13/10/2026
নেই একটাও গরু। তারপরও তিনি দৈনিক প্রায় একশত লিটার দুধ বিক্রি করেন। নিজের 'কয়েকজন বান্দা কাস্টমার আছে'। তাদেরকে নিজেই ডেইলি ত্রিশ (৩০) লিটার দুধ দেন।
বাকি দুধ অন্য মহিলাদের কাছে বিক্রি করেন,সেই মহিলারা আবার অন্য এরিয়াতে বাসায় বাসায় গিয়ে সাপ্লাই দেয় দুধ।
কিভাবে ?? চলেন জানি;
ছবির গোয়ালিনী ব্যাবসায়ী স্বল্প পুঁজিতে দুধ তৈরীর ছোট্ট একটা ফ্যাক্টরির মালকিন।
দুধ তৈরীর কাচামাল/ উপাদান হিসেবে তার কাছে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রাম। এক ড্রাম ভর্তি গ্লুকোজ জেলি। এক বস্তা পাউডার (গুড়া)দুধ। এক কন্টেইনার পাম অয়েল। এক বস্তা চিনি। হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, এক বোতল গরুর দুধের আর্টিফিশিয়াল ফ্লেভার। পাশেই পুকুর ভর্তি পানি। একটা মিকচার মেশিন, অর্থাৎ বাংলা ব্লেন্ডার মেশিন। দুধের ঘনত্ব মাপার জন্য একটা ল্যাক্টোমিটারও আছে! নো মেশিনারিজ, নো কারেন্ট, নো গ্যাস।
নকল গাভীর' দুধ যেমনে তৈরি করেন তিনি;
পঞ্চাশ লিটার পানিতে কয়েক লিটার জেল (জেল দুধে ল্যাক্টোজ প্রমাণ করে/ দুধের ঘনত্ব বাড়ায়), এক লিটার পাম অয়েল(দুধের রঙ যৎসামান্য লালচে এবং ফ্যাট প্রমাণ করে) , পাউডার দুধ, চিনি, অল্প পরিমাণ হাইড্রোজেন ঢেলে আস্তে আস্তে নেড়ে মিশিয়ে নেয়। এরপর দুই আউন্স গরুর দুধের আর্টিফিশিয়াল ফ্লেভার ঢেলে মিশিয়ে নেয়।
পঞ্চাশ লিটার দুধ তৈরির খরচঃ সাকুল্যে ১২০০/-, বিক্রি- প্রতি লিটার ১১০/-
পরিবেশন করা হয় শহরের বান্দা কাস্টমারদের।
সেই দুধ আপনি খান, আপনার সন্তানের খাওয়ান। দুধ একটি পুষ্টিকর খাদ্য।
সংগৃহীত