি হচ্ছিল যে তিনি হঠাৎ দৌড়াতে লাগলেন। কয়েক মিনিট দৌড়ানোর পর তিনি থামলেন ও চিন্তা করতে লাগলেন যে তিনি কী দেখেছেন এবং কেনই বা তিনি এত প্রভাবিত হলেন। অনুভূতিটি ছিল দীর্ঘদিন পর পুনরায় কোন কিছু দেখতে পাওয়ার, তাঁর স্মৃতিতে সুপ্ত ও লুকায়িত কোন কিছুর পুণর্জাগরণের। তিনি পার্কে ফিরে গেলেন, কিন্তু ততক্ষণে ভক্তরা চলে গিয়েছিল।

‎তখন থেকেই তিনি হরে কৃষ্ণ ভক্তদের খোঁজ করতে শুরু করলেন। যেহেতু ইসকন তখন পর্যন্ত তেমন সুপরিচিত ছিল না, তাই দীর্ঘদিন তিনি তাদেরকে খুজেঁ পাননি। অবশেষে সানফ্রানসিস্কোতে রথযাত্রার প্রস্তুতি চলাকালীন সময়ে তিনি ইসকন কেন্দ্রটির ঠিকানা খুজেঁ পান। তিনি মন্দিরে আসেন, যেখানে শ্রীমান জয়ানন্দ প্রভু জগন্নাথদেবের রথ প্রস্তুত করছিলেন। জয়ানন্দ প্রভু শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজকে রথের সেবায় নিযুক্ত করেন। পরবর্তীতে তিনি শ্রীল প্রভুপাদের দর্শন লাভ করেন যিনি তাকে অনুপ্রাণিত করার জন্য তাঁর সাথে প্রসাদ গ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং তিনি যেন সাধারণ সেবাসমূহের চেয়েও আরও বেশি সেবা পান সে বিষয়টিও নিশ্চিত করেন।

‎ইসকনের সংস্পর্শে আসার দুই মাসের মধ্যে শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজ ইসকনের আদর্শে নিজেকে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন। জয়ানন্দ প্রভু তাঁর মস্তক মুন্ডন করে দেন এবং সকলে খুবই আশ্চর্যান্বিত হয়েছিল যে ইসকনের সংস্পর্শে আসার কেবল দুই মাসের মধ্যে তিনি মস্তক মুন্ডন করে যোগদান করেছিলেন। ১৯৬৮ সালে কানাডার মন্ট্রিয়েলে জন গর্ডন প্রথম দীক্ষা প্রাপ্ত হন এবং তাঁর নাম হয় জয়পতাকা দাস ব্রহ্মচারী। অতি শীঘ্রই নিউইয়র্কে তিনি দ্বিতীয় দীক্ষায়ও ভূষিত হন।

"‎একবার মন থেকে বলুন " শ্রী শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী গুরু মহারাজ কি জয় 😇🌸🩵

রথ এসে গেছে। কিন্তু পুরীর রথযাত্রায় থাকতে পারবো না তাই নতুন রথ দেখতে আসলাম পুরীতে।
05/06/2026

রথ এসে গেছে। কিন্তু পুরীর রথযাত্রায় থাকতে পারবো না তাই নতুন রথ দেখতে আসলাম পুরীতে।

পরম আরাধ্য গুরুমহারাজ কী জয় 💝🙏🥰
31/05/2026

পরম আরাধ্য গুরুমহারাজ কী জয় 💝🙏🥰

 ゚
31/05/2026

27/05/2026

কাউকে না জেনে ভুল বুজা ঠিক না? নিতাই সেবিনী মাতাজি
Radhakrishna's lover

Address

Hajiganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Radhakrishna's lover posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category