20/08/2026
দৈহিক চাহিদা মেটাতে গিয়েছে এত সুন্দর নাটক করা যায় সেটা আগে জানতাম না।।। রাত তখন প্রায় ১টা। মাদারীপুর সদর হাসপাতালের ওয়ার্ড যখন নীরব, তখন একটি কেবিন ঘিরে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। কিছুক্ষণ আগে পেটের ব্যথার কথা বলে রোগী সেজে কেবিন নিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। তবে অভিযোগ, চিকিৎসা নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, ভিন্ন উদ্দেশ্যেই তিনি ভর্তি হয়েছিলেন।
মধ্যরাতে ওই কেবিনে গোপনে প্রবেশ করেন এক তরুণী। পরে দুজন ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। তাদের সন্দেহজনক আচরণ নজরে পড়ে পাশের রোগী ও স্বজনদের। একপর্যায়ে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান তারা। বিষয়টি দ্রুত পুরো ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়ে।
জানা যায়, ওই ব্যক্তি মাদারীপুর সদর হাসপাতালের একজন প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স চালক। অভিযোগ রয়েছে, টাকার বিনিময়ে ওই তরুণীকে কেবিনে আনার পরিকল্পনা করেই অসুস্থতার ভান করে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন। অর্থাৎ চিকিৎসার জন্য নেওয়া হাসপাতালের কেবিনটি অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ।
পরে ক্ষুব্ধ রোগী ও স্বজনরা দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের খবর দেন। আনসার সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কেবিনটি ঘিরে ফেলেন এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক ও তরুণীকে সেখানে আটকে রাখেন।
ঘটনাটি ঘিরে হাসপাতালে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি হাসপাতালের কেবিনের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। চিকিৎসার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কেবিন কীভাবে ব্যক্তিগত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার হলো, সেটিই এখন আলোচনার বিষয়।