Arham Adil

Arham Adil I'm Lamia, Sharing Arham's activists and lifestyle

আমাদের বৈশাখের শুরু❤️
16/04/2026

আমাদের বৈশাখের শুরু❤️

09/04/2026

'জেন্টল প্যারেন্টিং' নাকি স্রেফ 'লাই দেওয়া'? বুঝবেন কীভাবে আপনি কোন পথে হাঁটছেন?.....

আমরা অনেকেই ছোটবেলায় কথায় কথায় বকা বা মার খেয়ে বড় হয়েছি। তাই বাবা-মা হওয়ার পর আমরা মনে মনে প্রতিজ্ঞা করি—"আমার সন্তানের গায়ে আমি কখনো হাত তুলব না, ওকে বকা দেব না।" আমরা ইন্টারনেট ঘেঁটে 'জেন্টল প্যারেন্টিং' (Gentle Parenting) শেখার চেষ্টা করি।

কিন্তু বাস্তবে কী ঘটছে? বাচ্চা হয়তো সুপারশপে খেলনার জন্য মাটিতে শুয়ে চিৎকার করছে, আর মা-বাবা অসহায়ভাবে বলছেন, "বাবু প্লিজ কেঁদো না, আচ্ছা নাও কিনে দিচ্ছি।" কিংবা বাচ্চা রাগের মাথায় মাকে চড় মারছে, আর মা হাসিমুখে বলছেন, "আম্মুকে মারে না বাবা, এটা ব্যাড ম্যানার।" মারধর না করা মানেই কি জেন্টল প্যারেন্টিং? আধুনিক চাইল্ড সাইকোলজি বলছে—একেবারেই না! এটি জেন্টল প্যারেন্টিং নয়, এটি হলো পারমিসিভ প্যারেন্টিং (Permissive Parenting) বা সহজ বাংলায় 'লাই দেওয়া'।

কিডোরার আজকের এই বিশেষ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলে আমরা জানবো, এই দুই পদ্ধতির সূক্ষ্ম পার্থক্য কোথায় এবং কীভাবে 'স্নেহ' দেখাতে গিয়ে আমরা অজান্তেই সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিচ্ছি।

ভুলটা কোথায় হচ্ছে? (The Confusion)
আমরা যখন আমাদের বাবা-মায়েদের 'টক্সিক' বা কঠোর শাসন থেকে বেরিয়ে আসতে চাই, তখন পেন্ডুলামের মতো আমরা একদম বিপরীত দিকে চলে যাই। আমরা ভাবি, বাচ্চাকে 'না' বলা যাবে না, বাচ্চার চোখে পানি আসতে দেওয়া যাবে না।

কিন্তু সাইকোলজি বলছে, বাচ্চাদের মানসিক বিকাশের জন্য শুধু 'ভালোবাসা' (Warmth) যথেষ্ট নয়, তাদের সুস্থ 'সীমানা' বা বাউন্ডারি (Boundaries) প্রয়োজন।

পারমিসিভ প্যারেন্টিং (লাই দেওয়া): এখানে ভালোবাসা আছে ১০০%, কিন্তু কোনো নিয়ম বা সীমানা নেই (০%)। বাবা-মা বাচ্চার কান্নার ভয়ে সব আবদার মেনে নেন।

জেন্টল প্যারেন্টিং (সঠিক শাসন): এখানে ভালোবাসা আছে ১০০%, এবং সেই সাথে সীমানা ও নিয়মও আছে ১০০%। এখানে বাবা-মা বাচ্চার আবেগকে সম্মান করেন, কিন্তু ভুল আচরণকে প্রশ্রয় দেন না।

লাই দেওয়ার (Permissive Parenting) ভয়ংকর পরিণতি কী?

যেসব বাবা-মা সন্তানের সব জেদ মেনে নেন, তারা হয়তো সাময়িকভাবে বাচ্চার কান্না থামিয়ে শান্তি পান। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর ফল হয় মারাত্মক:

১. ইমোশনাল রেগুলেশনের অভাব: যে শিশু কখনো 'না' শোনেনি, সে বড় হয়ে বাইরের পৃথিবীতে (স্কুল, কলেজ বা কর্মক্ষেত্রে) কারও 'না' সহ্য করতে পারে না। সামান্য প্রত্যাখ্যান বা রিজেকশনেই তারা ভেঙে পড়ে বা ডিপ্রেশনে ভোগে।
২. এনটাইটেলমেন্ট (Entitlement): এরা মনে করে পুরো পৃথিবী তাদের চারপাশে ঘোরে এবং সবাই তাদের আবদার মেটাতে বাধ্য।
৩. চরম অ্যাংজাইটি (Anxiety): বাচ্চারা আসলে নিয়ম পছন্দ করে। নিয়ম তাদের মনে নিরাপত্তা দেয়। যখন তারা দেখে পরিবারে কোনো নিয়ম নেই, বাচ্চার জেদেই সব চলে—তখন তারা নিজেদের অরক্ষিত (Insecure) ভাবে। কারণ তাদের কোনো 'শক্তিশালী লিডার' বা গাইড নেই।

পার্থক্য বুঝুন বাস্তব উদাহরণ দিয়ে (Real-Life Scenarios)
ধরা যাক, পার্ক থেকে বাসায় ফেরার সময় হয়েছে, কিন্তু আপনার বাচ্চা কিছুতেই ফিরবে না। সে কান্না আর চিৎকার শুরু করলো। তিন ধরনের প্যারেন্টিংয়ের পার্থক্য খেয়াল করুন:

❌ টক্সিক বা কঠোর শাসন: (ধমক দিয়ে বা চড় মেরে) "চুপ করো! একদম কাঁদবে না। আমি বলেছি এখন যাব, মানে এখনই যাব। চলো বলছি!" (এখানে বাচ্চার আবেগের কোনো দাম নেই)।

❌ পারমিসিভ বা লাই দেওয়া: (অসহায় হয়ে) "আচ্ছা বাবা কেঁদো না প্লিজ। ঠিক আছে, আর মাত্র ৫ মিনিট খেলো। এরপর কিন্তু সত্যি চলে যাব।" (এখানে বাবা-মা বাউন্ডারি ধরে রাখতে পারলেন না, বাচ্চার জেদের কাছে হেরে গেলেন)।

✅ জেন্টল প্যারেন্টিং: (চোখের লেভেলে বসে, শান্ত কিন্তু দৃঢ় স্বরে) "আমি জানি তুমি আরও খেলতে চাও। পার্ক থেকে যেতে তোমার খুব কষ্ট হচ্ছে, তাই না? (আবেগকে স্বীকৃতি দেওয়া)। কিন্তু আমাদের বাসায় ফেরার সময় হয়ে গেছে (বাউন্ডারি)। তুমি কি নিজে হেঁটে গাড়িতে যাবে, নাকি আমি তোমাকে কোলে করে নিয়ে যাব? (নিয়মের মধ্যে থেকে অপশন দেওয়া)।"

বাচ্চা এরপরও হয়তো কাঁদবে। জেন্টল প্যারেন্টিংয়ের উদ্দেশ্য বাচ্চার কান্না থামানো নয়। উদ্দেশ্য হলো—বাচ্চাকে এটা বোঝানো যে, "তোমার কষ্ট পাওয়ার অধিকার আছে, কিন্তু নিয়মটা পরিবর্তন হবে না।"

সঠিক 'জেন্টল প্যারেন্টিং' চর্চার ৩টি মূলমন্ত্র
আপনি যদি সত্যিই সন্তানকে মানসিক ও আবেগিকভাবে সুস্থ মানুষ হিসেবে গড়তে চান, তবে নিচের ৩টি রুল মেনে চলুন:

১. আবেগকে 'হ্যাঁ' বলুন, আচরণকে 'না' (Validate emotion, stop behavior):
বাচ্চা রেগে গিয়ে খেলনা ছুঁড়ে মারলে তাকে বলুন, "আমি বুঝতে পারছি তুমি খুব রেগে আছো। রাগ হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমি তোমাকে জিনিস ছুঁড়ে মারতে দেব না। এতে অন্যের ব্যথা লাগতে পারে।" এরপর খেলনাটি সরিয়ে নিন।

২. ধারাবাহিকতা (Consistency is Key):
আজ মন ভালো থাকলে বাচ্চাকে চকলেট দিলেন, আর কাল মন খারাপ থাকলে ধমক দিলেন—এমনটা করা যাবে না। আপনার 'না' যেন সবসময় 'না'-ই থাকে। বাচ্চার কান্না দেখে যদি আপনি নিজের সিদ্ধান্ত বদলান, তবে বাচ্চা শিখে যাবে যে—কান্নাই হলো তার সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

৩. আপনি বাচ্চার বন্ধু নন, আপনি তার 'প্যারেন্ট':
অনেক বাবা-মা গর্ব করে বলেন, "আমি আমার বাচ্চার বন্ধু।" কিন্তু বাচ্চার অনেক বন্ধু আছে, তার একজন 'বাবা' বা 'মা' প্রয়োজন। এমন একজন লিডার প্রয়োজন, যে ঝড়ের সময় (বাচ্চার ইমোশনাল মেল্টডাউনের সময়) শান্ত থেকে তাকে সঠিক পথ দেখাবে।

পরিশেষে
জেন্টল প্যারেন্টিং কোনো সহজ কাজ নয়। এটি সবচেয়ে কঠিন প্যারেন্টিং। কারণ এখানে বাচ্চার আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করার আগে, বাবা-মাকে নিজেদের আবেগ, রাগ এবং অধৈর্য হওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

আপনার কাজ সন্তানকে সবসময় খুশি রাখা নয়; আপনার কাজ হলো তাকে পৃথিবীর কঠিন বাস্তবতার জন্য প্রস্তুত করা। তাই ভালোবাসুন নিখাদভাবে, কিন্তু নিয়মগুলো স্থাপন করুন শক্তভাবে।

Important things of parenting are spending time together ❤️❤️
16/03/2026

Important things of parenting are spending time together
❤️❤️

09/03/2026

বাবুকে ১ বার খিচুড়ি রান্না করে গরম করে সারাদিন খাওয়ানো যাবে⁉️

১ম মত খিচুড়ি মত মিস্কডখাবার ১ বেলার বেশি দেওয়া উচিত না।

📌খিচুড়ি তে সবজি মিশিয়ে রান্না হলে সেটা পুনরায় গরম করলে সবজির পুস্টিগুন নস্ট হয়। যেমন গাজর রান্না পর ২য় বার গরম করা হল, গাজরে থাকা নাইট্রেট
ক্ষতিকারন হয়ে ওঠে। আবার রান্না করার পর গরম করলে ভিটামিন বি, এ নস্ট হয়ে যায় ।

তাই বার বার গরম করা যাবে না❌

✅ কীভাবে খিচুড়ি সংরক্ষণ করবেন
📌 খিচুড়ি ঘরের তাপমাত্রায় ২ ঘণ্টার বেশি রাখবেন না।
📌 রান্না করার পর ঠান্ডা হলে এয়ারটাইট বক্সে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন, যদি এক বেলার রান্না করা খিচুড়ি অন্য বেলায় দিতে চান।

🔥 কীভাবে গরম করবেন
📌 খিচুড়ি সরাসরি বারবার চুলায় গরম না করাই ভালো। এতে কিছু ভিটামিন (বিশেষ করে ভিটামিন B ও C) কমে যেতে পারে।

📌 সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি হলো ডাবল বয়লার পদ্ধতি
একটা পাত্রে গরম পানি নিন → তার মধ্যে স্টিলের বাটি রাখুন → বাটিতে খিচুড়ি দিয়ে ধীরে ধীরে গরম করুন। এতে খাবারের গুণাগুণ তুলনামূলক ভালো থাকে।
📌 একবার গরম করা খিচুড়ি আবার ফ্রিজে রাখা বা দ্বিতীয়বার গরম করা ঠিক না।
❌ কখন খাওয়াবেন না
❌ যদি খিচুড়ি ফ্রিজে না রেখে অনেকক্ষণ বাইরে রাখা হয়।
❌ যদি গন্ধ, রং বা স্বাদ অস্বাভাবিক লাগে।

📌 শিশুর বয়স ৬–১২ মাস হলে যতটা সম্ভব ফ্রেশ রান্না করা খাবার দেওয়াই ভালো।
📌 তাই ছোট পরিমাণ করে রান্না করা সবচেয়ে ভালো, যাতে প্রতিবার ফ্রেশ খাওয়ানো যায়।
📌 প্রয়োজনে সকালে রান্না করে দুই ভাগ করে রাখা যেতে পারে
একভাগ সকালে, একভাগ দুপুরে।
এক্ষেত্রে এয়ারটাইট বক্স বা হটপট ব্যবহার করতে পারেন।

Masha allah

শিশুর ভালো ঘুমের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয়---✅ ১. ঘুমের রুটিন তৈরি করুনপ্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম পাড়ানোর অভ্যাস গড়ু...
05/03/2026

শিশুর ভালো ঘুমের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয়

---

✅ ১. ঘুমের রুটিন তৈরি করুন

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম পাড়ানোর অভ্যাস গড়ুন (রাতে ও দুপুরে)।

নিয়মিত রুটিন শিশুর শরীরে ঘুমের ঘড়িকে (biological clock) সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। এটা বাচ্চা অভ্যাসে পরিনত হয়৷ টানা ১৫ দিন একি রুটিন ফলো করুন। যদি ধরেন রাত ১১ টায় ঘুমাতে নেন। টানা ১৫ দিন রাত ১১ টা মানে ১১ টাই বেডে দিবেন।

---

✅ ২. ঘুমের আগে শান্ত পরিবেশ তৈরি করুন

📌ঘুমানোর ৩০-৪৫ মিনিট আগে আলো কমিয়ে দিন, উচ্চ শব্দ বন্ধ করুন।

📌টিভি, মোবাইল, ট্যাব ইত্যাদি বন্ধ রাখা ভালো।

📌গল্প বলা, গান বা নিদিষ্ট সুরা পড়ুন এই অভ্যাস ভালো ঘুমাতে সাহায্য করে।

📌লাইট অফ করে ঘুম পাড়ান নবজাতক বাচ্চারা দিন রাতে পার্থক্য বোজে না তাই রাতে লাইট অফ করে হালকা আলোতে ঘুম পাড়ান। আমি জন্ম পর থেকে লাইট অফ করে ঘুম পড়াই।

---

✅ ৩. আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করুন

📌ঘর যেন ঠান্ডা, পরিচ্ছন্ন ও নিরব হয়।

📌বিছানা, বালিশ ও কাপড় আরামদায়ক হওয়া দরকার।

📌নবজাতকের মায়ের কাছাকাছি ঘুম পাড়ান মায়ের গায়ের ঘ্রান বাচ্চাকে নিরাপদ অনুভব করায়।

✅ ৪. রাতে পেট ভরে খাওয়ান (কিন্তু বেশি না)

📌বাচ্চা খালি পেটে থাকলে ভালো ঘুম হয় না।

📌তবে খুব ভারী খাওয়াও যেন না হয়।সহজপাচ্য হয়। অনেকে খিচুড়ি দেন খিচুড়ি সুপার ফুড হলেও এটা অনেক কিছু মেশানো খাবার । যেহেতু রাতে পুরো বডি রেস্ট নেয় তাই বডির অর্গান একটিভ থাকে না, এরজন্য গ্যাস হতে পারে।

📌ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে দুধ বা হালকা খাবার ঘুমের আগে দিতে পারেন।

---

✅ ৫. দিনের ঘুম সঠিকভাবে সমন্বয় করুন

📌বয়স অনুযায়ী দিনে ১-২ বার ঘুম দরকার হতে পারে।

📌কিন্তু অতিরিক্ত দিনের ঘুম রাতে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

---

✅ ৬. শারীরিক পরিশ্রম বা খেলা

📌শিশুকে দিনে পর্যাপ্ত খেলার সুযোগ দিন।

📌এতে সে রাতে সহজে ঘুমাতে পারে।

---

✅ ৭. নিরাপত্তার অনুভূতি দিন
শিশু যেন মা-বাবার আশপাশে নিরাপদ অনুভব করে।

📌মায়ের কোল, চেনা গন্ধ, পরিচিত কণ্ঠশিশুকে শান্ত করে।

---

✅ ৮. ঘুমের আগে স্ক্রিন টাইম বন্ধ করুন (১ বছর+)

মোবাইল বা টিভি ঘুমে সমস্যা করে।

রাতে ঘুমের আগে স্ক্রিন টাইম সম্পূর্ণ বাদ দিন।

---

✅ বয়সভিত্তিক ঘুমের সময় (প্রায়)

বয়স মোট ঘুমের সময়/দিন

০–৩ মাস ১৪–১৭ ঘন্টা
৪–১১ মাস ১২–১৫ ঘন্টা
১–২ বছর ১১–১৪ ঘন্টা
৩–৫ বছর ১০–১৩ ঘন্টা

Copied

Address

Kader Khan Road
Khulna
9100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arham Adil posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Arham Adil:

Share