G H O S T S T O R Y

G H O S T  S T O R Y ভয়ের গুতা🫥🥶
(2)

("ভুতের মুখে ভুতের গল্প")অন্যদিনের মতো আজকেও রাত জেগে প্রাক্টিক্যাল লিখছিলাম। কয়দিন পরেই ফাইনাল এক্সাম তাই এখনো অনেক লে...
15/11/2024

("ভুতের মুখে ভুতের গল্প")

অন্যদিনের মতো আজকেও রাত জেগে প্রাক্টিক্যাল লিখছিলাম। কয়দিন পরেই ফাইনাল এক্সাম তাই এখনো অনেক লেখা বাকি, সারাদিন কলেজ টিউশন করার পর এই রাতে একটু সময় পাই এসব লেখা লেখি করার।আজকে আবার হঠাৎ বড্ডু খিদে পাচ্ছে।কিন্তু এখন আবার উঠে গিয়ে খাবার আনতে ইচ্ছে করছে না।

কিন্তু এবার খাবার আনতে না গেলেই নয়, খিদের চটে পেটের ভেতরটা গুর গুর করছে।কান থেকে এআর ফোনটা খুলে মশারি থেকে বেরিয়ে রান্না ঘরের দিকে গেলাম,রান্নাঘরে গিয়ে দেখি একটা চিড়ে ভাজা রাখা আছে,ওটা একটা বাটিতে ঢেলে চানাচুর মিছিয়ে রুমে নিয়ে এলাম।

কিছুক্ষণ চিড়া খেয়ে আবার দেখায় মন দিলাম।এমন সময় পিছন থেকে কেউ যেন বলে উঠল "চিরে ভাজাগুলো দারুন হয়েছে?"
আমি লিখতে লিখতে থ্যাঙ্ক ইউ বলতে যাবো এমন সময় হঠাৎ করে বুকের ভেতরটা ছ্যাত করে উঠলো।
আমার রুমে তো আমি ছাড়া কেউ নেই, তাহলে কথা বলবে কে?রুমের দরজা টার দিকে তাকাতেই দেখি ওটা ভেতর থেকে বন্ধ।আবার পেছন থেকে কথা এলো,'আরে তুমি রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করেই রুমে ঢুকেছো'।খুব ভয়ে ভয়ে পিছন ফিরে তাকালাম, দেখলাম আমার মশারির ভেতর একটা ছেলে বসে আছে।
কিন্তু ও কখন কিভাবে মশারির ভিতরে ঢুকলো?ঘরের সব দরজা জানালা বন্ধ করেই তো মা-বাবার শুতে যায় রোজ।তবে কি আজ কোন দরজা বা জানালা বন্ধ করতে ভুলে গেছে? মনের ভেতর হাজার প্রশ্ন ঘুরছে এমন সময় ছেলেটা চিড়ার বাটি থেকে একমুট চিরে ভাজা নিয়ে মুখে পুরে দিল। আর বলল,

"আরে আমার এই রুমের ভিতরে ঢুকতে কোন খোলা দরজা বা জানালা লাগে না "আমি এমনি আসতে পারি।এবার আমি অনেকখানি সাহস করে তাকে বললাম তুমি কিভাবে এলে রুমে?
আমার কথা শেষ হতেই সে হাওয়ার মত মশারি থেকে বের হয়ে গলো।আর বলল, এভাবে।
ভয়ে আমার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে আমি কিছুতেই কথা বলতে পারছি না।শুধু বিস্পারিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি তার দিকে, ছেলেটা আবার হাওয়ার মত মশারির ভিতরে ঢুকলো আর বলল,আরে ভয় পেলি নাকি? আমি তো ভাবলাম তুমি তো অনেক সাহসী,এখনই তো বসে বসে ভূতের গল্প শুনছিলে,এখন ভয় পাচ্ছো যে বড়।
অনেক কষ্ট করে নিজেকে সামলে নিয়ে বললাম, তাহলে তুমি ভূত?
না তো কি? এভাবে তোমার রুমে কে ঢুকবে শুনি।
তাও ঠিক- কিন্তু তুমি আমাদের রুমে এসেছ কেন?
সব বলব আগে তুমি জলটা খাও।
বলেই জলের বোতল তা আমার দিকে এগিয়ে দিল আর বলল,ভয় পেয়ো না আমি তোমার কোন ক্ষতি করব না।
কেন জানিনা কথাটা শুনে মনে একটু জোর পেলাম।হাত থেকে বোতল টা নিয়ে জল খেলাম।এরপর ছেলেটাকে খুব ভালো করে দেখলাম। ছেলেটার চেহারার বর্ণনাটা একটু দিয়ে রাখি তাহলে যারা গল্পটি পড়ছেন তাদের গল্পটি অনুভব করতে সুবিধা হবে।ছেলেটার বয়স ২৪ থেকে ২৫ বছর হবে। গায়ে একটা ডিপ খয়রি শার্ট শার্ট এর পকেটে একটা চশমা ঝুলানো,হাতে ঘড়ি চুল গুলোর পরিপাটি, মুখ ভর্তি দাড়ি এক কথায় স্মার্ট ভুত ।
আমি অনেকক্ষণ ধরে ওর দিকে তাকিয়ে আছি দেখি খসখস করে একটু আওয়াজ করে বলে উঠলো তাকিয়ে আছো যে বড়।আর বলল, ভয় কার নাকি তোমার?
আমি মাথা নেড়ে হ্যাঁ জানালাম আমার প্র্যাকটিক্যাল খাতার দিকে তাকিয়ে বলল ছবি আকতে পারছ না বুঝি?আমি এঁকে দেবো.।সত্যি আমি অনেকবার চেষ্টা করেও ছবি থাকতে পারছিলাম না।আমি ওর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "তুমি পারবে আকতে"?
কথাটা শেষ হতেই আমার খাতার উপর একটা আঙ্গুল রেখে বলল,ভূতেরা সব পারে।এরপর সে আমার খাতার উপর একটা আঙ্গুল রেখে আঙ্গুলটি খাতার উপর থেকে নিজ পর্যন্ত নামিয়ে নিয়ে গেল ওমা দেখলাম খাতায় ছবিটা আঁকা হয়ে গেল।অমনি নিজে থেকেই আমার মুখটা হা হয়ে খুলে গেল।

"মুখটা বন্ধ কর তোমার মশারির ভিতর অনেক মশা ঢুকে আছে।এবার মশাগুলো তোমার মুখে ঢুকে যাবে।"কথাটা বলেই আবার বাটি থেকে দুটো চিড়ে নিয়ে মুখে পুরে দিল।
আমিও হাটা বন্ধ করে দিলাম। খাতাটা বন্ধ করে ওকে জিজ্ঞেস করলাম "ওই তোমার নাম কি? "
আমার নাম দীপ সেন।আর তোমার নাম মনিদিপা রায়।
হ্যাঁ -তুমি কি করে জানলে ও তুমি তো ভুত ভুলেই গেছিলাম।
আচ্ছা তুমি ঠাকুর কে ভয় পাও না
না কেন
আমিতো জানি ভূতেরা ঠাকুর কে ভয় পায়
ঠাকুরকে ভয় পায় যারা খারাপ তারা ঠাকুর কে ভয় পায় আর যারা ভালো তারা ঠাকুর কে ভয় পায় না, যেমন আমি।
ও আচ্ছা তো তুমি ভূত হলে কিভাবে মানে মারা গেলে কিভাবে
সে অনেক বড় গল্প
হ্যাঁ হোক না তাতে ক্ষতি কি? তুমি বলো।
কোন ক্ষতি নেই তোমার সাথে গল্প করবো বলেই তো এসেছি।
গল্প বলবে বলে আমার কাছে এসেছো কেন ?
তুমি ভূতেদের সাথে গল্প করো না গল্প করো না।
হ্যাঁ,, করি কিন্তু সবসময় না"। কারণ সন্ধ্যা হলে অনেক ভূত যায় তদের আপনজনদের সাথে দেখা করতে আবার অনেক ভূত যায় মানুষজনকে ভয় দেখাতে।
কিন্তু আমার ওগুলো ভালো লাগেনা তাই আমি এমনি নিজের মনে ঘুরে বেড়াই।
তুমি তোমার বাবা মার সাথে দেখা করতে যাওনি?
না, কারণ ওরা আমাকে দেখলে ভয় পাবে। এ কারণেই যাইনি।
ও আচ্ছা এখন বল তুমি ভূত হলে কিভাবে?
বললো তবে আমার একটা শর্ত আছে?
কি শর্ত?
"আমাকে চিরে ভাজা খাওয়াতে হবে। "
এটা আবার কোন শর্ত হলো নাকি।
তুমি গল্প বলা শুরু কর, যে তুমি কিভাবে ভূত হলে?
সে বলল এ কথা বলেই সে আবার হাওয়ার মতো মশারির
বাইরে বেরিয়ে গেল। আর বলল কাল শোনাবো আজ আর নয়।
আমি বললাম এখন বললে কি সমস্যা?
সে বলল, "এখন সকাল হয়ে যাচ্ছে দিনের আলো ফুঠতে শুরু করেছে এখন আমার ফিরতে হবে আবার কাল আসবো", কাল এসে তোমাকে গল্প শোনাবো।
কথাটা বলেই জানালা দিয়ে হওয়ার মত বেরিয়ে গেল ভূত।

(গল্পটির দ্বিতীয় পাঠ শুনতে আমার পেজটি ফলো দিয়ে রাখুন। খুব শীঘ্রই দ্বিতীয় পাট নিয়ে আবার হাজির হব। আরো গল্পটি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।)

কুয়োর ডাক.....(পর্ব-১)মাধব নামে একটি রাখাল ছেলে,গ্রামের সব গরু চরাতে নিয়ে আসে সে।রোজ সকালে সে গরু নিয়ে আসে জঙ্গলে,আর সূ...
05/11/2024

কুয়োর ডাক.....(পর্ব-১)

মাধব নামে একটি রাখাল ছেলে,গ্রামের সব গরু চরাতে নিয়ে আসে সে।রোজ সকালে সে গরু নিয়ে আসে জঙ্গলে,আর সূর্য যখন ঠিক পশ্চিমের কোলে ঢলে পড়ে ঠিক তখনই সে গরু নিয়ে চলে যায়।

কিন্তু আজ তার গরুর দল নিয়ে ফিরে আসতে অনেক বেলা হয়ে গেছে,গাছে এক পাতা থেকে আর এক পাতায় সূর্যের আলো লাফিয়ে লাফিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর গাছের ডালে বসে থাকা পাখির আওয়াজ ধীরে ধীরে গাছের সাথে ধাক্কা খেতে খেতে মিলিয়ে যাচ্ছে জঙ্গলের গভীর অন্দরমহলে।জঙ্গলের ভেতর বাতাসে সো সো চিৎকার,নিচে পড়ে থাকা সহস্র শুকনো পাতার খসখসে আওয়াজ আর জঙ্গলের শূন্য নিস্তব্ধতা, এটা বেশ গা ছমচমে পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

হঠাৎ মাধবের খেয়াল হলো গরুর দলের মধ্যে একটা কালো রঙের নাদুস নুদুস গরু ছিল কিন্তু এখন সেটিকে দেখা যাচ্ছে না মাধব ভাবলো তাহলে কি চড়তে চড়তে অন্যদিকে চলে গেল নাকি?মাধব প্রশ্নগুলো ভাবতে ভাবতে জঙ্গলের ভিতর চষে বেড়াতে লাগলো।

হঠাৎ সে দেখতে পেলো কুয়োর কাছে দারিয়ে কুয়োর ভিতরে এক দৃষ্টিতে তকিয়ে আছে গরু টা,যেন তার প্রচন্ড জল তেস্টা পেয়েছে, এজন্যই কুয়োর দিকে অমন ভাবে তাকিয়ে আছে,মাধব যেই গরুটার কাছে যাবে বলে একটা বাড়িয়েছে অমনি, বিশাল একলাফ দিয়ে গরুটা কুয়োর জলের ভিতর পড়ে গেল,একটা প্রচন্ড জলের আওয়াজ হয় নেমিসেই সেটা শান্ত হয়ে গেল,মাধব দৌরে গেল কুয়োর কাছে এবং মুখ ঢুকিয়ে কুয়োর ভিতরে দেখতে লাগল কি আশ্চর্য এত বড় প্রাণীটা নিমিসেই যেন কুয়োর জলের তলায় তলিয়ে গেল,কুয়োর জলটা যেন শিকারির মত চুপ করে শিকারের আশায় শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে,একবারও পলোক পরছেনা তাতে
আর না আছে কোন ছোট ছোট কম্পিত জলের ঢেউ।

মাধবের সেই গরুটির মত অবস্থা হলো, শত চেষ্টা করে কুয়োর জল থেকে চোখ সরাতে পারছে না,কিশের একটা মায়াজালে যেন সে আটকে পড়েছে, হঠাৎ মাঝে লক্ষ্য করল কুয়োর কালো রঙের জলের মধ্য দিয়ে একটা কুৎসিত চেহারার একটা মহিলা তার দিকে তাকিয়ে তাকে হাত বাড়িয়ে ডাকছে আর বলছে....আমাকে উদ্ধার করো.. আমাকে উদ্ধার করো,..আমি বাঁচতে চাই...

একটু পরেই তার রূপ যেন বদলে গেল,তার চোখে যেন ফুটে উঠেছে প্রতিশোধের আগুন,বুকের ভিতর থেকে বেরিয়ে এলো একটা রক্ত জল করা মুখের হাসি,কিছুক্ষণ পর চারিপাশ নিস্তব্ধ হয়ে গেল,হঠাৎ জলে একটা ভারী কিছু পড়ার আওয়াজ ছাপিয়ে গেল পুরো জঙ্গলে আর ধীরে ধীরে তা মিলিয়ে গেল জঙ্গলের গভীর অন্দর মহলে।............

মাধবের শেষ পরিনতি কি হলো জানতে পেইজটিতে লাইক, ফলো দিয়ে পাশে থাকুন।*

খুদা লাগছে 🤣🤣
23/06/2024

খুদা লাগছে 🤣🤣

রাসেল ভাইপারের তেল মালিশ করলে বিশেষ অঙ্গ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো শক্তিশালী হয়ে যায়।এই গুজব গ্রামে ছড়িয়ে দেন দেখবেন এই জিনিস ব...
20/06/2024

রাসেল ভাইপারের তেল মালিশ করলে বিশেষ অঙ্গ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো শক্তিশালী হয়ে যায়।

এই গুজব গ্রামে ছড়িয়ে দেন দেখবেন এই জিনিস বিনাশ হয়ে গেছে 😁

ইজ্জত এর গো মেরে গেছে 😒
16/05/2024

ইজ্জত এর গো মেরে গেছে 😒

বন্ধু যখন BTS ফ্যান🙂
17/01/2024

বন্ধু যখন BTS ফ্যান🙂

My Friend😅 ゚viralシ
31/12/2023

My Friend😅
゚viralシ

😁😁😁 ゚viralシ
14/12/2023

😁😁😁
゚viralシ

টুকি 😄
06/12/2023

টুকি 😄

Address

Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when G H O S T S T O R Y posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share