AR Homoeo Life

AR Homoeo Life DHMS (Bangladesh Homoeopathic Board)

30/06/2026

একিউট বা ক্রণিক রোগের চিকিৎসায় কীভাবে ঔষধ দিবেন এবং রোগীকে কী কী পরামর্শ দিবেন!
('আপনি কীভাবে ভালো হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হবেন' নামক আমার ৭ম বইয়ের পান্ডুলিপির অংশবিশেষ)
শেয়ার করুন, নিজ টাইমলাইনে রেখে দিন)

অনেক নতুন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার কীভাবে রোগীর চিকিৎসা করবেন, কী কী করবেন কী কী করবেন না তা ভালোভাবে না বুঝার কারণে চিকিৎসায় ভাল ফলাফল পান না। নিম্নে যে সকল পরামর্শ দেয়া হলো তা মেনে চিকিৎসা করলে সফলকাম হবেন ইনশাআল্লাহ।

১) রোগীর কেইস হিস্ট্রি যথাযথভাবে নোট করবেন। রোগীর অদ্ভুত অসাধারণ লক্ষণ থাকলে তা ও মানসিক লক্ষণকে টপ প্রায়োরিটি দিয়ে, Causation of the disease, রোগীর ডিজায়ার এভারশনসহ Totality of the symptom মিলিয়ে ঔষধ নির্বাচন করবেন।

২) প্রথমে একটি এন্টিসোরিক ঔষধ যেমন সালফার (যদি রোগীর শরীরে খোস পাচড়া শ্বেতী না থাকে) ও প্লান্ট সোর্সের অন্য ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা শুরু করবেন। কখনোই রোগীকে প্রথমেই উচ্চ শক্তির ঔষধ দিবেন না। তাহলে রোগীর কষ্ট বেড়ে যাবে এবং আপনার চিকিৎসা এমনকি সারা জীবনের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পরিত্যাগ করতে পারে।

৩) ক্রণিক রোগের চিকিৎসাকালে রোগীর কষ্টকর একিউট লক্ষণগুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রথমদিন Shallow acting remedy অর্থাৎ অগভীর ক্রিয়াশীল ঔষধ যেমন Aconite, Belladonna, Rhust Tox, Arsenic, Bryonia, ইত্যাদি ঔষধের ৬, ৩০ শক্তির ঔষধ পুনঃপুন সেবনের জন্য দিতে পারবেন If the symptoms calls for the remedy.

৪) অগভীর ক্রিয়াশীল ঔষধ যেমন Aconite, Belladonna, Rhust Tox, Arsenic, Bryonia, ইত্যাদি ঔষধের ৬, ৩০ শক্তির ঔষধ ২/৩ দিন পর পর লক্ষণানুসারে প্রয়োগ করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে ৩ বেলা বা ৪বেলা খেতে পারে সে পরিমান ঔষধ দিবেন তার বেশি নয়।

৫) রোগীর শরীরের কষ্টকর অবস্থাগুলো দূরীভূত হওয়ার পর আপনার সুনির্বাচিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধটির উচ্চ শক্তির দুই এক মাত্রা ঔষধ খেতে দিবেন। সেক্ষেত্রে ঔষধের কার্যকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। প্রয়োজনে ফাইটম বা প্লাসিবো দিবেন।

৬) যখন রোগীর তেমন কোন সমস্যা নেই ভালো আছে বলবে তখন হিরিডিটারী বা বংশগত রোগ প্রবণতা তাড়ানোর ঔষধ যেমন বংশে প্রেসার ♥ হার্ট ডিজিজ থাকলে Medorhinum, একজিমা থাকলে Psorinum, ক্যান্সার থাকলে Carcinocin, এ্যাজমা থাকলে Tuberculinum ইত্যাদি ঔষধের উচ্চ শক্তির সিঙ্গেল ডোজ প্রয়োগ করবেন।

৭) ঔষধ সেবনের আগে ও পরে কমপক্ষে আধা ঘণ্টা (৩০ মিনিট) সময় কোনো ধরনের খাবার বা পানীয় (পানি ছাড়া) গ্রহণ না করার পরামর্শ দিবেন।

৮) কখনো খালি হাতে হোমিওপ্যাথিক বড়ি না ধরার পরামর্শ দিবেন । হাতের স্পর্শে ঔষধের ভেতরের অ্যালকোহল বা স্পিরিট উবে যায়। ঔষধের কার্যকারীতা কমে যায়।

৯) নির্ধারিত ড্রপারে বা শিশির ঢাকনায় করে বা পরিষ্কার চামচে ঢেলে ঔষধ মুখে দিতে পরামর্শ দিবেন। একাধিক বোতলে বিভিন্ন তারিখে খাওয়ার জন্য ঔষধ দিলে একটি ঔষধের ড্রপার দিয়ে অন্য ঔষধ খাবে না।

১০) ঔষধ বাসি মুখে খাওয়ার পরামর্শ দিবেন। পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে সাথে সাথে ঔষধ সেবন করলে বা মুখে লং এলাচ বা অন্য কোন কিছুর কণা থাকাবস্হায় ঔষধ সেবন করলে ঔষধে কাজ করবে না।

১১) তীব্র গন্ধযুক্ত কোন কিছুর কাছাকাছি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ রাখা যাবে না। যেমন কর্পূর, কড়া সুগন্ধি, কিংবা কড়া সেন্টের পাশে ওষুধ রাখা উচিত নয়। এগুলো হোমিওপ্যাথিক ঔষধের কার্যকারিতা নষ্ট করে দিতে পারে।

১২) ভুল খাদ্যাভ্যাস ও বদভ্যাস পরিবর্তনের পরামর্শ দিবেন। ঔষধ চলাকালীন কাঁচা পেঁয়াজ, কাঁচা রসুন, অতিরিক্ত টক, কড়া মসলাযুক্ত খাবার, কফি এবং অ্যালকোহল জাতীয় বস্তু পরিহার করা উচিত।

১৩) অন্য ঔষধের সাথে একত্রে যেমন অ্যালোপ্যাথি, কবিরাজি বা অন্য কোনো তীব্র গন্ধযুক্ত ঔষুধের সাথে একত্রে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ রাখা বা খাওয়া উচিত নয়। এতে মূল ঔষধের ক্ষমতা কমে যায়।

১৪) নিজে নিজে উচ্চশক্তির কোন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন করা সম্পূর্ণ নিষেধ যেমন Sulphur, Psorinum, Medorhinum, Tuberculinum, Bacillinum, Silicea, Phosphorus, Lachesis ইত্যাদির মতো গভীর-ক্রিয়াশীল বা উচ্চশক্তির (High Potency) ঔষধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে ব্যবহার করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

১৫) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা চলাকালে কোন কষ্টকর লক্ষণের আবির্ভাব হলে প্রয়োজনে রোগী এ্যালোপ্যাথী ঔষধ খাবে কিন্তু নিজে নিজে কিনে বা অন্য কোন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খাবেন না।

১৬) রোগীর রোগের কষ্টকর অবস্হা বিবেচনায় ৭দিন বা ১০দিন বা ১৫দিন বা ২০দিন বা এক মাসের জন্য ঔষধ দিবেন। নির্ধারিত তারিখে পুনরায় ঔষধ নেয়ার জন্য পরামর্শ দিবেন।

১৭) তাড়াতাড়ি রোগ ভালো করার চেষ্টা করবেন না। ঔষধকে কাজ করার সময় দিন। ঔষধে কাজ করতে থাকলে অন্য ঔষধ দিয়ে প্রথম ঔষধের কাজে বাঁধা দিবেন না।

এভাবে চিকিৎসা শেষ করবেন। দেখবেন আপনি সফল চিকিৎসকদের একজন হবেন ইনশাআল্লাহ।

লেখকঃ Dr-Ahmed Moqbul.

 #হেপাটোসেলুলার কার্সিনোমা (HCC):**লিভারের প্রধান ক্যান্সার — নীরব ঘাতক, কিন্তু প্রতিরোধযোগ্য ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য।🔹 **HCC ক...
15/11/2025

#হেপাটোসেলুলার কার্সিনোমা (HCC):

**লিভারের প্রধান ক্যান্সার — নীরব ঘাতক, কিন্তু প্রতিরোধযোগ্য ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য।

🔹 **HCC কী?

হেপাটোসেলুলার কার্সিনোমা (Hepatocellular Carcinoma – HCC) হলো লিভারের প্রাথমিক (primary) ক্যান্সার, যা সরাসরি লিভারের কোষ (hepatocyte) থেকে উৎপন্ন হয়।
বিশ্বজুড়ে এবং বিশেষ করে বাংলাদেশে HCC-এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো **দীর্ঘমেয়াদি হেপাটাইটিস বি ও হেপাটাইটিস সি সংক্রমণ।

🔹 **কারণসমূহ (Causes):

1. **হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (HBV)— সবচেয়ে সাধারণ কারণ
2. **হেপাটাইটিস সি ভাইরাস (HCV)
3. **লিভার সিরোসিস (যেকোনো কারণে — ভাইরাস, অ্যালকোহল, বা ফ্যাটি লিভার)
4. **নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD/NASH)
5. **অ্যালকোহল সেবন(দীর্ঘদিনের)
6. **অ্যাফলাটক্সিন এক্সপোজার (পচা চাল, বাদাম, বা সংরক্ষিত খাবারে থাকা ছত্রাকজনিত বিষাক্ত পদার্থ)
7. **জেনেটিক ও মেটাবলিক রোগ

🔹 **উপসর্গ বা ক্লিনিক্যাল ফিচারস:

• ডান দিকের উপরের পেটে ব্যথা বা ভারি ভাব
• ক্ষুধামান্দ্য ও ওজন হ্রাস
• দুর্বলতা ও ক্লান্তি
• চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিস)
• পেটে পানি আসা (ascites)
• পেট ফোলা বা গাঁট অনুভব
• হঠাৎ রক্তপাত বা বমিতে রক্ত
• উন্নত অবস্থায় মানসিক বিভ্রান্তি

# # # 🔹 **শারীরিক পরীক্ষায় পাওয়া যেতে পারে:

• লিভার বড় ও শক্ত
• জন্ডিস
• পেটে পানি
• শিরা ফুলে যাওয়া
• কখনও গাঁট অনুভবযোগ্য

---

# # # 🔹Investigations : ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ( CT scan সহ আরো অনেক পরীক্ষা করা লাগে)

# # # 🔹 **চিকিৎসা (Treatment Options):

চিকিৎসা নির্ভর করে লিভারের কার্যক্ষমতা, টিউমারের আকার ও সংখ্যা, এবং রোগীর সার্বিক অবস্থার উপর।

**প্রধান চিকিৎসা পদ্ধতি:**

1. সার্জিক্যাল রিসেকশন:টিউমারে সম্পূর্ণ অপসারণ সম্ভব হলে এটি সবচেয়ে কার্যকর।
2. লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন: নতুন লিভার প্রতিস্থাপন করা। উপযুক্ত ক্ষেত্রে স্থায়ী সমাধান।
3) লিভার Cancer এর মুখে খাওয়ার ওষুধ
4) সাপোর্টিভ কেয়ার:ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য ও জন্ডিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক চিকিৎসা।

🔹 **প্রতিরোধ (Prevention):

• **হেপাটাইটিস বি টিকা গ্রহণ করুন** – এটি সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।
• **হেপাটাইটিস বি/সি রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা ও ফলো-আপে থাকুন**
• **ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণ করুন** – ওজন কমানো, সুষম খাবার ও ব্যায়াম
• **অ্যালকোহল সম্পূর্ণ পরিহার করুন**
• **পচা খাবার ও ছত্রাকযুক্ত খাদ্য এড়িয়ে চলুন**
• **রক্ত বা ইনজেকশন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন**
• **যারা লিভার সিরোসিস বা ভাইরাসে আক্রান্ত, বছরে অন্তত ২ বার লিভার স্ক্রিনিং করুন

• লিভারের জটিল রোগ দ্রুত শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রিত করা যায়
• HCC ছোট অবস্থায় ধরা পড়লে নিরাময়ের সুযোগ বেশি
• সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা, ফলো-আপ ও ঝুঁকি মূল্যায়ন করা সম্ভব
• নিজে থেকে চিকিৎসা নয় — কারণ ভুল ব্যবস্থাপনায় রোগ দ্রুত জটিল হয়ে যায়

সচেতনতার বার্তা:

লিভার আমাদের শরীরের সবচেয়ে পরিশ্রমী অঙ্গ। এটি নীরবে কাজ করে যতক্ষণ না মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায়।
**নিয়মিত লিভার চেকআপ, হেপাটাইটিস প্রতিরোধ ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শই জীবন বাঁচাতে পারে।**

ডা: আব্দুর রহিম (DHMS) Dhaka.AR HOMOEO LIFE 📞....01647522489

Hernia চিকিৎসা (Treatment of Hernia)হার্নিয়া সম্পূর্ণ সারে না কোনো ওষুধে — এর একমাত্র নির্দিষ্ট চিকিৎসা হলো সার্জারি (অ...
14/11/2025

Hernia চিকিৎসা (Treatment of Hernia)

হার্নিয়া সম্পূর্ণ সারে না কোনো ওষুধে — এর একমাত্র নির্দিষ্ট চিকিৎসা হলো সার্জারি (অপারেশন)। তবে উপসর্গ কমাতে কিছু অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যায়। নিচে সহজভাবে বিস্তারিত জানানো হলো 👇

✅ মূল চিকিৎসা: সার্জারি

হার্নিয়া তখনই হয় যখন পেটের ভেতরের টিস্যু/অঙ্গ দুর্বল জায়গা দিয়ে বাইরে ফুলে ওঠে। তাই এই দুর্বল জায়গা শুধু অস্ত্রোপচারেই মেরামত করা যায়।

🔥 হার্নিয়া সার্জারির প্রধান দুই পদ্ধতি

1️⃣ ওপেন সার্জারি

পেটের হার্নিয়ার স্থানে ছোট কাটা তৈরি করে

বের হওয়া অংশ ভেতরে ঢুকিয়ে

দেয়াল শক্ত করতে সেলাই বা মেশ বসানো হয়।

2️⃣ ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি (চাইল্ড সার্জারি)

খুব ছোট ৩–৪টি ফুটো দিয়ে ক্যামেরা ও যন্ত্র ঢুকিয়ে

মেশ বসিয়ে হার্নিয়া ঠিক করা হয়।
✔️ ব্যথা কম
✔️ ক্ষত ছোট
✔️ দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়

🩺 কখন সার্জারি করা জরুরি?

নিম্নলিখিত লক্ষণ থাকলে দেরি করা বিপজ্জনক—

হার্নিয়া ফুলে ব্যথা, লালচে বা শক্ত হয়ে যাওয়া

বমি বমি ভাব বা বমি

ফোলাটা ভেতরে না ঢোকা

হঠাৎ তীব্র ব্যথা

এগুলো strangulated hernia হতে পারে—জরুরি অপারেশন প্রয়োজন।

🔄 অস্থায়ীভাবে কী করলে উপসর্গ কমে?

এসব চিকিৎসা নয়, শুধু উপসর্গ কমানোর উপায়—

ভারী জিনিস তুলবেন না

দীর্ঘদিন কাশি বা কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে চিকিৎসা নিন

ওজন কমান

বাঁধুনি (truss/belt) ব্যবহার করা যায়—তবে সার্জারির বিকল্প নয়

💊 হার্নিয়া কি ওষুধে সারে?

❌ না।
কোনো অয়েন্টমেন্ট, ব্যান্ড, ব্যথার ওষুধ হার্নিয়াকে কমায় না বা ঠিক করে না।
ওষুধ শুধু ব্যথা বা কষ্ট সাময়িক কমাতে পারে।

🎗️ টিউমার (Tumor) — আসলে কী?টিউমার মানে হলো শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধি, যা একটি গাঁট বা ফুলা আকারে দেখা দেয়।...
07/11/2025

🎗️ টিউমার (Tumor) — আসলে কী?

টিউমার মানে হলো শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধি, যা একটি গাঁট বা ফুলা আকারে দেখা দেয়।
সব টিউমার যে ক্যান্সার, তা নয় — অনেক টিউমার নন-ক্যানসারাস (benign) হয় এবং ধীরে বাড়ে।
কিন্তু কিছু টিউমার ক্যান্সারাস (malignant) হয়ে শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

⚖️ টিউমারের প্রধান ২ ধরন

1️⃣ Benign Tumor (সাধারণ বা অক্ষতিকর টিউমার)

ধীরে ধীরে বাড়ে

চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে না

সাধারণত জীবনহানিকর নয়

অস্ত্রোপচার বা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ভালো হয়

🩵 উদাহরণ: Lipoma (চর্বির গাঁট), Fibroma, Adenoma ইত্যাদি

2️⃣ Malignant Tumor (ক্ষতিকর বা ক্যান্সারাস টিউমার)

দ্রুত বাড়ে ও ছড়িয়ে পড়ে

রক্ত বা লসিকা (lymph) মারফত শরীরের অন্য অঙ্গে যেতে পারে

চিকিৎসা দেরি হলে প্রাণঘাতী হতে পারে

❤️‍🔥 উদাহরণ: Carcinoma (epithelial cancer), Sarcoma (connective tissue cancer), Leukemia (blood cancer)

⚕️ টিউমার হওয়ার সম্ভাব্য কারণসমূহ

1️⃣ কোষ বিভাজনের জেনেটিক ত্রুটি
2️⃣ রেডিয়েশন বা কেমিক্যাল এক্সপোজার
3️⃣ ভাইরাস সংক্রমণ (যেমন HPV, EBV)
4️⃣ দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ বা ইনফেকশন
5️⃣ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
6️⃣ বংশগত প্রবণতা
7️⃣ মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস, বিষাক্ত পরিবেশ

🔍 সাধারণ লক্ষণসমূহ

শরীরের কোনো অংশে গাঁট বা ফুলা (কঠিন বা নরম)

গাঁটের আকার ধীরে ধীরে বাড়ছে

ব্যথা বা অস্বস্তি

ওজন কমে যাওয়া, দুর্বলতা

ক্ষুধামন্দা, রক্তস্বল্পতা

হরমোনজনিত পরিবর্তন (বিশেষ করে স্তন বা থাইরয়েডে)

জ্বর, ঘাম, বা রাত্রে ঘাম হওয়া (কিছু ম্যালিগন্যান্ট ক্ষেত্রে)

🧬 হোমিওপ্যাথিতে টিউমারের ধারণা

হোমিওপ্যাথি টিউমারকে দেখে শরীরের জীবনীশক্তির ভারসাম্যহীনতার ফলাফল হিসেবে।
মূল উদ্দেশ্য — শুধু টিউমার ছোট করা নয়, বরং তার কারণ, প্রকার ও মানসিক অবস্থা অনুযায়ী গভীরতর চিকিৎসা করা।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা Benign (সাধারণ) টিউমারে অসাধারণ কার্যকর,
আর Malignant (ক্যান্সারাস) ক্ষেত্রে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, রোগীর জীবনশক্তি ও ব্যথা নিয়ন্ত্রণে।

🌿 টিউমারে ব্যবহৃত ১০টি গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

1️⃣ Conium Maculatum

👉 কঠিন, ধীরে বাড়া, ব্যথাহীন গাঁটে
👉 বিশেষ করে স্তন, প্রোস্টেট, ঘাড় বা গ্রন্থিতে টিউমার
🩵 ধীরে ধীরে শক্ত ও পাথরের মতো হয়ে যায়

2️⃣ Calcarea Fluorica

👉 চর্বিযুক্ত বা ফাইব্রাস টিউমার (Fibroma, Lipoma)
👉 শক্ত, মসৃণ গাঁট, ধীরে বাড়ে
👉 দাঁত, হাড়, গ্রন্থি ও স্কিনে টিউমারের প্রবণতা

3️⃣ Thuja Occidentalis

👉 ওয়ার্টস, স্কিন টিউমার, সিস্ট, পলিপ ইত্যাদি
👉 ভাইরাল গ্রোথ বা ভ্যাকসিনেশন-পরবর্তী টিউমারে উপযোগী

4️⃣ Silicea

👉 ধীরে বাড়া, পুঁজধারী বা ইনফেকশন-প্রবণ টিউমার
👉 শরীর টক্সিন বের করতে অক্ষম হলে টিউমার তৈরি হয়
👉 পুঁজ বের হওয়ার প্রবণতা (suppurative tumors)

5️⃣ Phytolacca Decandra

👉 স্তন টিউমারে চমৎকার কার্যকর
👉 স্তন শক্ত, নীলচে, ছুঁলেই ব্যথা
👉 দুধের গ্রন্থি বা lymphatic congestion

6️⃣ Baryta Carbonica

👉 বয়স্কদের গ্রন্থি বা থাইরয়েড টিউমারে কার্যকর
👉 বৃদ্ধ বয়সে শরীরের কোষ ক্ষয়জনিত টিউমারে ভালো ফল

7️⃣ Clematis Erecta

👉 অণ্ডকোষ বা প্রোস্টেট টিউমারে (hydrocele সহ) উপযোগী
👉 ব্যথাযুক্ত, পানিভর্তি বা স্পর্শে অস্বস্তি

8️⃣ Arsenicum Album

👉 ক্যান্সারাস বা আলসারেটিভ টিউমারে
👉 জ্বালাপোড়া, রাত্রে ব্যথা, দুর্বলতা
👉 জীবনশক্তি বাড়াতে সহায়ক

9️⃣ Carcinosin (Nosode)

👉 ক্যান্সার প্রবণ পরিবারে
👉 দীর্ঘস্থায়ী মানসিক দুঃখ, হতাশা, ভয়
👉 ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক পর্যায়ে কার্যকর

🔟 Hydrastis Canadensis

👉 হজম বা লিভার-সম্পর্কিত টিউমারে
👉 শরীরে বিষ জমে চামড়া নিস্তেজ ও দুর্বল হয়
👉 পেট, লিভার বা জরায়ুর টিউমারে ব্যবহৃত

⚕️ সমর্থক চিকিৎসা:

নিয়মিত আলট্রাসনোগ্রাম / সিটি স্ক্যান পর্যবেক্ষণ

চিনি, জাঙ্ক ফুড, লাল মাংস, অ্যালকোহল পরিহার

পর্যাপ্ত পানি, ফলমূল ও সবজি

মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখা

🩺 চিকিৎসার দিকনির্দেশ:

প্রতিটি টিউমারের আলাদা প্রকৃতি, গঠন ও মানসিক প্রভাব আছে।
তাই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কখনো “এক ওষুধে সবার জন্য” নয়।
👉 সঠিক ওষুধ নির্বাচন করতে সম্পূর্ণ কেইস নেওয়া জরুরি। পেইজটি ফলো এবং লাইক দিয়ে। AR Homoeo Life এর পাশে থাকুন। 📞...... 01647522489

  – ভীত শিশুর হোমিওপ্যাথিক বিবরণ🔷☘️💠মনোভাব (Mind / Emotional PQRS)১.লালসা বা কামভাব – যৌনাঙ্গে হাত দেওয়া।২.অতিরিক্ত বাচা...
28/10/2025

– ভীত শিশুর হোমিওপ্যাথিক বিবরণ

🔷☘️💠মনোভাব (Mind / Emotional PQRS)
১.লালসা বা কামভাব – যৌনাঙ্গে হাত দেওয়া।

২.অতিরিক্ত বাচালতা – সারাক্ষণ কথা বলা, গান, ছড়া।

৩.এক বিষয়েই মগ্ন থাকা।

৪.বিদূষকের মতো আচরণ – নকল, প্রাণীর আওয়াজ, ঠাট্টা-তামাশা।

৫. ধর্মপ্রবণতা – প্রার্থনা, গান, আবেদন।

৬. আলো ও সঙ্গ চায়; একা ও অন্ধকার সহ্য করতে পারে না।

৭. ভয়: মৃত্যু, অন্ধকার, একাকী থাকা, প্রাণী।

৮. রাগ ও হিংসা: কামড়ানো, আঘাত, অভিশাপ বলা।

৯. গর্বিত, অহংকারী ও লজ্জাহীন।

🏵️🍀💠শিশু অবস্থায় (Infant / Toddler)
১। ঘুম থেকে হঠাৎ ভীত হয়ে জেগে ওঠে, কাউকে চিনতে পারে না, আতঙ্কে চিৎকার করে এবং আশেপাশের মানুষকে আঁকড়ে ধরে।

২। কাছে আসে, কিন্তু স্পর্শ পছন্দ করে না।

৩।চোখ বড় এবং pupils ফোলা।

৪। ঘুম আসে না, তবু ঘুমানোর চেষ্টা চালায়। (Belladonna, Chamomilla, O***m)
ভয়ের কারণে বিভ্রম ও convulsions দেখা দিতে পারে।

৫।জ্বরের সময়: তৃষ্ণাহীন, হাত-পা ঠান্ডা, প্রচণ্ড ঘাম।

🟥🔷🟪স্কুলের বয়সী শিশু (Schooling Child)
১।হকলানো; কথার জন্য প্রচুর চেষ্টা। (Bovista, Ignatia, Spigelia)

২। অদ্ভুত বা অশ্লীল আচরণ।

৩। ধর্মীয় উন্মাদনা – প্রার্থনা ও ধর্মীয় গান।

৪। সঙ্গ চায়; একা থাকতে পারে না।

৫। অন্ধকার ও বন্ধ জায়গার ভয়; টানেল/
৬। অন্ধকারে হাঁটতে পারে না।

৭।নাচ ও গান: rhythmic নাচ, ধর্মীয় বা অশ্লীল গান।

🔴🔵🟩শারীরিক লক্ষণ (Physical PQRS)
১। Convulsion / সঙ্কোচন:অঙ্গপ্রত্যঙ্গের jerks, কান্না।

২।চকচকে জিনিসের দিকে তাকালে convulsion পুনরায়।

৩।চেতনাসহ বা চেতনাবিহীন convulsion।

৪।মুখ লাল ও গরম, হাত-পা ঠান্ডা।

৫। শুষ্ক মুখ ও ঠোঁট।

৬। অধিকাংশ সমস্যা বিনা ব্যথার।

🔺Rule Out:
শিশু অন্ধকারে থাকতে পারে।

↗️⬆️উত্তেজক ও প্রশমক বিষয়

🔶উত্তেজক (Aggravation): চকচকে জিনিস, ভয়, ঘুমের পরে, অন্ধকার/মেঘলা দিন, swallowing, suppression, অতিরিক্ত আচরণ, স্পর্শ।

🔶প্রশমক (Amelioration): আলো (Light), সঙ্গ (Company), উষ্ণতা (Warmth)।

💠🔶বিশেষ লক্ষণ
১।কাছে আসে, কিন্তু স্পর্শ চাই না।

২।অন্ধকার ও অচেনা জিনিসের ভয়।

৩।জ্বরের সময় প্রচণ্ড ঘাম, তৃষ্ণাহীনতা, ঠান্ডা হাত-পা।

AR Homoeo Life 📞 01647522489

♣ #শোথ (   )  #ইডেমাঃ-♣সংজ্ঞা ( Definition ) : -  রক্তের সিরাম বা জলীয় অংশ বৃদ্ধি পেলে তৎসহ আভ্যন্তরীণ পেরিকার্ডিয়াম, পে...
10/10/2025

♣ #শোথ ( ) #ইডেমাঃ-♣

সংজ্ঞা ( Definition ) : - রক্তের সিরাম বা জলীয় অংশ বৃদ্ধি পেলে তৎসহ আভ্যন্তরীণ পেরিকার্ডিয়াম, পেরিটোনিয়াম ইত্যাদি সেরাসগর্তে একত্রিত হয়ে কৌশিক বিধান সমূহের আয়তন বৃদ্ধি হলেই শোথ লক্ষণ প্রকাশ পায় । সংক্ষেপে বলা যায়, সমস্ত দেহে বা দেহের অংশ বিশেষে বা কোন যন্ত্রে জল সঞ্চয় হলে তাকে শোথ বলে ।

♦কারণ ( Aetiology )♦ : -

🔮 দুষিত রক্ত, রক্তের জলীয় অংশ বৃদ্ধি, রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত, শিরা ও ধমনীর আবরণের শিথিলতা, জলীয় পদার্থের স্বাভাবিক নিঃসরণ বৃদ্ধি অথবা রসদ্রব্যের শোষণ অভাবই ইহার প্রধান কারণ ।

🔮 শরীর রক্তে ক্যালসিয়াম ফসফেট ও সোডিয়াম ক্লোরাইডের অভাব ।

🔮হৃদযন্ত্র, যকৃৎ ও কিডনির ক্রিয়াগত ব্যাঘাতে স্থান বিশেষ বা সর্ব শরীরে জলীয় পদার্থ সঞ্চিত হয় ।

🔮 রক্তে লবণ পদার্থের অভাব এবং ত্বকের সূক্ষ্ম ছিদ্র বা অন্যান্য যন্ত্রাদির ক্রিয়াগত ব্যাঘাত ঘটলে ঘাম ও প্রস্রাব হ্রাস বা বন্ধ হয় ।

🔮 শরীরে স্ফোটক বসে গিয়ে সবিরাম জ্বর, আরক্ত জ্বর, অতিরিক্ত মদ্যপান, অধিক পরিমাণ রক্তস্রাব ইত্যাদি কারনেও শোথ দেখা দিতে পারে ।

🍁লক্ষণ ( Aetiology )🍁 :-

১। আক্রান্ত স্থান স্ফীত হয় এবং সর্বাঙ্গ ধীরে ধীরে ফুলে উঠে ।

২। আক্রান্ত স্থানে আঙ্গুল দিয়ে টিপলে গর্ত হয় এবং আঙ্গুল তুলে নিলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত ঐ গর্ত থাকে পরে মিলে যায় ।

৩। চর্ম ফ্যাকাসে, উজ্জল ও শীতল হয় ।

৪। অতিশয় দুর্বলতা, ক্ষুধাহীনতা ও পিপাসা বৃদ্ধি পায় ।

৫। উদরাময়, মুত্র স্বল্পতা ও লালবর্ণের মুত্র ।

৬। শোথ কোন নির্দিষ্ট রোগ নয়, অন্যরোগের উপসর্গ ।

৭। রক্তে জলীয় অংশ বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য দেহ কোষগুলো প্রথমে আক্রান্ত হয় । দিনের বেলায় পদদ্বয়ে শোথ বৃদ্ধি এবং রাতে পায়ের শোথ ভাব কম থাকে ।

৮। শ্বাসকষ্ট, উদরাময়, হাঁপানি বোধ । ঘর্মরোধ, পিপাসা এবং নড়াচড়া করতে কষ্ট ।

😥জটিলতা ( Complication )😥 : - উপযুক্ত চিকিৎসা না হলে হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুর আশঙ্কা ।

♥হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ( Homoeopathic Treatment )

ইডেমা বা শোথ রোগে লক্ষন অনুযায়ী নিম্নের ঔষধ গুলো ব্যবহৃত হয়!
♠ফসফরাস
♠আর্সেনিক
♠পালসেটিলা
♠রাসটক্স
♠সালফার
♠লাইকোপোডিয়াম
♠ডিজিটালিস
এছাড়াও রোগীর সার্বিক লক্ষন অনুযায়ী অন্য যে কোন মেডিসিন আসতে পারে! 🩺AR Homoeo Life 📞.....01647522489

চর্মরোগে মায়াজমিক বিশ্লেষণ (Miasmatic Analysis in Skin Diseases)🔹 প্রধান তিন মায়াজম: Psora – Sycosis – Syphilis---🩵 ১️...
09/10/2025

চর্মরোগে মায়াজমিক বিশ্লেষণ (Miasmatic Analysis in Skin Diseases)

🔹 প্রধান তিন মায়াজম: Psora – Sycosis – Syphilis

---

🩵 ১️⃣ PSORA (সোরিক মায়াজম)

মূল প্রকৃতি:
👉 অসম্পূর্ণতা, চুলকানি, শুষ্কতা ও দুর্বল প্রতিক্রিয়া।
👉 রোগ বাহিরে প্রকাশ পেতে চায়; দমন করলে ভিতরের রোগ দেখা দেয়।

ত্বকীয় বৈশিষ্ট্য:

শুষ্ক, খসখসে, ফাটে, চুলকায়

উষ্ণতায় চুলকানি বাড়ে

রাতের দিকে চুলকানি বেশি

ক্ষত শুকিয়ে খোসা পড়ে যায়

দমন করলে অভ্যন্তরীণ ক্রনিক রোগ হয় (অ্যাজমা, গ্যাস্ট্রিক ইত্যাদি)

মানসিক দিক:

অস্থিরতা, অসন্তোষ, হতাশা, লজ্জাশীলতা

প্রধান ওষুধ:

Sulphur, Psorinum, Graphites, Natrum mur, Calc carb.

রেফারেন্স:
📗 Hahnemann – The Chronic Diseases, Vol. I
📗 Kent – Lectures on Homœopathic Philosophy, Lecture XX
📗 Allen – The Chronic Miasms

---

💚 ২️⃣ SYCOSIS (সাইকোটিক মায়াজম)

মূল প্রকৃতি:
👉 অতিবৃদ্ধি বা হাইপারপ্লাস্টিক প্রবণতা — শরীরে বাড়তি বৃদ্ধি, মোটা চামড়া, আঁচিল, পলিপ ইত্যাদি।
👉 রোগ ভিতরে চাপা থাকে, নিঃসরণ আঠালো ও ধীরে নিরাময় হয়।

ত্বকীয় বৈশিষ্ট্য:

আঁচিল, পলিপ, কন্ডাইলোমা

ত্বক ঘন, মোটা, মসৃণ বা তেলতেলে

নিঃসরণ আঠালো, সবুজাভ, দুর্গন্ধযুক্ত

দমন করলে আর্থ্রাইটিস, প্রোস্টেট সমস্যা, টিউমার ইত্যাদি হয়

মানসিক দিক:

গোপন প্রবণতা, অতিরিক্ত সন্দেহ, হীনমন্যতা, ঈর্ষা

প্রধান ওষুধ:

Thuja, Natrum sulph, Medorrhinum, Causticum, Sabina

রেফারেন্স:
📘 Hahnemann – Chronic Diseases, Vol. II (Sycosis Section)
📘 J.H. Allen – The Chronic Miasms and Pseudo Psora, Vol. II
📘 Phatak – Materia Medica (Thuja, Nat. sulph.)

---

❤️ ৩️⃣ SYPHILIS (সিফিলিটিক মায়াজম)

মূল প্রকৃতি:
👉 ধ্বংসাত্মক (destructive) প্রবণতা — টিস্যু ক্ষয়, আলসারেশন, বিকৃতি।
👉 রোগ দমন করলে ধীরে ধীরে টিস্যু ভেঙে যায়।

ত্বকীয় বৈশিষ্ট্য:

গভীর আলসার, রক্তমিশ্রিত নিঃসরণ, দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষত

ত্বকে গর্ত বা গ্যাংগ্রেনের মতো ক্ষতি

রাতের দিকে ব্যথা বাড়ে (especially bone pain at night)

ক্ষত সেরে গিয়ে দাগ রেখে যায়

মানসিক দিক:

আত্মবিনাশী চিন্তা, হতাশা, নৈরাশ্য, আত্মহত্যা ভাবনা

প্রধান ওষুধ:

Mercurius, Aurum met, Syphilinum, Nitric acid, Kali iod.

রেফারেন্স:
📙 Hahnemann – The Chronic Diseases, Vol. III (Syphilis Section)
📙 Kent – Lectures on Homœopathic Philosophy (Lecture XXIV)
📙 J.H. Allen – The Chronic Miasms, Syphilis Section

---

🌼 তুলনামূলক সারাংশ (Comparative Table):

দিক Psora Sycosis Syphilis

মূল প্রবণতা অসম্পূর্ণতা, চুলকানি অতিবৃদ্ধি, আঁচিল ধ্বংস, আলসার
নিঃসরণ শুষ্ক বা স্বল্প আঠালো, ঘন, সবুজাভ দুর্গন্ধযুক্ত, রক্তমিশ্রিত
চুলকানি উষ্ণতায় বাড়ে আর্দ্রতায় বাড়ে ব্যথা রাতের দিকে
মানসিক লক্ষণ অসন্তোষ, লজ্জা সন্দেহ, গোপনতা আত্মবিনাশী ভাবনা
ফল Functional disorder Overgrowth Destruction
প্রধান ঔষধ Sulphur Thuja Mercurius

---

📚 অতিরিক্ত রেফারেন্স বইসমূহ:

1. Hahnemann – Organon of Medicine (Aph. 78–82)

2. Allen, J.H. – The Chronic Miasms: Psora, Sycosis, Syphilis

3. Kent, J.T. – Lectures on Homœopathic Philosophy

4. Roberts, H.A. – The Principles and Art of Cure by Homœopathy

5. Ortega, P. – Notes on the Miasm

🩺AR Homoeo Life

 #নবজাতক_শিশুর_হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসাঃ★★নবজাত শিশু মায়ের স্তন না টানিলে চায়না ৬ ঘন্টা পরপর। ক্যাল্কে ফস ১২x ১ বড়ি দিনে ৩ ব...
07/10/2025

#নবজাতক_শিশুর_হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসাঃ
★★নবজাত শিশু মায়ের স্তন না টানিলে চায়না ৬ ঘন্টা পরপর। ক্যাল্কে ফস ১২x ১ বড়ি দিনে ৩ বার।
★★ নবজাত শিশু দুধ না খাইলে ম্যাগমিউর ৩০ ৩ ঘন্টা পরপর।
★★ নবজাত শিশু মাথা বড় হইলে আর্ণিকা ৩x ৩ ঘন্টা পরপর।
★★ নবজাত শিশু নাভী শুকাইবার পরও উঁচু হইয়া থাকিলে নাক্স ৬ দিনে ৩ বার।
উপকার না হলে সালফার ৩০ দিনে ১ বার, পরে উচ্চ শক্তি ব্যবহার্য।
★★ মাথার সামনের গাড় জোড়া না লাগিলে প্রথমেই সালফার ২০০ এক মাত্রা। পনের দিন পরে উন্নতি না হলে ক্যাল্কে ফস ১২x ১বড়ি দিনে ২ বার।
★★ নবজাত শিশুর স্তন ফুলিলে, প্রথমেই বেলাডোনা ৩, দিনে তিনবার। পূঁজি পড়লে হিপার ৬, দিনে ২ বার। সপ্তাহ পরে সাইলিসিয়া ৩০ দিনে ১ বার ২ /১ ডোজ দিবেন।
★★ নবজাত শিশুর দেহের বগলে, কানের পিছে, কুঁচকিসহ বিভিন্ন স্থানে ঘা হইলে ও চুলকানি থাকিলে সালফার ৩০ সপ্তাহে ১ বার শিশু মোটা সোটা হইলে ক্যাল্কে কার্বা ৩০ দিনে একবার, পাতলা শরীর বিশিষ্ট হইলে লাইকোপডিয়াম ৩০, দিনে ১ বার। পাতলা রস বাহির হইলে পেট্রোলিয়াম ৩০, দিনে ১ বার আর ইহাতে চুলকানি থাকিলে রাসটক্স ৩০, দিনে ২ বার। লাল ফুস্কুড়ি উঠিলে ক্যামোমিলা ১২, দিনে ২ বার আর ইহাতে চুলকানি থাকিলে রাসটক্স ৩০ দিনে ২বার।
★★নবজাতক শিশুর গায়ে ফোস্কার মত উদ্ভেদ উঠিলে মার্কসল বা রাসটক্স ৩০ দিনে ১ বার। কেলি সালফ ১২x ১ বড়ি দিনে ২ বার।
★★ নবজাত শিশুর অরুচিতে নাক্স ৬ তিন ঘন্টা পরপর। সাথে ফোরাম ফস ১২ x ১ বড়ি করে ২ বার। সাথে এভেনা স্যাট ভালো ঔষধ।
★★ নবজাত শিশুর দুধ গজমতি না হইলে ইথুজা ও নেট্রাম কার্বা ৩০ দিনে ২ বার।
★★ নবজাত শিশুর গোসল করাইতে কানে পানি ঢুকিলে এন্টিম টার্ট ৩০ পরে রাসটক্স ৩০ ২বার।
★★ নবজাত শিশুর পেটের গ্যাস হলে কান্নাকাটি করিলে নাক্স। রাগি হলে কেমোমিলা ৩০ সুন্দর কাজ করে।
★★ নবজাত শিশুর পেট ব্যথা মোচড়ানো থাকিলে কেমোমিলা ৩০ শক্তি ২বার।
★★ নবজাত শিশুর কানের ব্যাথায় ক্যামোমিলা ১২ ৩ ঘন্টা পরপর।
★★ নবজাত শিশুর নিদ্রাহিনতায় ক্যামোমিলা ৩০, ৬ ঘন্টা পরপর।
★★ নবজাতক শিশুর মাথায় আদ্র একজিমায় রাসটক্স ২০০ সপ্তাহে একবার। ব্যর্থ হলে মেজেরিয়াম ২০০।

চতুর্থ পর্ব
১)নবজাতক শিশু না কাঁদলে aconite
২)নবজাতক শিশু প্রস্রাব না করলে aconite
৩)নবজাতক শিশুর পায়খানা প্রস্রাব বন্ধ থাকলে aconite
৪)নবজাতক মরার মত পড়ে থাকলে o***m
৫)o***m ব্যর্থ হলে antim tart
৬)নবজাতক শিশু নীলবর্ণ হইলে lorosirasus
৭)নবজাতক লাল ও নীল বর্ণ হলে gloin
৮)নবজাতক এর গলায় গড় গড় শব্দ হলে antim tart
৯)নবজাতক এর নাভী কাটার পর ধনুষ্টংকার হলে hype
১০)নবজাতক শিশুর মাথায় রক্তপূর্ণ টিউমার হলে calc flour
১১)নবজাতক শিশু কান্নাকাটি করলে camo
১২)সারাক্ষণ কান্নাকাটি করলে syphi,psor
১৩)নবজাতক শিশু মায়ের স্তন না টানিলে china
১৪)নবজাতক শিশু দুধ না খাইলে mag mur
১৫)নবজাতক শিশুর মাথা বড় হইলে arnica
১৬)নবজাতক এর মাথার হাড় জোড়া না লাগিলে sulp
১৭)এতে কাজ না হলে calc phos
১৮)নবজাতক এর মাসীপিসীতে bryo
১৯)নবজাতক এর চোখে পুঁজ হলে arg nit
২০) নবজাতক এর দুধ হজম না হলে aethuja
২১)নবজাতক এর জন্ডিসে n.phos
২২)নবজাতক এর কানে ব্যাথায় camo
২৩)নবজাতক কোল থেকে নামতে ভয় পাইলে borax
২৪)নবজাতক এর মাথায় ঘাম calc carb
২৫)দুর্গন্ধ থাকলে sili
২৫)শিশুর শুকনা কাশিতে symbo
২৫)কাশি রাতে বৃদ্ধি drose
২৬)বুকে সাঁই সাঁই শব্দ কাশিতে কাশিতে বমি ipe
২৭)শিশুর অস্থির নিদ্রায় cina
২৮)শিশুর খিটখিটে ম্যাজাজ,ঘ্যান ঘ্যান করে।কোড়ে নিলে আরাম camo
২৯)শিশুর রাত্রিকালীন ভয় kali brom
৩০)ভয় পেয়ে ভয় না কাটলে o***m

★শিশুর দুধ খাওয়া জনিত সমস্যা
======================
১।স্তনদুগ্ধ পান করার সময় শিশু কাঁদে- #বোরাক্স ৩০।তবে জ্বিহ্বা সাদা,ঘা থাকে,লালা পড়ে,বিছানায় রাখতে গেলে শিশু চমকে ওঠে,নিম্নগতিতে ভয়।
২।দুধের স্বাদ তিতা- #বোরাক্স, #ব্রায়োনিয়া, #পালসেটিলা।
৩।মিল্ক এলার্জিতে #টিউবারকুলিনাম_ববিনাম উচ্চশক্তি ১মাত্রা
৪।দুধ অসহ্য,খাওয়ার সাথে সাথে বমি ও পায়খানা করে দেয় - #আর্সেনিক ৩০
দিনে ২/৩বার
৫।দুধ হজম করতে পারে না, চাকা চাকা বমি করে,,বমি করার পর ঝিমিয়ে পড়ে,,তবে জেগে ওঠেই আবার দুধ খেতে চায়, #ঈথুজা ৩০
৬।চাকা চাকা বমি করে,দুধ হজম করতে পারে না, জ্বিহ্বা সাদা প্রলেপযুক্ত, ঝিমিয়ে পড়ে,তবে ঈথুজার বিপরীত জেগে ওঠে দুধ খেতে চায় না #এন্টিম_ক্রুড ৩০
৭।দুধ ও সাথে চিনি খাওয়ার কারনে বমি,অসুস্থতা #আর্জেন্ট_নাইট ৩০/ #নেট্রাম_ফস ৬x দিনে ৩/৪বার।
৮।মায়ের দুধে অনীহা,খেলেই চাকা চাকা বমি করে ডায়রিয়া হয়- #সাইলিশিয়া৩০ #নেট্রাম_কার্ব ৩০।
৯।দুধ খেলেই শিশু পীড়িত হয়,পেটে গোলমাল দেখা দেয়,অস্যমক পরিপোষণ ক্রিয়া দেখা দেয় - #ল্যাক_ডিফ্লোরেটাম ৩০ দিনে দু একবার।
১০।শিশু দুধ হজম করতে পারে না,পেটে বেদনা হয়,অজীর্ণ অবস্থায় বের হয়, গায়ে টক গন্ধ( #রিউম),সবুজ বর্ণের থকথকে পায়খানা #ম্যাগ_কার্ব ৩০ দিনে ৩ বার।
১১।শিশুর দুধ সহ্য হয় না, পেট কামড়ায়,সমান্যমাত্র দুধপান করলেও ছানার ন্যায় জমাট দুর্গন্ধ ও অম্ল যুক্ত ( #নেট্রাম_ফস) বমন করলে #ক্যালকেরিয়া_ফস ৬x, ২ বড়ি দিনে ৩/৪ বার।
১২।শিশুর দুধ হজম হয় না,হড়হড়ে মলত্যাগ,হলুদ বর্ণের #চেলিডোনিয়াম_মেজাজ ২০০ দিনে ৩মাত্রা।
তবে হলুদ পায়খানা করে, কিছুক্ষণ বাতাসে থাকলে সবুজ হয়ে যায় #আর্জেন্ট_নাইট ৩০ দিনে ৩বার।
ওষুধ মা ও শিশুকে একসাথে ব্যবহার করতে হবে।

★১।নবজাতকের ঘামাচি--
#শরীর আবৃত রাখার জন্য হলে- #ক্যামোমিলা ১২ /৩০ দিনে ২ বার।
# #ঠান্ডা লেগে ঘামাচি হলে #ডালকামরা৩০ দিনে ২ বার।
#ঘামাচি রসপুর্ণ হলে #রাসটক্স৬ দিনে ৩বার।
কাজ না হলে #রাস_ভেন ৬/৩০.
#খুব চুলকানিরর ঘামাচি হলে #সালফার ৩০ দিনে ১বার।
#গরমের দিনের ঘামাচিতে - #কেলি_আর্স ৩০.দিনে ১বার,,৩/৪দিন সেব্য।

★২।নবজাতকের গায়ে #ফোস্কার মতো হলে ঠান্ডা প্রকৃতির হলে #মার্ক_সল ৩০,রস পুর্ণ হলে #রাস_টক্স ৩০
অথবা #কেলি_সালফ ১২x,১বড়ি দিনে ২বার(৩/৪দিন)
,
★৩।নবজাতকের গায়ে মাসীপিসীতে(ঘামাচির মতো সুচাগ্র,,উদ্ভদের মাথা কাটার মতো) #ব্রায়োনিয়া ৬/৩০।
সপ্তাহ পরে #সালফার ৩০ দিনে ১বার ২দিন মাত্র। 🩺এ আর হোমিও লাইফ ☎️01647522489
★১।সদ্যজাত শিশুর চোখ উঠলে, #বেলেডোনা ৩০. তবে #ক্যাল্ক_সালফ ৩০ ভাল কাজ করে।চোখে #ইউফ্রেশিয়া চোখের ড্রপ দেয়া যায়।সাবধানে পানি মিশিয়ে, ১ফোটাকে কয়েকভাগে ভাগ করে।
,
২।নবজাতকের লিভার ও প্লীহা বৃদ্ধি পেলে #ক্যাল্ক_আর্স ৩০,দিনে ৩মাত্রা।
,
★৩।নবজাতকের মাথায় রক্তপুর্ণ টিউমার হলে #ক্যাল্ক_ফ্লোর ১২x,এক বড়ি চুর্ণ করে দিনে ২বার।
সাথে #সাইলিশিয়া ২০০ দুএক ডোজ।
,
★৪।নবজাতক খুব কান্নাকাটি করলে, #নাক্স ৬।
কান্নাকাটিতে #জেলাপা, #সোরিনাম, #লাইকোপোডিয়াম, #সাইপ্রিপেডিয়াম,
শিশু টালবাহনা করে,শান্ত হয় না #ক্যামোমিলা ৩০ শান্ত করবে।
কোলেবেড়ালে শান্ত হয় #সিনা ৩০ দিবেন।
সারাক্ষন কান্নাকাটিতে #সিফিলিনাম ২০০, ১মাত্রার বেশি নয়।
#,ক্যল্ক_ফস ৩x, ১বড়ি দিনে ৩বার।
,
★৫।নবজাতকের অন্ডকোষে জল জমলে #রডোড্রেডন ৩০ প্রধান ঔষুধ।
#পালসেটিলা, #এব্রোটেনাম #সাইলিশিয়া ও কাজ করে।
,
৬।শিশুরা অপরিচিত বা চিকিৎসকের পরীক্ষাকালে অকারনে ভয় পায়, #টিউবারকুলিনাম ২০০, ১ মাত্রা।(ডাঃ শিফার্ড)
,
৭।শিশুর গায়ে হাত দিলে কেঁদে ওঠে #এন্টিম_ক্রুড ২০০, ২/১ মাত্রা বেশ বিরতি দিয়ে প্রয়োগ।
,
৮।নবজাত শিশুর #কোরন্ড হলে, #এব্রোটেনাম ৩০,
বা #ক্যাল্ক_ফ্লোর ১২x, দিসে ২বার ১বড়ি।
#সাইলিশিয়া, হাজার শক্তির ২/১ মাত্রা।
,
★৯।নবজাতকের #একশিরায়- #ব্রায়োনিয়া ৬, দিনে ৩বার।
পিতামাতার গণোরিয়ার দোষ থাকলে #মেডোরিনাম,হাজার শক্তির ২/১ মাত্রা।
পিতামাতার যক্ষারোগ থাকলে #ব্যাসিলিনাম, হাজার ২/১মাত্রা ১৫ দিন পর পর।
পিতামাতার চর্মরোগের ইতিহাস থাকলে #সালফার ২০০ ২/৩ মাত্রা।

★১০।নবজাতকের অন্ডকোষ ফুললে,
বাম দিকের #রডোড্রেডন ৩০
ডান দিকের #অরাম মেট ৩০
দুই অন্ডকোষ ফুলে থলির মতো, লাল,হুল ফোটার মতো ব্যাথা #এপিস মেল
বামদিকে #স্পঞ্জিয়াও ব্যবহৃত হয়।
ডানদিকে #আর্জ মেট, #ক্লিমেটিস ইরেক্টা #পালসেটিলা।

★১১।নবজাতকের একশিরায় ডান পাশে #অরাম মেট,৩০,
#আর্জ মেট, #ক্লিমেটিস #পালসেটিলা।
বাম পাশে #রডোডেন্ড্রন, #স্পঞ্জিয়া
জন্মগতভাবে #ব্রায়োনিয়া ২০০ ২/১ মা্ত্রা।
একশিরার মহৌষুধ #হাইড্রোকোটাইল Q,২ ফোটা দিনে ২ বার।
ডাঃ ফেরিংটন একশিরার মহৌষুধ হিসেবে প্রথম #জেলসিমিয়াম,পরে #পালসেটিলা,অবশেষে #হেমামেলিস (সবই ২০০ শক্তি,৪র্থ দিন অন্তর ১মাত্রা)
অমাবশ্যা পুর্ণিমাতে বৃদ্ধি #সাইলিশিয়া ২০০ তিন দিন ৩ মাত্রা।
★নবজাতকদের একশিরায় মোটাসোটা হলে #ক্যাল্ক কার্ব ২০০
বা #এব্রোটেনাম ২০০, ১ মাত্রা ৩ বার ৪ দিন।
পিতামাতার গণোরিয়ার ইতিহাস থাকলে #মেডোরিনাম,হাজার শক্তি ২/১ মাত্রা।

★১২।নবজাতকের অন্ডকোষ না নামলে #থাইরয়েডিনাম ৩x,আধ গ্রেণ ২ বার।
এতে #অরাম মেট ২০০ থেকে উচ্চশক্তি দু একমাত্রা।
জল নামলে #পালসেটিলা।
#সাইলিশয়াও ব্যবহার করা হয়।

★ #শিশুর কান্নায় ব্যবহৃত ঔষুধ
=====================
১।সারাদিন মোটামোটি শান্ত থাকে, রাত্রির আরম্ভেই চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে, সারারাত ধরে কাঁদে, সারারাত মোটেও ঘুমায় না লক্ষণে Jalapa,Psorinum,Rhus tox , Cypredium,Staphysagria প্রভৃতি ঔষুধগুলির লক্ষনানুযায়ী ২০০ শক্তির কয়েকমাত্রা সেবনে শিশু আরোগ্য হয়।
২।শিশু সারাদিন কাঁদে, রাতে ঘুমায় Lycopodium. 200
সপ্তাহে ১ মাত্রা সেবন।
৩।শিশু সারা রাত কেঁদে ভোরের দিকে ঘুমায় Calcarea phos 12x ২বড়ি দিনে ২বার।
জার্মানি হোমিও শিক্ষালয়
ডা.আর এম ওয়াহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ 01737686868
৪।শিশু দিনরাত কাঁদে Psorinum 200 সপ্তাহে ১মাত্রা।
৫।শিশু রাত্রে কিছু খাবার জন্য কান্না করে Psorinum 200 দিনে ১বার ৪দিন/১০০০প্রধান ঔষুধ,,সপ্তাহে ১বার।তবে Phosporus ও প্রযোজ্য।
৬।শিশুকে ধরলে বা তার দিকে চেয়ে দেখলেই কাঁদে- Antim crud 200 ১বার ৪ দিন/ Medorrinum 1m সপ্তাহে ১মাত্রা।
৭।শিশু একা থাকলে কাঁদে Natrum Mur 200.১ মাত্রা ৪দিন।
৮।শিশুকে গোসল দেবার সময় কাঁদে- Sulphur 200, ১মাত্রা ৪ দিন।
৯।শিশুর সাথে কথা বললেই কাঁদে- Silicia 200 ১ মাত্র্ ৪দিন/Natrum Mur.
১০।শিশুকে প্রত্যেকবার খাওয়ানোর সময় কান্না করে- pulsatilla 200 রোজ সকালে ১বার।
১১।শিশু ঘুম থেকে ওঠে,কাঁদে,গালিগালাজ করে ও পা ছোড়ে লক্ষণে Lycopodium 200 ১ মাত্রা সকালে ৪ দিন।
১৩।শিশুকে মৃদু ভৎসনা করলে কাঁদে- Calcarea Carb 200.
১৪।পরিচর্যাকারি ছাড়া অন্য কেউ ধরলেই কাঁদে- Antim tart 200/ Antim crud 200.
১৫।শিশু মায়ের স্তন পান করার সময় কাঁদে- Borax 200দিনে ১ বার সকালে,৫ দিন।

১৬।প্রসাব করিবার আগে শিশু কাঁদে- Borax 200,ব্যর্থ হলে Sarsaparilla 200.
১৭।শিশু নিদ্রার মধ্যে ভয়ে চিৎকার করে ওঠে Borax 200.ঘুমের ভেতর ভয় পেলে O***m 30,, তবে কোষ্টবদ্ধতা থাকে।
★১৮।শিশু পেঠে গ্যাস হবার জন্য কাঁদে-
#উপর পেঠে গ্যাস Carbo veg 30
#সারা পেঠে গ্যাস ও ফুলা China 30
#নিচের পেঠে গ্যাস Lycopodium 30
★১৯।পেটব্যাথায় কাঁদে- চাপ দিলে আরাম- Colocynthis 3x,30
পেছনদিকে বাকা হলে আরাম Dioscorea 30
গরম সেকঁ দিলে,গরম পানি খেলে আরাম Mag phos 6x, ১বড়ি দিনে ৩ বার।
পেটে গ্যাস হলে Jalapa 30/ Catararia Napita 30 দিনে ২/৩ বার সেব্য।
২০।জন্মের পর শিশু ক্রমাগত কাঁদতে থাকে Syphillinum 200 রোজ ১ বার ২/৩ দিন সেবন।
★২১।শিশু ঘুমানোর সময় নাক ডাকে ও কেঁদে ওঠে O***m 30.
২২। শিশু কান্নাকাটি তালবাহানা করে, শিশু জানেনা শিশু কি চায়, খেলনাপাতি ছুঁড়ে ফেলে- Camomila 200.
★তবে ক্রিমি জনিত শিশুর কান্নাকাটি, কোলে নিলে শান্ত,নাক খোঁটে -Cina 30/200

★★শিশুদের প্রস্রাব নিয়ে সমস্যা ও সমাধান
===========================
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞান এতদুর এগিয়েছে যে,, শিশুদের বিছানায় প্রস্রাব করা,,শিশুদের প্রস্রাবের বিভিন্ন সমস্যায় এলোপ্যাথরা হয় দুম করে এন্টিবায়োটিক এডভাইজ করে দেন বা ব্যর্থ হন।
এমনও হয়েছে,, শিশুদের জননেন্দ্রিয় অপারেশন করাতে হয়েছে।
অথচ কোন প্রথিতযশা হোমিওপ্যাথ তার অর্জিত জ্ঞান দ্বারা সঠিক হোমিও ঔষুধ ব্যাবহারের মাধ্যমে তা দুর করতে পারেন এবং বিনাঅপারেশনে তা পারা যায়।
★ # #শিশুর প্রস্রাবের পীড়া
১।কোন কোন শিশু প্রায় ঘন্টায় ঘন্টায় প্রস্রাব করে এবং পরিমানেও বেশি তখন Acid phos 6/30 ব্যবহার করা যায়।
২।গাঢ় নিদ্রার ভেতর প্রস্রাব করে-Belladona 6/30
৩।শিশু প্রথম নিদ্রায় প্রস্রাব করে -Sepia 6/30/200
৪।ক্রিমির জন্য প্রস্রাব করে- Cina 30/200
৫।শিশুর শীঘ্রই নিদ্রাভঙ্গ হয় না অথচ প্রস্রাব করে-kreasotum 30/200
৬।শিশু গাঢ় নিদ্রার ভেতর প্রস্রাবে Belladona ছাড়াও লক্ষণ মিলিয়ে Kali brometum 30/200,তবে তাতে সুতোর মতো তলানি পড়ে।
৭।ঘনঘন প্রস্রাবে, পরিমানে বেশি হলে Ureniam nitricum 3x/,6/30.
জার্মানি হোমিও শিক্ষালয়
ডা.আর এম ওয়াহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ 01737686868
৮।শিশুর প্রস্রাবে সাদা পদার্থ বা এলবুমেন নির্গত হলে Acid phos 30 খুব ভাল কাজ করে।কাজ না হলে
Copaiba officinalis 30/200যদি দুধের মতো সাদা স্রাব যায়,যেখানে লাগে হেজে যায়। প্রস্রাবের সাথে শ্লেষ্মা পড়লে Cubeba 30/200
৯।অসাড়ে প্রসাব,বেগ সামলাতে পারে না Equsrtum Hhymel 6/30/200, তবে জ্বালা, অনেকসময় রক্তস্রাব।
১০।প্রস্রাবে লালবর্ণের ইটের গুড়ার মতো তলানি -Lycopodium Clavetum 30/200
১১।শিশু প্রস্রাব ধারনে অক্ষম হলে ইকুইজিটামে কাজ না হলে Gelsemium 30/200

★১২।শিশুদের মুত্র প্রচন্ড দুর্গন্ধ
ক)ঘোড়ার মুত্রের মতো দুর্গন্ধ হলে Acid benz 30/200
সাথে দুর্বলতা।
খ)ঘোড়ার মুত্রের মতো দুর্গন্ধ, কিন্তু পরিমানে অল্প,,তবে এসিড বেঞ্জো থেকে দুর্গন্ধ একটু কম,খোঁচামারা বেদনা থাকে -Acid nit 30/200
গ)প্রস্রাবের বারবার বেগ, দুূগন্ধ,তলানি কাদার ন্যায়,দুূগন্ধে ঘরে ঠেকা দায়,মেয়ে শিশুদের প্রস্রাব-Sepia-30/200.
জার্মানি হোমিও শিক্ষালয়
ডা.আর এম ওয়াহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ 01737686868
ঘ)গন্ধ কড়া ঝাঁঝালো, বিড়ালের প্রস্রাবের ন্যায়- Cajuputum 6/30,,/ Viola T,6/30.
ঙ)মিষ্টি গন্ধ-Argent met 30/200,//Copaiva 30;200
চ) তীব্র কড়া গন্ধ-Absintthium 30/200.
ছ)মৃগনাভির গন্ধ-Occimum canam 30/200
জ)রসুনের গন্ধ-Cuprum Ars,30/200
ঝ)আঁশটে গন্ধ-Urenium nit 3x/6/30
ঙ)কফি চূর্ণের ন্যায়- Helliborus 30/ Terribinthina Q,,3x
১২।বিছানায় প্রস্রাবে প্রথম ঘুমে হলে সিপিয়ার কাজ না হলে লবন বেশি খেতে চায়,Natrum mur 30/200
#ব্লুমিয়া_অডোরেটা বা কুকসিমা Q বা 1x শিশুর প্রস্রাবে অন্যান্য ঔষুধ ব্যার্থ হলে ফলপ্রদ।
১৩।চলার সময় ফোটা ফোটা প্রস্রাব ঝরলে Selenium 30/200 জার্মানি হোমিও শিক্ষালয়
ডা.আর এম ওয়াহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ 01737686868
১৪।বসাকালে প্রস্রাব ঝরলে Sarsaparilla 30/200 পরীক্ষিত।
১৫।শয্যায় মুত্রত্যাগে causticum 200 অব্যর্থ যদি প্রথম রাত্রিতে প্রস্রাব করে। শীতকালে বাড়ে ও গ্রীষ্মকালে কমে, মুত্রত্যাগকালে বুঝতে পারে না;গায়ে লাগলে জেগে উঠে।অভ্যাস বশতঃমুত্রত্যাগে অবশ্য Equisetum Hym 200 খু্ব কার্যকরি,তাবে সর্বদা মুত্রত্যাগের ইচ্ছা,প্রস্রাব শেষ হবার পর বেদনা।
মূত্রত্যাগের বেগ আসিলে ক্রিয়োজোট রোগী এক মুহূর্তও বিলম্ব করিতে পারে না । অনেক সময় কাপড়ে বা বিছানাতেই প্রস্রাব করিয়া ফেলে ।

★শিশু লক্ষন :
শিশু বিলম্বে হাটতে শেখে সি পি, সাইলি ।
লিঙ্গ ধরে টানে এম এস ।
কাসতে কাসতে লিঙ্গে হাত দেয়, জিকং ।
দুধ আদো সয্য হয়না ,ইথুজা , সি সি ।
ক্রিমি জনিত পেট বড় ,ষ্ট্যাফি ।
ব্রক্ষরনদ্র শীঘ্র জোড়া লাগেনা , সি সি ,সাইলি ।
শিশুর মুখ দেখতে বৃন্ধের মত , আর্জে নাই ,এব্রোটে ।
নিম্নাঙ্গ শুকিয়ে যায় ,এব্রোটে ।
দাঁত উঠতে বিলম্ব , সি পি ,
সামান্য কারনে কাঁদে ,কষ্টি ।
কিছুতেই ঘুমাতে চায় না ,চায়না, কফিয়া ।কোলে চড়ে ঘুরতে চায় ক্যাম
-সংগৃহীত
★★★বিঃদ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যে কোনো ওষুধ সেবনই বিপদজনক।★★★

Address

Hathazari

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AR Homoeo Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share