Creation Diaries

Creation Diaries Welcome to Creation Diaries by Piue Organica!♡
Handmade creations made with love. Small pieces, big stories.
(4)

Inspired by nature, made for you..💗
From Naogaon, with care.. 💗

Quality & trust, all in one place!
☑️ Order now | Delivery all over Bangladesh.

08/05/2026

“মজা করছিলাম”—
এই একটা কথার আড়ালে
কত মানুষকে ছোট করা হয়, জানেন কি?

সব হাসির পেছনে happiness থাকে না—
কখনো কখনো humiliation ও থাকে।

যদি আপনার কথায় কেউ কষ্ট পায়,
তাহলে সেটা মজা না।

Kind হতে শিখুন —
কারণ কথাও আঘাত করতে পারে!

🖤

07/05/2026

আপনি কি কখনো খেয়াল করে দেখেছেন —
আমরা অনেক সময় মজা করার নামে,
বা নিজের ভালো লাগার জন্য
অন্য কাউকে ছোট করে ফেলি?

হয়তো তখন অনেকেই বুঝি না,
কিন্তু এই ছোট ছোট আচরণই
কারও মনে দাগ ফেলে।

সত্যি বলতে—
নিজেকে বড় প্রমাণ করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো অন্যকে ছোট করা।
আর সবচেয়ে কঠিন—but powerful উপায় হলো
অন্যকে সম্মান দেওয়া।

প্রত্যেকের উচিত —
এখন থেকে অন্তত একজন মানুষকেও ছোট না করে, তাকে একটু সম্মান দেওয়া।
কেননা এতেই উন্নত মানসিকতার প্রকাশ ঘটে, নিজের প্রতি আস্থা ও সম্মান বাড়ে!

সিদ্ধান্ত এখন আপনার মস্তিষ্কে, আপনার চিন্তনীয় বিবেকে! 🖤

06/05/2026

অনেক সময় মানুষ নিজের অনিরাপত্তা বা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ঢাকতে অন্যকে ছোট করে—এটা একটা মানসিক প্রতিরক্ষা (defense mechanism)। এতে সাময়িকভাবে নিজেকে “বড়” মনে হলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটা ব্যক্তিত্বকে ছোটই করে দেয়।

তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ দিকও আছে—সমাজ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এমন ধারণা করা হলেও সমাজ আসলে পুরোপুরি এমন না। অনেক মানুষ আছে যারা চুপচাপ নিজের কাজ করে, অন্যকে সাহায্য করে, সম্মান দেয়।
সমস্যা হলো, নেতিবাচক আচরণ বেশি চোখে পড়ে, তাই মনে হয় সবাই এমন।

মূলত মানুষের সৌন্দর্য তার ব্যবহার আর কাজে—
বাস্তবে শক্ত মানুষ সে-ই, যে অন্যকে তুলে ধরতে পারে, সম্মান দিতে পারে, সহযোগিতা করতে পারে। 🖤

🖤

05/05/2026

মানুষের মধ্যে এক অদ্ভুত প্রতিযোগিতা চলছে—
কে কাকে অযোগ্য, অদক্ষ বা অবোধ প্রমাণ করতে পারে!

অন্যকে ছোট করতে গিয়ে অনেকেই বুঝতেই পারে না, এতে আসলে নিজের মানসিকতারই পরিচয় প্রকাশ পায়।

মানুষ সুন্দর হয় তার ব্যবহার আর কর্মে—
কিন্তু আমরা যেন ভুলে যাই,
কাউকে নিচে নামানো কখনোই নিজেকে উপরে তোলে না।

বর্তমান সমাজে অবজ্ঞা যেন একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে,
যেন এটাই নতুন নিয়ম!

কিন্তু সত্যিটা খুব সহজ—
মানুষ মানুষের জন্য।
সহযোগিতা আর সহমর্মিতাই পারে একজন মানুষকে সত্যিকারের “পরিপূর্ণ মানুষ” বানাতে। 🖤

17/04/2026

💗

09/04/2026

খালাকে জিজ্ঞেস করলাম, খালা এক নৌকায় যদি আমি আর আপনার স্বামী থাকে আর নৌকা যদি ডুবে যায় তখন আপনি কাকে বাঁচাবেন? প্রশ্নটা শুনে প্রীতম আমার দিকে মুখ কঠিন করে তাকায় আছে। আসলে একটু আগে খালা আর খালুর বিরাট ঝগড়া হইছে। মনে হচ্ছে এবার তালাক কনফার্ম। 😏

আমার প্রশ্ন শুনে আমার শ্বাশুড়ি মা বললেন, প্রীতম, ওকে বল ফাইজলামি সবসময় ভালো লাগেনা। প্রীতম আমাকে কিছু বললোনা। ও আমাকে কিছুই বলেনা। শুধু প্রতিদিন রাতে ঘুমাবার আগে একটা কথাই বলে, ছোঁয়া তুমি কি ছোটবেলা থেকেই এমন হারামি? আমি খুশি হয়ে ওর দিকে তাকায় প্রতিদিন বলি, হ্যাঁ। তুমি হারামির জামাই। 😇

খালা কিছু বলার আগে খালু বললেন, ও অবশ্যই তোমাকেই বাঁচাবে বৌমা। ওর আমাকে নিয়ে মাথাব্যথা নাই। আমি মরলে কি আর বাঁচলে কি! এই কথা শুনে খালা খুব রেগেমেগে গিয়ে বললেন, এই মেয়ের সাথে যদি আমার শত্রুও এক নৌকায় থাকে, তাহলে ওই শত্রুকেই আমি বাঁচাবো। খালার এই কথা শুনে প্রীতম কষ্ট পেলো। ও খালাকে বললো, খালা এই ছিলো আপনার মনে?
আমি অবশ্য কথাটা শুনে মন খারাপ করিনাই। আমার এসবে অভ্যাস আছে। 😐

আমি মন খারাপ এর ভান ধরে প্রীতমকে বললাম, প্রীতম তুমি তো আমাকে ভালোবাসো তাইনা? প্রীতম বললো, হ্যাঁ ছোঁয়া, কোনো সন্দেহ? আমি বললাম, তাহলে ধরো এক নৌকায় আমি আর খালা। তুমি তখন কি করবা? আমার প্রশ্ন শুনে খালা হুহু করে কেঁদে উঠলেন। খালা বললেন, এই মেয়ে আমার কলিজার টুকরা প্রীতমকে আমার থেকে কেড়ে নিবে। আপা তোর বউমার মত শয়তান মেয়ে আমি আগে দেখিনাই। প্রীতম তুই বলে দে তুই আমাকে ডুবে মরতে দিবি। 😏

পরিস্থিতি এখন অন্যরকম। আমি প্রীতমের দিকে তাকায় আছি। হঠাৎ আমার শ্বাশুড়ি মা এসে বললেন, ওই নৌকাতে আমিও আছি। তুই যেকোনো একজনকে বাঁচাতে পারবি। এটা শুনে খালা আরও জোরে হাউমাউ করে কান্না শুরু করলেন। কাঁদতে কাঁদতে বললেন, আপা তোর কি দরকার ছিলো নৌকায় উঠবার? আমাকে একা মরতে দিতি, এখন তো তুইও ডুবে মরবি রে আপা। প্রীতম এসব শুনে ঝরঝর করে ঘেমে যাচ্ছে। 🥵

সবাই আমরা এখন প্রীতমের দিকে তাকায় আছি। আমার এত সুন্দর স্বামী ভয়ে ফ্যাকাসে হয়ে আছে। ও একবার শুধু বললো, তোমরা সবাই নৌকায় কেনো উঠবা? তোমাদের তো রিক্সাতেও উঠানো যায়না একসাথে, সেখানে নৌকা? খালু তখন বললেন, যেহেতু নৌকায় উঠেই পড়ছে, তুই উত্তর দিয়ে দে বাবা। প্রীতম খালুর দিকে করুণ চেহারায় একবার তাকালো।🤒

প্রীতম টিস্যু দিয়ে চেহারা মুছলো। এরপর আমার দিকে তাকায় বললো, আমি কাউকেই বাঁচাতে পারবোনা ছোঁয়া, আমি সাঁতার পারিনা। কথাটা শুনে বাবা আস্তে করে বললেন, ভাগ্যিস ওকে ছোটবেলায় সাঁতার কাটা শিখাইনাই। কি বাঁচাটাই না বেঁচে গেলি আজ। 🤢

আমি প্রীতমের উপর রাগ হইনাই। সাঁতার না জানলে কিই বা করার আছে। আমি শুধু প্রীতমকে বললাম, আচ্ছা তারমানে আমরা তিনজনেই মারা যাবো। প্রীতম, তখন তুমি সবথেকে বেশি কারজন্য কাঁদবা? আমার জন্য? মায়ের জন্য? নাকি তোমার প্রিয় খালার জন্য? প্রশ্নটা শুনে মা আর খালা প্রীতমের দিকে তাকায় আছে একসাথে।😏

প্রীতম চেহারাটা শক্ত করে কিছুক্ষণ তাকায় থাকলো আমার দিকে। এরপর আমাকে বললো, আমি তখন মরতে চলে যাবো ছোঁয়া। তোমরা যেই দুনিয়ায় নাই সেই দুনিয়ায় আমি একা থেকে কি করবো বলো!🤕 তখন পাশ থেকে বাবা বললেন, আমি আর তোর খালু কিছুই না তোর জন্য?
কথাটা শুনে প্রীতম এবার মারাত্মকভাবে কঠিন চেহারা বানিয়ে বাবা আর খালুর দিকে ঘুরলো। এরপর বললো,

তোমরাও তখন আমার সাথে মরতে যাবা।😑

© ...😴😴
Shawkat আপুর লেখা গল্প।

Address

Hat Naogaon

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Creation Diaries posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share