Muhammad Tarek Abdur Rahman

Muhammad Tarek Abdur Rahman আস সালামু আলাইকুম।

23/04/2026

হুজুরে আ’লা!
আমি তো রাজস্বমুক্ত গাড়ির কথা বলেনি! বলেছি সরকারি গাড়ির কথা!
মানুষ আমারে ভুল বুঝতাছে!

ভুল বুঝবে ক্যা! রাজস্বমুক্ত গাড়িটা আমদানি করতে তো পকেট থেকে টাকা দেওন লাগে, সরকারিটা তো একদমই ফ্রি। ধান্ধাবাজির জায়গা পাও না? বাঙালির সংসদে তো আর সকলে মহাত্মা গান্ধী না। তার না হয় গাড়ি নেই, তাকে দেওয়ার সেই সুযোগটা অন্যরা কেন হাতছাড়া করবে?

আর গাড়ি কি শুধুই গাড়ি? ড্রাইবার কে দেবে? তেল-ডিজেল কে দেবে? এবার হিসাব করেন ৩৫০ টা নতুন গাড়ি, তাদের ড্রাইবার, তেল-ডিজেল মিলে কত টাকার বাজেট!

এরা তো নিজেদেরকে একেজন ম্যান্ডেলা, গান্ধী হিসেবে জ্ঞান করে। এতো এতো মহান লোকগুলো প্রতিমাসে যে ৭০ হাজার করে গাড়ি ভাড়া নেয় সেইটাই কেন ত্যাগ করে না?

তাদের সব কাজেরই বৈধতা দিতে নাকি দলীয় কর্মিদের দায়িত্ব। আরে গাড়িটা কি মালিকানা লিখে নেবে? পাঁচ বছর পর সরকারি গাড়ি সরকারের গ্যারেজেই তো চলে যাবে!

আমাদেরকে বোকা পাইছেন? পাঁচ বছর পর কি গাড়িটা গাড়ি থাকে? নতুন নির্বাচনের পর যারা নতুন সংসদ সদস্য হবেন তাদেরকে কি এই গাড়িই গছানো যাবে? মানে হইলো প্রতি পাঁচবছর পর ৩৫০ গাড়ির বিশাল বাজেট।

ইউনুসের তিনদল, জাতিসংঘে নিয়ে গিয়েছিলেন, বিশ্বকে পরিচয় করিয়ে দিতে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ লুটেরা।

22/04/2026

সময় বদলায়, মানুষের রুচি বদলায়, কালচার বদলায় আরো অনেক কিছুই বদলায় কিন্তু বাংলাদেশে নোংরা রাজনীতি বদলায় না! ২৪ এর আগে ছাত্র রাজনীতি মানেই ছিল হল দখল, চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাজি, নেতাদের মনোরঞ্জনে সম্ভ্রম বিসর্জনসহ নানা কুকীর্তির লম্বা ফিরিস্তি। ভেবেছিলাম ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে এই অসুস্থ রাজনৈতিক চর্চা পরিবর্তন হয়ে সুস্থ রাজনীতির চর্চা হবে কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি !! গতকাল চট্টগ্রামে দেশের জনগণ পুরনো রাজনীতির রিহার্সাল দেখল !! অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে এদেশে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হলে ক্যাম্পাসগুলো হয়তো কিছুটা নিরাপদ থাকবে !! আল্লাহ আমাদের সুস্থ বিবেকের উদয় ঘটাক !!

21/04/2026

এমপিরা নিজ নিজ আসনে বসার জন্য সরকারি একটি অফিস পাচ্ছেন। এটা দরকার ছিল। তবে আজ হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপিদের জন্য একটা করে গাড়িও চেয়েছেন; সম্ভবত এটাও হয়ে যাবে।

নির্বাচনের পর সরকারি দল এবং বিরোধী দল বলছিল তারা টেক্স ফি. গাড়ি নেবে না। মাশাআল্লাহ, এখন ফ্রিতে আস্ত গাড়িও পাবে। আমরা এটারও বিরোধিতা করছি না।

তবে জনগণ হিসেবে আমাদেরও চাওয়া-পাওয়া আছে। জ্বালানি সংকটের কারণে গাড়ি ভাড়া বেড়েছে। তাই আমাদেরকে অন্তত একটা করে সাইকেল দিন।

সবাই মিলেমিশে খাই। এটাই তো সমঝোতা!

একটা অসভ্য জাতি আমাদের কপালে লেখা! আজ ভোরে মাংস কিনতে গিয়েছিলাম। সকাল সকাল না গেলে পছন্দমতো মাংস পাওয়া যায় না। গিয়ে দেখল...
21/04/2026

একটা অসভ্য জাতি আমাদের কপালে লেখা!

আজ ভোরে মাংস কিনতে গিয়েছিলাম। সকাল সকাল না গেলে পছন্দমতো মাংস পাওয়া যায় না। গিয়ে দেখলাম, কসাই গরু জবাই করবে আমার সামনে। ভাবলাম, ভালোই হলো, দেখে শুনে নেওয়া যাবে।
গরু জবাই হলো। জবাই করার সঙ্গে সঙ্গে কসাই ছুরির মাথা দিয়ে গলার ভেতর একটি খোঁচা দিলেন। সঙ্গে সঙ্গে গরু নড়াচড়া বন্ধ করে দিল, রক্ত পড়াও বন্ধ হয়ে গেল। এরপরই কসাই চামড়া ছাড়ানো শুরু করে দিলেন।
আমি কসাইকে বললাম, “রক্তগুলো বের হতে দেন, তারপর চামড়াটা ছাড়ান।”
কসাই এক গাল হেসে আমাকে উপেক্ষা করে চামড়া ছাড়াতেই থাকলেন। আমি নির্বাক তাকিয়ে রইলাম তার দিকে।
আমাদের দেশের অধিকাংশ কসাইখানায় গরুর মাংস টকটকে লাল দেখা যায়। এর কারণ হচ্ছে, কসাইরা গরু জবাই করার পর ছুরির মাথা দিয়ে স্পাইনাল কর্ডে খোঁচা দেয়। এতে গরু ব্রেন স্ট্রোক করে দ্রুত নিস্তেজ হয়ে যায় এবং রক্ত তেমন বের হয় না।
একটি গরুর শরীরে প্রায় ২০–২৫ লিটার রক্ত থাকে। যত কম রক্ত বের হবে, তত ওজন বাড়বে,
আমাদের দেশের অনেক মানুষ অভিযোগ করে বলে, গরুর মাংস খেলে অ্যালার্জি হয়। এর মূল কারণ হচ্ছে এই রক্ত,, যা কসাইরা বের হতে দেয় না। অনেকেই গরুর মাংস খেলে এলার্জি হয়। বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে এর পেছনে কারণ হতে পারে, মাংসে জমে থাকা রক্ত।
রক্তে বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ (toxins), ইউরিয়া, এবং ব্যাকটেরিয়া থাকার সম্ভাবনা থাকে। সঠিকভাবে রক্ত বের না হলে এগুলো মাংসে থেকে যেতে পারে, যা হজমে সমস্যা, এলার্জি বা চুলকানি
ও দ্রুত পচন হতে পারে । অনেকেই আবার বলেন, কোরবানির মাংস খেলে কোনো সমস্যা হয় না। এর মূল কারণ হলো, কোরবানির পশুর রক্ত বের হতে সময় দেওয়া হয়, তাই সমস্যা হয় না।
সামান্য লাভের আশায় মানুষ কত কিছুই না করে।
শহরে এমন একটি কসাইয়ের দোকানও নেই, যেখানে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় না। অথেনটিক গরুর মাংস বিক্রি করে, এমন দোকানও নেই বললেই চলে।
কসাইদের অভিযোগ, জবাইয়ের পর সময় দিলে চামড়া ছাড়ানো কঠিন হয়। এই কারণেই তারা দ্রুত চামড়া ছাড়িয়ে ফেলে। যদিও এই অভিযোগের তেমন কোনো ভিত্তি নেই। কারণ, চামড়া ছাড়ানোর সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো গরুকে ঝুলিয়ে চামড়া ছাড়ানো।
কিন্তু এখানেও একই সমস্যা, তাহলে রক্ত সব বের হয়ে যাবে।
সচেতনতা না বাড়লে, এই অবস্থা পরিবর্তন হবে না। এবং এটি শুধু গরু নয়, খাসি, মহিষ, ভেড়া সব একই সিস্টেম।

কপি পোস্ট

15/04/2026

বিল্ডারবার্গ গ্রুপ প্রতিবছর গোপনে মিলিত হয় — সেখানে সিদ্ধান্ত হয় পৃথিবীর ৮০% মানুষ 'অপ্রয়োজনীয়'
প্রতিবছর একবার একটি সভা হয়।
ইউরোপ বা আমেরিকার কোনো বিলাসবহুল হোটেলে।
এই সভায় কারা আসেন?
পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাবান মানুষেরা।
রাষ্ট্রপ্রধান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর।
সামরিক বাহিনীর প্রধান।
বিশ্বের বড় বড় মিডিয়ার মালিক।
প্রযুক্তি কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা।
প্রায় ১৩০ জন।
এই সভার নাম — বিল্ডারবার্গ গ্রুপ।
১৯৫৪ সাল থেকে চলে আসছে।
কিন্তু একটু থামুন।
এই সভায় কোনো সাংবাদিক ঢুকতে পারেন না।
কোনো ক্যামেরা ঢুকতে পারে না।
কোনো মিডিয়া প্রবেশ করতে পারে না।
ভেতরে কী আলোচনা হয় তা বাইরে জানানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাবান ১৩০ জন মানুষ —
প্রতিবছর একটি বন্ধ ঘরে বসেন।
আর কেউ জানে না কী হয়।
এটা কি স্বাভাবিক?
আপনার পাড়ার মহল্লার ক্লাবের মিটিংও গোপন নয়।
কিন্তু এই মানুষগুলো যারা পৃথিবীর ভাগ্য নির্ধারণ করেন —
তারা কেন গোপনে মিলিত হন?
কী এত গোপন কথা আছে?
হ্যান্স-পিটার মার্টিন।
একজন জার্মান সাংবাদিক।
তিনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The Global Trap'-এ এই সভার একটি তথ্য ফাঁস করেছেন।
তথ্যটি হলো —
এই বৈশ্বিক নীতিনির্ধারকরা বিশ্বাস করেন যে ভবিষ্যতে পৃথিবীর জন্য মাত্র ২০% মানুষই যথেষ্ট।
বাকি ৮০% মানুষ — 'ইউজলেস ক্লাস'।
অর্থাৎ অপ্রয়োজনীয়।
একটু বসুন।
এই তথ্যটি আবার পড়ুন।
পৃথিবীর ৮০% মানুষ অপ্রয়োজনীয়।
এই ৮০%-এর মধ্যে আপনিও আছেন।
আমিও আছি।
আমাদের সন্তানরাও আছে।
সেই উদ্বৃত্ত ৮০% মানুষ কীভাবে 'পরিচালনা' করা হবে —
সেই ছক এই বন্ধ ঘরেই কষা হয়।
এখন পৃথিবীর দিকে তাকান।
কোভিড ভ্যাকসিনের তোড়জোড়।
খাবারে বিষ মেশানো।
পানিতে ফ্লোরাইড।
যুদ্ধ লাগিয়ে জনসংখ্যা কমানো।
এগুলো কি আকস্মিক?
নাকি পরিকল্পিত?
মুসলিমরা সবচেয়ে বেশি মারা যাচ্ছে।
ইরাক।
সিরিয়া।
আফগানিস্তান।
ফিলিস্তিন।
কোনো মুসলিম দেশে যুদ্ধ কি কখনো থামছে?
এটা কি কাকতালীয়?
আল্লাহ তাআলা আমাদের রাসুল (সা.)-এর মাধ্যমে সতর্ক করেছেন।
শেষ জমানায় মুসলিমরা এমন এক অবস্থায় পড়বে —
অন্যান্য জাতি তাদের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়বে।
যেমন খাবারের পাত্রের দিকে মানুষ ঝাঁপায়।
একজন সাহাবী জিজ্ঞেস করেছিলেন —
'ইয়া রাসুলাল্লাহ! তখন কি মুসলিমরা সংখ্যায় কম থাকবে?'
রাসুল (সা.) বলেছিলেন —
'না, তখন তারা সংখ্যায় অনেক হবে। কিন্তু তারা হবে বন্যার আবর্জনার মতো।'
বন্যার আবর্জনার মতো।
এই কথাটা কেন বললেন রাসুল (সা.)?
কারণ সংখ্যায় বেশি হলেই শক্তি নয়।
শক্তি আসে ঈমান থেকে।
শক্তি আসে আল্লাহর সাথে সংযোগ থেকে।
আজ দেড়শো কোটি মুসলিম আছে পৃথিবীতে।
কিন্তু ফিলিস্তিনের শিশুরা মরছে।
মায়ানমারে মুসলিমরা মারা যাচ্ছে।
ইরাকে লাশ পড়ছে।
আর পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশগুলো —
তেলের চুক্তি নিয়ে ব্যস্ত।
'তারা' জানে মুসলিমের সবচেয়ে বড় শক্তি কী।
সালাত।
সিয়াম।
আল্লাহর সাথে সংযোগ।
তাই 'তারা' আগে সেই সংযোগ নষ্ট করে।
মিডিয়া দিয়ে।
শিক্ষাব্যবস্থা দিয়ে।
বিনোদন দিয়ে।
খাবারে বিষ মিশিয়ে।
যখন মুসলিম সালাত পড়ে না —
তখন সে বন্যার আবর্জনা হয়ে যায়।
সংখ্যায় অনেক।
কিন্তু ওজন শূন্য।
বিল্ডারবার্গ গ্রুপ এটা জানে।
তারা হিসাব করেই কাজ করছে।
প্রশ্ন হলো —
বিল্ডারবার্গ গ্রুপের বন্ধ ঘরে যদি সত্যিই 'উদ্বৃত্ত জনসংখ্যা' নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা হয় — এবং সেই পরিকল্পনায় মুসলিম বিশ্ব প্রথম টার্গেট হয় — তাহলে দেড়শো কোটি মুসলিমের মধ্যে কতজন এটা জেনে রাতে ঘুমাতে পারছেন না, আর কতজন এটা না জেনেই গভীর ঘুমে আছেন?
কমেন্টে আপনার মত জানান।

এজন্যই মানুষ অ* ত্যাচারী বা হিং* স্র বুঝাতে হায়নার সাথে তুলনা করে।জন্মের পর প্রথমে কান্না নয়, প্রথমেই লড়াই। মায়ের উষ্...
05/02/2026

এজন্যই মানুষ অ* ত্যাচারী বা
হিং* স্র বুঝাতে হায়নার সাথে তুলনা করে।
জন্মের পর প্রথমে কান্না নয়, প্রথমেই লড়াই। মায়ের উষ্ণ কোল নয়, বরং এক রণ*ক্ষেত্র। হায়েনাদের জীবন এভাবেই শুরু হয়, যেখানে নিজের ভাই বা বোনই হয়ে ওঠে প্রথম ও প্রধান শত্রু।

ভাবুন তো, আপনি চোখ মেলেই দেখলেন আপনার পাশে শুয়ে থাকা ভাই বা বোনটি আপনাকে হত্যা*র জন্য প্রস্তুত। তাহলে অনুভূতি টা কেমন হবে? হায়েনার বাচ্চারা জন্মায় চোখ খোলা অবস্থায় এবং ধারালো দাঁত নিয়ে। এদের মধ্যে যদি যমজ হয়, তাহলে জন্মের কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই শুরু হয়ে যায় অস্তিত্বের লড়াই। কে বাঁচবে আর কে মরবে, তা নির্ধারিত হয় এই প্রথম যু*দ্ধেই। কারণ, মায়ের কাছে পর্যাপ্ত খাবার না থাকলে, দুর্বল শাবকটি বেঁচে থাকার সুযোগ পায় না।

যদি মেয়ে হায়েনা এই লড়াইয়ে জিতে যায় তাহলে তার জন্য অপেক্ষা করছে আরও ভয়ংকর বাস্তবতা। কারণ, হায়েনাদের সমাজে নারীরাই প্রধান। তারা বেশি শক্তিশালী, আগ্রাসী এবং তারাই দলের নেতৃত্ব দেয়। খাবারের প্রথম অধিকারও তাদের। কিন্তু এই ক্ষমতার পেছনে লুকিয়ে আছে এক চরম বেদনাদায়ক বাস্তবতা।

মেয়ে হায়েনাদের একটি ছদ্ম-লিঙ্গ (pseudo-pen*s) থাকে, এবং তাদের এই সরু অঙ্গ দিয়েই সন্তান প্রসব করতে হয়। এটি এতটাই ভয়ংকর যে, প্রথমবারের মতো মা হওয়া প্রায় ৬০% হায়েনার মৃ*ত্যু ঘটে প্রসবকালীন যন্ত্রণায় বা শরীর ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে।

মায়ের এই মৃত্যুফাঁদ থেকে বেঁচে পৃথিবীতে আসার পর শুরু হয় দুধ খাওয়ার জন্য মরণপণ লড়াই। এখানে কোনো ভাগাভাগি নেই। যে শক্তিশালী, সেই বাঁচবে।

প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরেও এই সংগ্রাম চলতেই থাকে। তারা দলবদ্ধভাবে শিকার করে, এমনকি জীবন্ত শিকারকে ছিঁড়ে খায়। সিংহ বা অন্য শিকারির ফেলে যাওয়া উচ্ছিষ্ট খেয়ে জীবনধারণ করে। তারা অত্যন্ত বুদ্ধিমান, কৌশলী এবং নির্ভীক।

সোর্স:
1. National Geographic
2.. Michigan State University, Hyena Research
by Kay Holekamp

3... BBC Earth

03/02/2026

১৮+ অ্যালার্ট
( প্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত কেউ এই লেখাটা পড়বেন না)

আপনার কাছে যদি একশ কোটি টাকা থাকে তাহলে আপনি গাড়ি কিনবেন, বাড়ি কিনবেন। যদি এক হাজার কোটি টাকা থাকে তাহলে জাহাজ কিনবেন, বিমান কিনবেন।

আর যদি দশ লক্ষ কোটি টাকা থাকে তাহলে বাচ্চা মেয়েদের মাংস খাবেন, জীবন্ত মেয়ে শিশুর পেট চিরে নাড়িভুঁড়ি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খাবেন।

কোন কল্পকাহিনী বলছি না। এমনটা সত্যিই ঘটেছে। পশ্চিমা বিলিয়নিয়াররা এতবছর এসবই করে এসেছে।

গতকাল Epstein ফাইলস ফাঁস হয়েছে। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও এবং ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠার এসব গোপন নথিপত্রের প্রমাণ রয়েছে।

এই পাশবিক এবং জঘন্য কাজগুলো কোন চুপিসারে হতো না। বরং আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে জমজমাট ভাবেই হতো।

ই*সরায়েলী গোয়েন্দা জেফ্রী এপস্টেইন এবং তার ওয়াইফ মিলে ফ্লোরিডার গোপন একটা দ্বীপে এই পাশবিক আয়োজন টা করতো। এমনকি ওরা এই অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছিল ক্যালেন্ডার গার্ল।

এই অনুষ্ঠানে নামি দামী রাজনীতিবীদ থেকে শুরু করে, গায়ক, বিজ্ঞানী সব রকমের মানুষজন থাকতো। বিল গেটস, ডোলান্ড ট্রাম, ট্রামের ছেলেমেয়ে, প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, বব শাপিরো সহ আরও অনেকেই ছিল।

এপস্টেইন এবং তার বউয়ের কাজ ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদেরকে পাচার করে এই দ্বীপে নিয়ে আসা। তারপর তুলে দেয়া হতো অনুষ্ঠানের পাশবিক এই অতিথিদের হাতে।

ট্রাম্পসহ বাকিরা প্রথমে মেয়েদের যৌ‌‌‌‌*নাঙ্গে আঙুল দিয়ে ধ‌‌‌*র্ষণের জন্য প্রস্তুত করতো। কোন বাচ্চার যৌ*নাঙ্গ কতটা টাইট সেসব দেখে দেখে রেটিংও দিত।

তারপর অতিথিদের পছন্দমতো বাচ্চাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হতো তাদের রুমে।

সেখানেই দিনরাত চলতো ধ*র্ষণ এবং পাশবিক নির্যাতন। মেয়ে বাচ্চাগুলোকে বাধ্য করা হতো ওরাল সে*ক্স করতে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের টার্গেট থাকতো বাচ্চাগুলোকে প্রেগন্যান্ট করা।

প্রেগন্যান্ট করেই ওরা ক্ষান্ত থাকতো না। পরে সেই প্রেগন্যান্ট বাচ্চা মেয়েদেরকে এবরশন করে ভ্রুণ বের করে স্যুপ বানিয়ে খেতো।

এমনকি জীবন্ত মেয়েদের পেট চিরে নারিভুরি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খেতো।
কাবাবের মতো করে পুড়িয়ে পুড়িয়ে বাচ্চাদের মাংস খেতো, পার্টি করতো, উল্লাস করতো।

এদের মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চার বয়সই ছিল মাত্র ৩-৯ বছর! আই রিপিট মাত্র ৩ বছর বয়সের বাচ্চাও এতসব জঘন্য নির্যাতনের শিকার হয়ে মা*রা যেত।

এইসব জঘন্য অপকর্মের ব্যাপারে বহুবার বহুজন মুখ খুলতে চেয়েছিল কিন্তু তেমন কোন লাভ হয়নি।

২০০৯ সালেই একটা পার্টিতে গ্যাব্রিয়েলো রিকো নামের এক মেয়ে চিৎকার করে করে বলে দিয়েছিল- ওরা নরপশু, আমি দেখেছি ওরা মানুষের মাংস খেয়েছে।

এরপর ওই মেয়েকে আর কোথাও দেখা যায়নি। তাকে স্রেফ গায়েব করে দেয়া হয়েছিল।

ব্রাউন নামের এক সাংবাদিকও এসব বিষয়ে অনুসন্ধান করতে চেয়েছিল। পরে তাকে জেলে ভরা হয় এবং ২০১৯ সালে আশ্চর্যজনকভাবে জেলেই তার মৃ*ত্যু হয়। মূলত তাকেও মে*রে ফেলা হয়েছিল।

এপস্টেইন নামক লোকটা এতসব বাচ্চা মেয়েকে সাপ্লাই দিতো এবং জঘন্য কাজে সাহায্য করতো যাতে সে পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনীতিবীদদের ব্ল্যাকমেইল করতে পারে এবং গোয়েন্দা বাহিনীদের স্বার্থ হাসিল করতে পারে।

ক্ষমতা এবং স্বার্থের লোভেই তাদের বাহিনীগুলো এতবছর ধরে এ নোংরা কাজগুলো করে আসছিল।

বিল গেটস পর্যন্ত এসবের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। রাশিয়ান এক মেয়ের সাথে যৌ‌ন সম্পর্ক করে STD রোগে আক্রান্ত হয়েছিল সে। এজন্যে তার ওয়াইফকেও রেগুলার ভ্যাকসিন নিতে হতো।

শুধু বিল গেটসই না, জোহরান মামদানীর মাও এসব পাশবিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামও পাওয়া গেছে এই ফাইলে।

শুধু তাই না, নারী পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত আমেরিকার রাজনীতিবিদদের ক্যাম্পেইনে অনুদানও দিয়েছিল বিএনপির নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

এমনকি এসবের সাথে জড়িত কিছু ব্যক্তির সাথে ড. মোহাম্মদ ইউনূসেরও ভালো সম্পর্ক আছে সেটা এই ফাইল থেকেই জানা যায়।

ফাইলটার একটা অংশে এটা উল্লেখও করা হয়েছে। বলা হয়েছে-

"কিছুদিন আগে ইসাবেল এবং আমি আমাদের খুব ভালো বন্ধু কার্টুনিস্ট ম্যাট গ্রোনিংকে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মোহাম্মদ ইউনূসের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম।

আর আগামী রবিবার (৩রা অক্টোবর), ইউনূস হতে যাচ্ছেন সিম্পসন লিজেন্ডের (The Simpsons) একটি অংশ।"

এই যে এতসব বড়সড় নেটওয়ার্ক, হাজার কোটি ডলারের লেনদেনের মধ্যে দিয়েই ঘটে চলছিল এসব নোংরা এবং জঘন্য সব কার্যক্রলাপ। এই ফাইল ফাঁস না হলে আমরা হয়তো জানতেও পারতাম না যে পশ্চিমারা কতটা জঘন্য।

আজকে এই ফাইলে যদি কোন হুজুরের নাম থাকতো, কোন মাওলানার নাম থাকতো তাহলে হয়তো দেশে দেশে মশাল মিছিল বের হতো, আমেরিকা থেকে…
[1:06 pm, 02/02/2026] Agigi Hubbi: যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২-৫% মেয়ে তাদের জন্মদাতা পিতার কাছে ধ-ষণের শিকার হয়। আর
আ-মে-রিকা গড়ে ৪ মিনিটে একটি করে রে*প কেইস হয়। এর মধ্যে ৪৫-৫৫% তাদের পিতার কাছে। নিজের পিতা, সত পিতার কাছে রেইপ হয় ১৫-২০% মেয়ে।

এছাড়াও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায়, সম্মতিক্রমে নিজ পরিবারের সদস্যদের সাথে সেক্স করার বিষয়ের হার পশ্চিমাতে অনেক। ক্যালকুলেটর ভেঙে যাবে হিসাব করতে গেলে।

এই হলো ইসলামবিহীন এক জাহিলাতি সমাজ ব্যবস্থা। যার অন্ধ অনুসরণ করে আমাদের দেশের সেকুলার শাহাবাগী এবং তারা এই এই মুসলিমবঙ্গ থেকে ইসলামি সমাজ ব্যবস্থা মুছে দিয়ে পশ্চিমার জাহিলাতি সমাজ ব্যবস্থা চায়...।

03/02/2026

এপস্টিইন ফাইলের আরেকটা আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে- এটাতে বাংলাদেশের একটা কোম্পানিকে নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন এই নৃশংস, ভয়াবহ ফাইলটাতে বাংলাদেশের একটা কোম্পানির কথাও বলা আছে।

জেফ্রী এপস্টেইন নামের যে কুখ্যাত লোকটা বাচ্চা মেয়েগুলোকে ধ*র্ষণ করতে পাচার করতো এবং বাচ্চাগুলোর মাংস খেতো সেই এপস্টেইনের কাছেই ইমেইলে বাংলাদেশী কোম্পানিটার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে।

ইমেইলে জেফ্রী এপস্টেইনকে তারই এক এজেন্ট মেইল করে বলেছিল- বাংলাদেশ একটা পপুলার জায়গা। আমরা যদি এখানে একটা পাবলিক-প্রাইভেট স্পেস তৈরি করতে পারি। তাহলে মুনাফা বেশি পাওয়া যেতে পারে, সাথে এজেন্ডা বাস্তবায়ন সহজ হতে পারে।

এরপর ২০১৫ এর ১৪ জুলাই তে এপস্টেইনকে তার সহযোগি তাকে জিজ্ঞেস করে- ' বাংলাদেশে কী তুমি চেষ্টা করেছিলে? আমার মনে নেই।

এটার উত্তরে এপস্টেইন বলেছে- আমি একবার চেষ্টা করেছিলাম, মনে আছে। বাংলাদেশে সাহায্য করার জন্যে, কলেরা ইত্যাদি নিয়ে। পরে কোটি টাকা জড়াল, কিন্তু ফলাফল ছিল ভয়াবহ, সবই খারাপ।

তারপর আরেকটা ইমেইল থেকে দেখা যায় ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি এপস্টেইনের সহযোগী বাংলাদেশ ও ভারত ভ্রমণে এসেছিল।

ওরা মূলত ভ্রমণে এসে নিশ্চিত হতে চায় এসব দেশের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে তারা প্রফিট এবং তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে পারবে কি-না।

তার মানে ওরা বহু আগে থেকেই চেষ্টা চালাচ্ছিল তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে।

জেফ্রী এপস্টেইন এবং তার সাথের সহযোগীরা চেয়েছিল icddr,b কোম্পানির সাথে একটা চুক্তি করতে। দশ বছর মেয়াদী চুক্তি!

আই রিপিট দশ বছর! ওরা চেয়েছিল ওদের প্ল্যানটা যাতে এদেশে দীর্ঘদিন কাজ করে।

পরে সে চুক্তি বাস্তবায়িত হয়েছিল কি-না সে ব্যাপারে ইমেইলে উল্লেখ নেই। কিন্তু তারা বাংলাদেশে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে মুখিয়ে ছিল।

icddr,b হচ্ছে ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত একটা কোম্পানি যারা ডায়রিয়া, অপুষ্টি, সংক্রামক রোগ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণা করে।

এপস্টেইনের মতো বাচ্চা খেকো নরপিশাচরা এসব কোম্পানিদেরকেই টার্গেট করে। তারা বিভিন্ন দেশের এসব কোম্পানিকে টার্গেট করে তাদেরকে বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ দেয় এবং বিনিময়ে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে।

ওরা মূলত এরকম থার্ড ওয়ার্ল্ড দেশগুলোকেই বেছে নেয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্যে। এজেন্ডার মধ্যে থাকে ট্রা*ন্সজেন্ডার, LGBTQ, সমকামীতা এসব প্রমোট করা।

ওরা চায় পশ্চিমা দেশের মতো এসব দেশেও স*মকামীতা ছড়িয়ে পড়ুক, ছেলেরা লিঙ্গ পরিবর্তন করে ট্রান্সজেন্ডার হয়ে যাক, ওদের মতো বিকৃত মস্তিষ্কের সে*ক্সুয়াল একটিভিটি করুক।

এগুলোই পশ্চিমা গডফাদার এবং এপস্টেইনদের প্ল্যান। ওরা চায় ওদের এসব অপকর্ম শুধু ওদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকুক, বরং এসব নিকৃষ্টতা সব দেশে ছড়িয়ে পড়ুক।

তাছাড়া বিভিন্ন গরীব দেশগুলোতে বাচ্চাদেরকে ফ্রিতে টিকা দেয়ার মাধ্যমেও এপস্টেইনরা ওদের সার্ভে চালায়। টিকার নামে চলে এজেন্ডা বাস্তবায়ন।

এতসব এজেন্ডার জন্যেই ওরা বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশী কোম্পানিকেও বেছে নিতে চেয়েছিল।

এজন্যেই দেখবেন হুট করে বাংলাদেশে সমকামীতা বেড়ে গেছে, দুদর্শন ছেলেটাও লিঙ্গ পরিবর্তন করে ট্রান্সজেন্ডার হয়ে যেতে চাচ্ছে।

আপনি হয়তো অবাক হয়ে ভাবছেন হুট করে সবাই এমন হয়ে যাচ্ছে কেন? স*মকামীতা বৃদ্ধি পাচ্ছে কেন?

কিন্তু সত্যিকার অর্থে হুট করেই এসব হয়ে যায়নি। বরং জেফ্রী এপস্টেইনদের মতো কুখ্যাত পশ্চিমা গডফাদারদের দীর্ঘদিনের প্ল্যানের কারণেই আমার, আপনার এতো সুন্দর মাতৃভূমিটা দূষিত হয়ে যাচ্ছে।

ওদের প্ল্যানের বাস্তবায়ন হিসেবেই একদিন হয়তো আমাদের দেশের বিকৃত ন*রপিশাচরাও শুরু করবে বাচ্চা মেয়েদের মাংস খাওয়া। যে হারে ওদের নেটওয়ার্ক বাড়ছে, সে দিনটা হয়তো আর খুব বেশি দূরে নেই!

02/02/2026

পুরুষের কান্না।

02/02/2026

এপস্টেইন ফাইল একটি কেলেঙ্কারি নয়; এটি সভ্যতার আয়না। এই আয়নার মাধ্যমে আমরা পশ্চিমা সভ্যতার বিভৎস চেহারাটা আবারো দেখে ফেললাম।
মানবাধিকার, নারী স্বাধীনতা ও উদারনীতির দাবিদার পশ্চিমা বিশ্ব আসলে কী গভীর নৈতিক অধঃপতনের মধ্যে নিমজ্জিত, তার এক মর্মন্তুদ দলিল এই ফাইল। রাষ্ট্রনায়ক, শিল্পপতি, ক্রীড়া ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে সংস্কৃতির নামকরা মুখগুলো—যাদেরকে অনেকে সম্মান ও অনুসরণ করে— শিশু পা*চা*র, যৌ*ন নি*র্যা*তন, মা*নব**মাং*স ভ*ক্ষ*ণের অভিযোগসহ জঘন্য ও বীভৎস সব অপরাধের সাথে জড়িত ছিল।
পশ্চিমা সংস্কৃতি ব্যক্তিস্বাধীনতার নামে চরম ভোগবাদ ও নৈতিকতাহীনতাকে প্রশ্রয় দিয়েছে। এরই পরিণতি হিসেবে আমরা দেখি পারিবারিক বন্ধনের ক্ষয়, লজ্জা-সম্মানবোধের অবলুপ্তি এবং এক অন্ধকার বাণিজ্যের জগৎ, যার প্রতিচ্ছবিই ফুটে উঠেছে এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে। আল্লাহর ভয়হীন সমাজ যত ঝকঝকে তকতকে হোক, সুযোগ থাকলে ভোগবাদী মানুষ ধীরে ধীরে কোন স্তরে পৌঁছুতে পারে, এই ঘটনা তারই চাক্ষুষ প্রমাণ।
তবে এপস্টেইনের ঘটনাটাকে স্রেফ বিকৃত মানসিকতা থেকে উৎসারিত বলা কঠিন। খোলা চোখে যেগুলোকে বিকৃত মানসিকতার প্রকাশ বলে মনে হয়, সেগুলো পরিকল্পিতভাবে শয়তানতুষ্টির প্রচেষ্টার রিচুয়াল। এত বিপুলসংখ্যক মানুষ একত্রে ও ধারাবাহিকভাবে এমন জঘন্য পাশবিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে, একে কেবল মানসিক বিকৃতি বলে ব্যাখ্যা করা কঠিন। বিকৃত মানসিকতার পাশাপাশি এতে শয়তানি উপাসনা ও আরাধনার এক সুসংগঠিত রূপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
পশ্চিমারা আমাদের ঈমান-আমল ও দ্বীনি রিচুয়াল নিয়ে উপহাস করে মূলত আমাদের আধ্যাত্মিক শক্তি দুর্বল করেছে। পক্ষান্তরে তারা তাদের স্যাটানিক রিচুয়ালিটি ঠিকই বজায় রেখে চলছে।
এই অন্ধকার বাস্তবতার বিপরীতে ইসলাম মানুষকে প্রবৃত্তির দাসত্ব থেকে মুক্ত করে বিবেক, দায়িত্ববোধ ও আল্লাহভীতির মাধ্যমে একটি সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ গঠনের শিক্ষা দেয়। ইসলামে নারী সম্মানিত, শিশু সুরক্ষিত, পরিবার পবিত্র দূর্গ। ইসলামে নৈতিকতা রক্ষার জন্য রয়েছে আইনি ও আধ্যাত্মিক উভয় বেষ্টনী।
এই ঘটনা আমাদের সামনে সভ্যতার সংজ্ঞা নিয়ে মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। আমরা কোন সংস্কৃতি বেছে নেব—যে সংস্কৃতিতে ভোগই শেষ কথা, নাকি যে সংস্কৃতিতে মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতা প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে? আমরা কি স্যাটানিক রিচুয়াল গ্রহণ করবো, নাকি মহান আল্লাহর সাথে পবিত্র সম্পর্ক গভীর করার পথে হাঁটব?

31/01/2026

এপিস্টেইন... এক অন্ধকার দুনিয়া!
যে আমেরিকা নারী ও শিশু অধিকারের ছবক দেয়, সেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট শিশুদের বলাৎকারই করতো না নিলামেও অংশগ্রহণ করতো - সপরিবারে। ভাবতে পারেন?
সাবেক প্রেনিডেন্ট বিল ক্লিনটনও একই কাজ করতো।
এই সব প্রকাশিত হবার পরও ট্রাম্প আমেরিকার প্রেসিডেন্ট থাকবে - আমেরিকার মিডিয়াগুলো কান্নাকাটি করবে আফগান নারী ও শিশুদের নিয়ে।
আফগান আইনে উদাহরণ হিসাবে দাসপ্রথা আসা নিয়ে পশ্চিমা মিডিয়া কান্নাকাটি করলেও তাদের প্রেসিডেন্টের শিশুদের নিলামে তোলা নিয়ে তারা অতটা কথা বলবে না।

দ্বীন নতুন কোনো প্রদর্শনী নয় দ্বীন হলো আল্লাহর বিধান, যার সৌন্দর্য আদব ও সীমারেখার ভেতরেই সবচেয়ে উজ্জ্বল। যত বড় সুফি আপন...
30/01/2026

দ্বীন নতুন কোনো প্রদর্শনী নয় দ্বীন হলো আল্লাহর বিধান, যার সৌন্দর্য আদব ও সীমারেখার ভেতরেই সবচেয়ে উজ্জ্বল।
যত বড় সুফি আপনি হোন, যত বড় “আবেগের মানুষ” আপনি হোন একজন জুলাই শহীদের মা হলেও মনে রাখতে হবে: আবেগ পবিত্র হতে পারে, কিন্তু সীমা ভাঙা পবিত্রতা নয়। ইসলাম আমাদের হৃদয় দিয়েছে কাঁদার জন্য, বুক দিয়েছে হাহাকার করার জন্য কিন্তু শরিয়াহর সীমারেখা দিয়েছে যেন সেই কান্নাও “ইবাদত” হয়ে ওঠে, “অবাধ্যতা” না হয়ে যায়।
১৪০০ বছরের ইতিহাসের দিকে তাকান নবীজি সা. সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ীন, হক্কানী বুজুর্গরা কারও জীবনে আপনি এমন দৃষ্টান্ত পাবেন না যেখানে “ভালোবাসার” নামে আদব ভেঙে দেওয়া হয়েছে, “সম্মানের” নামে হালাল-হারামের রেখা মুছে দেওয়া হয়েছে। কারণ তারা জানতেন দ্বীন আবেগের উপর দাঁড়িয়ে নয়; দ্বীন দাঁড়িয়ে আছে দলিল, আদব আর তাকওয়ার উপর।
শোক আছে ইসলাম শোককে অস্বীকার করে না। ভালোবাসা আছে ইসলাম ভালোবাসাকে নিষিদ্ধ করে না। শহীদের মাকে সম্মান আছে ইসলাম সম্মানকে আকাশে তোলে। কিন্তু এই সব কিছুরও একটি সুন্নাহসম্মত পথ আছে। যে মুহূর্তে আমরা আবেগকে “অজুহাত” বানিয়ে সীমা ভাঙি, সে মুহূর্তেই আমরা অজান্তে বলে ফেলি, "আমার অনুভূতি দলিলের চেয়ে বড়।” অথচ সত্য হল দলিল বড়, আদব বড়, সীমারেখা বড়।
ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে কাঁদো, কিন্তু ভাঙো না। ভালোবাসো, কিন্তু হদ ছাড়িও না। সম্মান করো, কিন্তু শরিয়াহকে ছোট করো না। কারণ দ্বীনের সৌন্দর্যই হলো এটা মানুষকে আবেগহীন বানায় না; বরং আবেগকে নিয়ন্ত্রণে এনে আল্লাহমুখী করে।
আজ যদি আমরা এই সীমারেখাকে “মায়া” বলে সরিয়ে দিই, কাল আরেকজন সেটাকে “সামান্য” বলবে, পরশু কেউ বলবে “এটাই তো স্বাভাবিক” এভাবেই আদব ভেঙে যায়, সুন্নাহ ঝাপসা হয়ে যায়, দ্বীনের সৌন্দর্য ক্ষয়ে যায়। তাই আবেগ থাকুক কিন্তু আবেগকে ইমানের পাহারায় রাখতে হবে।
আর একটা কথা স্পষ্ট করে বলি, এইসব “লেবাসে” বাংলাদেশের সহজ-সরল, ধর্মপ্রাণ মানুষদের কাছে নতুন করে ইসলাম শেখানোর চেষ্টা করবেন না। দ্বীন নতুন কোনো প্রদর্শনী নয় দ্বীন হলো আল্লাহর বিধান, যার সৌন্দর্য আদব ও সীমারেখার ভেতরেই সবচেয়ে উজ্জ্বল।
এ পোস্ট কোনো রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নয়। ইসলামকে ভালোবেসে, সুন্নাহকে সম্মান করে, এবং দ্বীনের সীমারেখা অক্ষুণ্ণ রাখতে শুধু সেই দায়বদ্ধতা থেকেই বলা।
দ্বীন চলে দলিল ও আদবে আবেগের জোয়ারে নয়।
আপনাকে বড় মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধা করি তবে এসব কখনও আশা করি না।
আমার আল্লাহ বলেন, "মুমিন পুরুষদের বলে দাও তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে।” সূরা আন-নূর, আয়াত ৩০
আমার রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
তোমরা দ্বীনের ব্যাপারে সীমা ছাড়ানো থেকে বেঁচে থাকো।”
সুনান আন-নাসাঈ, হাদিস: 3057 (সহিহ)
তোমাদের কারও মাথায় লোহার সুচ দিয়ে খোঁচা দেওয়া তার জন্য উত্তম; কিন্তু এমন নারীকে স্পর্শ করা নয়, যে তার জন্য হালাল নয়।” ত্বাবারানী, সহিহ বলেছেন আলবানী (সহিহ)

Address

Kalapara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Tarek Abdur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Muhammad Tarek Abdur Rahman:

Share

Category