06/02/2026
আজান শুনে মাথায় কাপড় দিতে হবে এই কালচার আমাদের মধ্যে কিভাবে ঢুকেছে জানা নেই, তবে আজান শুনে আজানের জবাব দেয়ার কালচার আমাদের মধ্যে নেই বললেই চলে। অথচ এটাই হওয়ার কথা ছিলো সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।
আজানের জবাব দেয়ার নিয়ম:
হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যদি মুয়াজ্জিনের-
‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’-এর জবাবে ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’ বলে এবং
‘আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর জবাবে ‘আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে এবং
‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ’-এর জবাবে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ বলে
তারপর ‘হাইয়্যা আলাস্-সলাহ’-এর জবাবে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলে,
তারপর ‘হাইয়্যা আলাল-ফালাহ’-এর জবাবে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলে,
তারপর ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’-এর জবাবে ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’ এবং
‘লা-ইলাহা ইল্লল্লাহ’-এর জবাবে ‘লা-ইলাহা ইল্লল্লাহ’ বলে,
অত:পর আজান শেষে আল্লাহর নিকট দোয়া করে, তাহলে সে মুয়াজ্জিনের অনুরূপ সওয়াবপ্রাপ্ত হবে’
(আবু দাউদ: হাদিস ৫২৪)
আজানের পর দরুদ শরিফ পাঠ করে দোয়া করতে হয়। এর মাধ্যমে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শাফায়াত পাওয়ার সৌভাগ্য নসিব হবে। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আজান শুনে দোয়া করে—
اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلاَةِ الْقَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّداً الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامَاً مَحمُوداً الَّذِي وَعَدْتَهُ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা রববা হাজিহিদ দাওয়াতিত তাম্মাহ, ওয়াস সালাতিল কাইমাহ, আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতা ওয়াল ফাদিলাহ, ওয়াবআছহু মাকামাম মাহমুদানিল্লাজি ওয়াআদতাহ।
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি এই পরিপূর্ণ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত সালাতের রব। মুহাম্মদ সা.-কে (জান্নাতে প্রবেশের) মাধ্যম (সবার মধ্যে বিশেষ) সম্মান দান করুন। তাকে প্রশংসিত স্থানে পৌঁছে দিন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাকে দিয়েছেন।
কিয়ামতের দিন সে আমার শাফাআত লাভ করবে।
(বুখারি, হাদিস : ৫৮৭)