Arham Adil

Arham Adil I'm Lamia, Sharing Arham's activists and lifestyle

মাঝে মাঝে আমার জানতে ইচ্ছা করে এই অখাদ্য বানানো শুরু কে করেছিল আর আইডিয়া কার ছিল।চিনিতে ভরা প্যাকেটের সেরেলাক তো অফই করত...
23/08/2026

মাঝে মাঝে আমার জানতে ইচ্ছা করে এই অখাদ্য বানানো শুরু কে করেছিল আর আইডিয়া কার ছিল।চিনিতে ভরা প্যাকেটের সেরেলাক তো অফই করতে পারলেন না।তার উপর কম্পিটিশান দিয়ে মায়েরা এই অখাদ্য বানাচ্ছেন আর প্রাউডলি বলছেন ও।কি যে ভয়ংকর অবস্থা।

Dr.Tajrina Rahman Jenny
Child Specialist

আপু দাদী জোর করে বিস্কুট দেয়"কিছু বলতে পারি না। বাচ্চাকে ডায়পার পড়াতে দেয় না  কিছু বলতে পারি না'"আবারপরিবারেে এক সদস্য প...
16/07/2026

আপু দাদী জোর করে বিস্কুট দেয়"কিছু বলতে পারি না।
বাচ্চাকে ডায়পার পড়াতে দেয় না কিছু বলতে পারি না'"
আবার
পরিবারেে এক সদস্য পা ভেম্গে দিচ্ছে াআপনারা বলতে পারেন না।

কেন?

সন্তানের নিরাপওা আগে কি ঝামেলার হবে সেটার ভয় বেশি।

১ম ঘটনা এটা মাসখানেক আগে কিশোরগঞ্জ কুলিয়ারচরের ঘটনা এটি।

৪ মাসের বাচ্চা নিখোজ ২৬দিন ধরে হন্যে হয়ে খুঁজে শিশুর বাবা-মা। তাদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে যায়। অথচ চোখের সামনেই ঘাতক চাচী , চোখের সামনেই সেই টয়লেট।

আকারে ছোট্ট হওয়ায় টয়লেটের দূর্গন্ধের সাথে মিলিয়েই গিয়েছিলো এই ছোট্ট মানুষটি।

পরিত্যক্ত এই টয়লেটের বেড়া ভেঙ্গে যাওয়ায়, সেটি ঠিক করতে গিয়ে শিশুর বাবার মনে হলো, কেন না টয়লেট ওয়াশ করি, পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করার জন্য। পরিষ্কার করতেই বেরিয়ে আসে অবশিষ্টাংশ।

অতটুকু বাচ্চা কত কস্ট পেয়ে মারা গিয়েছে ভাবুন

এবার ২য় ঘটনা কে না দেখেছেন ২ মাসের বাচ্চাকে। চাচী পা ভেম্গে দিয়েছে।
জিগ্যেসা বাদে বলে এটা এআই। কিন্তু ভিডিও টা আসল। মা বাবা পরিবারিক ঝামেলার ভয় ঘটনা অস্বীকার করল।
অন্য একজন মানবাধিকার কর্মী অবশেষে মামলা করে।

নিজের সংসার বাঁচাতে পারিবারিক চাপে! অপরাধী আইনের হাত থেকে বেঁচে যায়।

এদেশীয় বাবাদের কথা আর নাই বলি, এরা সন্তান জন্ম দেয় বৃদ্ধ বয়সের সার্পোট হিসেবে।

এই বাচ্চার বাপ ইনকাম নাই ভাইয়রের টাকায় চলে অথচ বাচ্চা ফুটিয়ে বসে আছে?

কেন? মহিলার ১ম কথা শুনছেন আমরা ভাসুরের টাকায় চলি। মানে সে চাইলেও প্রকাশ করতে পারে না।

এই মহিলারা যে এমন সংসার থেকে বের হবে তাও পারে না। এদের বেশী ভাগ দেয় বাল্যবিবাহ দিবে না, আছে শিক্ষাগত যোগ্যতা না আছে প্রতিবাদ করার ক্ষমতা।

নিজের ইনকামের পয়সায় বাচ্চা কে বড় করবে সেটা তাদের কাছে অকল্পনীয় ।

নয়তো পৃথিবীতে কোন মা আছে? যার সন্তানকে অন্য কেউ আঘাত করলে হৃদয় ভাঙ্গবে না! বিচার চাইবেনা?

পূর্ব শত্রুতার ক্ষোভ ভয়ঙ্কর জিনিস। বিশেষ করে নারীদের মনে পুষে রাখা ক্ষোভ

যেগুলো নারী স্বজনেরা ঘটিয়েছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে।

আপনি কোন আমলে, কখন কার সাথে তর্ক করেছেন, ঝগড়া করেছেন।
বিশেষ করে গ্রামে যত অঘটন ঘটে নিকট আত্বীয় মধ্যে।

। কে আপনার সাফল্যে অখুশি! কার সাথে কবে কথা কাটাকাটি হল।
আপনি হয়তো ভুলেই গিয়েছেন কিংবা ভেবেছেন স্বাভাবিক কোন ঘটনা!

সেই ক্ষোভের বলি হতে পারে আপনার সন্তান।

আপনার সন্তানকে চোখে চোখে রাখুন। সন্তান জন্ম দেওয়ার চেয়ে এখন সন্তানকে নিরাপদে এই জাহেলিয়াত যুগে বাঁচিয়ে রাখাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

❤️❤️
28/06/2026

❤️❤️

20/05/2026

বাচ্চার খাওয়া নিয়ে
যাদের খুব চিন্তা হয়
যাদের মনের শান্তি নষ্ট হয়
যাদের জীবন ব‍্যর্থ মনে হয়

৫ টি জিনিস মাথায় রাখবেন—

১. পরিমাণ

বাচ্চা এবং বুড়ো কেউ প্রতিবেলায় একই পরিমাণ খায় না। যদি কোনো বেলাই বাচ্চার প্লেট খালি না হয়, ২ চামচ পরিমাণ খাবার কম নিন। শেষ হয় কিনা দেখুন।

বাচ্চার পেট আপনার মনের আশার সমান নয়। এটা খুব ছোট। বারবার খালি হয়, বারবার ভরে মাত্র ১/২ চামচেই। যখনই তাকে জোর করতে হচ্ছে তার মানে ওই খাবার তার শরীর চায় না, তার ওটা কোনোই দরকার নেই।

২. সুষম খাবার

সব পুষ্টি বাচ্চা একবেলার খাবারে খাবে না। খেতে হবেও না। আর প্রতিবেলা একইভাবেও খাবে না। খেয়াল রাখতে পারেন সারাদিনে সব ধরনের খাবার (রংও খেয়াল করতে পারেন, ৫ টি রঙের খাবারঃ লাল, কমলা-হলুদ, সবুজ, সাদা/বাদামী, নীল/বেগুনি খাবার সারাদিন মিলে খেলো কিনা।

৩. বুকের দুধ খাওয়া সমস‍্যা না

এরকম কথা প্রচলিত আছে যে বুকের দুধ খেলে সলিড খায় না। বুকের দুধ খেতে চাইলে সেটা দিবেন না আবার সলিড খেতে না চাইলেও সেটা ঠুসতে যাবেন এই ভুলটা করবেন না। বুকের দুধ খাওয়া বাচ্চা কম সলিড খায়, কারণ তার পুষ্টি বুকের দুধ থেকে পূরণ হয়। এটা ভালো।
বুকের দুধের মত পুষ্টিসম্পন্ন খাবার আর হয়না। এটা খেলে কারো কোনো ক্ষতি হয়না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, শরীর পুষ্টি পায়।

৪. ওজন বাড়ে না

টডলাদের ওজন হুহু বাড়ে না যেভাবে নবজাতকদের বাড়ে। টডলার সময়টা মানসিক বিকাশের বেশি। ওজন না বাড়া কোনো চিন্তার কারণ নয় । তবে ওজন কমলে চিন্তার কারণ আছে।

ওজন বাড়ে না মানে মুখটা শুকনো লাগে, বুকের পাজর বের হয়ে থাকে, হাড্ডি গোণা যায়, পেট ভেতরে ঢুকে থাকে— এইসব বস্তাপচা কথা না। ওজন মাপার মেশিন যা বলে সেটাই ওজন।
চোখে চোখে ওজন মাপা যায় না।
সুস্থ বাচ্চার পেট কখনো বের হয়ে থাকবে না। পাজরের হাড় গোণা যাবে। এবং মুখটা শুকনো লাগবে।

৫. টডলাররা খাওয়া ছেড়ে দেয়, আবার ধরে

বাচ্চারা খাবার খাওয়া একসময় কমিয়ে দেয়, আবার বাড়িয়ে দেয়। এর সাথে সম্পর্ক আছে—
আবহাওয়া
অসুস্থতা
পরিবারে কোনো পরিবর্তন (মা/বাবা/পরিবারের সদস‍্যের হঠাৎ অনুপস্থিতি)
পরিশ্রম

আবার কখনো কোনো কারণ ছাড়াই খায় না।

এ সময় নিজেকে ছাড় দিন। নিজে খান, ওকে সময় দিন। একবেলা, এক দিন এমনকি এক সপ্তাহ না খেলেও বাচ্চাদের বিরাট ক্ষ তি হয় না। পর্যাপ্ত পুষ্টি অবশ‍্যই গুরুত্বপূর্ণ, এবং সেই সাথে গুরুত্বপূর্ণ খাবারের সাথে সুন্দর সম্পর্ক।

আমাদের বৈশাখের শুরু❤️
16/04/2026

আমাদের বৈশাখের শুরু❤️

13/04/2026

বাচ্চাকে পটি ট্রেনিং করানোর জন্য যে জিনিসগুলো আমাদেরকে সাহায্য করবে:

🐥প্রস্তুতি :পটি ট্রেনিং এর প্রক্রিয়াটা আসলে তেমন জটিল না , অনেক সময়ও লাগে না (অনেকের মাত্র তিন দিন লাগে ) যদি আপনি আগে থেকে প্রস্তুতি নেন। ঠিকমতো প্রিপারেশন নেওয়া যে কিভাবে কি করবেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

🐥তাড়াহুড়া না করে বাচ্চা পটি ট্রেনিং এর জন্য প্রস্তুত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বাচ্চা রেডি কিনা এটা বোঝার কয়েকটা সাইন হলো : বাচ্চা কথা বলতে পারে , বেসিক ইন্সট্রাকশন্স ফলো করতে পারে , বাথরুম ব্যবহার করা নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে , রিপিটিশন এর মাধ্যমে নতুন জিনিস শিখতে পারে ইত্যাদি।

🐥বাচ্চাকে প্রাইভেট পার্টসের সঠিক নাম শেখানো , এটা নিয়ে যদি আপনার নিজের মধ্যে সংকোচ কাজ করে তাহলে বাচ্চাও সংকোচ বোধ করবে।

🐥ট্রেনিং এর প্রথম দিন থেকে ডায়পার পুরোপুরি বাদ দিয়ে দেওয়া।একবার ডায়পার বাদ দিয়ে পটি ট্রেনিং শুরু করলাম তারপর আবার ডায়পার পড়ালাম কিছু দিন এতে বাচ্চার মধ্যে কনফিউশন তৈরী হতে পারে আর পুরো জিনিষটাতে বেশি সময় লাগতে পারে।

🐥ট্রেনিং এর জন্য আগে থেকে নির্দিষ্ট তিন দিন ঠিক করে রেখেছিলাম যখন অন্য সব কাজ বাদ দিয়ে শুধু এটা করেছি। আগে থেকে সব প্রস্তুতি নেওয়া ছিল তাই খুব বেশি সময় লাগেনি।

🐥বাচ্চাকে অনেক আগে থেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেছি , পটি ট্রেনিং নিয়ে বই পড়েছি ওর সাথে , ডায়পার কখন বাদ দিবো ঐটা নিয়ে আলোচনা করেছি , পুরো প্রক্রিয়াটা অনেকবার বুঝিয়ে বলেছি।

🐥পটি ট্রেনিং শিশুর বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন। অনেক দেশেই বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য আবশ্যক স্কিল এটা । পটি ট্রেনিং শুধু টয়লেটে তে বসে পটি করাকে বলে না , বাচ্চা যখন নিজে থেকে নিজের শরীরের সংকেত বুঝে কারো সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে পটি করতে পারে তখন ঐটাকে পটি ট্রেইনড হওয়া বলে। এই স্কিল শিশুকে body autonomy, self independence, self hygiene, communication এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শেখাতে সাহায্য করে। তাই বাবা মায়ের এ ব্যপারে শেখার দরকার আছে যাতে তারা শিশুকে এই সময়টায় সাহায্য করতে পারে।

09/04/2026

'জেন্টল প্যারেন্টিং' নাকি স্রেফ 'লাই দেওয়া'? বুঝবেন কীভাবে আপনি কোন পথে হাঁটছেন?.....

আমরা অনেকেই ছোটবেলায় কথায় কথায় বকা বা মার খেয়ে বড় হয়েছি। তাই বাবা-মা হওয়ার পর আমরা মনে মনে প্রতিজ্ঞা করি—"আমার সন্তানের গায়ে আমি কখনো হাত তুলব না, ওকে বকা দেব না।" আমরা ইন্টারনেট ঘেঁটে 'জেন্টল প্যারেন্টিং' (Gentle Parenting) শেখার চেষ্টা করি।

কিন্তু বাস্তবে কী ঘটছে? বাচ্চা হয়তো সুপারশপে খেলনার জন্য মাটিতে শুয়ে চিৎকার করছে, আর মা-বাবা অসহায়ভাবে বলছেন, "বাবু প্লিজ কেঁদো না, আচ্ছা নাও কিনে দিচ্ছি।" কিংবা বাচ্চা রাগের মাথায় মাকে চড় মারছে, আর মা হাসিমুখে বলছেন, "আম্মুকে মারে না বাবা, এটা ব্যাড ম্যানার।" মারধর না করা মানেই কি জেন্টল প্যারেন্টিং? আধুনিক চাইল্ড সাইকোলজি বলছে—একেবারেই না! এটি জেন্টল প্যারেন্টিং নয়, এটি হলো পারমিসিভ প্যারেন্টিং (Permissive Parenting) বা সহজ বাংলায় 'লাই দেওয়া'।

কিডোরার আজকের এই বিশেষ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলে আমরা জানবো, এই দুই পদ্ধতির সূক্ষ্ম পার্থক্য কোথায় এবং কীভাবে 'স্নেহ' দেখাতে গিয়ে আমরা অজান্তেই সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিচ্ছি।

ভুলটা কোথায় হচ্ছে? (The Confusion)
আমরা যখন আমাদের বাবা-মায়েদের 'টক্সিক' বা কঠোর শাসন থেকে বেরিয়ে আসতে চাই, তখন পেন্ডুলামের মতো আমরা একদম বিপরীত দিকে চলে যাই। আমরা ভাবি, বাচ্চাকে 'না' বলা যাবে না, বাচ্চার চোখে পানি আসতে দেওয়া যাবে না।

কিন্তু সাইকোলজি বলছে, বাচ্চাদের মানসিক বিকাশের জন্য শুধু 'ভালোবাসা' (Warmth) যথেষ্ট নয়, তাদের সুস্থ 'সীমানা' বা বাউন্ডারি (Boundaries) প্রয়োজন।

পারমিসিভ প্যারেন্টিং (লাই দেওয়া): এখানে ভালোবাসা আছে ১০০%, কিন্তু কোনো নিয়ম বা সীমানা নেই (০%)। বাবা-মা বাচ্চার কান্নার ভয়ে সব আবদার মেনে নেন।

জেন্টল প্যারেন্টিং (সঠিক শাসন): এখানে ভালোবাসা আছে ১০০%, এবং সেই সাথে সীমানা ও নিয়মও আছে ১০০%। এখানে বাবা-মা বাচ্চার আবেগকে সম্মান করেন, কিন্তু ভুল আচরণকে প্রশ্রয় দেন না।

লাই দেওয়ার (Permissive Parenting) ভয়ংকর পরিণতি কী?

যেসব বাবা-মা সন্তানের সব জেদ মেনে নেন, তারা হয়তো সাময়িকভাবে বাচ্চার কান্না থামিয়ে শান্তি পান। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর ফল হয় মারাত্মক:

১. ইমোশনাল রেগুলেশনের অভাব: যে শিশু কখনো 'না' শোনেনি, সে বড় হয়ে বাইরের পৃথিবীতে (স্কুল, কলেজ বা কর্মক্ষেত্রে) কারও 'না' সহ্য করতে পারে না। সামান্য প্রত্যাখ্যান বা রিজেকশনেই তারা ভেঙে পড়ে বা ডিপ্রেশনে ভোগে।
২. এনটাইটেলমেন্ট (Entitlement): এরা মনে করে পুরো পৃথিবী তাদের চারপাশে ঘোরে এবং সবাই তাদের আবদার মেটাতে বাধ্য।
৩. চরম অ্যাংজাইটি (Anxiety): বাচ্চারা আসলে নিয়ম পছন্দ করে। নিয়ম তাদের মনে নিরাপত্তা দেয়। যখন তারা দেখে পরিবারে কোনো নিয়ম নেই, বাচ্চার জেদেই সব চলে—তখন তারা নিজেদের অরক্ষিত (Insecure) ভাবে। কারণ তাদের কোনো 'শক্তিশালী লিডার' বা গাইড নেই।

পার্থক্য বুঝুন বাস্তব উদাহরণ দিয়ে (Real-Life Scenarios)
ধরা যাক, পার্ক থেকে বাসায় ফেরার সময় হয়েছে, কিন্তু আপনার বাচ্চা কিছুতেই ফিরবে না। সে কান্না আর চিৎকার শুরু করলো। তিন ধরনের প্যারেন্টিংয়ের পার্থক্য খেয়াল করুন:

❌ টক্সিক বা কঠোর শাসন: (ধমক দিয়ে বা চড় মেরে) "চুপ করো! একদম কাঁদবে না। আমি বলেছি এখন যাব, মানে এখনই যাব। চলো বলছি!" (এখানে বাচ্চার আবেগের কোনো দাম নেই)।

❌ পারমিসিভ বা লাই দেওয়া: (অসহায় হয়ে) "আচ্ছা বাবা কেঁদো না প্লিজ। ঠিক আছে, আর মাত্র ৫ মিনিট খেলো। এরপর কিন্তু সত্যি চলে যাব।" (এখানে বাবা-মা বাউন্ডারি ধরে রাখতে পারলেন না, বাচ্চার জেদের কাছে হেরে গেলেন)।

✅ জেন্টল প্যারেন্টিং: (চোখের লেভেলে বসে, শান্ত কিন্তু দৃঢ় স্বরে) "আমি জানি তুমি আরও খেলতে চাও। পার্ক থেকে যেতে তোমার খুব কষ্ট হচ্ছে, তাই না? (আবেগকে স্বীকৃতি দেওয়া)। কিন্তু আমাদের বাসায় ফেরার সময় হয়ে গেছে (বাউন্ডারি)। তুমি কি নিজে হেঁটে গাড়িতে যাবে, নাকি আমি তোমাকে কোলে করে নিয়ে যাব? (নিয়মের মধ্যে থেকে অপশন দেওয়া)।"

বাচ্চা এরপরও হয়তো কাঁদবে। জেন্টল প্যারেন্টিংয়ের উদ্দেশ্য বাচ্চার কান্না থামানো নয়। উদ্দেশ্য হলো—বাচ্চাকে এটা বোঝানো যে, "তোমার কষ্ট পাওয়ার অধিকার আছে, কিন্তু নিয়মটা পরিবর্তন হবে না।"

সঠিক 'জেন্টল প্যারেন্টিং' চর্চার ৩টি মূলমন্ত্র
আপনি যদি সত্যিই সন্তানকে মানসিক ও আবেগিকভাবে সুস্থ মানুষ হিসেবে গড়তে চান, তবে নিচের ৩টি রুল মেনে চলুন:

১. আবেগকে 'হ্যাঁ' বলুন, আচরণকে 'না' (Validate emotion, stop behavior):
বাচ্চা রেগে গিয়ে খেলনা ছুঁড়ে মারলে তাকে বলুন, "আমি বুঝতে পারছি তুমি খুব রেগে আছো। রাগ হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমি তোমাকে জিনিস ছুঁড়ে মারতে দেব না। এতে অন্যের ব্যথা লাগতে পারে।" এরপর খেলনাটি সরিয়ে নিন।

২. ধারাবাহিকতা (Consistency is Key):
আজ মন ভালো থাকলে বাচ্চাকে চকলেট দিলেন, আর কাল মন খারাপ থাকলে ধমক দিলেন—এমনটা করা যাবে না। আপনার 'না' যেন সবসময় 'না'-ই থাকে। বাচ্চার কান্না দেখে যদি আপনি নিজের সিদ্ধান্ত বদলান, তবে বাচ্চা শিখে যাবে যে—কান্নাই হলো তার সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

৩. আপনি বাচ্চার বন্ধু নন, আপনি তার 'প্যারেন্ট':
অনেক বাবা-মা গর্ব করে বলেন, "আমি আমার বাচ্চার বন্ধু।" কিন্তু বাচ্চার অনেক বন্ধু আছে, তার একজন 'বাবা' বা 'মা' প্রয়োজন। এমন একজন লিডার প্রয়োজন, যে ঝড়ের সময় (বাচ্চার ইমোশনাল মেল্টডাউনের সময়) শান্ত থেকে তাকে সঠিক পথ দেখাবে।

পরিশেষে
জেন্টল প্যারেন্টিং কোনো সহজ কাজ নয়। এটি সবচেয়ে কঠিন প্যারেন্টিং। কারণ এখানে বাচ্চার আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করার আগে, বাবা-মাকে নিজেদের আবেগ, রাগ এবং অধৈর্য হওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

আপনার কাজ সন্তানকে সবসময় খুশি রাখা নয়; আপনার কাজ হলো তাকে পৃথিবীর কঠিন বাস্তবতার জন্য প্রস্তুত করা। তাই ভালোবাসুন নিখাদভাবে, কিন্তু নিয়মগুলো স্থাপন করুন শক্তভাবে।

Address

Kader Khan Road
Khulna
9100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arham Adil posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Arham Adil:

Shortcuts

Share