Naima

Naima """""আস্সালামুআলাইকুম""""" 👋
ইসলামের সহজ ব্যাখ্যা এবং দিনের পথে চলার সহজ নির্দেশনা পাবেন 🤲🕋
❤️ইনশাআল্লাহ❤️
(9)

📌 ক্যাপশন পড়ুন ⬇️আল্লাহর পথে ফিরে আসার জন্য তোমার আত্মার ডাকে ৮টি নিদর্শন:1️⃣ গুনাহ আর মিষ্টি লাগে নাতুমি করছো ঠিকই, কিন...
05/05/2026

📌 ক্যাপশন পড়ুন ⬇️
আল্লাহর পথে ফিরে আসার জন্য তোমার আত্মার ডাকে ৮টি নিদর্শন:

1️⃣ গুনাহ আর মিষ্টি লাগে না
তুমি করছো ঠিকই, কিন্তু আগের সেই আনন্দ আর নেই।

2️⃣ গাফিলদের আসরে অস্বস্তি লাগে
চারপাশে হাসি-ঠাট্টা চলছে, কিন্তু তোমার অন্তর শুন্য লাগে।

3️⃣ হঠাৎ হঠাৎ অপরাধবোধ জাগে
গাড়িতে, বিছানায়, মোবাইল স্ক্রল করার সময়… মনে হয়: “আমাকে বদলাতে হবে।”

4️⃣ নামাজ ডাকতে শুরু করে অদ্ভুত সময়ে
অলস হলেও ভেতর থেকে টান অনুভব করো।

5️⃣ নিজে থেকেই ইসলামিক রিমাইন্ডার খুঁজে বের করা
কেউ বলছে না, তবুও হৃদয় তৃষ্ণার্ত হয়ে খুঁজছে।

6️⃣ অকারণে চোখে পানি আসে
কুরআন শুনলে কান্না চলে আসে, যদিও পুরোটা বোঝো না।

7️⃣ আল্লাহ তোমার জীবন থেকে কিছু মানুষ ও গাফিলতা সরিয়ে দেন
তুমি ভাবো এটা কাকতালীয়, কিন্তু আসলে তা নয়।

8️⃣ বারবার একই রিমাইন্ডার সামনে আসে
পোস্ট, ভিডিও, আয়াত, কথোপকথন — সবই তোমাকে তাঁর দিকে ফিরিয়ে নিচ্ছে।

🤲 হে আল্লাহ! তুমি যে নিদর্শনগুলো পাঠাও আমরা যেন তা উপেক্ষা না করি। আমীন।

✔️ এই লিস্টটি সেভ করে রাখো এবং যার আত্মাও আল্লাহর পথে ফিরতে ডাকছে — তাকে শেয়ার করো।

📖 ইসলামিক রেফারেন্স (সংক্ষেপে যাচাই):

গুনাহর তিক্ততা: রাসূল ﷺ বলেছেন, "যখন বান্দা গুনাহ করে, তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে যায়…"(সুনান ইবনে মাজাহ 4244)।

গাফিলতার আসর থেকে দূরে থাকা: কুরআনে আছে – "তুমি তাদের সাথে বসো না যারা আল্লাহর আয়াত নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে…"(সূরা আন-নিসা 140)।

নামাজের টান: "নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনদের উপর নির্ধারিত সময়ে ফরজ করা হয়েছে।" (সূরা নিসা 103) – আল্লাহই অন্তরে টান সৃষ্টি করেন।

কুরআন শুনে কান্না: "আর যখন তাদের কাছে কুরআন তিলাওয়াত করা হয়, তারা সেজদায় পড়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে।" (সূরা মারইয়াম 58)।

আল্লাহর তরফ থেকে নিদর্শন: "আমরা তাদেরকে আকাশে ও পৃথিবীতে আমাদের নিদর্শনসমূহ দেখাবো…"(সূরা ফুসসিলাত 53)।

👉 এগুলো সব সরাসরি হাদিস-কুরআনের আলোকে আত্মার পরিবর্তনের বাস্তব লক্ষণ।

05/05/2026

I got over 7,000 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

গোপন পাপ কিভাবে ছাড়বেন?আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপারটা জানেন?এই গোপন পাপগুলো চিৎকার করে আসে না, নীরবে আসে, ধীরে ধীরে আপনার ঈ...
05/05/2026

গোপন পাপ কিভাবে ছাড়বেন?

আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপারটা জানেন?
এই গোপন পাপগুলো চিৎকার করে আসে না, নীরবে আসে, ধীরে ধীরে আপনার ঈমান, শান্তি, আত্মসম্মান সবকিছু খেয়ে ফেলে। আপনি টেরই পান না—কখন আপনি ভেতর থেকে ফাঁকা হয়ে গেছেন। কিন্তু একটা প্রশ্ন—যখন কেউ দেখছে না… তখন কি সত্যিই কেউ দেখছে না?

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সতর্ক করেছেন—
কিছু মানুষ এমন হবে, যারা গোপনে পাপ করবে,
আর সেই গোপন পাপ তাদের সব নেক আমলকে নষ্ট করে দেবে।

ভাবুন—আপনি নামাজ পড়ছেন, ভালো কাজ করছেন…কিন্তু এমন কিছু গোপন অভ্যাস আছে—যা নীরবে সবকিছু ধ্বংস করে দিচ্ছে। আজকের এই লেখাটা আপনার জন্য—
যদি আপনি সত্যিই বদলাতে চান…যদি আপনি এই অন্ধকার থেকে বের হতে চান
কারণ—
গোপন পাপ যেমন নীরবে মানুষকে ধ্বংস করে,
তেমনি গোপন তওবাই পারে—একজন মানুষকে আবার নতুন করে গড়ে তুলতে।

তাহলে কিভাবে ছাড়বেন?

১নিজেকে একা ভাববেন না, যখন আপনি একা—তখনও আল্লাহ আপনাকে দেখছেন। এই অনুভূতিটা জাগ্রত করুন।

২ গুনাহের আগে থামুন—একটু ভাবুন
এই কাজটা করলে আল্লাহ খুশি হবেন? এই একটি প্রশ্ন অনেক গুনাহ থামিয়ে দিতে পারে।

৩ সঙ্গে সঙ্গে তওবা করুন। গুনাহ হয়ে গেলে হতাশ হবেন না। বলুন: আস্তাগফিরুল্লাহ, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান

৪ ট্রিগারগুলো চিনে ফেলুন
কোন সময়ে, কোন অবস্থায় আপনি গুনাহে জড়ান?
একা থাকলে? ফোন ব্যবহার করলে? নির্দিষ্ট কিছু কনটেন্ট দেখলে? এই জায়গাগুলো এড়িয়ে চলুন।

৫ নিজেকে ব্যস্ত রাখুন
ফাঁকা সময়ই গুনাহের সবচেয়ে বড় সুযোগ।
কুরআন পড়ুন, ভালো কাজ করুন, পরিবার/বন্ধুদের সাথে থাকুন

৬ রাতের নামাজ (তাহাজ্জুদ)
রাতের নির্জনে আল্লাহকে বলুন—হে আল্লাহ, আমি এই গুনাহ ছাড়তে চাই, আমাকে সাহায্য করুন, এই কান্না কখনো বৃথা যায় না।

আপনি যদি গোপনে গুনাহ করতে পারেন—তাহলে গোপনেই ভালো কাজও করতে পারেন। কেউ না দেখলে ২ রাকাত নামাজ পড়ুন। কেউ না জানলে দান করুন
আল্লাহ সেটা দেখছেন।

শেষ কথা, গুনাহ করা মানুষ হওয়ার অংশ—কিন্তু গুনাহে থেকে যাওয়া… সেটাই আসল সমস্যা। আজই সিদ্ধান্ত নিন—আপনি কি সত্যিই এই গোপন পাপ ছাড়তে চান?
কমেন্টে লিখুন— “আমি বদলাতে চাই

প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোনেরা,আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই এমন কিছু চাওয়া থাকে যা পূরণ হওয়া যেন অলৌকিক কিছু। কখনো কি এমন হয়েছে—গ...
05/05/2026

প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোনেরা,
আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই এমন কিছু চাওয়া থাকে যা পূরণ হওয়া যেন অলৌকিক কিছু। কখনো কি এমন হয়েছে—গভীর রাতে জায়নামাজে বসে অঝোরে কাঁদছেন, মনের কোনো এক অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা আপনাকে ঘুমাতে দিচ্ছে না, অথচ সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন না?
যদি আপনার কোনো দোয়া দীর্ঘকাল অপূর্ণ থেকে থাকে, তবে আজই পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে এই "পরীক্ষিত আমলটি" করে দেখুন। রাসুলুল্লাহ (সা.) এই যিকিরকে 'জান্নাতের গুপ্তধন' হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর বরকতে বহু মানুষের অসম্ভব হাজত আল্লাহ তাআলা মুহূর্তেই পূরণ করে দিয়েছেন।

আমলটি করার সঠিক নিয়ম (ধাপে ধাপে):
এটি মূলত একাগ্রতা এবং বিশ্বাসের আমল। তাহাজ্জুদের সময়, নিরিবিলি পরিবেশে এটি করা সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।
১. ইশার নামাজের পর বা শেষ রাতে তাহাজ্জুদের সময় উত্তমরূপে ওযু করে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করুন।
২. নামাজের পর মনোযোগ সহকারে ১০০ বার যেকোনো দরূদ শরীফ পড়ুন।
৩. এরপর ৪৯৯ বার পাঠ করুন
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ
(লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ)

৪. ৫০০তম বার পাঠ করার সময় নিচের দোয়াটি যুক্ত করে পড়ুন
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ
(লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজীম)
৫. এরপর পুনরায় ১০০ বার দরূদ শরীফ পাঠ করুন।
৬. পরিশেষে দুহাত তুলে আল্লাহর দরবারে নিজের হাজতের জন্য কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করুন।

কেন এই আমলটি করবেন?
হাদীস শরীফে এসেছে, প্রিয় নবীজি (সা.) বলেছেন "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ" হলো জান্নাতের রত্নভাণ্ডার সমূহের একটি। এটি ৯৯টি রোগের মহৌষধ, যার মধ্যে সর্বনিম্ন হলো 'দুশ্চিন্তা'। (বুখারী ও মুসলিম)
যখন বান্দা তার সমস্ত শক্তি ত্যাগ করে মহান আল্লাহর শক্তির কাছে নিজেকে সঁপে দেয়, তখনই আসমানের দরজাগুলো খুলে যায়। ইনশাআল্লাহ, আপনার চোখের পানি বিফলে যাবে না।
বি.দ্র: আমলটির মূল শক্তি হলো 'একাগ্রতা' এবং 'হালাল রিযিক'। পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে করুন।

সবাই এই পোস্টটি শেয়ার করে অন্য ভাই-বোনদের জানার সুযোগ করে দিন। হয়তো আপনার একটি শেয়ারে কারো জীবনের বড় কোনো মুশকিল আসান হয়ে যাবে।
আল্লাহুম্মা আমীন। আমার জন্য দোয়া করবেন। 🌸

আপনি কি আজ থেকেই এই বিশেষ আমলটি শুরু করতে চান? কমেন্টে 'ইনশাআল্লাহ' লিখে আপনার উপস্থিতি জানান। 😊

📌"কুরআনে কেন বারবার বলা হয় নারীদের দুঃখিত হওয়া উচিত না?" কেন আল্লাহ তা'য়ালা বারবার বলেন:"দুঃখ করো না", "ভয় পেয়ো না"?এই...
05/05/2026

📌"কুরআনে কেন বারবার বলা হয় নারীদের দুঃখিত হওয়া উচিত না?"

কেন আল্লাহ তা'য়ালা বারবার বলেন:
"দুঃখ করো না", "ভয় পেয়ো না"?

এই আয়াতগুলো ভালো করে পড়ো। কারণ এগুলো শুধু আয়াত না এগুলো যেন শব্দে মোড়ানো একেকটা সান্ত্বনার আলিঙ্গন।

মহান আল্লাহ তা'য়ালার বলেন:
"যাতে তার চোখ শীতল হয় এবং সে দুঃখ না করে।"
[সূরা আল-কাসাস, ২৮:১৩]

এবং সূরা আল-আহযাবে:
"যাতে তাদের চোখ প্রশান্ত হয় এবং তারা দুঃখ না করে।" [৩৩:৫১]

সূরা মারইয়ামে:
"তুমি দুঃখ করো না।" [১৯:২৪]

আবারও সূরা আল-কাসাসে:
"ভয় পেয়ো না এবং দুঃখ করো না।" [২৮:৭]

বারবার… একই বাক্য, একই সান্তনা!!!

কেন?

কারণ তোমার কষ্ট
তোমার রবের কাছে তুচ্ছ নয়।

একজন নারীর দুঃখ শুধু একটা অনুভূতি নয়,
এটা একটা ঝড় যা তার ভেতরটাকে নাড়িয়ে দেয়,
তার শরীরকে দুর্বল করে, ঘুম কেড়ে নেয়,
কখনও কখনও তার ভেতরের আলোটুকু নিভিয়ে দেয়।

আর আল্লাহ তা'য়ালা তা জানেন।
তাই তো কুরআনে তাঁর ভাষা এত কোমল!

তাই তো তিনি বলেন:
দুঃখ করো না।
ভয় পেয়ো না।
তোমার চোখ যেন শান্তি খুঁজে পায়।

কারণ তিনি জানেন:
একজন নারীর দুঃখ শুধু চোখের পানিতে থেমে থাকে না,
এটা ছড়িয়ে পড়ে তার হৃদস্পন্দনে,
তার ভেতরের অনুভূতিতে,
তার শরীরের গভীরে,
তার হাসির আড়ালে।

আল্লাহ শুধু তার দেহকে নয়,
তার অনুভূতিকেও হেফাজত করেন,
তার মর্যাদা, তার শান্তিকেও।

তাই মা-বাবার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন:
"তাদেরকে 'উফ' পর্যন্ত বলো না।" [১৭:২৩]

কারণ শব্দও আঘাত করে। আর তার হৃদয় কোমল কিন্তু তার মর্যাদা অমূল্য। তাই, যদি তুমি একজন নারী হও আর তোমার বুকের ভেতর ঝড় বয়ে যায়, চোখে নীরব কান্না লুকিয়ে রাখো,

তাহলে জেনে রাখো
তোমার দুঃখ আল্লাহর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
তোমার প্রতিটি অশ্রু তিনি দেখেন।
তোমার প্রতিটি কষ্ট তার কাছে লিপিবদ্ধ।
আর তোমার সুস্থতাও ইতিমধ্যেই তাঁর কাছে নির্ধারিত।

তাইতো প্রতিবারই তিনি তোমাকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন: তুমি একা নও। দুঃখ করো না।

আল্লাহ তা'য়ালা যেন প্রতিটি ভাঙা হৃদয়কে আরোগ্য দান করেন। বিশেষ করে সেই হৃদয়গুলোকে, যেগুলো নীরবে ভেঙে যায়। (আমিন)

মনে রাখবে, তোমার গল্প এখানেই শেষ নয়, এটা এখনও লেখা হচ্ছে, আর সেই কলম এমন একজনের হাতে যিনি সবচেয়ে দয়ালু (عطوف), যিনি আর-রহ'মানির রহিম (الرحمن الرحيم), যিনি আহ'কামিল হাকিম (أهكاميل حكيم)।

নিঃশব্দে কষ্ট পাওয়া প্রতিটি নারীর জন্য আল্লাহ এক মুহূর্তও ভুলে যাননি।

যে নারী নীরবে কাঁদে,
হাসির আড়ালে ভেঙে পড়ে,
অদৃশ্য কষ্ট বয়ে বেড়ায়
আল্লাহ তাকে দেখেন।

তোমার প্রতিটি অশ্রু,
যা তুমি ভেবেছিলে কেউ জানে না
কখনোই হারিয়ে যায়নি।

ইসলামে তোমার কষ্ট দেখা হয়,
তোমার ধৈর্যকে মূল্য দেওয়া হয়,
আর তোমার হৃদয়কে ঘিরে রাখে এমন এক দয়া
যা তোমার কল্পনার চেয়েও গভীর।

আর হ্যাঁ, অবশ্যই—
"আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত কোমল।" [৪২:১৯]

এজাজ সাহেবের আদরের মেয়ে আতিয়া বাতুল। অত্যন্ত পরহেজগার এই মেয়ের বিয়ের সব প্রস্তুতি যখন শেষ, ঠিক তখন তার শরীরে ধরা পড়ে মরণ...
04/05/2026

এজাজ সাহেবের আদরের মেয়ে আতিয়া বাতুল। অত্যন্ত পরহেজগার এই মেয়ের বিয়ের সব প্রস্তুতি যখন শেষ, ঠিক তখন তার শরীরে ধরা পড়ে মরণব্যাধি ক্যান্সার।

ডাক্তারদের রিপোর্টে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে এজাজ সাহেবের। কিন্তু বাতুল ছিল শান্ত। সে বাবাকে আত্মবিশ্বাসের সাথে বলে, "আব্বু, ডাক্তাররা যা-ই বলুক, আমার ক্যান্সার হতে পারে না।"

বাতুল তার বাবাকে একটি দোয়ার আমল শোনায়। সে জানায়, নবীজি (সা.) শিখিয়েছেন, কেউ যদি কোনো অসুস্থ বা বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে একটি বিশেষ দোয়া পড়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে যে, আল্লাহ তাকে এই রোগ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, তবে সেই রোগ তাকে কখনো ছুঁতে পারবে না।

বাতুল ছোটবেলা থেকেই কোনো ক্যান্সার রোগীর কথা শুনলে নিয়মিত এই আমলটি করত।

মেয়ের বিশ্বাসের ওপর ভর করে এজাজ সাহেব তাকে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত এক ক্যান্সার হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে সব বড় বড় ডাক্তাররা পরীক্ষা করে অবাক হয়ে জানান,

"মিস্টার এজাজ, আপনার মেয়ের রিপোর্টটি আমাদের কাছে এক চরম বিস্ময়! চিকিৎসা বিজ্ঞানের সব সূত্র আর আলামত অনুযায়ী বাতুলের শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধার কথা ছিল এবং আগের রিপোর্টগুলোতেও সেই মরণব্যাধির সব লক্ষণ (Risk Factors) স্পষ্ট ছিল।

কিন্তু বর্তমানের এই সূক্ষ্ম পরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, তার শরীরে একটিও ক্যান্সার কোষের অস্তিত্ব নেই! মনে হচ্ছে কোনো এক অদৃশ্য বর্ম তাকে রক্ষা করেছে। আমরা ডাক্তাররা একে 'মেডিক্যাল মিরাকল' ছাড়া আর কিছুই বলতে পারছি না।"

সেই বিশেষ দোয়াটি হলো,

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلاكَ بِهِ وَفَضَّلَنِي عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلاً

(উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আফানি মিম্মাবতালাকা বিহি, ওয়া ফাদ্বলানি আলা কাসিরিম মিম্মান খালাকা তাফদ্বিলা।)

অর্থ: "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে সেই বিপদ থেকে মুক্ত রেখেছেন যে বিপদে তোমাকে লিপ্ত করেছেন এবং আমাকে তাঁর সৃষ্টি জগতের অনেকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।"

আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে অসম্ভবও সম্ভব হয়। অন্যকে বিপদে দেখে নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য শুকরিয়া আদায় করা একটি বড় সুরক্ষা।

সূত্র: মু'জিযানা আছারাত

03/05/2026

03/05/2026

শসার উপকারিতা

03/05/2026

গাজরের উপকারিতা এবং গুনাগুন

ভারতকে কড়া বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির দাবি, ভারতে ইসরায়েলের ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। ইর...
03/05/2026

ভারতকে কড়া বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির দাবি, ভারতে ইসরায়েলের ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—ভারত যদি ইসরায়েলকে সমর্থন দেওয়া বন্ধ না করে, তাহলে এর পরিণতি গুরুতর হতে পারে এবং পরবর্তী হামলার লক্ষ্যবস্তু ভারতও হতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সতর্কবার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

ইতিহাস কি তবে আমাদের ভুল শেখাচ্ছে?বাংলাদেশের আজকের অবকাঠামো কি পাকিস্তান আমলেরই দান?‎ব্রিটিশ ২০০ বছর শাসন আমলে পূর্ব বাং...
03/05/2026

ইতিহাস কি তবে আমাদের ভুল শেখাচ্ছে?
বাংলাদেশের আজকের অবকাঠামো কি পাকিস্তান আমলেরই দান?

‎ব্রিটিশ ২০০ বছর শাসন আমলে পূর্ব বাংলায় মাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল "ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়। সেটিরও বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কলকাতার প্রভাবশালী মহল।

‎ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল।

‎বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল।

‎ পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

‎◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩)

‎◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬)

‎◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০)

‎◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮)

‎◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১)

‎▶ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

‎◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল

‎◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল

‎◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল

‎◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল

‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা।

‎ ▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে

‎◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯)

‎◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯)

‎◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২)

‎◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ

‎উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে।

‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

‎◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭)

‎◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮)

‎◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

‎◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

‎◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩)

‎◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬)

‎◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮)

‎◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)

‎উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷

‎ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।

‎▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷

‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

‎◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮)

‎◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩)

‎◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩)

‎◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)

‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে।

‎▶ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)"

‎▶ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে....

‎◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"।

‎◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

‎◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল।

‎★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা!

‎১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি।

‎★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি।

‎▶শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা

‎◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়)

‎◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী

‎◾ সংসদ ভবন

‎◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ

‎◾ বাংলা একাডেমি

‎◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

‎◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা

‎◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়)

‎◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা

‎◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)

‎◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত)

‎◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়)

‎◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল

‎◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প

‎◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন

‎◾ ঢাকা স্টেডিয়াম

‎◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন)

‎◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প

‎◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন

‎◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।

‎◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC)

‎◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান

‎◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি

‎◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী)

‎◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী

‎◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা

‎◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা

‎◾খালিশপুর শিল্প এলাকা।

‎◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১

‎◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯

‎◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০

‎◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮

‎◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক

‎◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩

‎◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক

‎◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়।

‎◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২

‎◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩

‎◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩

‎◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩

‎◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে।

‎১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে।

‎তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি।

‎তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

‎তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক।

‎দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে।

‎তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে।

‎এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

‎এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে। সবচেয়ে বড় কথা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশটি বড় খেল দেখিয়েছে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে। তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতি তে নিজেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে কূটনীতি ও সামরিক পার্সপেক্টিভে। যারা আমেরিকা এবং ইরানকে ও এক টেবিলে বসাতে পারছে।

‎আর ১৯৭১ সালে বিজয়ী বাংলাদেশের যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। তারা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিয়ে পৃথিবীর প্রথম চেতনা বোমা বানিয়েছে। যা চীনের হাইড্রোজেন বোমার চেয়েও ভয়ংকর।

‎ এই পর্যন্ত সংসদের মতো একটা স্থানে চেতনা বড় নাকি আধুনিকতা বড়! এই নিয়ে কয়েকশ অধিবেশন চলছে।আফসোস🙂
‎ #কপিপোষ্ট

03/05/2026

কবরস্থানের দিকে তাকালে মনে হয় সব আয়োজন বৃথা

Address

Khulna

Telephone

+8801989328252

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Naima posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Naima:

Share