Naogaon News

Naogaon News নওগাঁ জেলার প্রতিদিনের খবরা-খবর সবার আগে পেতে এই Naogaon News পেইজে ফলো দিয়ে পাশে থাকুন।
www.facebook.com/groups/naogaonlove
(2)

নিয়ামতপুরের দাখিল মাদ্রাসা যেন গরু - ছাগলের আড্ডা খানা।  সেই আদিম যুগের মতো রয়ে গেছে মাকলাহাট দারুল কুরআন দাখিল মাদ্রাসা...
22/08/2026

নিয়ামতপুরের দাখিল মাদ্রাসা যেন গরু - ছাগলের আড্ডা খানা।

সেই আদিম যুগের মতো রয়ে গেছে মাকলাহাট দারুল কুরআন দাখিল মাদ্রাসা! বছরের পর বছর পার হলেও হয়নি কোনো অবকাঠামোগত উন্নয়ন। মাটি ও টিনের তৈরি ঘরে হচ্ছে পাঠদান।বৃষ্টিতে টিনের ফুটো দিয়ে পড়ে টিপটিপ পানি। নেই কোনো সীমানা প্রাচীর। এই যেন গরু ছাগলের আড্ডাখানা।

উল্লেখ্য যে মাকলাহাট দারুল কুরআন দাখিল মাদ্রাসা বিগত চার বছর ধরে নিয়ামতপুর উপজেলার মাদ্রাসা গুলোর মধ্যে দাখিল ফলাফলে তিন নম্বরের মধ্যে অবস্থান ধরে রেখেছে। চলতি বছর ফলাফলেও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
দ্রুত অবকাঠামো উন্নয়ন করে শিক্ষা সুন্দর পরিবেশ তৈরি দাবি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অবিভাবকদের।

Naogaon News 👈

সরকারি চাকরির বেতনটাই বেতন না! পদটাই বেতন ফাইলটাই বেতন,সইটাই বেতন। কোন জেলা, কোন ক্যাডার, কোন টেবিল, ওইটাই আসল বেতন: পিন...
22/08/2026

সরকারি চাকরির বেতনটাই বেতন না! পদটাই বেতন ফাইলটাই বেতন,সইটাই বেতন। কোন জেলা, কোন ক্যাডার, কোন টেবিল, ওইটাই আসল বেতন: পিনাকি ভট্টাচার্য

ভূমি অফিসের বারান্দায় একজন লোক দাঁড়ায়ে আছে। নাম ধরেন আবুল হোসেন। বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি। বাপের রাইখা যাওয়া সাড়ে সাত শতাংশ জমির নামজারি করাইতে আসছে। কয়েকদিন ধর‍্যা আস্তেছেন তিনি, আজকে তার তৃতীয় দিন।

প্রথম দিন শুনসে কাগজ ঠিক নাই। দ্বিতীয় দিন শুনসে স্যার নাই। আজ কাগজও ঠিক, স্যারও আছে কিন্তু সার্ভার ডাউন। সার্ভার কী জিনিস তা জানেনা আবুল হোসেন, কিন্তু এইটা বুঝে তা ভুমি অফিসের বড় কত্তাদের মতোই এক তালেবরের নাম সার্ভার।

সে দিনমজুর না। ছোট একটা দোকান চালায়। এইখানে আসতে হইলে দোকান বন্ধ কইর‍্যা আসতে হয়।

সকাল নয়টা থাইকা দাঁড়ায়ে আছে। বসার জায়গা নাই, তাই দাঁড়ায়ে আছে। বয়স হইতেছে আবুল হোসেনের অনেক সময় ধর‍্যা দাড়ায়ে থাকতেও কষ্ট হয়৷ কিন্তু ভিতরে ঢোকা যাইব না, তাই দরজার দিকে তাকায়ে আছে। জিগাইলে কেউ উত্তর দেয় না, বা এমনভাবে দেয় যাতে সে বুইঝা যায় দ্বিতীয়বার জিগানো যাইব না।

এইটা ব্যতিক্রমী দিন না। এই দেশে এইটাই সাধারণ দিন। আমরা সবাই সরকারি যেকোন অফিসের ওই বারান্দাটা চিনি। এইটাই তো হওয়ার কথা, কারণ দেশটা গরিব। এই উত্তরটা আমরা এত শুনসি যে বিশ্বাসও কইরা ফালাইসি। তারপর নিজেদের দোষ দেওয়া শুরু করসি। আমরা লাইন মানি না, নিয়ম মানি না, আমাদের চরিত্র খারাপ, আমরা জাতটাই এই রকম।

এই হয়রানির ব্যবস্থায় যদি কারো সত্যিই লাভ না হইত, তাইলে স্বাধীনতার পরে এই একটা জিনিস একবারও ঠিক হইল না কেন?

ডিজিটাইজেশন প্রকল্প হইসে। ভূমি সংস্কার কমিটি হইসে। ই-নামজারি চালু হইসে। বিদেশি টাকা আসছে, পরামর্শক আসছে, প্রতিবেদন জমা পড়সে, ফিতা কাটা হইসে। কিন্তু আবুল হোসেনের এখনো বারান্দায় দাঁড়ায়ে থাকা শেষ হয়না ক্যান।

এই দেশে যেই জিনিসটা সত্যি কেউ ঠিক করতে চাইসে, ওইটা ঠিক হইসে। মোবাইলে টাকা পাঠানো ঠিক হইসে, এক দশকও লাগে নাই। কারণ ওইখানে কারও ক্ষতি হয় নাই।

তাইলে ভূমি অফিস ঠিক হয় না কেন?

ওই কাগজ ঠিক না থাকা, স্যার না থাকা, সার্ভার ডাউন থাকাটা কারও না কারও আয়। দালালের আয়। পিয়নের আয়। বড় কত্তার আয়। ফাইল যদি সাত দিনে আপনাআপনি ছাড়া হইত, ওই আয়ের উৎসটা ওইদিনই নষ্ট হইয়া যাইত।

রাষ্ট্রের প্রতিটা ব্যর্থ সেবা কারও না কারও উপরি আয়ের উৎস। এইটা ওইভাবেই ডিজাইন করা। শুধু ভুমি অফিস ক্যান, যেকোন সরকারি দপ্তর এই একই ভাবে চলে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্র কেন কাজ করে না, তার উত্তর অজ্ঞতা না, অর্থাভাব না, লোকবলের অভাবও না। উত্তর হইল, না-করাটাই সিস্টেম, না করাটাই ডিজাইন, না করাটাই কারও কারও ব্যবসা আর আয়ের উৎস।

আর যতক্ষণ ওই ব্যবসাটা লাভজনক, আপনি যত ভালো প্রকল্প আনেন, যত সৎ লোক ক্ষমতায় বসান, আবুল হোসেন বারান্দাতেই থাকব।

১৭৯৩ সালে কর্নওয়ালিস এই বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করলেন। জিনিসটা আসলে কী ছিল?

জিনিসটা ছিল একটা সিদ্ধান্ত। কে জমি চাষ করব, আর কে জমির আয় নিব।

চাষ করব চাষি। আয় নিব এমন একজন, যে জীবনে একদিনও লাঙল ধরে নাই। সে খালি একটা কাগজ ধইরা রাখব।

জমিদারের আয় আসত উৎপাদন থাইকা না, আসত একটা অধিকার দখলে রাখা থাইকা। সে ভালো ফলন চাইত না, সে চাইত কাগজটা তার নামেই থাকুক।

আর ঠিক এই কারণেই তার রাষ্ট্র লাগত না। তার খালি রাষ্ট্রের সিলটা লাগত।

জমিদারি আইন কইরা তুইলা দেওয়া হইসে। জমিদার গেছে, জমিদারি ব্যবস্থার যুক্তিটা যায় নাই। আয়ের উৎস উৎপাদন না, আয়ের উৎস অধিকার দখলে রাখা। খালি কাগজটার নাম বদলাইসে।

আজকে কাগজটার নাম লাইসেন্স। আমদানির অনুমতি। বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি। ব্যাংকের বোর্ডের একটা চেয়ার। একটা প্লট। একটা ঠিকাদারি। একটা ভালো পোস্টিং। যার হাতে ওই কাগজ, সে উৎপাদন করে না। সে সংগ্রহ করে।

এই দেশের সবচেয়ে মেধাবী ছেলেমেয়েরা বছরের পর বছর জীবন দিয়া দেয় একটা পরীক্ষার পিছনে। বিসিএস। তিরিশ বছর পর্যন্ত বিয়া নাই, ঘুম নাই, বন্ধু নাই।

এখন প্রশ্ন করেন, বেতনটা কত?

বেতনটা আহামরি কিছু না। একই ছেলে ওই দশ বছর একটা ভালো বেসরকারি চাকরিতে বা নিজের ব্যবসায় দিলে তার আয় খারাপ হইত না। একটা অতি সচ্ছল জীবন পাইতো। বাংলাদেশে বেসরকারি সংস্থায় টপ এক্সিকিউটিভের বেতন খারাপ না।

তাইলে পাগলামিটা কীসের জন্য? কারণ সরকারি চাকরির বেতনটাই বেতন না।

পদটাই বেতন। ফাইলটাই বেতন। সইটাই বেতন। কোন জেলা, কোন ক্যাডার, কোন টেবিল, ওইটাই আসল বেতন।

ওই ছেলেটা চাকরির পরীক্ষা দিতেসে না। সে বন্দোবস্তে ঢোকার পরীক্ষা দিতেসে।

কেউ মুখে কয় না, কিন্তু ঘরের ভিতরে সবাই জানে। মেয়ের বিয়ার সময় পাত্র সরকারি চাকুরে হইলে যেই দামটা বাড়ে, ওই দামটা বেতনের হিসাব থাইকা আসে না।

বেশিরভাগ ছেলেমেয়ে অসৎ হওয়ার জন্য ওই পরীক্ষায় বসে না, বসে নিরাপত্তার জন্য। বাংলাদেশে বন্দোবস্তের পার্ট না হইলে আপনার কোন বেইল নাই।

এইবার থানার দিকে তাকান।

দখল কাগজে হয় না, দখল মাটিতে হয়। আর মাটিতে দখল রাখতে গায়ের জোর লাগে। ওই জোরটা বিনা পয়সায় পাওয়া যায় না, ওইটা ভাড়া নিতে হয়।

তাই থানা এই দেশের সবচেয়ে ছোট বন্দোবস্তের অফিস। ওইখানে ঠিক হয় কোন দখলটা টিকব আর কোনটা টিকব না। মামলা কার নামে হইব, আর কার নামে হইলেও ফাইল নড়ব না।

এখন নিজের এলাকার দিকে তাকান, নাম ধইরা ধইরা মিলান। যারা চাকরি পাবেনা লেখাপড়াও করে নাই, তারা রাজনীতিতে আসে। ওই বন্দোবস্তের পার্ট হইতে আসে। ওই চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মধ্যে নিজের বখড়া নিশ্চিত করতে আসে।

বাজারের ইজারা। ফুটপাতের চাঁদা। বাসস্ট্যান্ডের লাইনম্যান। ঘাটের ইজারা। জলমহাল। বালুমহাল। রাস্তার পাশের সরকারি জায়গায় দোকান। খাসজমি।

এখন একটা জিনিস খেয়াল করেন। এইগুলার একটাও কেউ বানায় নাই।

জলমহালের মাছ ইজারাদার বানায় নাই। নদীর বালু কেউ তৈরি করে নাই, নদী নিজে আনসে। রাস্তাটা বানাইসে আপনার টাকায়। বাজারটা বসে কারণ চাষি ফসল আনে আর মানুষ কিনতে আসে।

কেউ কিছু বানায় নাই। সবাই খালি ঢোকার দরজায় বইসা আছে।

জমিদার লাঙল ধরত না, খালি কাগজটা ধইরা রাখত। বালুমহালের ইজারাদার নদী বানায় না, খালি ইজারার কাগজটা ধইরা রাখে।

দুইশ বছরে যন্ত্রটা বদলায় নাই। খালি সেই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত টুকরা টুকরা কইরা সবার হাতে বিলি করা হইসে।

বন্দোবস্ত মানে ক্ষমতাবানদের নিজেদের মধ্যে একটা মীমাংসা, কে কী পাইব। এইটা দুর্ঘটনা না। একটা দলকে ক্ষমতায় তুলতে আর ক্ষমতায় রাখতে টাকা লাগে, লোক লাগে, আনুগত্য লাগে। ওগুলা বেতন দিয়া কেনা যায় না।

ওগুলা কেনা হয় অনুমতি দিয়া।

কাউকে একটা লাইসেন্স, কাউকে একটা ঠিকাদারি, কাউকে ব্যাংকের একটা চেয়ার, কাউকে একটা প্লট, কাউকে একটা পোস্টিং, কাউকে ঘাটের ইজারা। এইগুলাই আঠা। এইগুলা দিয়াই জোটটা জোড়া লাগানো থাকে।

তার মানে যেইটারে আমরা নৌকার ফুটো ভাবি, ওইটা ফুটো না।

ওইটাই ইঞ্জিন।

আর এইটা পাঁচশ লোকের লোভ না, এইটা একটা পিরামিড। উপরে বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি, মাঝখানে একটা ভালো পোস্টিং, নিচে বালুমহাল, আর সবার নিচে ওই বারান্দার দালালটা। প্রত্যেকের ভাগ ছোট, কিন্তু প্রত্যেকে নিজের ভাগটা প্রাণ দিয়া পাহারা দেয়।

এইজন্যই রাষ্ট্রের কোন সংস্কার হয়না। এখন বুঝেন আপনার কথা কেউ শোনে না কেন। এই কারণেই সংস্কারের কথা শুনলে ক্ষমতার লোক মাথা নাড়ে, কয় ঠিক কথা, খুবই ঠিক কথা, তারপর কিছু হয় না।

সে বোকা না। সে আপনার চাইতে অনেক ভালো বুঝসে আপনি আসলে কী চাইতেসেন। সে জানে, আপনি তারে আকাশের চাঁদ ভালোবাইস্যা দেখাইতেছেন না। সে জানে আপনি তার পিছে আইক্কাওয়ালা দিবেন। তার আয় রোজগার নিয়া টান দিবেন। তার যুগযুগান্তর ধরে তৈরি করা সাম্রাজ্য ভাঈঙ্গা দিবেন।

তাই সরকার বদলাইলে কী হয়?

ঘাটটা থাকে, ইজারাদার বদলায়। থানাটা থাকে, নামটা বদলায়। বারান্দাটা থাকে, খালি যুগযুগ ধইর‍্যা ওই সরকারি দপ্তরের বারান্দায় দাঁড়ায়ে থাকা ওই হতভাগ্য লোকটার নাম বদলায় না।

ওইটা আবুল হোসেনই থাকে। সবাইরে "আবুল" বানায়ে রাখাই বন্দোবস্তের প্রধান কাজ।

সাংবাদিকের কলমের কালিতে নয়, সত্য মিথ্যা যাচাই করবে সুবিধাভোগী জনগণ। কমেন্ট করুন....📌 কৃষকের পরম বন্ধু নিয়ামতপুরের উপজেলা...
22/08/2026

সাংবাদিকের কলমের কালিতে নয়, সত্য মিথ্যা যাচাই করবে সুবিধাভোগী জনগণ। কমেন্ট করুন....

📌 কৃষকের পরম বন্ধু নিয়ামতপুরের উপজেলা কৃষি অফিসার,সততা ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ"—এই আপ্তবাক্যটিকে বুকে ধারণ করে নিয়ামতপুর উপজেলার কৃষিখাতকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ কৃষকদের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন সেখানকার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। পদমর্যাদায় সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হলেও কৃষকদের কাছে তিনি একজন আপন 'ভাই'। তাঁর ন্যায়পরায়ণতা, সৌজন্যমূলক আচরণ এবং সংকটকালীন দূরদর্শী পদক্ষেপে বদলে যাচ্ছে স্থানীয় কৃষি অফিসের সেবার চিত্র।
​অহংকারের প্রতীক ও ব্যতিক্রমী সেবামূলক আচরণ
উপজেলা কৃষি অফিসে সেবা নিতে আসা কৃষকদের সাথে তাঁর প্রতিটি দিন কাটে আন্তরিকতায়। চিরাচরিত সরকারি আমলাতান্ত্রিক মানসিকতার বাইরে এসে তিনি কৃষকদের সাথে কোনো দূরত্ব রাখেন না। কৃষকদের অভিযোগ বা সমস্যার কথা শোর সময় "স্যার" সম্বোধনের চেয়ে "ভাই" হয়ে পাশে দাঁড়াতেই তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। স্থানীয় কৃষকদের মতে, তাঁদের দীর্ঘ জীবনে এমন মানবিক ও কৃষকমুখী কর্মকর্তা তাঁরা খুব কমই দেখেছেন। তিনি কেবল একজন সরকারি কর্মকর্তা নন, বরং নিয়ামতপুরের কৃষকদের অহংকার।
​সার সংকটে মানবিক ও বাস্তবমুখী ভূমিকা
বর্তমানে দেশজুড়ে সার ব্যবস্থাপনা যখন কৃষকদের অন্যতম প্রধান চিন্তার কারণ, তখন নিয়ামতপুরে চিত্রটি কিছুটা ভিন্ন। কোনো কৃষক যদি ডিলার মারফত প্রয়োজনীয় সার পেতে ব্যর্থ হন, তবে সরাসরি কৃষি কর্মকর্তার শরণাপন্ন হতে পারেন। সংকটকালীন মুহূর্তে কোনো কৃষককে তিনি খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না। যেখানে ১০ বস্তা সারের চাহিদার বিপরীতে শতভাগ দেওয়া সম্ভব হয় না, সেখানে তিনি নিজ দায়িত্বে সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি যতটুকু সম্ভব জরুরি সারের ব্যবস্থা করে দেন। তাঁর এই আন্তরিক আশ্বাস ও সংকটকালীন সহযোগিতা কৃষকদের মাঝে বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিয়েছে।
​সোনার বাংলাদেশ গড়ার অনুপ্রেরণা
উপজেলার সর্বস্তরের কৃষকদের একবাক্যে স্বীকারোক্তি—যদি দেশের প্রতিটি সরকারি দপ্তরে এমন দায়িত্বশীল, ন্যায়পরায়ণ ও মানবিক অফিসার থাকতেন, তবে 'সোনার বাংলা' গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হতো না। তাঁর এই গণমুখী কর্মকাণ্ড অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

Naogaon News 👈👈

মান্দায় ভীমরুলের চাক পুড়াতে গিয়ে বসতবাড়িতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিটনওগাঁর মান্দায় ভীমরুলের চাক পুড়াতে...
22/08/2026

মান্দায় ভীমরুলের চাক পুড়াতে গিয়ে বসতবাড়িতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট

নওগাঁর মান্দায় ভীমরুলের চাক পুড়াতে গিয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের গাইহানা ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে এবাদুরের বাড়িতে ভীমরুলের চাক পুড়ানোর সময় অসাবধানতাবশত আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে মান্দা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।তবে অগ্নিকাণ্ডে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

Naogaon News 👈👈

জয়পুরহাটে উচ্চশব্দে গান বাজিয়ে স্ত্রীকে নির্যা*তন: হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃ*ত্যু, ঘাতক স্বামী আটকজয়পুরহাটে সা...
22/08/2026

জয়পুরহাটে উচ্চশব্দে গান বাজিয়ে স্ত্রীকে নির্যা*তন:

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃ*ত্যু, ঘাতক স্বামী আটক
জয়পুরহাটে সাউন্ড সিস্টেমে উচ্চশব্দে গান বাজিয়ে স্ত্রীকে পৈশা*চিক নির্যা*তনের অভিযোগ উঠেছে এক পাষণ্ড স্বামীর বিরুদ্ধে, যেখানে নির্যাতিত নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃ*ত্যু*বরণ করেছেন এবং এ ঘটনায় অভিযুক্ত ঘাতক স্বামীকে পুলিশ আটক করেছে।

Naogaon News 👈

নাটোরে যাত্রীবাহী ঢাকাগামী বাসের চা/পা/য় অটো ভ্যান চালক সহ দুজন নি/হ/ত। Naogaon News 👈
22/08/2026

নাটোরে যাত্রীবাহী ঢাকাগামী বাসের চা/পা/য় অটো ভ্যান চালক সহ দুজন নি/হ/ত।

Naogaon News 👈

পোরশায় পুকুরে গোসল করতে নেমে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু​নওগাঁর পোরশায় পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে রায়হান কবির ...
22/08/2026

পোরশায় পুকুরে গোসল করতে নেমে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু


নওগাঁর পোরশায় পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে রায়হান কবির (২৮) নামে এক কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকের করুণ মৃত্যু হয়েছে।

​শনিবার দুপুরে পোরশা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের দাহার শেখপাড়া গ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।​নিহত রায়হান কবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার দামদিপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের দাহার শেখপাড়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

​স্থানীয় ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে মাদ্রাসা সংলগ্ন শেখপাড়া গ্রামের একটি পুকুরে গোসল করতে নামেন শিক্ষক রায়হান কবির। গোসলের একপর্যায়ে তিনি সাঁতার কেটে পুকুরের মাঝামাঝি পৌঁছালে হঠাৎ পানির নিচে তলিয়ে যান।

বিষয়টি দেখতে পেয়ে মাদ্রাসার ইউসুফ আলী নামের এক শিক্ষার্থী দ্রুত সাঁতরে গিয়ে তাকে পানির নিচ থেকে উদ্ধার করে পুকুরের পাড়ে নিয়ে আসে।

​পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রায়হান কবিরকে মৃত ঘোষণা করেন।

Naogaon News 👈

গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)-এর আয়োজনে বগুড়ায় দ্বিতীয় দিনে নওগাঁর সাংবাদিকতায় দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ চলছে।Naogaon News...
22/08/2026

গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)-এর আয়োজনে বগুড়ায় দ্বিতীয় দিনে নওগাঁর সাংবাদিকতায় দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ চলছে।

Naogaon News 👈

পুলিশ সুপারে নির্দেশে ডিবির বিশেষ  অভিযানে আর্থিক সাইবার অপরাধে  নাহিদ গ্রেফতার।২১-০৮-২০২৬ তারিখ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তা...
22/08/2026

পুলিশ সুপারে নির্দেশে ডিবির বিশেষ অভিযানে আর্থিক সাইবার অপরাধে নাহিদ গ্রেফতার।

২১-০৮-২০২৬ তারিখ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটা টীম নওগাঁ সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে অভিযানিক টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, নাহিদ নামক এক ব্যাক্তি তার বাড়িতে মোবাইলের মাধ্যমে সাইবার স্পেস ব্যবহার করে জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে আইন বহির্ভূত ডলার ই- ট্রানজেকশন করছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক টীম আসামি নাহিদ ( ২৯) পিতা গোলাম হোসেন মাতা মোছা: নাজমা বেগম সাং বক্তারপুর থানা জেলা নওগাঁ এর বাড়িতে গেলে নাহিদ পালানোর চেষ্টা করে। তাকে আটক করে তার হাতে থাকা মোবাইল বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, www.textverified.com ও wePhone এ্যপ ব্যাবহার করিয়া ভুয়া মোবাইল নাম্বার দিয়ে ভুয়া জিমেইল আই ডি তৈরি করে অবৈধ উপায়ে তার নিজ বিকাশ একাউন্টে ডলার ই-ট্রানজেকশন করে তথ্য পাওয়া যায়।

আসামি নাহিদের বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন,২০২৬ এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

DISTRICT POLICE NAOGAON
Naogaon News 👈👈

জনগণের সহায়তায় নওগাঁ সদর থানা কর্তৃক মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য জিম গ্রেফতার অদ্য ইং ২১/৮/২৬ তারিখ রাত্রি অনুমান  ৮.৩...
22/08/2026

জনগণের সহায়তায় নওগাঁ সদর থানা কর্তৃক মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য জিম গ্রেফতার

অদ্য ইং ২১/৮/২৬ তারিখ রাত্রি অনুমান ৮.৩০ ঘটিকায় নওগাঁ সদর থানাধীন তাজের মোড় এলাকা হতে জনগণের সহায়তায় ধৃত মোটরসাইকেল চোর ১। তৌফিকুর রহমান ওরফে শাকিল আহমেদ ওরফে জুবায়ের ইসলাম জিম (২২) পিতা রাজু আহমেদ গ্রাম- সান্তাহার (হলুদ ঘর) থানা- আাদমদিঘী জেলা- বগুড়াকে গ্রেফতার করা হয়।

আসামীর কাছ থেকে একটি মাস্টার কি এবং একটি মোটরসাইকেল এর চাবি উদ্ধার করা হয়। তার নামে বগুড়া এবং নওগাঁ জেলায় কয়েকটি চুরি মামলা রয়েছে। উক্ত আসামি ৩/৪ মাস ধরে তাজেরমোড় বউ বাজার এলাকায় নাজমুলের বেকারি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করে আসছে। সেই সাথে সুযোগ সুবিধা অনুযায়ী মানুষের মোটরসাইকেল চুরি করে। তার সাথে জড়িত চোর চক্রের অপর দুই সদস্য ইতিমধ্যে জেলখানায় রয়েছে। এ সংক্রান্তে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

DISTRICT POLICE NAOGAON
Naogaon News 👈

Address

Naogaon, Sadar, Naogaon
Hat Naogaon
6500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Naogaon News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Naogaon News:

Shortcuts

Share