JUMMO CHOKH MEDIA

JUMMO CHOKH MEDIA পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনীতি, জুম্ম ও সমতলের সংখ্যালঘু জাতিগুলোর সমাজ, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যসহ নানা বিষয়ে তুলে ধরার একটি প্রয়াস

19/09/2026

“জনগণের জন্য যারা জীবন দেন তারা অমর” শ্লোগানে শহীদ জুনান, রুবেল, ধনরঞ্জন ও অনিক-এর স্মরণে শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদ-এর উদ্যোগে খাগড়াছড়ি সদর এলাকায় প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ১৯-২০ সেপ্টেম্বর সেনা-সেটলার হামলায় তারা শহীদ হন।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, খাগড়াছড়ি।

খাগড়াছড়িতে দুই শহীদের মা উন্মোচন করলেন ‘শহীদ জুনান-রুবেল স্মৃতিফলক’খাগড়াছড়ি II শনিবার II ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬খাগড়াছড়িতে ২০...
19/09/2026

খাগড়াছড়িতে দুই শহীদের মা উন্মোচন করলেন ‘শহীদ জুনান-রুবেল স্মৃতিফলক’

খাগড়াছড়ি II শনিবার II ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খাগড়াছড়িতে ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর গুলিতে শহীদ হওয়া জুনান চাকমা ও রুবেল ত্রিপুরার স্মরণে স্মৃতিফলক উন্মোচন ও স্মরণসভা করা হয়েছে।

আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে শহীদ জুনান চাকমার মা ও শহীদ রুবেল ত্রিপুরার মা খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সংলগ্ন স্থানে ‘শহীদ জুনান-রুবেল স্মৃতিফলক’ উন্মোচন করেন। এ সময় তাদের সাথে ’৯৬-এ শহীদ অমর বিকাশ চাকমার পিতাও উপস্থিত ছিলেন।

জুনান চাকমা ও রুবেল ত্রিপুরা হত্যার দ্বিতীয় বার্ষিকীতে শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদ, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন যৌথভাবে এই স্মৃতিফলক উন্মোচন ও স্মরণসভা অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে।

“জনগণের জন্য যারা জীবন দেন, তারা অমর” এই স্লোগানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি)-এর খাগড়াছড়ি জেলা শাখার তথ্য ও প্রচার সম্পাদক তৈমাং ত্রিপুরার সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদ -এর আহ্বায়ক শহীদ জুনান চাকমার মা রুপসা চাকমা।

এতে আরো বক্তব্য দেন শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদের সদস্য শহীদ রুবেল ত্রিপুরার মা, হিল উইমেন্স ফেডারেশন খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি আহ্বায়ক এন্টি চাকমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রাঞ্জল চাকমা।

প্রাঞ্জল চাকমা'র বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শহীদ জুনান চাকমা ও শহীদ রুবেল ত্রিপুরাসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল বীর শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ২ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

ছাত্রনেতা প্রাঞ্জল চাকমা বলেন, গত ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে দীঘিনালায় পাহাড়িদের ওপর সংঘটিত সাম্প্রদায়িক হামলার মতো ঘটনা যাতে খাগড়াছড়ি সদরেও না ঘটতে পারে সেজন্য এলাকার ছাত্র-জনতা উপালি পাড়া, নারাঙহিয়া, কলেজ পাড়া ও স্বনির্ভর এলাকায় অবস্থান করে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে জুনান চাকমা ও রুবেল ত্রিপুরা নিহত হন।

তিনি বলেন, পাহাড়িরা যুগ যুগ ধরে লড়াই করে এসেছে। তারা জানে নিজের মা-বোনের ইজ্জ্বত, নিজের বাস্তুভিটা, নিজের অধিকার কিভাবে রক্ষা করতে হয়। পাহাড়ি জনগণ অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে কখনো মাথানত করেনি, ভবিষ্যতেও আমরা মাথানত করবো না। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের রক্ত শিরায় শিরায় প্রবাহিত হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যাবো।

তিনি আরো বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা পাহাড়িরা মনে করেছিলাম পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছুটা হলেও শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে। আমরা নিজেদের অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবো। কিন্তু আমরা পেয়েছি একের পর এক সাম্প্রদায়িক হামলা।

তিনি ছাত্র সমাজের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার যতই অত্যাচার, নিপীড়ন করুক না কেন আমাদের ক্ষান্ত হলে হবে না। পার্বত্য চট্টগ্রামে জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। তিনি আন্দোলনে সামিল হওয়ার জন্য ছাত্র সমাজের প্রতি আহ্বান জানান।

এইচডব্লিএফ নেত্রী এন্টি চাকমা বলেন, আজকের এই দিন আমাদের জন্য শোকের এবং গৌরবেরও। ২০২৪ সালের আজকের এই দিনে এই এলাকায় শহীদ জুনান ও রুবেল জনগণের জনগণের জীবন রক্ষা করতে গিয়ে, জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষা করতে গিয়ে জীবন দান করেছেন। তারা জনগণের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন। শুধু জুনান, রুবেলকে নয়, আমরা দেখেছি দীঘিনালায় ধন রঞ্জন চাকমা এবং রাঙামাটিতে অনিক চাকমাকে কীভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ২০২৫ সালে গুইমারার রামেসু পাড়ায় সংঘটিত হামলা ও তিন জনকে হত্যার ঘটনাও তুলে ধরেন।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জুনান ও রুবেলকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করেছে। কিন্তু ২ বছরেও এ ঘটনার কোন বিচার হয়নি, সরকার ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট এখনো প্রকাশ করেনি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ন্যূনতম ক্ষতিপূরণও পায়নি।

তিনি অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারপূর্বক বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

শহীদ জুনান চাকমার মা রূপসা চাকমা আবেগতাড়িত কণ্ঠে বলেন, ছেলে হারানোর যন্ত্রণা একমাত্র মা বোঝে। ২ বছর হয়েছে আমার ছেলেকে সেনাবাহিনী গুলি করে হত্যা করেছে। কিন্তু তার সুষ্ঠু বিচার এখনো পাইনি।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এবং বর্তমান এনসিপির নেতা ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম কথা দিয়েছিলেন আমার ছেলের হত্যার বিচার করা হবে। কিন্তু আজও কোন বিচার হয়নি।

তিনি দেশের বর্তমান বিএনপি সরকার ও রাষ্ট্রের কাছে ছেলে হত্যার বিচার দাবি করেন।

সেনাবাহিনীর বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আগে সেনাবাহিনীকে আমি দেশ ও জনগণের রক্ষা বাহিনী মনে করতাম। কিন্তু এই সেনাবাহিনীই আমার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছে। তাই এখন সেনাবাহিনীর প্রতি আমার শ্রদ্ধা সম্পূর্ণ উঠে গেছে।

তিনি এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অবিলম্বে তদন্ত কমিটি গঠন গঠন করে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিচারের কার্যক্রম শুরু করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

শেষে তিনি আজ সন্ধ্যা ৬টায় শহীদ জুনান-রুবেলদের স্মরণে “গণ প্রদীপ প্রজ্ব্লন’ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।

স্মৃতিফলক উন্মোচন ও স্মরণসভা শেষে অনুষ্ঠানস্থল একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি স্বনির্ভর বাজারে গিয়ে শেষ হয়।

*সূত্র: CHT NEWS

゚ #সংবাদ #খাগড়াছড়ি

19/09/2026

খাগড়াছড়িতে শহীদ জুনান চাকমা ও রুবেল ত্রিপুরার স্মৃতিফলক উন্মোচন করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের পাশের স্থানে শহীদ জুনান চাকমার মা ও রুবেল ত্রিপুরার মা স্মৃতিফলকটি উন্মোচন করেন।

বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন এই ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর দীঘিনালায় সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ ও স্বনির্ভরসহ সদর এলাকার পাহাড়ি বসতি রক্ষায় সাধারণ ছাত্র-জনতার সাথে রাস্তায় নামলে ওইদিন রাতে সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালায়। এতে জুনান চাকমা ও রুবেল ত্রিপুরা শহীদ হন এবং আরও অনেকে আহত হন।

দুই বছরেও হয়নি দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি সদর ও রাঙামাটি সাম্প্রদায়িক হামলা-হত্যাকাণ্ডের বিচার!শনিবার II ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২০২৪ ...
19/09/2026

দুই বছরেও হয়নি দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি সদর ও রাঙামাটি সাম্প্রদায়িক হামলা-হত্যাকাণ্ডের বিচার!

শনিবার II ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে গঠিত হয় ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। কিন্তু এ অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় মাস না পেরোতেই ওই বছর ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি সদরের নারাঙহিয়া-স্বনির্ভর এবং রাঙামাটি জেলা শহরে পাহাড়িদের ওপর সেনা-সেটলার কর্তৃক ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটে। এ হামলায় দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর মধ্যযুগীয় নির্যাতনে মারা যান ধন রঞ্জন চাকমা, খাগড়াছড়ি সদরের স্বনির্ভর এলাকায় সেনাদের নির্বিচার গুলিতে নিহত হন কলেজ ছাত্র জুনান চাকমা ও রাজমিস্ত্রী রুবেল ত্রিপুরা এবং রাঙামাটিতে সেটলাররা পিটিয়ে নৃশংসভাবে খুন করে কলেজ ছাত্র অনিক চাকমাকে। এছাড়া উক্ত তিন স্থানে হামলায় অন্তত ১৩৮ জন পাহাড়ি আহত হন, যার মধ্যে রয়েছেন খাগড়াছড়ি সদরে সেনাবাহিনীর গুলিতে গুরুতর আহত ২১ জন।

বর্বরোচিত এই হামলার দীঘিনালা ও রাঙামাটিতে ছোট-বড় প্রায় ৩০০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে যায় অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

রাঙামাটিতে হামলাকারী সেটলার বাঙালিরা পার্বত্য চটগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের অফিসেও হামলা চালায় এবং সেখানে গ্যারেজে রাখা ৯টি গাড়ি ও একটি মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেয়। এছাড়া ১৮টি বসতবাড়ি, ৮৫টি ভাসমান দোকানে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ, ৪৬টি যানবাহন, ৮টি ব্যাংক, দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ২টি বৌদ্ধ বিহারে ভাঙচুর হয়। সেটলারদের হামলায় অন্তত ৬৯ জন পাহাড়ি আহত হন।

ঘটনার পর ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তিন উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়), লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (স্বরাষ্ট্র) ও সুপ্রদীপ চাকমা (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক) রাঙামাটি সফর করেন। তারা একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। অন্যদিকে তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম দীঘিনালায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় জনগণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে মত বিনিময় করে ঘটনার বিচারের আশ্বাস প্রদান করেন।

এরপর ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সরকার হামলার ঘটনা তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম ডিভিশনের অতিরিক্ত কমিশনার (উন্নয়ন) মোহম্মাদ নুরুল্লা নুরীকে প্রধান করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার তিন অতিরিক্ত ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও তিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। তবে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) জাতিসংঘের মাধ্যমে ঘটনার তদন্তের দাবি জানায়। অপরদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশন, আইডব্লিউজিআইএ-সহ অনেক সংগঠন জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ও অংশগ্রহণে তদন্তের দাবি করে।

কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বর্বরোচিত এ হামলার বিচার তো দূরের কথা, তদন্ত রিপোর্ট পর্যন্ত প্রকাশ করেনি। উল্টো ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ির গুইমারায় সেনা-সেটলার কর্তৃক পাহাড়িদের ওপর আবারো হামলা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনি পাহাড়ি যুবক নিহত, অর্ধশতাধিক আহত ও শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-ঘরবাড়ি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসে, বিদায় নেয় ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

বর্তমানে বিএনপি সরকারের মেয়াদ ৭ মাস হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত বর্বরোচিত এ হামলার ঘটনায় বিচারের কোন উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। উপরন্তু পাহাড়িদের ওপর দমন-পীড়ন আগের চেয়েও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

দুই বছরেও এই বর্বরোচিত হামলা-হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি। পার্বত্য চট্টগ্রামে এভাবেই যেন বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে।

পাহাড়িদের ওপর বার বার সাম্প্রদায়িক হামলা-হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। কিন্তু বিচার হয় না। সেনা-শাসকগোষ্ঠীর মদদ থাকায় ঘটনায় জড়িতরা বরাবরেই মতোই রেহাই পেয়ে যায়। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি পাহাড়িদের সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধক হয়ে রয়েছে। এর বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।

゚

18/09/2026

সম্প্রতি বিএনপি সরকারের গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক তিন কমিটিকে “সামরিক- গোয়েন্দা-আমলা নির্ভর” উল্লেখ করে সে কমিটিগুলোকে প্রত্যাখ্যান করে যা বলেছেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক #রোনাল_চাকমা।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শিক্ষা দিবসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।

*ভিডিওর অংশটি পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের ফেসবুক পেইজ থেকে সংগৃহিত।

18/09/2026

এটি ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়িতে জুম্ম শিক্ষার্থীদের “মার্চ ফর আইডেন্টিটি” কর্মসূচির মিছিল। যে কর্মসূচি শাসকগোষ্ঠীকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন বানচাল করে দিতে শাসকগোষ্ঠী ওই দিন (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল থেকে সেটলার বাঙালিদের লেলিয়ে দিয়ে সাম্প্রদায়িক হা*মলা শুরু করে। সেদিন বিকালে খাগড়াছড়ি শহরের মধুপুরে সেটলাররা হামলার চেষ্টা চালায়। এর পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দীঘিনালায় সাম্প্রদায়িক হা*মলা চালিয়ে ্জন চাকমাকে হ*ত্যাসহ শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। একই দিন রাতে খাগড়াছড়ি সদরে সেনাবাহিনী গু*লি চালিয়ে #জুনান চাকমা ও #রুবেল ত্রিপুরাকে হ*ত্যাসহ ২১ জনের অধিক গুরুতর জখম করে। একইভাবে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ রাঙামাটি শহরে সেটলার বাঙালিরা সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়ে কলেজ ছাত্র #অনিক চাকমাকে হ*ত্যাসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছিল।

17/09/2026

বুদ্ধপুদি, লক্ষী বিজয়ের রক্তে রঞ্জিত সাজেকের মাটিতে কেউ যদি শিক্ষার অধিকার কেড়ে নিতে চায় তাহলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

-সমর চাকমা, সভাপতি, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ

রক্তে রঞ্জিত সাজেকের মাটিতে কেউ শিক্ষার অধিকার কেড়ে নিতে চাইলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান পিসিপির সভাপতি সমর চাকমা...
17/09/2026

রক্তে রঞ্জিত সাজেকের মাটিতে কেউ শিক্ষার অধিকার কেড়ে নিতে চাইলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান পিসিপির সভাপতি সমর চাকমার

শিক্ষা দিবসে রাঙামাটির সাজেকে আয়োজিত ছাত্র-যুব সমাবেশ থেকে তিনি এই আহ্বান জানান।

সাজেক(রাঙামাটি) II বৃহস্পতিবার II ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লক্ষী বিজয় ও বুদ্ধপুদির রক্তে রঞ্জিত সাজেকের মাটিতে কেউ যদি শিক্ষার অধিকার কেড়ে নিতে চায় তাহলে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি সমর চাকমা।

মহান শিক্ষা দিবসে আজ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকের উজোবাজারে আয়োজিত ছাত্র-যুব সমাবেশে জনগণের প্রতি তিনি এই আহ্বান জানান।

“গোয়েন্দা ল্যাবে উদ্ভাবিত ‘কর্মকৌশল’ খাটবে না, ‘পূর্ণস্বায়ত্তশাসন’ মেনে নাও; সাজেক কলেজে পাঠদানে বাধা কেন, প্রধানমন্ত্রীর জবাব চাই” এসব শ্লোগানে এবং পিসিপির শিক্ষা সংক্রান্ত ৫ দফা পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও পাহাড়ের দুর্গম অঞ্চলে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশ শুরুর পূর্বে সাজেক পর্যটন সড়কের লাদুমুনি বাজার থেকে দেড় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী ও যুব-জনতার অংশগ্রহণে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিভিন্ন শ্লোগানে মূল সড়ক হয়ে উজোবাজারে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে পিসিপির বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি সুজয় চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি সমর চাকমা, সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সভাপতি বাবুধন চাকমা , হিল উইমেন্স ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি নীতি চাকমা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের রাঙামাটি জেলা সভাপতি চয়ন চাকমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি সমর চাকমাও সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে জারুলছড়ি স্কুলের ছাত্রী রিয়া চাকমা। এতে সমাবেশে সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন সাজেক নারী সমাজের সভাপতি নিরুপা চাকমা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি অমিতা চাকমা।

ছাত্রনেতা সমর চাকমা বলেন, ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আজকের এই দিনে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান গণবিরোধী শরীফ শিক্ষা কমিশন বাতিল করতে বাধ্য হয়। ১৯৫২ ও ১৯৬২ সালে যে শিক্ষা আন্দোলন হয়েছিল তা শুধু বাঙালিদের ভাষা রক্ষার জন্য নয়, এটা ছিল বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাতিসত্তার ভাষা-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য রক্ষার জন্য সংগ্রাম। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলেও পার্বত্য চট্টগ্রামে জাতিসত্তাগুলোর মাতৃভাষা ও অস্তিত্ব কেড়ে নেওয়ার পাঁয়তারা চালায় স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার। ৭২-এর সংবিধানে এবং ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি ভিন্ন অন্য জাতিগুলোর ভাষা, সংস্কৃতি কেড়ে নিয়ে উগ্র বাঙালি জাতীয়তা ছাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। একজন পাহাড়ি যেমন কখনো বাঙালি পারে না, তেমনি একজন বাঙালিও কখনো চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা হতে পারে না। পাহাড় ও সমতলের জাতিসত্তার ভাষা, সংস্কৃতি ও অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ২০০০ সাল থেকে স্ব স্ব মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা লাভের অধিকার নিশ্চিত করা-সহ শিক্ষাসংক্রান্ত ৫ দফা দাবি জানিয়ে আসছে।

তিনি আরো বলেন, সাজেকে লুসাইদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ করে সেখানে বিলাসবহুল রিসোর্ট, পর্যটন, কোটি টাকার মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু স্কুল, কলেজ নির্মাণে বাধা প্রদান করা হয়। সাজেক কলেজ নির্মাণ করা নিয়ে সেনাবাহিনী কলকাঠি নেড়ে প্রশাসন ও বনবিভাগকে দিয়ে নানাভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে, কলেজ পর্ষদের দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। এ ষড়যন্ত্র এখনো চলমান রয়েছে। শুধু সাজেক কলেজ নয়, মাজলং এগোজ্জেছড়িতে সেনাবাহিনী কর্তৃক এলাকাবাসীর নির্মিত বেসরকারি প্রাইমারি স্কুল ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। পরে এলাকাবাসীর ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তারা স্কুলের জিনিসপত্র পুনরায় ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছে। সেনাবাহিনী একদিকে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে আর অন্যদিকে লোকদেখানো নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ছাত্র ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাজেকে শহীদ লক্ষী বিজয় ও বুদ্ধপুদির রক্তে রঞ্জিত মাটিতে কেউ যদি স্কুল ভেঙে দিয়ে, পাঠদানে বাধা প্রদান করে শিক্ষার অধিকার কেড়ে নিতে চায় তাহলে জনগণকে পাল্টা প্রতিরোধ তুলতে হবে।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক যে ৩টি হয়েছে তাতে সেনা-গোয়েন্দাদের প্রধান দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেনা-গোয়েন্দা নির্ভর কমিটি দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার সমাধান হবে না। এ সমস্যার প্রকৃত সমাধান করতে চাইলে জনগণের প্রাণের দাবি পূর্ণস্বায়ত্তশাসন মেনে নিয়ে আলোচনায় বসতে হবে।

তিনি অবিলম্বে পিসিপির শিক্ষা সংক্রান্ত ৫ দফা দাবি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নেত্রী নীতি চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষা নীতি আর সমতলের শিক্ষা নীতি এক নয়। কেন না পার্বত্য চট্টগ্রামে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সংবর্ধনা, নবীন বরণ করতে গেলে সেনা-গোয়েন্দা নজরদারি ও খবরদারি করা হয়। সাজেক কলেজ নির্মাণের শুরু থেকে বন বিভাগকে দিয়ে নানা বাধা ও হয়রানির অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, সাজেকের মত জায়গায় যখন বড় বড় রিসোর্ট নির্মাণ করা হয় তখন সে জায়গা বনবিভাগের আওতায় কেন পড়ে না? কিন্তু যখন সাজেকে কলেজ, স্কুল নির্মাণ করা হয় তখন বনবিভাগের আইন দেখানো হয়। এছাড়া আমরা আরো দেখতে পাই যে, সমতলের দুর্নীতিগ্রস্ত ও নানা কেলেঙ্কারিতে জড়িত শিক্ষকদের পার্বত্য চট্টগ্রামে বদলী করা হয়ে থাকে। যার কারণে সেই শিক্ষকরা পার্বত্য চট্টগ্রামে এসে আগের মতো অনিয়মসহ শিক্ষার্থীদের যৌন নিপীড়ন করে থাকে। তিনি অনৈতিক কর্মকাাণ্ডে জড়িত শিক্ষকদের পার্বত্য চট্টগ্রামে বদলি না করা এবং বর্গা শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা না করার আহ্বান জানান।

সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সভাপতি বাবুধন চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অংশ। পার্বত্য চট্টগ্রামে আমরা বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠী বসবাস করি। স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বাংলাদেশে এখনো গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি সরকার।

তিনি আরো বলেন, ২০২২-২৩ সাল থেকে বান্দরবানে বম জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন চালিয়ে একটি জাতিগোষ্ঠীকে কিভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে তা আমরা দেখেছি। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী সাজেকে পর্যটন, মসজিদ হতে পারে, কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে পারে না কেন? এখানে শত শত মাইল পাহাড় কেটে উন্নয়নের নামে রাস্তাঘাট বানানো হয়, কোটি টাকার পর্যটন নির্মাণ করা হয়। কিন্তু আমাদের মৌলিক অধিকার শিক্ষার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হলে ইউপিডিএফ তকমা লাগিয়ে বাধা দেওয়া হয়। তিনি সকল ষড়যন্ত্রমূলক মামলা বাতিল করে সাজেক এলাকায় মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সাধারণ শিক্ষার্থী রিয়া চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্যে সাজেক এলাকা অত্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চল। সাজেকে আমরা মানসম্মত শিক্ষা পাই না।
এখানকার প্রশাসনের বাধা-ষড়যন্ত্রের কারণে মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে না। শিক্ষা এমন একটা জিনিস যা সমাজ ও রাষ্ট্রের মানুষের জন্য একান্ত প্রয়োজন। শিক্ষা ছাড়া দেশ ও জাতি কখনো উন্নতি করতে পারে না।

তিনি প্রশ্ন করে বলেন, সাজেকে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী কেন বাধা দেয়?

তিনি স্কুল কলেজ নির্মাণে বাধা প্রদান বন্ধ করে সাজেকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।

সূত্র: প্রেস বিজ্ঞপ্তি

゚ #সংবাদ #সমাবেশ #সাজেক #রাঙামাটি

শিক্ষা দিবসে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-এর আহূত ছাত্র-যুব সমাবেশে যেভাবে রাস্তায় নামলেন সাজেকের শিক্ষ...
17/09/2026

শিক্ষা দিবসে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-এর আহূত ছাত্র-যুব সমাবেশে যেভাবে রাস্তায় নামলেন সাজেকের শিক্ষার্থী-যুব-জনতা।

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

#ছবি: সংগৃহিত

17/09/2026

শিক্ষা দিবসে সাজেকে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের মিছিলে শ্লোগান “পর্যটন না শিক্ষা, শিক্ষা শিক্ষা"।

Address

Khagrachari, Chittagong Hill Tracts
Khagrachari
4400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JUMMO CHOKH MEDIA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to JUMMO CHOKH MEDIA:

Shortcuts

Share