Shirina Rahman

Shirina Rahman daily vlog
(56)

পুরুষ মানুষ চাইলেই সব কিছু সাইডে রেখে নিজের জীবনের স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারে,কিন্তু একটা মেয়ে সংসার জীবনে প্রবেশের পর চা...
31/05/2026

পুরুষ মানুষ চাইলেই সব কিছু সাইডে রেখে নিজের জীবনের স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারে,
কিন্তু একটা মেয়ে সংসার জীবনে প্রবেশের পর চাইলেও সন্তানকে রেখে নিজের জীবনের স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারে না , তাদের চাওয়া, আনন্দ সব বিসর্জন দিয়েই জীবন শেষ করতে হয় 🥀
পুরুষ শুধু কতৃত্বই ফলাতে পারে এর বেশি কিছু নয় এজন্যই স্বার্থপরতায় পুরুষই সেরা👌

চাইল্ড রে*প ও রেপিস্টদের নিয়ে একটা  চমৎকার অস্ট্রেলিয়ান শর্ট ফিল্ম আছে।The Disappearance of Willie Bingham (২০১৫)অনেকেই ...
22/05/2026

চাইল্ড রে*প ও রেপিস্টদের নিয়ে একটা চমৎকার অস্ট্রেলিয়ান শর্ট ফিল্ম আছে।
The Disappearance of Willie Bingham (২০১৫)

অনেকেই হয়তো দেখেছেন,আবার অনেকেই দেখেননি।যারা দেখেননি তাদের জন্য আমি মূল কাহিনীটা বলছি।

​এই সিনেমার মূল চরিত্র উইলি বিংহাম।একজন অপরাধী,যার অপরাধ এক নিষ্পাপ বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন করা।

কিন্তু প্রচলিত ফাঁসি তার হবেনা।কারণ দেশ থেকে মৃত্যুদন্ড তুলে নেওয়া হয়েছে।সে জেলেই থাকবে এবং ভালো থাকবে জানে।তাই আদালতে সে নির্বিকার হাসিমুখে আছে।
কিন্তু আদালত ও আইন চাইলোনা এম্ন অপরাধীকে শুধু জেলে রাখতে। কিন্তু ফাঁসিও দেওয়া নিষিদ্ধ। তাহলে কি করা যায়?

আইন নতুন এক শাস্তির চিন্তাভাবনা করলো।যে শাস্তি পৃথিবীতে আগে হয়নি।এবং এই শাস্তির ফলাফল কি হয় অপরাধীদের মধ্যে দেখতে চাইলো আইন।

তাই নতুন এক আইন অনুযায়ী, তাকে দেওয়া হলো তার শাস্তি—'এক এক করে অঙ্গচ্ছেদ'।তবে ব্যাথাহীনভাবে।সার্জারীর মাধ্যমে।
©️

ভুক্তভোগী পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী ঠিক করা হবে অপরাধীর শরীরের ঠিক কোন অংশটি কখন কেটে ফেলা হবে!

ভুক্তভোগী পরিবার এই আইনে রাজি হলো।কাহিনীর শুরু।

​​জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে বসে ছিল উইলি। হঠাৎ ভারী বুটের আওয়াজ এগিয়ে এল। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন জর্জ মরটন নামের এক সরকারি কর্মকর্তা। শান্ত গলায় তিনি উইলিকে শোনালেন তার ওপর নেমে আসতে চলা সেই শাস্তির কথা।

এবার শাস্তি শুনে আর উইলির মুখে সেই নির্বিকার হাসি থাকলো না।

নিজের ভবিষ্যৎ শুনে ভয়ে-আতঙ্কে ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল উইলির, সেখানেই সে বমি করে দিল। সে চিৎকার করে মিনতি করল—তাকে যেন একবারে মেরে ফেলা হয়, বিষ দেওয়া হয় বা ফাঁসি দেওয়া হয়। কিন্তু আইন নিষ্ঠুর,তার মৃত্যুর আবেদন সরাসরি খারিজ হয়ে গেল।মৃত্যুদন্ড নিষিদ্ধ।

​শুরু হলো প্রথম অস্ত্রোপচার। অবশ করার পর নির্মমভাবে কেটে বাদ দেওয়া হলো তার ডান হাত আর বাঁ পা।অপারেশনটি গ্লাসের অপর পাশ দিয়ে দেখলো রে*প হওয়া বাচ্চাটার পুরো পরিবার।

এই পঙ্গু শরীর নিয়েই কয়েক মাস ধরে তাকে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হতে লাগল বিভিন্ন অবাধ্য ও বখাটে কিশোরদের সামনে। রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত উইলিকে দিয়ে দেওয়ানো হলো বক্তৃতা—যাতে তার এই পরিণতি দেখে অন্য কোনো কিশোর অপরাধ করার সাহস না পায়।

তবে উইলি বিংহামের এখনো সাহস অবশিষ্ট ছিলো।এখনো সে জোর দিয়ে কথা বলতো,হাসতো,জেদ দেখাতো।

​কিন্তু শাস্তি তো কেবল শুরু হয়েছিল। কয়েক মাসের ব্যবধানে একে একে কেটে ফেলা হলো তার বাঁ হাত, ডান পা, একটা কিডনি, এমনকি ফুসফুসের একটা অংশও!

আস্তে আস্তে তার ভয়াবহ আতংকিত কান্নাকাটি ও পংগু শরীর বাচ্চা মেয়েটার পরিবারও সহ্য করতে পারছিলোনা।শুধু বাবা প্রতিবার আসছিলো,সাইন করছিলো অনুমতি পত্রে ও নির্বিকার চোখে গ্লাসের অন্যপাশে দাঁড়িয়ে সার্জারী দেখছিলো।

কিন্তু বাইরে সাধারণ মানুষ এই অমানবিক শাস্তির বিরুদ্ধে রাজপথে নামলো, উঠলো প্রতিবাদের ঝড়।এই শাস্তি অমানবিক।থামাও একে।হয় ফাঁসি দাও দ্রুত নাহয় জেল।

কিন্তু আইনের চাকা থামেনি, স্তব্ধ হয়নি সার্জারির ধারালো ছুরির শব্দ।
​দ্রুত মৃত্যু বা জেলের আরাম কোনো শাস্তি চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের জন্য আর হবেনা।আইন কঠিন হয়ে রইলো।

​পাঁচ মাস পরের ঘটনা। এবার পঞ্চম অস্ত্রোপচারের পালা। যখন জানানো হলো এবার তার যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হবে, উইলি তখন কান্নায় ভেঙে পড়ল। পাগলের মতো কাকুতি-মিনতি করতে লাগল সে।

কিন্তু কাচের ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবার চোখে তখন শুধুই প্রতিশোধের আগুন। তিনি ঠান্ডা মাথায় বুড়ো আঙুল উঁচিয়ে সম্মতি দিলেন। অ্যানেস্থেশিয়ার ইঞ্জেকশন পুশ করা হলো উইলির শরীরে... চিরতরে হারিয়ে গেল তার পুরুষত্ব।

​এই অপারেশনের পর উইলির ভেতরের মানুষটা পুরোপুরি ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। সে আর কোনোদিন একটা শব্দও উচ্চারণ করেনি, তার চোখে-মুখে আর কোনোদিন কোনো অনুভূতির লেশমাত্র দেখা যায়নি। সে বেঁচে থেকেও একটা জ্যান্ত লাশে পরিণত হলো।

​এরপরের সার্জারীর দিন যখন উপস্থিত হলো, তখন তার দুই কান, নাক এবং জিহ্বার অগ্রভাগ কেটে ফেলা হলো। লেজার দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হলো শরীরের অবশিষ্ট চামড়া। উইলি তখন যন্ত্রণারও অতীত। তার নিজের বলতে আর কোনো ইচ্ছাশক্তি অবশিষ্ট ছিল না।সে শুধু মনে মনে চাচ্ছিলো মৃত্যু।

​অপারেশন থিয়েটারের টেবিলে পড়ে থাকা মাংসপিণ্ডটার দিকে তাকিয়ে অবশেষে তৃপ্ত হলেন সেই মৃত মেয়ের বাবা।এরপরের সার্জারীর জন্য সে অনুমতি দিলে উইলির হার্ট বা ব্রেন অপারেশন করা হবে।উইলির মৃত্যু ঘটবে।শাস্তি শেষ হবে।

কিন্তু না,বাবা আর পরবর্তী সার্জারীর জন্য সাইন দিলেন না।তিনি বললেন তিনি সন্তুষ্ট।এখন সার্জারি বন্ধ করতে চান।

তিনি জর্জ মরটনের বাড়িয়ে দেওয়া ফাইলে সই করে জানিয়ে দিলেন—তিনি আর অস্ত্রোপচার বাড়াতে চান না। যাওয়ার আগে শেষবারের মতো এক তীব্র ঘৃণার দৃষ্টি ছুড়ে দিলেন উইলির দিকে।

​​আজ উইলি বিংহাম জেলের সবচেয়ে ওপরের তলার একটা ঘরে বন্দি। চব্বিশ ঘণ্টা তীব্র আলো জ্বলে সেই ঘরে, যেখানে অন্ধকারেরও কোনো অনুমতি নেই।

সে এখন এক জীবন্ত হুইলচেয়ারের সাথে চিরতরে আটকে যাওয়া এক মাংসের স্তূপ। সে শুনতে পায় না, ঘ্রাণ পায় না, স্বাদ পায় না, নড়াচড়া করার ক্ষমতা তো বহুদূরের কথা।

​সারাদিন শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে ঘরের সিলিংটার দিকে। শুধু মাসের শেষ সপ্তাহে তার এই জড়দেহের একটু নড়চড় হয়।

জর্জ মরটন তাকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে যান বিভিন্ন হাইস্কুলে। অবাধ্য ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে এনে দাঁড় করান সেই বিকলাঙ্গ, বীভৎস অবয়বকে—অপরাধের এক জীবন্ত, ভয়ঙ্কর ও চিরন্তন স্মারক হিসেবে।

সবাই আতংকে আতকে ওঠে।তাদের শ্বাস প্রশ্বাস থেমে যায়।মাথায় গেথে যায় চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের শাস্তি চিরদিনের মত।
** লেখাটা ডঃ অমি নামের একজনের পেইজ থেকে নেওয়া। লেখক কে, জানা নাই।। **
এমন কিছুই হওয়া উচিত এখোন এদেশে।সবকিছু সহ্য সীমানা পার হয়ে গেছে।

মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়া টা বড় পাপ
20/05/2026

মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়া টা বড় পাপ

অভিনেত্রী দিলারা জামান কে প্রশ্ন করা হলো, "আপনি ২০ বছর বয়সী দিলারা জামানকে যদি এখন একটা ফোন কল করতে পারতেন, লাইফ দেখার প...
09/05/2026

অভিনেত্রী দিলারা জামান কে প্রশ্ন করা হলো,
"আপনি ২০ বছর বয়সী দিলারা জামানকে যদি এখন একটা ফোন কল করতে পারতেন, লাইফ দেখার পর ওকে আপনি কী এডভাইস দিতেন?

উনি উত্তর করলেন-
"স্বামী ভালোবাসলো না, স্বামী তাকালো না বলে মন খারাপ করার কিছু নেই। তখন বোকার মতো না খেয়ে থাকতাম। একবার এমন সারাদিন না খেয়ে বসে আছি সে আসবে তারপর খাবো। সে আসার পরে বাথরুম থেকে গোসল করে এসে পেপার নিয়ে বসে গেলো। আর সে কি অভিমান। না খেয়ে বসে থাকতাম, কাঁদতাম। এখন মনে হয় এটা কোনো Wise decision ছিলো না"

আমরা মেয়েরা স্বামী, সংসারের পেছনে সেল্ফলেসলি ইনভেস্ট করি। করতে করতে একসময় দেখা যায় পাওয়ার খাতায় বড় একটা শূন্য পেয়ে বসে আছি। অথচ অতটুকু ভালো নিজেকে বাসলে হয়তো আজকের এই আফসোসটা করতে হতো না।

মেয়ে এখনই নিজেকে উজাড় করে ভালোবাসো। যাতে ২০ বছরের তোমার কাছে ফিরলে মিষ্টি হেসে নিজেকে অভিবাদন জানাতে পারো।
আজ এক্ষুনি প্রাণ ভরে বাঁচো।❤️ ©️

পারলে একটু বলেন তো দেখি কবিতাটার নাম কি
05/05/2026

পারলে একটু বলেন তো দেখি কবিতাটার নাম কি

25/04/2026

উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে...

২৯শে এপ্রিল থেকে ১২ই মে পর্যন্ত, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত, কোনো ব্যক্তি যেন বাইরে (খোলা আকাশের নিচে) না যান, কারণ আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে যে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। তাই যদি কোনো ব্যক্তির শ্বাসকষ্ট হয় বা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, ঘরের ভেতরের দরজা খোলা রাখুন যাতে বায়ু চলাচল করতে পারে, মোবাইলের ব্যবহার কমিয়ে দিন, মোবাইল ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, দয়া করে সতর্ক থাকুন এবং অন্যদের জানান, যতটা সম্ভব দই, ঘোল, বেলের রস ইত্যাদির মতো ঠান্ডা পানীয় ব্যবহার করুন।

অত্যন্ত জরুরি তথ্য

বেসামরিক প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিম্নলিখিত বিষয়ে সতর্ক করছে।

আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা ৪৭ থেকে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বৃদ্ধি এবং কিউমুলাস মেঘের উপস্থিতির কারণে বেশিরভাগ এলাকায় শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের জন্য, এখানে কিছু সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বনের কথা বলা হলো।

গাড়ি থেকে এই জিনিসগুলি সরিয়ে ফেলা উচিত

১. গ্যাসের সামগ্রী ২. লাইটার ৩. কার্বনেটেড পানীয় ৪. সাধারণত পারফিউম এবং অ্যাপ্লায়েন্সের ব্যাটারি ৫. গাড়ির জানালা সামান্য খোলা রাখা উচিত (বাতাস চলাচলের জন্য) ৬. গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্ক পুরোপুরি ভর্তি করবেন না ৭. সন্ধ্যায় গাড়িতে জ্বালানি ভরুন ৮. সকালে গাড়িতে ভ্রমণ করা এড়িয়ে চলুন ৯. গাড়ির টায়ারে অতিরিক্ত হাওয়া দেবেন না, বিশেষ করে ভ্রমণের সময়।

বিছা এবং সাপ থেকে সাবধান থাকুন কারণ তারা তাদের গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারে এবং শীতল জায়গার সন্ধানে পার্ক ও বাড়িতে প্রবেশ করতে পারে।

প্রচুর পরিমাণে জল ও তরল পান করুন, গ্যাস সিলিন্ডার রোদে রাখবেন না, বিদ্যুৎ মিটারে অতিরিক্ত চাপ দেবেন না এবং এয়ার কন্ডিশনার শুধুমাত্র বাড়ির ব্যবহৃত জায়গাগুলিতে ব্যবহার করুন, বিশেষ করে গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের সময়। এবং প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর ৩০ মিনিটের বিশ্রাম নিন। বাইরের তাপমাত্রা ৪৫-৪৭° হলে, বাড়িতে এসি ২৪-২৫° তে রাখুন, এতে আপনার স্বাস্থ্য ও সুস্থতা ভালো থাকবে। সরাসরি সূর্যের আলোতে আসা পরিহার করুন, বিশেষ করে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টার মধ্যে।

পরিশেষে: অনুগ্রহ করে এই তথ্যটি শেয়ার করুন, কারণ অন্যরাও হয়তো এটি জানেন না এবং প্রথমবারের মতো পড়ছেন।

17/04/2026

আজকাল এমনই হয়ছে স্ত্রী স্বামীর কাছে নিরাপদ না,
আর নিজের সন্তান ও তার বাবার কাছে নিরাপদ না।
আল্লাহ এইসব পুরুষ মানুষদের দুনিয়ায় পাঠাইছে তাদের বিষধর সাপের মতো মুখের ভাষা আর গায়ের জোরে বাহাদুরি করার জন্য। এরা ভাবে এরা কখনো মাটির নিচে যাবে না।

পুত্র সহজকে লেখা 'রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জী'র শেষ চিঠি 🙏"এই চিঠিটা আজকে ‘ফাদারস ডে’ বলে লিখতে বসা। যদিও তোমার বাবা নিজে ব...
30/03/2026

পুত্র সহজকে লেখা 'রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জী'র শেষ চিঠি 🙏

"এই চিঠিটা আজকে ‘ফাদারস ডে’ বলে লিখতে বসা। যদিও তোমার বাবা নিজে বেহদ্দ বাংলা মিডিয়াম। জীবনেও ‘ফাদারস ডে’, ‘মাদারস ডে’— এ গুলো আলাদা করে জানত না, কিন্তু কুঁজোর যেমন চিৎ হয়ে শুতে ইচ্ছে করে, আমারও আজকাল এ সব উদযাপন করতে ইচ্ছা করে। আসলে কিছুই না, তোমাকে কাছে পাওয়ার অজুহাত।
জানো সহজ, আমি আর তোমার মা তখন থেকে বন্ধু যখন তোমার মায়ের ১৪ বছর বয়স ছিল, আর আমার ২১। সব ধারাবাহিকে আমরা ভাই-বোন। যে হেতু ছোট, তাই অন্যদের ছেড়ে শেষে আমাদের শট নেওয়া হতো। আর আমরা দু’জন সেটের কোনায় বসে আড্ডা মেরে যেতাম। তোমার মা ছিল বেহালার একজন অ্যাকাউন্টস শিক্ষকের মেয়ে আর আমি খুব সাধারণ এক সরকারি চাকুরের ছেলে। আমরা দু’জন এই ইন্ডাস্ট্রির কিছুই জানতাম না। শুধু জানতাম, মন দিয়ে অভিনয়টুকু করতে। তোমাকে এই গল্প কেন বলছি জানো? যদি কখনও তুমি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করো, তা হলে তুমি জানবে তুমি প্রিভিলেজড, যে প্রিভিলেজ একটি ১৪ বছরের মেয়ে এবং একটি ২১ বছরের ছেলে দিনের পর দিন অপমানিত হতে হতে অর্জন করেছে— ঘটনাচক্রে যারা তোমার বাবা মা। এই ইন্ডাস্ট্রিতে সত্যিই যদি কাজ করতে ইচ্ছে হয় তোমার, আমি তোমাকে অনুরোধ করব প্রত্যেকটা মানুষকে তার প্রাপ্য সম্মান দিও। কারণ যে মানুষটি তোমাকে চা দিচ্ছেন, তিনি হয়তো তোমার বাবা-মাকেও ছোট দেখেছেন। উপার্জন আর ক্ষমতার আতসকাঁচ দিয়ে যারা মানুষকে দেখে, তাদের মতো অশিক্ষিত এই পৃথিবীতে কেউ নেই। এ রকম অশিক্ষায় তুমি বড় হবে না, এটুকু আশা তো করতেই পারি, কী বলো?
পরিবার
পরিবার
যে দিন আমরা প্রথম খবর পাই, তুমি আমাদের জীবনে আসছো, আমরা আনন্দে পাগল হয়ে গিয়েছিলাম জানো? তোমার মা গুচ্ছের সব অ্যাপ ডাউনলোড করে ফেলল। রোজ আমাকে আপডেট দিত, ‘এখন ওর সাইজ আপেলের মতো’, ‘এখন ওর সাইজ আনারসের মতো’, আরও কত কী! তার পর যখন তুমি হলে, তোমার মায়ের আর একটা রূপ দেখলাম। তুমি জানো না হয়তো, তোমার মা তোমাকে কোনও দিন বাজার চলতি বেবিফুড কিনে খাওয়ায়নি। সব নিজের হাতে বানাত। তাতে যদি সারা দিন লাগে, তো লাগুক। তোমার মায়ের তোমার জন্য অনেক সংগ্রাম, অনেক আত্মত্যাগ। তুমি কতটা মনে রাখবে, তা তোমার সিদ্ধান্ত। আজ তোমার মা ইনস্টাগ্রামে যথেষ্ট এস্থেটিক ছবি দেওয়ার পরেও উড়ো কমেন্ট ভেসে আসে ‘লজ্জা করে না আপনার? আপনি কিনা মা?’ না, এ নিয়ে কোনও দুঃখবোধ আছে ভেবো না, গন্ডারের চামড়া ধার নিয়ে তবে সেলিব্রিটি হওয়া যায়, এ আমরা শিখে গিয়েছি। শুধু তোমাকে বলছি, তোমার মায়ের লড়াইয়ের একটা আন্দাজ দেওয়ার জন্য। আমরা, সন্তানেরা শুধু মায়ের বুকের ওমটুকু টের পাই, পিঠে কতগুলো ছুরি গাঁথা আছে দেখতে পাই না। মায়েরা তা সযত্নে লুকিয়ে রাখেন। তোমার মাও রেখেছে। কিন্তু আমি চাইব, তুমি সেই ক্ষতগুলোর শুশ্রূষা করবে। মায়ের পিঠের ছুরিগুলো যদি সরাতে নাও পারো, তোমার একটু আদরই মায়ের জন্য যথেষ্ট হবে।
রাহুল, প্রিয়াঙ্কা এবং সহজ
রাহুল, প্রিয়াঙ্কা এবং সহজ
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমি কোন হরিদাস পাল যে তোমাকে এত জ্ঞান দিচ্ছে? আমি তোর বাপ (হাঃ হাঃ), দূর সম্পর্কেরই হই, বাপ তো বটে! সেই উপলক্ষে একটু জ্ঞান দেওয়ার অধিকার জন্মে যায়ই। আমি তোমাকে আমার ভাগের সব ক'টা নদী, পাহাড়, জঙ্গল উত্তরাধিকার সূত্রে দিয়ে যাচ্ছি। বইমেলার ধুলো, কলেজ স্ট্রিটের ফুটপাথগুলোকেও পৈতৃক সম্পত্তি ভাবতে পারো এর পর থেকে। আর হ্যাঁ, তোমাকে দিয়ে দিলাম আমার একটা প্রচণ্ড অহংকারের জিনিস। আমার ভাষা। বাংলা। হ্যাঁ, বাংলা ভাষা। আর শুধু সেই বাংলা ভাষা নয়, যেটা আমরা দক্ষিণ কলকাতায় বলি। বাংলা তার সমস্ত উপভাষা, ডায়ালেক্ট নিয়ে যে প্রবল ঐশ্বর্যের অধিকারী, সেই সব ঐশ্বর্য তোমাকে দিয়ে দিলাম। সবই দিয়ে দিলাম, যা যা আমার.." ।

থাকুক ওয়ালে লেখাটা, এইসব লেখাই তো বাংলা ভাষাকে আরো ভালোবাসতে শেখায় ❤️

আপনি ঠিক করুন আপনি কার সাথে থাকতে চান............!!💔❤️
07/03/2026

আপনি ঠিক করুন আপনি কার সাথে থাকতে চান............!!💔❤️

06/03/2026

Address

Jessore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shirina Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category